তুই কে রে? তুই আমার কেউ না ! আজ যে ভালবাসার বন্ধনে তুই আমায় জড়াতে চাস সেটা সময়েই উবে যাবে… দেখিস ! আমি হলফ করে বলতে পারি। সময় মানুষকে বদলায় ! আজ যে সুখের জন্যে তুই আমায় আপন করতে চাস সেই সুখ, দুঃখ হয়েই ফিরে আসবে… দেখিস ! মানুষ খুব স্বার্থপর, জানিস? সবাই নিজের সুখেই [বিস্তারিত তুই কে রে…??!! ১৪-০৮-১৪]
তুমি আজ হিসেব কর করায়-গন্ডায় ! যুক্তিদিয়ে বুঝতে চেষ্টা কর সব কিছুই ! কিছু ভুল তুমি তাই সর্বদাই কর এই যে-তুমি ভালবাসাকে যুক্তি দিয়ে বাঁধতে চাও ! ভালবাসাকে কি যুক্তিতে কখনো বাঁধা যায়? একটি পাকা বাড়ি যতটা জমির উপর দাঁড়িয়ে থাকে তুমি ভালবাসতে চাও সেই জমি-সমেত বাড়ীকে ! সেই জমি-সমেত বাড়ির যে অস্তিত্ব আছে !! [বিস্তারিত তোমার হিসেবি ভালোবাসায় আমার বেহিসেবি ভালবাসা !]
ধরণী ছিল অখন্ড করেছি তাকে শত খন্ড ! কখনো বাহুর জোরে কখনো স্বার্থের লোভে ! যারা ছিল গতকাল একই সুতোয় গাঁথা একটি অখন্ড রঙ্গিন সুখের নকশী কাঁথা ! হঠাত করেই হায়েনার আঁচড়ে শত খন্ডে ছিন্ন হল ! সুঁইয়ের এক ফোঁড় থেকে আরেক ফোঁড় দিয়ে বহু দিনের যে আত্মীয় বন্ধন হয়েছিল, তা বহু কালো হায়েনার নোখের [বিস্তারিত শরণার্থী]
ক্যাম্পাসের এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কয়েকজন বন্ধু আড্ডা দিচ্ছে। কোন বিশেষ স্থানে না গিয়ে একাডেমিক ভবনের পাশে দাঁড়িয়েই শুধুমাত্র আড্ডা দেয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে- ক্লাস ছুটির পর-পরই এই ভবনের দরজা দিয়ে বের হবে জুনিয়র ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীরা। মিশন জুনিয়র ছাত্রী দেখা ! কে সুন্দর, কে কী ধরনের সেটা নিয়েই আড্ডা আর চোখের শান্তি !!! বন্ধুদের মাঝেও একছেলে ছিল [বিস্তারিত পুরুষের সম্মান !!]
মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে আমি যেন নির্বাসিত হই ! দুনিয়ার এই কঠোর কুঠারের আঘাত আমার আর সহ্য হয় না । মানুষের বহুরূপী সত্ত্বা আমায় নিজের রূপকেই দ্বিধায় ফেলে দেয় ! চারপাশে একবার হালকা ভাবে তাকাই কি দেখি? দেখি আমাদের ছলনা নিজেই নিজেকে ভুলানোর হাজারো প্রয়াস ! এই যে পথের ধাঁরে-ফুটপাতে যারা শুয়ে আছে তারাই ছলনাহীন [বিস্তারিত নির্বাসন]
জীবনের মানে কি? কেনই বা আমার জন্ম হল? শুধুমাত্র বেঁচে থাকা নাকি আরো অন্য কিছু? আমার মতে জীবনের মানে ২ ধরনের। যথাঃ ১) অনেক কিছু এবং ২) কিছুই না, শুধুই অর্থহীন ! ১)জীবন মানে অনেক কিছু-ব্যাখ্যা : আমরা জন্মেছি। বড় হচ্ছি। গড়ে উঠছে আমাদের একটা পরিবেশ। সেখানের রয়েছে, অনেক সদস্য-মা,বাবা, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব, জীবন সাথী এবং [বিস্তারিত জীবনের মানে কী……!!???]
