জয় হোক মানবতার

আজ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন । ১৪২৬ সাল বিদায় নিয়েছে, এসেছে ১৪২৭ সাল। এবারের নববর্ষটা এসেছে বাঙালির দ্বারে অন্যরকম হয়ে। প্রতিবছর যে আনন্দ-উল্লাস , জাঁকজমক নিয়ে নববর্ষের আগমন ঘটে এবার তার ঠিক উল্টোটা ঘটলো। নেই নতুন ফ্যাশন, নতুন সাজসজ্জা, পান্তা -ইলিশের অযাচিত পসরা, মঙ্গল শোভাযাত্রা। যে পান্তা- ইলিশ তথাকথিত ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে আজকের নববর্ষে সেটা [বিস্তারিত জয় হোক মানবতার]

বৈশাখী যামিনী

বিশাখানক্ষত্রযুক্তা পূর্ণিমায় তটিনীর লহরীতে দুধেল শুভ্রতা; সারি সারি লহরী আছড়ে পড়ছে বিদীর্ণ , বিস্তীর্ণ তটের আবক্ষে। তেপান্তরের মাঠে মোহন বাঁশির সুরে বিমূর্ত যামিনী আকন্ঠ নিমজ্জিত; অভিলাষের জোয়ারে ভেসে যায় কামার্ত তনুমন। আলস্য-নিমগ্নতায় ছুঁয়ে যায় প্রকৃতির বিরান ভূমি; শ্রান্ত-অবিশ্রান্ত কায়াখানি নিস্তেজ, নিগূঢ় পড়ে রয় মেটো শয্যায়। তলদেশে জলজ জনেরা নৃত্য-গীত করে- আর টপাটপ মনুষ্য-ফাঁদের বলয়ে অবরুদ্ধ [বিস্তারিত বৈশাখী যামিনী]

আমার প্রিয় শহর, প্রিয় এলাকা

মনে পড়ে সেই শিশুকালের কথা। যখন মাত্র এক -পা, দু-পা করে হাঁটতে শিখেছি তখনই রাজধানীর বুকে পা রেখেছি। বাবার চাকরি সূত্রে রাজধানী ঢাকাতে আগমন- মুখের বুলি ফোঁটার আগেই, কিছু বোঝার আগেই। রাজধানীতে এসে প্রথমেই ঠিকানা হলো ঢাকার বকশীবাজার এলাকাতে। ওখানে কিছু দিন কাটানোর পর চলে এলাম হাতিরপুলের ভূতেরগলিতে। তখন এখানে একটাই স্কুল আর মসজিদ ছিলো। [বিস্তারিত আমার প্রিয় শহর, প্রিয় এলাকা]

তুমি আসবে বলে

তুমি আসবে বলে  শাড়ি পড়েছি, কপালে পড়েছি সিঁদুর রাঙা টিপ। দু’চোখ মেখেছি কাজল কালিতে, খোঁপায় গুঁজেছি একগুচ্ছ শ্বেত শুভ্র ফুল। দু’হাতে পড়েছি কয়েক গুচ্ছ রেশমী কাঁচের চুড়ি। অধরের পাপড়ি সেজেছে মিষ্টি অধরঞ্জনীতে। আলতারাঙ্গা নগ্ন পায়ে জড়িয়েছি রূপালী মঞ্জীরদল। তুমি আসবে বলে নীলাম্বর সেজেছে মেঘের গুচ্ছে- তোমাকে আমাকে ভেজাবে বৃষ্টির শীতল পরশে। চৈতালি থমকে গেছে দিগন্তের [বিস্তারিত তুমি আসবে বলে]

সোনেলায় আমি

মনের টানে সোনেলাকে ভালোবেসে যাই , কোথায় রাখি তোরে জায়গা না খুঁজে পাই। ইকরাম দাদা ভাই বলে, ‘ছোটদি- লেখা চাই, লেখা চাই’। হেলাল ভাইয়ের মন্তব্যে মজা, প্রেরণা দু’টোই পাই। ইঞ্জা ভাইয়ের মিষ্টি মন্তব্যে- দিশা না পাই। তৌহিদ ভাই শুধু বলে, ‘ অভিভূত হয়ে যাই’। সাবিনা আপু – ‘অবিরাম ভালোবাসা জানিয়ে যাই’। পারভীন আপু – ‘চমৎকার [বিস্তারিত সোনেলায় আমি]

তুই কি হবি আমার!

