বিগত দিনগুলির চেয়ে আজ আমি বেশী পরিশ্রান্ত। তুমি যতোটা মনে করো তারচেয়েও বেশী। আজ এ বাতায়নে বসে এক অদ্ভুদ চোখে চেয়ে আছি আমি জীবনের পানে। কি অদ্ভুদই না লাগে জীবনের পানে তাকাতে। এই তো ছোট এক জীবন। অথচ কতো তার পথ চলা। ঘূর্ণায়মান জীবনের পরিক্রমায়, শিশু থেকে কিশোরী, কিশোরী থেকে এই এখন এক পরিনত বয়সে [বিস্তারিত ডায়রির পাতা।]
প্রথম পর্বে বলেছিলাম বাস্তব কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। ঘটনাঃ-১. আমি ছদ্মনাম ব্যবহার করছি। ঘাড়ে মাথা মোর একটাই। যাইহোক, দরিয়া। মুনের ছোটবেলার খেলার সাথি। নামকরা রক্ষনশীল মুসলিম পরিবারের মেয়ে মুন। দরিয়া ঐ বাড়ির আশ্রিতা এক পরিবারের মেয়ে। দরিয়া প্রজাপতির মতো উচ্ছল শান্ত এক অতি ফুটফুটে এক মেয়ে। গরীবের ঘরের দুঃখ। কেন যে এতো সুন্দর ছিল ও! [বিস্তারিত লৌকিক অলৌকিক বেড়াজালে বন্দী মানুষ – শেষ পর্ব।]
পৃথিবীর সৃষ্টির সকল প্রাণীর মধ্যে মানুষই একমাত্র প্রাণী যে, মুখে স্বাধীনতার কথা বলে অথচ সে কোনো না কোনো উপায়ে পরাধীন থাকতে ভালবাসে। সে ধর্মীয় হোক বা কোনো অজানা বিশ্বাসে হোক। ধর্মীয় অনুভূতি, স্রষ্টাকে বিশ্বাস বা অনুসন্ধান, বা অন্য কোনো গোপন উপাসনা। তবে এ কথাও ঠিক পাপ পূণ্যের হিসাবে না থাকলে তখন, অন্তত মানুষ আর মানুষ [বিস্তারিত লৌকিক অলৌকিক বেড়াজালে বন্দী মানুষ-১]
রাসায়নিক কোনো প্রকার দ্রব্য এই জৈব চুনে থাকে না বরং স্বাস্থ্যের জন্য এই চুন উপকার। তবুও কালের বিবর্তনে এই চুন শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে। এই চুন শিল্পে জড়িত ‘চুনে’বা ‘জুগিরা’ আজ তারা তাদের বাপ দাদার আমলের পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এখানে আমার প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও সমাজতত্ত্ববিদ ‘ইবনে খলুদিনে্র একটি উক্তি মনে পড়ছে। [বিস্তারিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -শেষ পর্ব।]
* যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম, মহেশখালীর পানখিলি তারে বানাই খাওয়াইতাম * * পান খেয়ে ঠোঁট লাল করিলাম, বন্ধুর দেখা পাইলাম না * পান নিয়ে এমন অনেক গান আমরা শুনেছি। এই আমার ও আপনাদের খসড়া ভাইয়া আপুর আড্ডার সময় পান ছাড়া চলেই না। যাই হোক, মূল কথায় আসি। দক্ষিন ও দক্ষিন এশিয়ায় পান একটি জনপ্রিয় [বিস্তারিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -২]
পৃথিবীর বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন। এর আয়তন প্রায় ২৫০০বর্গ কিলোমিটার। ১৯৪৭সালে দেশভাগের সময় এ আয়তনের দুই তৃতীয়াংশ পড়েছে বাংলাদেশের ভু-খণ্ডে আর এক অংশের মালিক ভারত। ১৯৪৭সালে বৃটিশ শাসন থেকে মুক্তি পাবার সময় বৃটিশ পার্লামেন্টের অধীনে ” সিরিল র্যাডক্লিফ ” নামের এই কর্মচারী মাত্র পাঁচ সপ্তাহের এক নোটিশে গোটা ভারত বর্ষকে কেটে দু ভাগ করে দেয়। [বিস্তারিত সুন্দরবন সংলগ্ন শ্রমজীবী মানুষ – চুনশিল্প -১]
যে পথে তুমি হেঁটে গেছ সে পথেই ফিরে এসেছো পথিক তুমি তুমি এসেছো হাওয়ায় ভেসে। আজ এ পথে তোমার বিষাদ নেই, কোনো খেদ নেই, নেই কোনো হিংস্রতা। হাওয়ায় দোলা এ সবুজের বুক চিরে, দেবদারু, বাবলা গাছের ছায়াতলে আজ এক ছোট্ট ঘর তোমার। তোমার আঙ্গিনায় কাশফুলের ঢেউ খেলানো হাওয়ার নাচন। তোমার ঘরে সময়ের প্রবাহ নেই, অসাঢ় [বিস্তারিত শেষ গন্তব্যে পথিক]
