দক্ষিণ বঙ্গের জেলাসমূহের সঙ্গে সুন্দরবনের কেবল ভৌগলিক সংযোগ নয়, ঐ অঞ্চলের মানুষের ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের নিবিড় সংযোগ রয়েছে। সুন্দর বনের কাঠ-খড়, গোলপাতা, মধু ও নদী নালার মাছ প্রাচীন কাল থেকেই পার্শ্ববর্তী জনগোষ্ঠীর জীবিকা উপায় সরবরাহ করে আসছে। বন থেকে কাঠুরিয়া কাঠ-খড়, বাওয়ালিরা গোলপাতা, মৌয়ালরা মধু, জেলেরা মাছ সংগ্রহ করে থাকে। তারা যখন বনে [বিস্তারিত সুন্দরবনের লৌকিক পীর-দেব দেবীরা-১]
সুন্দরবনের উপকণ্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১ সুন্দরবনের উপকণ্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ – ২ মগ-ফিরিঙ্গীদের কুকীর্তি সম্পর্কে ঐতিহাসিক শিহাবুদ্ধিন তালিশের বর্ণনা থেকে জানা যায় পর্তুগিজদের মতোই মগ জলদস্যুরা জলপথে এসে বাঙলা লুণ্ঠন করত। স্ত্রী পুরুষ, শিশু নির্বিশেষে হিন্দু মুসলমান সকলকেই বন্দি করে তাদের হাতের তালু ছিদ্র করে সরু বেত প্রবেশ করিয়ে এবং একজনের ওপর আরেকজনকে চাপিয়ে জাহাজের পাটাতনের নিচে ফেলে [বিস্তারিত সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ- ফিরিঙ্গি- পর্তুগিজ -শেষ পর্ব]
সুন্দরবনের উপকণ্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১ সেই সময় ভাগীরথীর পশ্চিম তীরবর্তী অঞ্চলে বর্গী তস্করেরা বর্ণনাতীত ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। সলিমুল্লাহ্ তাঁর তারিখ-ই-বঙ্গাল গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন যে, ঐ সময় গঙ্গার পশ্চিম তীর থেকে বনেদি পরিবারের অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে আসেন গঙ্গার পূর্ব তীরে বসবাসের জন্য। বিনয় ঘোস লিখেছেনঃ ‘পর্তুগীজ দস্যু বণিক ও গোলাম-ব্যবসায়ীরা ইংরেজ কুঠিয়ালরা, ডাচ ও ফরাসি [বিস্তারিত সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ-ফিরিঙ্গী-পর্তুগিজ -২]
খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এলো দেশে, বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে। এ ছড়ার সংগে বাংলার, বিশেষ করে নিন্ম বঙ্গের মানুষের পরিচয় ঘটেছিল দুঃস্বপ্নের মধ্য দিয়ে। পেছনে ফেলে আসা দুঃসময়ের সেই যুগ, প্লাবনভূমির করুন বাস্তবতায় এতোটাই দুঃখময় হয়েছিল, যে স্পর্শের বাইরে থেকেও তা অনুভব করা যায়। অস্তমিত যুগের সেই দুঃসময়ের কথা -ইতিকথা কেবল বাঙলার [বিস্তারিত সুন্দরবনের উপকন্ঠে মগ-ফিরিঙ্গি-পর্তুগিজ –১]
