শুভ বার্তা

আজো সন্ধ্যা নামে ধরণীর বুকে,অপেক্ষার প্রহর বয়ে যায় ; নেই শুধু তোমার আমন্ত্রণ। অমানিশায় ঢেকে থাকে যামিনী, পঞ্চমী তিথিতে আজো তমালের বনে জোছনা ঝরে; শুধু তোমার ভালোবাসার উর্মি আছড়ে পড়ে না আমার বালুকাবেলায়। আজো ভোর হয় বারান্দায় কাকের কর্কশ ব্যঞ্জন স্বরে। শুধু তোমার বার্তা আসেনা হৃদয়ের ম্যাসেঞ্জারে। টুনটুনি, দোয়েল, শালিক দিনমান শিষ দেয়’ শুভ হোক’ [বিস্তারিত শুভ বার্তা]

বিষের নীল

নিম তিতা, নিশিন্দা তিতা তারো চেয়ে অধিক তিতা তোমার পোড়ামন। মেঘ কালো, আঁধার কালো তার চেয়ে বেশী কালো তোমার অন্তরাত্মা । বিষাক্ত নাগিনে যতটা না বিষ তার চেয়ে অধিক বিষ তোমার অন্তঃস্থলে। যতটা দূর্গন্ধ মৃতশরীরে তার চেয়ে বেশী দূর্গন্ধ তোমার চিত্তপটে। মনে রেখো একজন তোমায় ভালোবেসেছিল, শুধুই ভালোবেসেছিল। বিনিময়ে শুধু তোমার হাসিমাখা মুখ খানি- বুকের [বিস্তারিত বিষের নীল]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৭

তমালের ম্যাসেজ পেলো । তন্বীর সাথে কথা বলতে চায়। তন্বী কথা বলার জন্য একটু সময় চাইলো। তন্বীর তখন হৃদয়ে কালবৈশাখী ঝড় উঠেছে। চাকরি করতে এসে এ কোন বিপদ সংকেত পেলো! এভাবে অতীত এর মুখোমুখি হতে হবে , ওর হৃদয়কে তোলপাড় করবে কখনো স্বপ্নেও আসেনি এমন ভাবনা। আকাশ ও তন্বী দু’জনেই এক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে। কেউ [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৭]

রুপালি চন্দ্রকলা

পূর্ণিমার অংশুক পড়েছিলো মুখাবয়বে, সিন্গ্ধতার আবেশ ছড়িয়ে গেলো পুরো পৃথিবী জুড়ে। মোম জোছনায় অঙ্গ ভেজাও, সিক্ত হোক সোনার যৌবন। স্বপ্ন-বিলাসী হয়ে উঠুক চিতার চাবুকে জর্জরিত অন্তরিন্দ্রিয়। মরুভূমির তপ্ত বালুকনায় শ্বেত জোছনা লুটোপুটি; যামিনী পূর্ণশশী সঙ্গমে মাখামাখি আঁধারের মন বিছানায়; আলো-আঁধারির ফাঁদে পড়ে শ্মশানে জ্বলছে মনের যত বাসনা। অমানিশা ভক্ষণ করে পূর্ণিমা; পূর্ণিমা প্রতিহিংসার প্রদীপ জ্বেলে [বিস্তারিত রুপালি চন্দ্রকলা]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৬

তন্বী আজকে কর্মস্থলে যোগদান করতে গেলো। ওর অফিসের সবার সাথে পরিচিত হলো কিন্তু একজনের সামনে এসে থমকে গেলো। এমন একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে তন্বী কিছুক্ষণ স্ট্যাচু হলেও নিজেকে সামলে নিলো। তন্বীর ষোড়শী প্রেম আজ তার সামনে দাঁড়িয়ে। অফিসের ম্যানেজার আকাশ ওর পূর্বপরিচিত, শুধু পরিচিত বললে ভুল হবে ওর একসময়ের জীবন, ভালোবাসা। তন্বী তখন মাত্র স্কুলজীবন [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৬]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৫

আজ তন্বীর জন্মদিন। না জন্মদিন সেভাবে কখনোই পালন করা হয়নি। তবুও প্রতিবছরের ন্যায় এবারো অপেক্ষায় ছিলো কিছু ভালোবাসা পাবার, কিছু সুন্দর মূহূর্ত উপহার পাবার, যা তার সারাজীবনের আনন্দ, সুখ হয়ে মিশে রবে। কিছু বন্ধুদের ছোটখাটো কিছু শুভেচ্ছা পেলো। হঠাৎ একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসলো ,যদিও সে অপরিচিত নাম্বার সহজে রিসিভ করে না । কিন্তু [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৫]

তুমি ছিলে

তুমি ছিলে ৭ই মার্চের রেসকোর্স ময়দানে, তুমি ছিলে মুক্তিকামী জনতার মুক্তির মিছিলে। তুমি ছিলে অবিচল, অনড় সোনার ছেলেদের যুদ্ধজয়ে, তুমি ছিলে অজর, জাতির পিতা- বন্দী কারাগারে। তুমি ছিলে মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখ সমরে, তুমি ছিলে লাখো শহীদের বুকের পাঁজরে। তুমি ছিলে বীরাঙ্গনাদের ভালোবাসার সতীত্বে, তুমি ছিলে মৃত মায়ের আঁচলে শিশুর দুগ্ধপানে। তুমি ছিলে স্বাধীনতার ধমনী- শিরাতে, তুমি [বিস্তারিত তুমি ছিলে]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৪

