ঘোর সন্ধ্যা। চারিদিকে নিয়নবাতির আলোর ঝলকানিতে ঝলমল করলেও ঘুটঘুটে অন্ধকারই মনে হলো রূপার। ঘোর সন্ধ্যায় কৃত্রিম আলোয় সজ্জিত স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের উপর দিয়ে পাশাপাশি হাঁটছে রূপা ও অনি। অনি কথা বলছে আর রূপা নিঃশব্দে হেঁটে চলেছে অনির সাথে সাথে। অনি কি বলছে তাতে রূপার বিন্দুমাত্র মনোযোগ নেই। রূপা ভাবছে যেনো সম্পূর্ণ অচেনা, অজানা মানুষ। আজই প্রথম [বিস্তারিত ছোট্ট বেলায় মস্তিষ্কে গেঁথে যাওয়া শব্দ(অনির বউ)_১]
বউটি রাতে স্বপ্ন দেখলো যে ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে ডান পা সামনের দিকে বাড়িয়ে দিলে দেখাতে পাবে একটা সুরমাদানি। আর ঐ সুরমা চোখে দিলে আর করোনা ভাইরাস আক্রান্ত করতে পারবে না। ঘটনা নাকি এমনি সকাল হতে না হতেই এমন একটা খবরে সারাপাড়ার মানুষ ছুটে এলো ঐ বউটার বাড়িতে। সত্য মিথ্যা যাচায় না করেই চোখে সবাই [বিস্তারিত ভাঁওতাবাজি-২]
পড়ন্ত বিকেলে দুয়ারে বসে আনমনে কতো কিছুই ভাবছি। অনেকটা ঘোরের মধ্যেই ছিলাম। কখনো যেনো দাদি এসে পাশে বসেছে খেয়াল করিনি। কয়েকবার নাকি ডেকেছে আমাকে শুনতে পাইনি। শেষে বিরক্ত হয়ে গা ঠেলা দিয়ে বললো ঐ ছুড়িটা কখন থেকে ডাকছি শুনতে পাসনা। বুঝলাম বেচারী বেশ বিরক্ত। আমিও বেশ বিরক্তি নিয়ে বললাম -ধুর ছাতা! কী হয়েছে এতো চিৎকার [বিস্তারিত ভাঁওতাবাজি-১]
সেদিন অফিস থেকে বের হয়ে স্টেশনের উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে আসছি। হঠাৎ কানে পড়লো যারা মুখে গোমাই(মাস্ক) পরে বের হয়েছে তারা আল্লাহকে ভয় নয় করোনাকে ভয় পাচ্ছে। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস নেই। প্লাটফর্মের গা ঘেঁষে দেওয়া একটি দোকানে কয়েকজন বসে আছে। কথা গুলো তারাই বলছে। বুঝতে পারলাম আমাকে দেখেই বলছে। কারণ ঐ সময় আর কেউ ছিলো [বিস্তারিত গণ্ডমূর্খদের মাস্ক বা সাবধানতা নিয়ে ধারণা]
আবার এসেছে ফিরে একুশ বছর আগে কোনো এক বিষণ্ণ উদাসী ফাল্গুনে ঝরে পড়া অপ্রস্ফুটিত গোলাপ কলি। ফিরে এসেছে নতুন করে পাপড়ি মেলতে, মোহনীয় রূপের মায়ায় মোহিত করতে, নেশাতুর মাতাল করা ঘ্রাণে উন্মাদ করতে, ফিরে এসেছে উত্তাল তটিনীর বেশে! নিস্তেজ নিস্তরঙ্গ হৃদয়ে ক্ষিপ্ত- জলোচ্ছ্বাস হয়ে আছড়ে পড়তে, শুকনো মরুরবুকে উন্মত্ত তরঙ্গ- রাশির মতো যৌবনস্রোতে ভাসাতে, ফিরে [বিস্তারিত আবার এসেছে ফিরে]
১.ঈর্ষান্বিত জানত আজ ডাকপিয়নে ঘুরতে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখলাম তোমার লেখা চিঠি। বেশ আগ্ৰহ নিয়ে মনোযোগ সহকারে পড়লাম। চিঠি পড়তে পড়তে হঠাৎ অনুভব করলাম চোখের কোণে জমে গেছে অশ্রুবিন্দু। পলক পড়লেই ভয়াবহ ঝড়ের বেগে গড়িয়ে পড়বে সবটুকু অশ্রু। পাবলিক প্লেস তাই অনেক কষ্টে সংবরণ করলাম নিজেকে। ক্ষণিক পরে দুমড়ে মুচড়ে, ভেঙ্গে চুরে যাওয়া কিছু একটার [বিস্তারিত সব মিলিয়েই ভালোবাসি]
পরশ পাথরের সান্নিধ্য পেয়েছে আর সে নিজেকে সৌভাগ্যবান/সৌভাগ্যবতী মনে করে না এমন মানুষ আছে বলে আমি মানি না। আমি মানি না পরশ পাথরের স্পর্শে নিজেকে ধন্য মনে করে না এমন মানুষ থাকতে পারে । সোনেলা পরশ পাথর আমার জন্য। আর আমি সোনেলার সংস্পর্শে এসে নিজেকে সত্যিই ধন্য মনে করছি। অনেক অজানা জেনেছি সোনেলায় এসে। সোনেলা [বিস্তারিত প্রাণেরমেলা]