তোমায় ঘৃণা করবো বলে আজ খুব করে পণ করেছিলাম ! ভেবেছিলাম ভাল যেহেতু বেসেছিলাম অনেক দেখিনা একদিন ঘৃণার রঙ মনের ভিতরে এঁকে ! কিন্তু হায় ! আজ যখন তোমার খারাপ দিকগুলো খুঁজছিলাম, কোন টা ঘৃণার, আর কোনটা যে ভালোবাসার-আমি কুলই পাইনি ! তুমি আমায় যখন খুব বকো-আমারি কিছু ভুলে তখন আমি তোমায় ঘৃণা করতে চেয়েছি [বিস্তারিত তোমায় আজ ঘৃণা করবো বলেই এই কবিতা……]
আমি পুরুষ-হ্যাঁ আমিই পুরুষ ! আমার জন্যেই পৃথিবীর সৃষ্টি আমি তাতেই অবাধ বিচরণ করি ! রাত-বিরাতে, বনে-বাঁদাড়ে আমার যেতে নেই মানা ! আমার অনেক কিছু থাকলেও-তা থাকতে নেই ! আমার লাজ-শরম থাকতে নেই, ভয় থাকতে নেই! ছোটবেলায় একবার নিম্নচাপ হয়েছিল প্রচন্ড আমার, বলেছিলাম পাশের জনকে আমি সেই কথা-সেই লজ্জার কথা ! শুনে বলেছিল-পুরুষ মানুষের লজ্জা [বিস্তারিত আমি পুরুষ]
দুঃখ, তুমি কঠিন সত্য ! তোমার আসাটায় আশা করা যায় না । তুমি আসো, এসে বহুদিনের লালিত সুখকে ছারখার করে দাও ! তোমার রক্তাক্ত প্রান্তরে সুখের রক্তশূণ্য মৃত্যু ঘটে ! সেই রক্তের লাল কণিকার উপস্থিতিতে সুখের যে সুন্দর শুভ্র রঙ ছিল, তাও রক্তিম হয়ে উঠে ! তুমি আসো, বাতাসের চরিত্রে শত বদ্ধতার আড়ালেও ফাঁক-ফোঁকড় ভেদ [বিস্তারিত দুঃখ বন্দনা]
কাল দুপুরে ভাতের চাল জুটেছিল কিন্তু সাথে ছিল না তরকারী বা অন্য কিছু। তবুও ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে নিয়ে মোটামুটি ভাতের মাড় দিয়ে দুপুরের এবং রাতের খাবার হয়ে গিয়েছিল। এ ঘটনা মাসের ৩০ টা দিনের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি দিন হয়। তবুও নিম্ন মধ্যবিত্তের এই সংসারে এক আশা আলতো করে জ্বলছে। এই জ্বলার মাঝে ভীষণ [বিস্তারিত দেশের স্বার্থ তথা দলের স্বার্থ বনাম একটি পরিবার]
জীবনে বহু আড্ডা দিয়েছি । তবে কোনোটাই বেশিদিন স্থায়ী হয় নি। প্রতিটি আড্ডাকে একত্রিত করলে হয়তো বলতে পারতাম ” আহ, কি আড্ডাই না জীবনে মেরেছি !” – কিন্তু একত্রিত করার সময় সু্যোগ তেমন করে পাওয়া হয় নি। তবে, যখনি মান্নাদের কন্ঠে সেই মাদকতাময় গান ” কফি হাউসের সে আড্ডাটা …” শুনি, তখনি জীবনের সেই ছড়ানো [বিস্তারিত “কত জনই এলো, গেলো কত জনই আসবে”তবে কতজন আর তুমি এক না]
একটি ভূখন্ড হয়েছে শত খন্ড হৃদয় করেছে রক্তাক্ত ! যে আনন্দগুলো ছিল সবার তা আজ এ পাঁড়ার বা ও পাঁড়ার ! এ কি হওয়ার কথা ছিল? ধরণী আমাদের স্বরণী বিস্বাদের ! কথা ছিল হবো মুক্ত বিহঙ্গের ন্যায় ডানা মেলে উঁড়বো মুক্ত আকাশে বাতাসকে সঙ্গি করে ! হল না, সেই মুক্ত বিহঙ্গ হওয়া ! সৃষ্টির [বিস্তারিত কাঁটাতার]
জ্যোৎস্না আছে বলেই আজ ঘুটঘুটে অন্ধকারের বিদ্ঘুটে অভ্যাসটা নেই, জ্যোৎস্না আছে বলেই আজ ভীতু পথিকের নির্ভয়ে পথ চলায় কোন বাধা নেই। জ্যোৎস্না আছে বলেই আজ রুগ্ন রাস্তার হাড়্গুলো ভৌতিক সুন্দর লাগে। জ্যোৎস্না আছে বলেই আজ কচুরীপানাময় নালায় সবুজ কিছুর অস্তীত্ব টের পাওয়া যায়, জ্যোৎস্না আছে বলেই আজ সেই পরিচিত মাঠ খানি কেন যেন আমায় কাছে ডাকে। জ্যোৎস্না আছে বলেই আজ চিরচেনা [বিস্তারিত জ্যোৎস্না]
কবিতা আমার প্রাণের খাবার, মনের ক্ষুধার অতৃপ্ত আহার। কবিতা আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে, নিউরনের সেলের প্রাণ । কবিতা আমার কথায়-চলায়, বলায়-কওয়ায় খাওয়ায়-দাওয়ায়! কবিতা আমার রাতের সঙ্গি, নিঝুম রাতের নির্ঘুম যাত্রী ! কবিতা আমার পাপের মোচন, অসাধ্য হয় তাতেই সাধন ! কবিতা আমার মনের ভাষা, সুখের স্বপ্নে প্রাণের আশা । কবিতা আমার দুখের শান্তি, নিসর্গ দিনের পরম [বিস্তারিত কবিতা আমার…]
দিনের শেষে যেমন করিয়া রাত্রের আগমন অবশ্যম্ভাবি, তদ্রুপ করিয়া যদি কেহ বা কোন দেশ তার বা দেশের মন্দের পরেই শুভ-এর শুভাগমন দাবী করিতে পারিত তো গল্পটি অসম্ভব না বলিয়া বেসম্ভব বলিতে কুন্ঠিতবোধ হইত । যাহা হউক, এবার মূল গল্পের দর্পণে আসা যাক । বহুকাল পূর্বের নয়, তবে কালক্ষেপণের বিলম্বে এমন-ই এক সময় কোন একদেশে [বিস্তারিত একটি বেসম্ভব গল্প…]