ক্যাটাগরি একান্ত অনুভূতি

গাছ দাঁড়িয়ে আছে, নির্ভার নির্ঘুমতায়, তুমুল শব্দ তোলে মৌয়ের মাছিরা, চুম্বন বৃষ্টিতে, ঘুঘু-মা ব্যস্ত, ডিম তদারকিতে, এক-ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা, বহু-কাল-ঘণ্টা, আঁকড়ে ধরে সময়ের লম্বা-মোটা সুতা, এই ঝুম-বৃষ্টিতে বাকল-উজ্জ্বলতা, সময়ের বিষণ্ন-বন্ধ্যত্বের কল্পনা-কিরণে; কাম আনলের কাম-অন্ধত্বে, শিকড়ের তলে তলে, তল-আশনাইয়ের নির্বাধ আনন্দ-বিমূর্ততা, ঢেউ তোলে, দেখতে-ও মন্দ লাগে-না, শুধু ‘ফোঁসফোঁসানিটুকু’ ছাড়া!! চোখ-মাখা নির্লজ্জতাটুকুও দারুণ; দারুণ গন্ধ-স্পর্শের স্বচ্ছ-রেখার মসৃণ [ বিস্তারিত ]

ক্ষ্যাপা ধুমকেতু

রিতু জাহান ১৩ জুলাই ২০১৮, শুক্রবার, ১০:৪৪:৩৮অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৪ মন্তব্য
অবমানিত মর্যাদাহীন অবকাশরঞ্জিনী অভিমান মলিন এক মুখ নির্ভয়ে হেঁটে যায় অবক্রপথে ঈঙ্গুদী বনে, অন্তহীন অবক্ষয়ে প্রাণ স্থির, অন্তিম ক্ষণ জীর্ণতম জীবনের জড় দৃষ্টি। বর্ষা-ঝরা রৌদ্রালোকিত এ বন মুক্ত বাতায়ন, বাতাসে সুমধুর সুপারি ফুলের ঘ্রাণ, ভায়োলিনের এলোমেলো সুর এসব জীবনকণার সুন্দরতম ক্ষ্যাপা ধুমকেতু। ,,,,,রিতু,,, ১৩/০৭/১৮.কুড়িগ্রাম। শুন্যর লেখা পড়ে যেতে ইচ্ছে হলো নিজের এমন কোনো এক বনে। [ বিস্তারিত ]

রাস্তা

শুন্য শুন্যালয় ১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ০২:৫৪:৩৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৮ মন্তব্য
বুকের ভেতর একটা রাস্তা, এলিভেটর এর মতো চলে বেড়াচ্ছে, কিংবা আমি চলছি, কে জানে! জংগল, বালি, পাথড়ের মতো বুকের উচ্ছিষ্ট জায়গাগুলোর উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একদিন এই রাস্তাটা তৈরি হয়ে গেলো। রাস্তার পাশের মানুশগুলোকে আমি চিনতে পারছিনা, তবে তাদের প্রত্যেকের একটা করে নিজস্ব শব্দ আছে। আমি চোখ বন্ধ করে মটকা মেরে রাস্তার উপর পড়ে আছি, [ বিস্তারিত ]

বন্য

নীলাঞ্জনা নীলা ১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৪:৪৮পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ১৪ মন্তব্য
[caption id="attachment_58058" align="aligncenter" width="491"] ধনুকের মতো বেঁকে থাকা আলো-রঙের বন্যতা...[/caption] রোদের গা ছুঁয়ে ফড়িং মেলেছে ডানা, আর আমি ম্যাপল পাতা হাতে নিয়ে বসে আছি রোদ লাগাবো বলে। ঝর্ণার জলের ভেতর পানকৌড়ির মতো কেটেছি সাঁতার, ডুবেছিলাম আমার ভেতরের "আমি"র মধ্যে। তারপর ছুঁয়ে নিয়ে এসেছি এক আঁজলা প্রশান্তি, শুধু তোমাকে দেবো বলে। তুমি জানো ধানের শিসে কীভাবে [ বিস্তারিত ]