অনেকদিন পর বাসায় আমি একা। একেবারেই একা। কম্পিউটারে প্রিয় গানগুলো ছেড়ে জ্যোতিপ্রকাশ দত্তের একটা বই হাতে নিয়ে বসেছি। গান বাজছে কিশোর কুমারের #জীবনের অংকটা মেলাতে গিয়ে# কুমার শানুর # নিথর জলের বুকে# আমি কখনোই নিজেকে কারো সাথে মিলাতে যাইনা। আমি কখনোই কারো কথায় খুব একটা বিচলিত হইনা। আমি বাবার একটা কথা সব সময়ই লালন করি, [বিস্তারিত আমার ভিতর এক অদ্ভূত আমি।]
রাতের নির্জনে, এক ঝাঁক জোনাকির আলোয়, স্মৃতিগুলো দেখেছি, তন্দ্রা কোমল নয়নে চেয়েছিলাম, ঐ স্মৃতিতে পড়া আলোর দিকে একটু হেসে অপলক চোখে চেয়ে রইলাম জোনাকিদের খেলায়। হঠাৎ চেনা এক ফুলের গন্ধে, একটু যেন চঞ্চল আমি। অলস আবেশে ঐ ঘাস বুকে ঝিমাতে চাইলাম, নয়ন দুটি মুজে, হঠাৎ এক মুহূর্তে ছুঁয়ে যাওয়া আমার গালে ক্ষনিকের ঠোঁটের স্পর্শে, ব্যাঘাত [বিস্তারিত স্মৃতির উপর জোনাকির আলো]
আকাশের বুক চিরে, কালো মেঘের চোখের কোণ ঘেসে, কোনো এক আলোর ঝলকানি পেয়ে উড়ে গেল যে বক পাখি, তার সেই শুভ্রতায় আমি তোমাকে দেখেছিলাম। তুমি মেঘ চেয়েছ, আমি এক চিলতে রোদ ঢেলে দিয়েছি হয়ত, আমিই মেঘ চেয়েছি তুমি দিতে চেয়েছ, এক চিলতে সোনালি রোদ। দেখা হয় না তোমার সাথে, প্রতিনিয়ত প্রতিক্ষণ, ভেবে নাও, ভালোই তো [বিস্তারিত মেঘের বুকে শুভ্রতা।]
আজ কবিতার খাতা শূন্য। কলম আজ কেঁপে উঠছে। আমি বিরক্ত, আমি হতাশ, আমি কেন যেন তলিয়ে যাচ্ছি, ঐ আকাশ থেকে কেউ শূন্যে আমায় ছেড়ে দিচ্ছে। আমি পড়ে যাচ্ছি ঢুকে যাচ্ছি কোনো এক অন্ধকার গহ্বরে। গুলশানে জঙ্গি হামলার পরবর্তী ফেসবুক স্ট্যাটাস ও মন্তব্যেই কেন যেন বেশি হতাশ লাগছে আমার। কেউ ক্রাশ খাচ্ছে, কেউ সমবেদনা জানাচ্ছে, কেউ [বিস্তারিত আজ মন বিক্ষিপ্ত।]
রাজকন্যার চিঠির কথা লিখেছিলাম। সেই রাজকন্যা কেমন আছে, তা আজ আমি জানিনা। ফুটফুটে এক রাজকন্যা। ক্লাস ফাইভে পড়া রাজকন্যা। আমার সংস্পর্শে দু একবার আসতেই তার মনে হল , আন্টি পারবে মামনি বাবাকে এক করতে। একটা ছোট শিশু কতটা অসহায় হলে, অন্য একটা মানুষের বুকে অঝোরে কাঁদতে পারে। রাজকন্যার একটাই চাওয়া, মা বাবার সংগে থাকা। আমার [বিস্তারিত এক জোড়া ছোট হাত ও আমার অপরগতা।]
তোমার অদৃশ্য উপস্থিতির পরশ লাগে গায়ে তোমাকে ছুঁয়ে আসে যে বাতাস, তাঁতে কোনো শব্দ নেই, আছে শুধু শীতল পরশ। রেল লাইনের ঐ পথে দিগন্তের ঐ কোনে, তোমার অনুভবে, স্বর্গীয় এক আনন্দ ছুঁয়ে যায় আমায়। আমার ছুঁয়ে যাওয়া বাতাসে আছে রক্তিম উত্তাপ, তপ্ত হবে তুমি। এ সবুজ পৃথিবীও শীতল করতে পারেনি এ তপ্ত বাতাস। শুধু বর্ষণ [বিস্তারিত আষাঢ় এলো, এলো বর্ষণ]