অসম্মতি জানানোর পর ও তন্বীর সেই ভাই তার উপর অধিকার খাটাতে আসে। তন্বী খুব বিরক্ত হয়। তন্বী বারবার তাকে ফিরিয়ে দেয়। কিন্তু সে যেনো জোঁকের মতো লেগে থাকে তন্বীর উপর। আত্নীয় বলে খারাপ ব্যবহার ও করতে পারছে না। ঐ ভাইকে অপছন্দ করার কারণ ও আছে । ছেলেটি দুশ্চরিত্র, ব্যবহার ও ভালো না। আদম ব্যবসা করে [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৪]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৩

তন্বী না পারছিলো তমালকে বেঁধে রাখতে, না পারছিলো বাঁধন খুলে দিতে। কথা না বললে তমাল তখন খুব আবেগ দেখায়। তন্বী আরো বেশী দুর্বল হয়ে পড়ে তমালের প্রতি। হঠাৎ তমাল বললো,’আমাকে ক্ষমা করো । আমাদের মধ্যে যা হচ্ছে সেটা অন্যায়। তুমি আমাকে পাবেনা তাই মায়া বাড়িয়ে লাভ নেই, কষ্ট পাবে তুমি। বন্ধু ছিলাম বন্ধুই থাকি। আমরা [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৩]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০২

হঠাৎ তন্বীর মধ্যে এক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলো। তন্বী যেন উঠতে, বসতে, ঘুমাতে তমাল কে অনুভব করতে লাগলো। একদিন স্বপ্নে তমালকে আপন করে পেলো। তন্বী নিজেকে ভ্রম বলে সান্তনা দিলো। তন্বী যেন ঘোরের মধ্যে চলে গেলো। ভাবলো হয়তো কথা বলতে বলতে , ওর সবকিছু নিয়ে ভাবার কারণেই এমন হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয়বার যেদিন স্বপ্নে দেখলো সেদিন [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০২]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০১

তন্বী আজ অনেকক্ষণ নীরবে ঘরের দরজা বন্ধ করে কেঁদেছে। কাঁদতে কাঁদতে চোখ দুটো ফুলে গেছে। চল্লিশোর্ধ নারীর এমন আবেগ, আচরণ মানায় না তবুও সে নিজেকে কিছুতেই মানাতে পারলো না। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সংসারে থাকে, কিছুদিন হলো নতুন চাকুরীর চেষ্টা করছে। আগেরটা আর ভালো লাগছিলো না তার কাছে , তাই ছেড়ে দিলো। হঠাৎ একদিন স্কাইপে একজনের সাথে [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০১]

অষ্টাদশী প্রেম

স্মরণের বাতায়ন খুলে তোমারি অপেক্ষায়- কত শত কথার পংক্তিমালা সাজায় অবোধ্য,বেশরম মনটা। অহোরাত্র তোমারি বাসনায়; উত্তাল-পাতাল কুমারী যৌবন নেশার স্ফুলিঙ্গ ছড়ায়। প্রণয়ের অনুভূতিতে শিহরিত অষ্টাদশী কুমারী। সলাজে লজ্জাবতী যেন করমচা আদল পায়। স্নানঘরে জলস্পর্শে তোমারি চুম্বন- চুয়ে যায় কপোল বেয়ে বক্ষচূড়ায়। রজঃস্বলা জরায়ুতে তোমারি বীর্যপাতের অঙ্কুর ফোঁটাতে চায়। রেশমী বিকেলে সন্ধ্যার সোনা-রঙ যখন আলিঙ্গনে কম্পিত; [বিস্তারিত অষ্টাদশী প্রেম]

অভিনয়-শৈলী

ভাবনার রঙ্গমঞ্চে কত অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অভিনয় করে গেলো হাসি-কান্না ঝরিয়ে। অভিনয় শেষে যে যার গন্তব্যে- চলে গেলো সময়ের স্রোতধারায়। নদী আর সময় কারো জন্য নয়, কেউ হয়তো -একটু আগের প্রিয়জন; একটু পরে নিমেষেই হতে পারে অন্য একজন। পথ চলতে চলতে নিত্যদিন- কত জনের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদান হয়, চেনা-জানা হয়- তারা কি সবাই চিরকাল মনের আয়নায় প্রতিফলিত [বিস্তারিত অভিনয়-শৈলী]

আত্মাহুতি

কৃষ্ণকালো জলে মেয়েটি আত্মাহুতি দিলো- তার সাথে তার সাজানো স্বপ্ন,ভালোবাসা ও ছিলো। মনের ব্যাস-ব্যাসার্ধের হিসাবটা তার জানা না ছিলো। তাইতো সূলভেই সবার আপন হয়ে যেতো; অন্ধের মতো সবাইকে বিশ্বাস করতো- পাপ-পূণ্যের খতিয়ানটা মেলাতে পারলো না। সমাজের কদর্যতা ধরতে পারলো না। ভালোবাসা, ঘৃণার জ্যামিতিক নকশা অবোধ্য রয়ে গেলো । হীরকখন্ড আর পাথরের কাঠিন্য অজানাই রয়ে গেলো। [বিস্তারিত আত্মাহুতি]

কষ্টের বার্তা

সাঁঝের ছায়া নেমে আসে ধরণীর বুকে, কোলাহল মুখর এ ধরাকে ভরিয়ে দেয়- নিস্তব্দতার আঁধারে। আষাঢ়ের ঘনঘটা কালো মেঘ আসে- চঞ্চল, অশান্ত মনটাকে নিশ্চল করতে, আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখতে। আনন্দধারাকে অমানিশার কালোতে ভরিয়ে দেয়- কষ্টের আর্তনাদ। পাওয়ার আনন্দকে নিমেষেই ধূলিসাৎ,ছারখার করে- হারাবার শঙ্কিত ছায়া। এভাবেই দুঃখরূপী রাতের আঁধার সবার মাঝে দেয় ধরা।