দ্বিধাগ্রস্ত টলমাটাল এক জীবনে, স্বর্গীয় এক অলোর জন্য আমি অপেক্ষা করেছি অনন্তকাল। আমি অপেক্ষা করেছি, সত্যের জন্য। আমার বুকের মাঝে আকাঙ্খার দীপালি অনন্তকাল ধরে নিভে আছে, জাগতিক জীবন চাকার তলে। তাই হৃদয় হয়েছে অবস মোর। অজয় কোনো আকাঙ্খাই তাই লালন করতে ভুলে গেছি। আমি তো জেনেছি, নারীর জীবনের সব লক্ষ্যই দদুল্যমান। দানে পাওয়া ক্ষণিক আলোর [বিস্তারিত চলার পথ।]
আমি যে ঘটনা লিখবোঃ রিদি। গ্রামের ক্লাস ফোরের এক শিশু। ভালো স্বচ্ছল পরিবারের আদরের শিশু। তিন ভাই বোন। রিদি বড়। গ্রামের মফস্বলে বিদ্যুত পৌঁছালেও রাস্তায় কোনো আলো কেউ কোনোদিন হয়ত দেখেনি সন্ধ্যার পরে। কেন সরকারের উন্নয়নের এই সুবিধাটা দিতে এতো গাফিলতি ? ধুর আমি কোথা থেকে কোথায় গেলাম! রিদি, হেসে খেলে দূরন্ত শৈশব কাটানোই তার [বিস্তারিত এই অপরাগতার দ্বায় কার ?]
ছয় বছরের এক শিশু। বাবা ছিলো সরকারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। সরকারি হাসপাতালে কর্মরত। টেকনোলজিস্ট, নানা রকম প্যাথলজি টেস্ট, প্রেগনেন্সি টেস্ট ও করতে হয়। সে যথেষ্ট নিষ্ঠার সাথে কাজগুলো করেই যায়। কিন্তু নিয়তি কখনো বাঁধ সাজে। নিয়তির খেলায় সব কিছু হয় তছনছ। নিয়মের সংসারে আসে অনিয়ম। বাচ্চাদের পড়াশুনা, সবকিছুর উপরই পড়ে প্রভাব। যাই হোক যে কাহিনী লিখতে [বিস্তারিত এ জীবনের অসহায় কিছু দিক]
আমি গর্বিত আমি বাঙালী। বাংলা আমার মায়ের মুখের ভাষা, আমার মুখের বুলি। আমার ভাষা তাই মায়েরই অংশ। এই চির সবুজ দেশ আমার ষড়ঋতুর দেশ। গাজির গান, পালা গান , রবীন্দ্র নজরুল , বাউল গান সবই আমার অস্তিত্ব। আমার দেশের মতো পৃথিবীর আর কোনো দেশে এই ষড়ঋতুর প্রকৃতির খেলা আছে কিনা সন্দেহ। ঋতুর বৈশিষ্ট আনুযায়ী বাঙালী [বিস্তারিত বাংলা ও বাঙালী]
কয়েকমাস যাবত মৌনতার বেশ জ্বর জ্বর ভাব থাকে। তো তার স্বামীর ইচ্ছা হল বৌটার চিকিৎসা করায় ।আহারে! বৌটা তার, সংসার তো আর চলে না! তো যথারীতি মৌনতার স্বামী বেচারা সময়ই পায় না, তবুও এক জুনিয়ার অফিসারকে দিয়ে পাবনাতে এক মেডিসিন ডাক্তারের সিরিয়াল নেওয়া হল। পাবনা থানাপাড়া এলাকাতে। রাতে মৌনতা তার দুই বাচ্চা আর স্বামীটাকে নিয়ে [বিস্তারিত পাগলার ভুল]
সূর্য তার আলোর গোধূলির পর্দা নামাবে রক্তিম আভা নিয়ে পাখিরা তাদের ডানাগুলো ভাজ করে বিশ্রামে যাবে চাঁদ অলস সময় কাটাবে দিবে না জোছনা ঢেলে, নিকষ কালো অন্ধকারে ভরে দেবে রজনি জোনাকিরা জড় হয়ে তখন আলো জেলে দিবে তন্দ্রা কোমল নয়নে চেয়ে রব পাখির নীড়ে। কপোত কপোতী আলিঙ্গনাবদ্ধ বাহু, পাখায় পাখায় জড়ানো ঠোঁটে ঠোঁটে মিলন দেখব [বিস্তারিত এই ঘাস যদি হয় বুক তোমার]
আজ আমার মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে আসার আরো একটি বছর পূর্ণ হল। ভেবেছিলাম জীবনের প্রাপ্তিগুলো সুখগুলো আজ লিখব। দুঃখকে আমি টিকতেই যে দিতে চাই না! তবুও পারলাম না সুখের কথা লিখতে। কেন পারলাম না? আমি হয়ত একটু বিরক্ত! না আমি আসলে অনেকটাই বিরক্ত। বিরক্তের কারণটা আমি অনেকটা জানি। আসলে আমি নিজের উপর বিরক্ত। এই রক্ত মাংসে [বিস্তারিত মানুষ কারা? মানুষ মানে কি?]