আমার এক খালার মেয়ে জামাই কৃষির উপর পিএইচডি করছে চিনে। চার বছরের মেয়াদ। ওখান থেকে জাপান অথবা কানাডা যাবে। তাদের ইচ্ছা দু বছর ওখানে কোর্স করেই ঐ দেশে থেকে যাবে। এই দেশে আসবে মেহমান হয়ে। তাদের কথার মধ্যে ছিল হতাশা, সেই হতাশা ছিল এই দেশ নিয়ে। আমি ফোনে বল্লাম,”কেন আপু দেশে থাকবে না “? আপু [বিস্তারিত হতাশা থেকে পালিয়ে বাঁচা]
বাড়ির বড় বোনগুলো খুব অত্যাচারি হয় মনে হয়। ওরা যা ইচ্ছা তাই করে, ছোট বোনগুলোরে পাত্তাই দেয় না। কতো যে জেদ করতে হয়, তাদের সাথে কোথাও যাওয়ার জন্য তার হিসেব নেই । তবুও নিতে চায় না এই বড় বোনগুলো কোথাও বেড়াতে। রীতুর ছিল ফুফাত, খালাত ও নিজের মিলায়ে কয়েকটা বড় বোন। ওরা কোথাও নিতে চাইত [বিস্তারিত সিনেমা হলে]
মানুষ যে সৃষ্টির সেরা জীব, তার কারন, মানুষেরই রয়েছে হৃদয়বৃত্তি, বুদ্ধি, বিবেক। এগুলো থেকেই মানুষের নীতিজ্ঞান, পরিহিতব্রত, বোধ ইত্যাদির উৎপত্তি। যে ব্যক্তির মধ্যে এই বৈশিষ্ট্যগুলো যতটুকু পরিপূর্ণ এবং প্রবল সে ব্যক্তি মানুষ হিসেবে ততটুকু পরিপূর্ণ এবং স্বার্থক। ভালমন্দ , উত্তম এবং অধম মানুষের মধ্যে প্রাগৈতিহাসিক যুগেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। সৎ কর্মজীবি মানুষের বিবেক [বিস্তারিত আমরাও স্বাভাবিক মানুষ।]
অন্ধ বিশ্বাষে মানুষ চিরকালই অন্ধ। এই অন্ধ বিশ্বাস মানুষকে চিরকাল নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অন্ধকারের মুখোমুখি হতে বাধ্য করে। এবং এর প্রভাব পড়ে ব্যাক্তি মানুষটির উপর, পরিবারের উপর, সমাজের উপর, রাষ্ট্রের উপর। মানুষ মাত্রই ধর্ম ভীরু। কিন্তু ধর্ম কখনোই মানুষের স্বাভাবিক চলার পথকে কঠিন করেনি। ধর্মীয় জীবন মানেই ইন্দ্রিয়গোচর জগতে বিশ্বাসী জীবন নয়। ধর্মীয় [বিস্তারিত জ্ঞান যেখানে সীমিত]
দেশ যখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসে, তখন আমরা ও গর্বের জোয়ারে ভাসি। আমার বাড়ির সামনের রাস্তাটা যখন পাকা তখন আসলেই আমি গর্বিত হই। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, প্রত্যন্ত গ্রামেও পৌছে যাচ্ছে আধুনিকতার ছোঁয়া। বিদ্যুত,পাকা রাস্তা,স্কুল কলেজ,কমিউনিটি ক্লিনিক উন্নতির চরম শিখরে আজ বাংলাদেশ। ভাবতে ভালো লাগে জনগনের টাকা জনগনের কাজে লাগছে। কিন্তু জনগনের টাকা জনগনের কাজে সঠিকভাবে আদৌ [বিস্তারিত আমার তুঘলকি চিন্তা ২]