ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস পর্ব -৩

১০ শতকের দিকে জার্মানরা পূর্ব দিকে তাদের রাজ্য বিস্তার করতে থাকলে এত অধিসংখ্যক স্লাভে Slav নাগরিকদের ধরে ক্রীতদাস বানানো হয় যে তাদের নামেই ক্রীতদাসদের নাম হয়ে যায় স্লেভ Slave। একই সময়ে কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে ক্রীতদাসদের চালান দেওয়া হয়ে দাঁড়ায় রাশিয়ার একটি বড় আয়ের পথ এবং এর ওপর রাশিয়ার অর্থনীতি অনেক ক্ষেত্রেই নির্ভর করে। ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণে আরব [বিস্তারিত ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস পর্ব -৩]

ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস-২

আমরা জানি, গ্রিসের ক্রীতদাস প্রথা অনেক পূরনো। ব্রোঞ্জ যুগের সময় খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০-১১০০অব্দে ক্রীতদাস ছিল। দক্ষিণ গ্রিসের প্রত্নতাত্ত্বিক শহর মাইসনা খননকালে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রাচীন রোমান শহর পম্পেতে পাওয়া যায় এক মৃতদেহ, কালের আবর্তনে তা মূর্তিতে পরিণত হয়েছে। এই মৃতদেহের পায়ে ছিল বেড়ি। ধারনা করা হয় এই মূর্তিটির বয়স ২০০০ বৎসরের পুরনো। খ্রিস্টপূর্ব ৮ম ও [বিস্তারিত ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস-২]

ক্রীতদাস, নির্মম এক ইতিহাস-পর্ব ১.

মানুষের ইতিহাস এক অর্থে নিষ্ঠুরতারই ইতিহাস। আমরা ইতিহাস পড়ে দেখেছি এক একটি সভ্যতার পিছনে নির্মম সব কাহিনী। যুদ্ধ হত্যা আর এই দাসপ্রথা। হ্যাঁ, যে কোনো সৃষ্টিরই একটা প্রসব বেদনা আছে, আমি তা অস্বীকার করছি না। সভ্যতার পেছনে এই দাসপ্রথা হয়ত এমনই এক প্রসব বেদনা। লক্ষ লক্ষ মানুষের লাশের উপর দাঁড়িয়ে আছে আমাদের সভ্যতা। দাসপ্রথা এমন [বিস্তারিত ক্রীতদাস, নির্মম এক ইতিহাস-পর্ব ১.]

সুবাসহীন বসন্ত

তোমার এ রঙ্গিন বসন্তে যেন বাঁধা না হয় আমার এ প্রেম। আমার যা কিছু আছে সব জমা থাক অক্ষত পাথরের মতো। তোমাকে ভালবাসি নিভৃতে রাত্রি আর সত্তার পরিসরে। তোমায় ঘিরে স্বচ্ছ ফুলদানির ফুলের সুবাস। আমার এ বনফুলে তাই সুবাস ছড়ায়নি শুধু শিশিরে ভিজে হয়েছে সজিব। এ বনভূমির এক গুচ্ছ নীল ফুল বিদ্ধ করে অচেনা সব [বিস্তারিত সুবাসহীন বসন্ত]

অগ্নিশিখার প্রতিহিংসা।

মনের সব প্রতিহিংসা স্থির হয়ে আছে ভয়ানক এক অগ্নিশিখার মতো। হেলছে না দুলছে না সে এপাশ ও পাশ। তাকিয়ে আছে স্থির নয়নে আকাশের ঐ চাঁদের পানে। চাঁদের স্নিগ্ধতা নিতে, কোমল পরশে শীতল হতে। সারাদিনের উত্তপ্ত আকাশের বুকে চাঁদ ওঠে কোমল ভাবে। সুন্দর চামড়ার আড়ালে, আত্নার আত্নীয়রা ফনা তুলে থাকে, সুযোগে ছোবল মারে। সে বিষের জালায় [বিস্তারিত অগ্নিশিখার প্রতিহিংসা।]