তুই কি আমার সুখ হবি /দুঃখ হবি? সুখ হলে হাসিতে মুক্তো ছড়াবো, দুঃখ হলে ব্যাথার নীলে জড়িয়ে নেবো বুকের পাঁজরে। তুই কি আমার ভালোবাসা হবি/ঘৃণা হবি? ভালোবাসা হলে প্রেমের সাম্পান ভাসাবো নীল দরিয়ায়, ঘৃণা হলে হারিয়ে যাবো তেপান্তরের ধূধূ বালুচরে। তুই কি আমার জাগরণ হবি/ঘুম হবি? জাগরণ হলে কথার ফুলঝুরি ফোটাবো , ঘুম হলে স্বপ্নে [বিস্তারিত তুই কি হবি আমার!]

ভালোবাসার খুনি !!

এই তুমি তো সেই তুমি নও – যাকে আমি ভালোবেসেছিলাম, যাকে দেবতার আসন অর্পণ করেছিলাম। যার আবেগে,কান্নায় নিজেকে সমর্পিত করেছিলাম অবলীলায়। দেখছি ,ভাবছি আর অবাক হচ্ছি- একই অঙ্গে এতো রূপ! এই কি সেই তুমি? এতো নিষ্ঠুর, নির্দয় তুমি? আমাকে কাঁদিয়ে তুমি সুখ পাও নির্দ্বিধায়, তুমি খুনি! তুমি হাসতে পারো খুনি হয়েও, তুমি ভালো থাকতে পারো [বিস্তারিত ভালোবাসার খুনি !!]

সময় ও প্রকৃতির প্রতিশোধ

হায়রে মানুষ, রঙীন মানুষ, রঙীন ফানুস! সব বদ্ধঘরে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছে। এ-বেলা, ও-বেলা ছুটোছুটি, লুটোপুটি সব আজ জানালার কার্নিশে ঝুলে আছে। নিস্তব্ধতার কাফনে জড়িয়ে পড়েছে মৃত্যুপুরী। নেইকো চায়ের কাপে ঝড় তোলা, নেইকো কপোত-কপোতীর ম্যাচিং ম্যাচিং সাজের বাহার-ওড়াওড়ি , নেইকো অসহ্য যন্ত্রণার হাইড্রোলিক হর্ণের দাপাদাপি; নেইকো ন’টা পাঁচটা কর্পোরেট ছোটাছুটি, নেইকো কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হুরোহুরি স্কুলের [বিস্তারিত সময় ও প্রকৃতির প্রতিশোধ]

সম্পর্কের টানাপোড়েন – শেষ পর্ব

প্রিয় আকাশ, আশা করি তুমি ভালো আছো, ভালো থাকবে তোমার একমাত্র ভালোবাসা ‘তন্বী’ কে নিয়ে। আমি পারিনি তোমাকে সুখী করতে , পারিনি তোমার ঔরসজাত সন্তান আমার জরায়ুতে ধারণ করতে, তোমাকে ‘বাবা’ ডাক উপহার দিতে। আমাকে ক্ষমা করো প্লিজ। তোমার ভালোবাসা আজ তোমার হাতের মুঠোয়, হয়তো এখানে ঈশ্বরের সমর্থন আছে বলেই এমনটি ঘটলো এতবছর পর। আমি [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন – শেষ পর্ব]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-১০

আকাশ সিদ্ধান্ত নিলো সে তন্বীর কাছে ক্ষমা চাইবে। কিন্তু কিভাবে আগাবে বুঝতে পারছিলো না , যদি তন্বী রিএক্ট করে! একটা সুযোগ যখন বিধাতা দিলো ক্ষমা চাওয়ার , তাকে যেভাবেই হোক ক্ষমা চাইতেই হবে। এদিকে তন্বী দীনার প্রস্তাব গুলো নিয়ে ভাবছিলো। না সে দীনার কোনো সাহায্য নিবেনা। আর আকাশকে বিয়ে করাটা হবে একজন নারী হয়ে আরেকজন [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-১০]