অকপট বৃষ্টি-ম্যাম

ছাইরাছ হেলাল ১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার, ১১:০৭:৩২পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
প্রমাণ সাইজের মাছরাঙ্গাটি একাকী শুধুই ভিজছে, ভিজছে, প্রবল বৃষ্টিতে; বিরস বিষণ্ণ বদনে, লম্বা ঠোটে কড়া লাল-হলুদ মেখে, ধ্যানী চৌহদ্দি ফেলে; আশেপাশে দেখছিনা কোন মাছ-আবাস, খপ করে ধরে গপ করে গিলে খাবে; লম্বা শক্তপোক্ত ঠোট গড়িয়ে ফোটায় ফোটায় বৃষ্টি ঝরছে, মাথা ঝাঁকিয়ে ঝেড়ে ফেলছে বারে বারে; ভিজে টুপুটুপু এ-পাখা ও-পাখা, পা-ও তুলে তুলে পানি ঝেড়ে ফেলছে; [ বিস্তারিত ]
প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত নারীরা বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন পেশার পুরুষের কাছে বিভিন্ন ভাবে ধর্ষিত হচ্ছে! রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে বাসের ড্রাইভার, সবজি-ওয়ালা থেকে শুরু করে মাছ-ওয়ালা, ফলের দোকানি থেকে শুরু করে কাপড়ের দোকানির কাছে প্রতিটা জায়গায় প্রতিটি মুহূর্তে মেয়েরা লাঞ্ছিত অপমানিত হচ্ছে! এ থেকে কবে আমরা পরিত্রাণ পাবো? এই সমাজের পুরুষেরা কবে মেয়েদের শুধু মেয়ে নয়, মানুষ [ বিস্তারিত ]
জীবন এক যাযাবর পড়ন্তকালে যা ছিল যুবককালে, জীবন,  সংসারে বিলিন বিবাহিতে জীবন ঘানি নিভু নিভু মান-অভিমানে। সংসার করি কিবা না করি মনে মনে ধ্যাত্তেরি ভালো লাগে না কোনে হাপর ফাপর জীবন কোনে হিমসিম কস্ট, দুঃখ গাত্রে। সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টির একত্রিত লন্ডভন্ড মানুষ, জীবজন্তু, গাছগাছালী খন্ডখন্ড। সবই আছে কিছুই নায় মরি মরি, আহা মরি, হায় হায়! বুদ্দিসুদ্দি [ বিস্তারিত ]

বৃষ্টির চিৎকার

ছাইরাছ হেলাল ১১ জুলাই ২০১৮, বুধবার, ১১:০৬:৪৪পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
অঝোর-বৃষ্টিকে এবার বিদায় বলার কথা ভাবি, ভাবতে ভাবতে বলেই ফেলি, বৃষ্টিও আমাকে; এ ও কে বলি, ও ও আমাকে বলে, বলাবলি চালু থাকে। ও একটু বেশি-বেশিই বলে, আমি বলি-না। শুধুই ডাকি, বিদায়ের ডাক। বলা-বলি, কওয়া-কওয়ির শেষের পাশ-সীমান্তে দাঁড়িয়ে শৈশবি বাতাসে কিসের যেন গন্ধ খুঁজে পাই বুকের গভীরে অনেকটা জায়গা জুড়ে; গড়িয়ে পড়া ভেজা-কাঁচের ওপাশ থেকে [ বিস্তারিত ]

শকুন্তলা

রিতু জাহান ১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার, ০৩:৫৬:৪১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৩ মন্তব্য
হঠাৎ মনের কোণায় কোথাও যদি ঝড় উঠে আওয়াজ তুলনা। তোমার নিত্য সোজা ও যাত্রা পথে একটুকু সময় হলে, চলে যেও চুপটি করে পূণ্য সে তপবনে। নিত্য তোমার জীবন পথে, তোমাকে ঘিরে থাকে অস্ত্রশস্ত্র, কবচ-অলঙ্কারে একদল সিপাহী। বাঁকা পূণ্য ও তপবনে তোমার যোদ্ধাবেশ মনাবে না ফেলে এসো সে সব যুদ্ধের বেশ। আমার স্নানের ঘাটের কল্কলের প্রান্ত [ বিস্তারিত ]