বাংলার ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু।

ভারত বর্ষকে লুটে পুটে খেতে এই সবুজ ঐশর্য্যে ভরা প্রকৃতির লীলাভূমিতে যুগ যুগ ধরে  এসেছে অনেক লুটেরা। এদের কেউ আমাদের চোখে বীর কেউ বা খলনায়ক। প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে এই শাসন শোষনের পাশাপাশি উন্নত যে হয়নি তা নয়। মানুষ সভ্যতার দিকে পা বাড়িয়েছে অনেকটা তাদের হাত ধরে। আমরা সবাই জানি ভারত বর্ষ অর্থাৎ বাংলাকে যারাই শাষন [বিস্তারিত বাংলার ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু।]

ছায়া সংগীর শহর।

তোমার শহরে ছুটে গিয়েছিলাম তোমার স্পর্শের উষ্ণতার জন্য নয় তোমার শহরের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ঘুরেছি। আমারই ছায়া ছিল শুধু সংগী আমার। কাঠুরের মতো আমার ছায়া কেটে খুঁজি তোমার ছায়া। আমি তো জানি তোমার ছায়ার পাশে অন্য ছায়ার আনাগোনা। সময়ও ছিল তোমার, আসনি তবু সে ক্ষণে। আমার নয়নের মাঝে যে জল ছবি ছিল তা [বিস্তারিত ছায়া সংগীর শহর।]

শিশির বিন্দুর খোঁজে।

কাচের এক স্বচ্ছ পাত্র হাতে, শিশির বিন্দুর খোঁজে চললাম দুর্গম সব অরণ্য পেরিয়ে। খুঁজতে খুঁজতে তোমার দুয়ারে এসে দাঁড়াই। তোমার দুয়ারে মরুভূমির ক্যাকটাস দলের সশস্ত্র প্রহরির টহল গর্জন হুঁশিয়ারির সরঞ্জাম এবার ব্যপক তাদের। তোমার দুয়ার খোলা, তবু তা পাঁচিল ছাড়া এক কয়দখানা। আমি তবু সূক্ষ কাটাতারের বেষ্টনী ডিঙ্গিয়ে যাই। আমার শরীর ঢাকা এ মসলিন ওড়না [বিস্তারিত শিশির বিন্দুর খোঁজে।]

দৃষ্টিভঙ্গির অন্তরালে।

এ জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তাই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় মালি জল ঢালে ফুল ও ফলকে লক্ষ্য রেখে। শুধু মাত্র মাটির রস টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে এই ভেবে কোনো মালীই গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সে তার এই গাছটিতে চমৎকার এক হেসে ওঠা ফুল ও ফলের আশায় যত্নের সাথে লালন করে গাছটিকে। গাছটিও [বিস্তারিত দৃষ্টিভঙ্গির অন্তরালে।]

খুঁজে ফেরা

বিগত যে পথ মাড়িয়ে এসেছি, সে পথ মোর বন্ধুর ন্যায় অসমতল। সমতল কে না চায় বলো! কিন্তু, আমি শুধু তলিয়েছি গহ্বর  থেকে গহ্বরে। উঁচু ঐ চূড়াতে তাই চড়তে পারিনি। তোমার তুমিতেই খুঁজেছি আমি আমায়। মন দোলে যখন সমতলের সবুজ ফসলের ক্ষেতের নাচনে, তখন ঐ দিগন্ত কাঁপে রক্তিম সূর্যে। গোধূলি আকাশের বুকে সন্ধ্যা নামে। আমার তরে [বিস্তারিত খুঁজে ফেরা]