তোমার জন্য অপেক্ষা

আমি অপেক্ষায় আছি- তোমার ভালোবাসার এক এক ফোঁটা সুখ নেব বলে। আমি অপেক্ষায় আছি- তোমার সমস্ত দেনা-পাওনা একটু একটু করে মিটিয়ে দেব আঁচল ভরা বাসনার সুবাসে। তোমার বাম অলিন্দে জমে থাকা যত মান-অভিমানের ডালা , আজ সাজিয়ে দেব আমার অধরের প্রস্ফুটিত গোলাপের পাপড়ি দিয়ে। আজ যদি ঘুমের দল চোখের পাতায় বসত গড়ে; বলবো ভালোবাসতে দাও [বিস্তারিত তোমার জন্য অপেক্ষা]

স্বাধীনতা তুমি

স্বাধীনতা তুমি সবুজের রক্তমাখা মানচিত্র। স্বাধীনতা তুমি দেবযানীর লেপ্টে যাওয়া সিঁদুরের পটচিত্র। স্বাধীনতা তুমি শেখ মুজিবের কারাবন্দী দিনপত্র। স্বাধীনতা তুমি ব্রাশফায়ারে বিভৎস বধচিত্র। স্বাধীনতা তুমি উঠোন জুড়ে, ধানের ক্ষেতে লাশের খন্ডচিত্র। স্বাধীনতা তুমি পুকুর, নদীতে রক্তের বহতা ধারাপত্র। স্বাধীনতা তুমি ধর্ষিতা নারীর উলঙ্গিনী চিত্র। স্বাধীনতা তুমি মুক্তিযোদ্ধার প্রতিশোধের লেলিহান চিত্র। স্বাধীনতা তুমি শকুনের ঠোঁটে লাশের [বিস্তারিত স্বাধীনতা তুমি]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৯

নিজের সাথে অনেক বোঝাপড়া করলো তন্বী। সে দীনার সাথে দেখা করতে গেলো। প্রথমে ওরা একে অপরের কুশলাদি জিজ্ঞেস করলো তারপর একটা রেস্টুরেন্টে কফি আর স্ন্যাকস খেলো । দীনা তন্বীর কাছে জানতে চাইলো তার কোন সম্পর্ক বা ভালোলাগা আছে কিনা? তন্বী বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে দীনাকে প্রশ্ন করলো , ‘আপনি আমাকে কেন দেখা করতে বলেছেন সেটা বলুন?’ [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৯]

করোনা ভাইরাসে গৃহবন্দী

আজ আমি গৃহবন্দী; না কোনো ইভটিজিংয়ের ভয়ে, না কোনো পারমাণবিক বোমার ভয়ে, না কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়ে, না কোনো যুদ্ধের ভয়ে। চারিদিকে সবাই কেমন জানি আতংকিত, সবকিছু কেমন যেন থমথমে। কেমন যেন যুদ্ধের পূর্ববর্তী অবস্থা অনুভব করছি। আমি যুদ্ধ দেখিনি তবে স্বৈরাচারী সরকারের পতন দেখেছি। মনে হচ্ছে যেকোনো মুহূর্তে সব বন্ধ হয়ে যাবে, মৃত্যুপুরীতে পরিনত [বিস্তারিত করোনা ভাইরাসে গৃহবন্দী]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৮

দীনা গত কয়েকদিন ধরে আকাশের চুপচাপ হয়ে যাওয়াটা, তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসা সব খেয়াল করলো। দীনা আকাশের অফিসে গেলো, ভাবলো হয়তো অফিসে কোনো ঝামেলা হয়েছে। গিয়ে শুনলো অফিসিয়াল কোনো ঝামেলা নেই, তার কলিগরা ও এ ব্যাপারে উদগ্রীব। অফিসের কারো সাথে তেমন কথা বলেনা, অফিস ছুটি হলেই বেড়িয়ে পড়ে। একজন বিষয়টি আন্দাজ করেছে । সে বললো [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-০৮]