আর কতো ভাঙ্গবো! আর কতো ভেঙ্গে চুরে, নতুন করে গড়বো নিজেকে? কাঁচের মমি নই আমি তাই আমার এ ভাঙ্গন, হয় না কারো দৃষ্টি গোচর। আমার এই ভাঙ্গনের শব্দ, কারো কর্ণ ভেদ করে মস্তিষ্কে- তোলে না আলোড়ন। রক্ত মাংসে গড়া ইস্পাতের মানবী আমি! তাই আমার এ ভাঙ্গনের স্বাক্ষী শুধুই আমি। আমার এ ভাঙ্গনের বিভৎস শব্দের তীব্রতা- [বিস্তারিত ভাঙ্গাচুরা আমি]
-আমার একলা নিঃসঙ্গ প্রতিটি মুহূর্ত জানে, আমি তোমাকে কতোটা অনুভব করেছি শুভ্রনীল! যখন একাকীত্বে ভীষণ কষ্ট পেয়ে ভয়ে কুঁকড়ে উঠি। অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে নিঃশব্দে ডুকরে কাঁদি। তখন সে কান্নার প্রতিটি অশ্রু বিন্দু জানে, আমি তোমাকে কতোটা ভালোবেসেছি শুভ্রনীল! এই যে চার দেয়ালের তৈরি ঘরটি যেখানে আমার সকাল দুপুর সাঝ- এমন কি রাত কেটে যায় একাকী, [বিস্তারিত কথপোকথন]
কেনো ঝড় উঠে হৃদয় মাঝে? ব্যথা জাগে মনের কোণে, চোখের বাঁকে জমে জল, দেখলে তাকে অন্য কারোর সাথে। অথচ সে কউ নয় তো আমার! না ছিলো কোনো কালে, তবুও কেনো যায় না মানা, অন্য কারো সাথে তার ভাবখানা। ইলশে গুঁড়ি যায় গড়িয়ে কপোল বেয়ে, প্রচন্ড এক ঈর্ষা জাগে মনে, রক্ত ফোটে টগবগিয়ে,ক্ষত হয় দগদগে দেখলে [বিস্তারিত কেউ নয় সে আমার]
নয়না পরীক্ষা দিতে বাড়ি গেলো। বাপের বাড়ি যেতে না যেতেই একের পর এক ফোন আসে। নয়নার এটা করেছে, ওটা করেছে। ভালো না এ মেয়ে নিয়ে সংসার হবে না। এসব শুনতে শুনতে অস্থির হয়ে উঠে নয়না ও তার পরিবার। এতোকিছুর মধ্যেও নয়না পরীক্ষা দিচ্ছে। একদিন পরীক্ষার সেন্টারে নয়নার বর এলো। নয়না পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে দেখতে [বিস্তারিত জীবনের গল্প-৭]
যখন আমার কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে না তখন নিজের সাথে অনর্গল কথা বলি। আর যখন নিজের সাথেও কথা বলতে ইচ্ছে করে না তখন বেড়িয়ে পড়ি নির্জন নিস্তব্ধ কোনো স্থানে। নির্জন স্থানে গিয়ে হাটুর উপর মাথা রেখে চুপচাপ বসে থাকি অনেকটা সময়। আজও বেড়িয়েছিলাম নির্জনে একা বসে নিঃশ্বাস নেবো প্রাণ ভরে। বাসা থেকে বের [বিস্তারিত কখনো কখনো শান্তি মিলে না]
আজ আমার অস্তিত্ব বিলুপ্ত প্রায়! মনে হচ্ছে এই আছি এই নেই। বুকের বাম অলিন্দে কষ্টেরা যখন, সূচের আঘাতের মতো এফোঁড়-ওফোঁড় করছে- রক্তাক্ত ক্ষত- বিক্ষত করছে তখন, মনে হলো শেষ করে দেই এই অস্তিত্ববিহীন আমাকে। কোনো বিষাক্ত রাসায়নিক ক্যামিকেল গিলে অথবা সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে দেই কদর্য দেহটাকে। কিন্তু আমি পারলাম না, আমি পারলাম না কারণ আমার [বিস্তারিত নতুন জীবনের আহ্বান]
আমায় আর কেউ বলেনি এমন করে, তোমার তরে পুরো পৃথিবীর দ্বার বন্ধ হলে- তুমি চলে এসো প্রিয়া আমার দ্বারে। অট্টালিকার না হোক কুঁড়ে ঘরের রাণী করে রাখবো ! বুকের উপর আসন পেতে বসিয়ে রাখবো। ভালোবাসার আদর সোহাগে ভরিয়ে রাখবো। প্রেমের ঘুড়ি করে হৃদয় আকাশে উড়াবো। আমায় আর কেউ বলেনি এমন করে, প্রিয়দর্শিনী তোমাকে দেখার পরে- [বিস্তারিত বিষণ্ণ বিষাদিত বসন্ত]
নয়নার দেবরের বিয়ে ঠিক হলো। শুক্রবারে বিয়ের দিন ঠিক হলো। কথা হলো মেয়ে কাউকে নিয়ে যাবে না বিয়েতে। তাই নয়নার শাশুড়ি বললো তুমি বাপের বাড়ি যাও। ওখানে থেকে বিয়েতে চলে এসো। নয়না বৃহস্পতিবার বাপের বাড়িতে চলে গেলো। ছোট্ট নয়না সাংসারিক জটিলতা, সাংসারিক রাজনীতি বুঝতে ব্যর্থ। নয়না ধারণাও করতে পারেনি তাকে এই ভাবে সবার সামনে ছোট [বিস্তারিত জীবনের গল্প_৬]