আহা দুষ্মন্ত

ছাইরাছ হেলাল ১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার, ০৫:৩৯:২৮পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৬ মন্তব্য
দুষ্মন্তের চোখে ফাঁকি ছুঁড়ে দেখা হয়েছিল/করেছিল তার/সে শকুন্তলার সাথে!! বল্কল মনোহারিণী; তৃতীয় চতুর্থের (প্রিয়ংবদা, অনসূয়া) আনাগোনায় কিঞ্চিত কৃত্রিম কুপিত হয়ে চোখ গেলে দেয়ার ভয়ে দূরে পালালো তারা; সময় বহিয়া যায় রূপে-রসে, মধু আলাপে, পরিশ্রান্ত তৃপ্ততায় তপোবন-বিরুদ্ধ-ভাবে! অটুট-সতর্কতায়, সৌহৃদ্য সাতিশয় রমণীয়তায়; স্মরণ-বিস্মরণের হা-হুতাশ পেছনে ফেলে নিমগ্ন সোনা-আনন্দধারাজল আচ্ছন্নতায় বাতাবি লেবুর সুবাস ছড়িয়ে; পাহাড়ি মেঘের উপত্যকায় রোদে [ বিস্তারিত ]
পৃথিবীর সব চেয়ে কঠিন কাজ মানুষকে হাসানো।জীবন চলার পথে ঘাত প্রতিঘাতের আঘাতে ঝর্ঝরিত মানুষের সরল মন বেশীর ভাগ সময় থাকে কোন না কোন বিষয়ের সমাপ্তি বা শুরু নিয়ে চিন্তিত।কারো চিন্তা জটিল কারো বা হলুদ আবার কারো বা ঘোর অন্ধকার।এমন একটি মুহুর্তে মন বিষন্ন থাকাটা স্বাভাবিক।এই বিষন্ন মনকে কিছুটা ভাল রাখতে আমরা ঝুকি কোন না কোন [ বিস্তারিত ]
অঝোর-বৃষ্টি শুয়ে আছে গা-এলিয়ে দীঘল-চুলে, মৃদু হেসে, বৃষ্টি চাঁদরে গা মুড়িয়ে, মেঘেদের ঘন আস্তরণে; আমি আজ কোথাও যাব না/যাচ্ছি না, আমাকে ছেড়ে; কেউ যদি আজ বলত, এখন এই মুহূর্ত থেকে প্রতি ক্ষণে ক্ষণে একটি করে কবিতা/কোবতে লিখে দিতে হবে, তা কবিতা বা কোবতে যাই হোক না কেন, লিখে দিলেই হবে না শুধু, পড়েও শোনাতে হবে [ বিস্তারিত ]
রাজাকারদের প্রধান বিরুদ্ধ ঘটনা মুক্তিযুদ্ধ। তাদের ইচ্ছের প্রধান বাঁধা মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধার বিপরিত শব্দই রাজাকার। ৭১ সনে এই মুক্তিযোদ্ধাদের হাতেই প্যাঁদান খেয়েছে রাজাকাররা। স্বাধীনতার পরে যে অপমান আর নিগ্রহের মাঝে দিন যাপন করেছে রাজাকাররা তা বর্ণনার অতীত। প্রবল প্রতাপশালী রাজাকার গং ৭১ এর ডিসেম্বর হতে ৭৫ এর মধ্য আগস্ট পর্যন্ত উরাশ এর মত জীবন যাপন করেছে। [ বিস্তারিত ]
"আমার শৈশব ও শেকড়ের সন্ধান" ইতিহাস আমার খুব প্রিয় বিষয়। ইতিহাস না জানলে মানুষের জীবনটা অপূর্ণ রয়ে যায়, এটা কেনো যেনো আমার মনে হয়। ইতিহাস পড়তে পড়তে আজ মনে হলো আমার বংশের ইতিহাসটা লিখে রাখি শৈশব কিছু স্মৃতির সাথে। আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যদি কিছুটা জানতে পারে তবে তৃপ্তি পাব। যদিও জানি, বংশের এক পুরুষ থেকে [ বিস্তারিত ]
[caption id="attachment_57922" align="aligncenter" width="366"] সূর্যাস্ত...[/caption] একদিন হঠাৎ করে চলে আসবো পশরা নিয়ে তোমার নগরে, ঘুমন্ত শহরের ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিতে, হাঁক দেবো “এই যে ওঠো, আমি এসেছি।” যেভাবে সাগর অন্ধের মতো পথ তৈরী করে নিয়ে শহর-নগর পত্তন করে, আমিও তৈরী করবো নোতুন বাজার। যেখানে সানন্দচিত্তে ফেরিওয়ালারা বিক্রী হবে পাইকারী ক্রেতা হিসেবে--- ভোরবেলা দরোজায় কোনো শব্দ পেলে, বুঝে [ বিস্তারিত ]

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

আর্কাইভ