শেষ গন্তব্যে পথিক

যে পথে তুমি হেঁটে গেছ
সে পথেই ফিরে এসেছো পথিক তুমি
তুমি এসেছো হাওয়ায় ভেসে।
আজ এ পথে তোমার বিষাদ নেই,
কোনো খেদ নেই, নেই কোনো হিংস্রতা।
হাওয়ায় দোলা এ সবুজের বুক চিরে,
দেবদারু, বাবলা গাছের ছায়াতলে আজ এক ছোট্ট ঘর তোমার।
তোমার আঙ্গিনায় কাশফুলের ঢেউ খেলানো হাওয়ার নাচন।
তোমার ঘরে সময়ের প্রবাহ নেই,
অসাঢ় হওয়া শহরের যান্ত্রিকতা নেই।
জরাজীর্ন শহরের জীবন তুমি ধুয়ে ফেলেছ
এই জ্যোৎস্নামাখা ঠান্ডা নদীর স্রোতে।
প্রানবন্ত শরীর সময়ের আগেই জরাগ্রস্থ
তবু তুমি প্রান করেছো সবুজ।
আজ এ সবুজে বিস্তৃত তোমার জীবন।

মোট পড়েছেনঃ ৬৪৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

  1. ভাবীজান মেল্লাদিন লেখালেখি আর পড়াশোনার বাইরে তো তাই সব কিছু কঠিন বড্ড কঠিন লাগে।
    তার উপর এক্সাম।
    ফিরে আসি ভাবী আড্ডা দেবো। আপনাদের সবায় কে অনেক মনে পড়ছিল তাই একবার ঘুরে গেলাম আর কি। :D)

    1. এই তো আমার সাহিত্যিক ভাইটু ঠিক ধরে ফেলেছে। শব্দগুলো সামসুর রহমান এর মৃত্যুর পরে লিখেছিলাম। রেললাইনের পরে বসে। ধন্যবাদ ভাইটু।

  2. গন্তব্যের শেষ কি আছে? কি জানি!
    পথিকের পথচলা থেমে গেলো ওই সবুজেই।

    শান্ত সুন্দরী একটু অশান্ত হয়ে লেখো না গো। -{@

    1. নীলাপু এই শব্দগুলো সামসুর রহমানের মৃত্যুর পর লিখেছিলাম। তুমি জান না আপু এতো সুন্দর যায়গায় তাঁর কবরটা। আমি প্রতিদিন যেখানে গিয়ে বসি তার ঠিক অল্প দূরেই তাঁর কবর। ধানক্ষেতের পাশে। কলেজ ও মেমনের স্কুলের একদম পাশে।

  3. যাত্রা শেষে পথিক তার শেষ গন্তব্যেই যাত্রার ইতি টানে। শত ঘাটে তরী ভিড়ালেও শেষকালে একটাই বেছে নেয়। হতে পারে সেই আমার আমিই তার বিশ্বস্ত স্বজন। দিন শেষে একই ভাবে নীড়ের পাখি নীড়েই ফিরে আসে। সুন্দর উপস্থাপন।

  4. পথিকের নাম কি ‘ঋতু?’ আর ঋতুর নাম কি শরৎ!
    যদি তা-ই হয়ে থাকে, তাহলে এভাবেই অতলস্পর্শী অনুভবের ফল্গু নিরন্তর ঘিরে থাকুক সফেদ জ্যোৎস্নার পদ্মফোটা ঝিলে!!

মন্তব্য করুন