তোমার অক্ষরের টানে।

তোমার পাঠক হয়ে, তোমার অক্ষরের প্রেমে পড়েছি বার বার। তোমার হৃদয় হতে উঠে আসা শব্দের শীতলতা ছুঁয়ে সিক্ত হয়েছি। তোমার শব্দের মাতলতায় আমার তুষ্টি। তোমার শব্দের কিছু অক্ষরে, আমার নয়নের কোনে জল ভাসে, তারকারাজি খসে পড়ে,সবুজ মাঠে কলরব ওঠে। আমার এলোমেলো ভাবনাগুলি শৃঙ্খলিত করে। সময়ের ক্লান্তি ভেঙ্গে আমি পূর্ণ আকাঙ্খায় দ্বীপ জালি। তোমার অক্ষরের আদলে [বিস্তারিত তোমার অক্ষরের টানে।]

সেই মেলা এই মেলা মাঝখানে কিছু দুষ্টু স্মৃতি।

মানুষ সৃষ্টির কাল থেকেই উৎসব আনন্দে মেতে উঠতে ভালবাসে। এ যেন এক প্রাণের খুদা। পৃথিবীতে প্রতিদিনের কঠিন বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে মানুষ উৎসবের আনন্দে কিছু সময় মেতে উঠতে ভালবাসে। উৎসবে হয় মানুষে মানুষের মিলন। এই মিলনের মাধ্যমেই উৎসবের সৃষ্টি ও তৃপ্তি। তাই উৎসবের কথা হলো মিলন। বিভিন্ন উৎসবের দিনে আমরা উদার, সকল প্রকার সংকীর্ণতা পরিহার করে [বিস্তারিত সেই মেলা এই মেলা মাঝখানে কিছু দুষ্টু স্মৃতি।]

পাবনা সুজানগর লাহিড়ী বাড়ির লৌকিক অলৌকিক কাহিনী।

আমার বান্ধবীর বিয়ে হয়েছে সুজানগর থানার তাঁতিবন্ধ গ্রামে। তো সুজানগরে পোষ্টিং সূত্রে ওর বাড়িতে গিয়েছি দু’তিনবার। চমৎকার এক ছোটখাট জমিদার বাড়ি। পাশেই আছে আর এক জমিদার বাড়ি। জমিদার বিজয়বাবুর বাড়িটি কিনেছিলেন আমার বান্ধবী হ্যাপির শশুর। তার পাশেই লাহিড়ী বাড়ি। শোনা যায় জমিদার বিজয়বাবু ও লহিড়ী সাহেব অর্থাৎ ভারতের বিখ্যাত গায়ক বাপ্পি লাহিড়ীর বাবার দাদু। কোলকাতা [বিস্তারিত পাবনা সুজানগর লাহিড়ী বাড়ির লৌকিক অলৌকিক কাহিনী।]

অ’পাক বাহিনী

প্রথমেই বলে রাখছি এটা আমার মেমন সোনার লেখা। একটি রূপক ছোট গল্প। বাস্তব ও তার কল্পনায় লিখেছে। তো ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। ও গল্প লিখে বেশ কিছু পুরষ্কার পেয়েছে। ছেলেটা আমার যখন ক্লাস ফাইভে তখন লিখেছিল। এখন সে ক্লাস সেভেনে উঠবে। হ্যাঁ, মা হিসেবে তার কিছু লেখা আমি ঠিক করে দেই। অ’পাক বাহিনী জুহায়ের আফতাব মেমন। [বিস্তারিত অ’পাক বাহিনী]

মৌন এ পথ।

আমি আমার মতো করে হেঁটে গেছি যে পথে সে পথ আমার মোড় নিয়েছে বার বার আমি তাল মিলাতে পারিনি, পথের এই ভিন্নতায় আমি হোঁচট খেয়েছি বার বার। তবুও হৃদয়ের টানে, ক্ষত পায়ে হেঁটে গেছি সে পথে শুঁকনো ঝরা পাতার মর মর ভেঙে, হঠাৎ বাঁক নেওয়া ছোট ছোট সবুজ উদ্ভিদের পথ দেখেছি, শিশির বিন্দুর আয়নায় অতীত [বিস্তারিত মৌন এ পথ।]