গোধূলির হালকা আলোয় সোনালী রং গায়ে মেখে হেঁটে এসেছিলাম তোমার দুয়ারে, এক রত্তি সুখ নিব সেই আশায়। আমি খুঁজেছি মাটির প্রদীপ, ধিমি আলোয় তোমায় দেখার আশায়। তোমার সংগ, এ মাটির ঘর, নীরব এক একান্ত প্রাসাদ আমার। তোমার এ প্রাসাদে আজ আমি রানী। এ ধিমি মাটির প্রদীপ, এ আলো, এ নীরব প্রাসাদ, হয়ে উঠেছে প্রেমের তাজমহল। [বিস্তারিত মাটির প্রাসাদ]
*সোনেলা* তুমি আমার এক প্রাণের স্পন্দন। আজ তোমার জন্মদিন। কি লিখব বলো তো ! এই আমাকে লিখতে বসালে কতো আদর করে, এতো স্নেহ, মায়া, মমতা, ধৈর্য্য তুমি কি করে পাও বলো তো ! আগে যখন মন খারাপ হত, বা মনে নতুন কোনো ভাবনা এলে কাগজের বুকে যা ইচ্ছে লিখে ফেলতাম। কাগজ তো কথা বলতে পারে [বিস্তারিত সোনেলার মাঝে নতুন এক আমার জন্ম।]
আজ বড় বাবাকে নিয়ে রংপুরে গিয়েছিলাম ডাক্তারের কাছে। বাবাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য। চেম্বারে বসে থাকার সময় লক্ষ্য করলাম, এক দম্পত্তিও তাদের এক বছরের বাচ্চাকে নিয়ে এসছে। পুরুষ লোকটি পুরো সময়টি ধরে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে আছে। দেখে খুব ভাল লাগল। আমার মেমন রিয়ানের ছোট বেলা দেখতে পাচ্ছিলাম। তবে খেয়াল করলাম, মেয়েটি চোখ ছল ছল করে তার [বিস্তারিত সম্পর্কের আদি অন্ত।]
আদিম যুগে মানুষ ছিল পশুর মতোই। বন্য পশু শিকার করে কাঁচা মাছ মাংস, বনের ফলমূল খেয়ে জীবন ধারণ করত। সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, আদিম যুগে মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজ উদ্ভাবন করে। এবং আগুন আবিষ্কারও তাদের হাতেই। দলবদ্ধভাবে বসবাস করার সময় নারী পুরুষ উভয়ই খাদ্য সংগ্রহ করত। তবে তখন দলের প্রধান ছিল নারী। খাদ্য সংগ্রহের এক পর্যায়ে নারীরা [বিস্তারিত নারীই সভ্যতার ধারক ও বাহক]
মুক্ত এক ফুল ফুটেছে, সুবাস দিতে, কিন্তু এ ফুল বনফুল, উঠবে না, সাজবে না কোনো ফুলদানিতে। কিন্তু তাতে কি! এই যে শিশির বিন্দু, স্বর্গ থেকে নেমে মৃদু স্পর্শ করবে এ বনফুলকে, সজীব করবে তার রুপ। চারপাশে তার কোলাহল নেই, নেই কোনো ফুলদানির শৃঙ্খল। মুক্ত বিহঙ্গে ঘুরে ফিরে সে এ লতায় ও লতায়। পাশে আলোয় ঝর্না [বিস্তারিত মুক্ত এক গুচ্ছ বনোফুল]
ঘুম ঘুম চোখে, আধো আলোয়, স্বপ্ন একটা দেখেছিলাম অর্থ তার বুঝিনি কিছুই। শুধু দেখেছি, স্বপ্ন ডানায় ভর দিয়ে এসেছিল কিছু সুখ স্বপ্ন আমার। এ স্বপ্নের অর্থ খুঁজেছি, দিনের উজ্জল আলোয়। সূর্যের প্রখর দৃষ্টিতে, কম্পিত হয় স্বপ্নগুলো আমার। স্বপ্ন কিছু হারিয়ে যায়, কিছু লুকিয়ে থাকে, রাত্রির অপেক্ষায়। তাই আঁধারে অপেক্ষা করি স্বপ্নের। শুয়ে থাকি আমি নিজ [বিস্তারিত *স্বপ্নের শব্দ*]
পৃথিবী থেকে শৈশব আমার বিলীন হয়েছে, জীবন থেকে হয়েছে অতীত। এই অনেক বছরের পরিভ্রমণের পরেও সেই সুখ অনুভূতি আমি ভুলিনি। স্বর্গীয় আলোয় মোড়ানো, সবুজের সতেজতায় ভরা, আমার শৈশব। জীবনের মায়াময় সেই দিনগুলোতে, এ বেলায় এসে স্মৃতির আলো ফেলি। দিনমান ছুটোছুটি, এ গাছ ওগাছ, মাটির পাতিল, রান্না-বান্না, চড়ুইভাতি, পদ্ম পুকুরে ঐ শ্যাওলা জলে ভাসিয়েছি যত নৌকা, [বিস্তারিত *আলোয় মোড়ানো*]
আমি যখন ছোট তখন, আমার নানাদের ও দাদুদের বড় বড় কাঠের নৌকা ছিল। এই নৌকাগুলো আসলে কাজে লাগত, দূরের জমির ধান বয়ে আনার জন্য। আমার দাদু ও নানা বাড়ি সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায়। ঐ দিকের বেশীর ভাগ এলাকাই নিচু। তবে সেসব জায়গাতে মানুষের তখন বসতি ছিল না। মানুষ জঙ্গল কেটে আবাদ শুরু করেছিল অনেক আগে থেকেই। [বিস্তারিত *গুণ টানা মাঝি*]