বুড়িগঙ্গা আজ মৃত। তাই হয়ত ঢাকাও এখন মৃতপ্রায় নগরী। আমি দু’মাস আগে ছেলেদের নিয়ে আহসান মঞ্জিল গিয়েছিলাম। নদীর কোলঘেঁষে যে রাস্তাটা গেছে ঐ রাস্তা দিয়ে রিক্সা করে যেতে যেতে নাকে কাপড় দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিলো না। নদীর পাড়ে যতদূর চোখ যায় সে এক বীভৎস দৃশ্য! রাস্তার একপাশে বস্তি আর নদীর পাড়গুলোতে যতো ময়লা [বিস্তারিত আমার তুঘলকি চিন্তা-১]
বাবা, তুমি কি শুনতে পাও প্রতিরাতে আমার নিরব কান্না? বাবা তুমি কি জান, তোমার রাজ্যে রাণী করে রাখা মেয়েটি আজ কতো কাজ করে? কতো রাত সে না খেয়ে ঘুমিয়েছে? যে তুমি তোমার মেয়ে না খেলে এটা ওটার লোভ দেখিয়ে খাওয়াতে, মায়ের উপর মিথ্যা অভিমানে, আমাকে খুশি করতে মাকেই বকা দিতে। আমি হেসে ফেলতাম, পরে মাকে [বিস্তারিত মেয়ের চিঠি,বাবার উদ্দেশ্য]
এই গ্রামের মেঠোপথ ধরে সকাল বিকাল আমার হেঁটে চলা। মাঝখানে পিঁচঢালা পথ,পথের দু ধারে সবুজ আর সবুজ। এই নির্মল বাতাসে আমার সব ক্লান্তির অবসান। থাবা দিয়ে এই বাতাস আমার কাছ থেকে মাথার ঝিমঝিমানি নিয়ে যায়। কখনও কখনও অবশ্য আমার মনটা খুবই খারাপ হয়ে যায়, যখন দেখি অনেক জমি জুড়ে তামাকের পাতা হা মেলে অট্রহাসি দিচ্ছে। [বিস্তারিত ধান চাষের কৃষক তামাক, পপি চাষেঃ এ দায় কার ?]
প্রিয় বন্ধু মেজদা, যেখানে অনেক কথার ঝুড়ি ভরে ফেলি, সেই নির্ভরতার, সেই সম্পর্কের একটাই নাম, সে শুধুই বন্ধু। মানুষের খারাপ ভাবনা বা সম্পর্কের মানে বদলে দেয়ার চেষ্টায় সে সম্পর্কে কালো ছাপ পড়ে যায়। অনেক সময় দুর্গন্ধও ছড়িয়ে দিতে চায় মানুষ। এখানে কালো ছাপের দাগ ছাড়া দুর্গন্ধ ছড়ায়নি কারণ সেখানে রক্তের সম্পর্ক ছিল, বয়সের পার্থক্য ছিলো [বিস্তারিত বন্ধু মেজদা]
যখন আমি তোমার কোলে ফিরে যাবার স্বপ্ন দেখি আমি তোমার গানের বীণা হয়ে যাই। সে বীণার তার তোমার সুর ছড়াতেই ছিঁড়ে যায় যখন তোমার বুকেতে,আমি লুটিয়ে পড়তে চাই। তোমার লোমশ বুকে আমি হাজার স্বপ্ন বুনতে উৎফুল্ল হই তখন আমি চোখে সুরমা লাগাতে গিয়ে বিমোহিত হই সুরমা লাগাতেই, সুরমা দানি হাত থেকে পড়ে ছড়িয়ে সুরমা ও [বিস্তারিত সুরমা স্বপ্ন]
প্রেমের সংগা নিয়ে ভাবিনি কখনও। জীবনের বাস্তবতায় কেটে গেছে অনেকটা পথ।যখন পিছনে ফিরি, দেখি,আমি অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি। জীবনের বাস্তবতায় যে প্রেম হারিয়ে যায়,তা আর ফিরে আসেনা। ব্যাক্তি বিশেষে যদি কোনো প্রেম কড়া নাড়ে, তাতো শক্ত শিকলে বাঁধা থাকে। প্রেম তুমি পবিত্র, ভালোবাসা আরও পবিত্র। এমন কিছু ভালোলাগা ভালোবাসা,প্রেম আছে যা দূরে থেকেও অনেক কাছে, [বিস্তারিত ভাবতে সুখ]
একসময় অনেকেই মনোরমা পত্রিকায় লেখালেখি, পত্রমিতালী করতো। মোনোরমা লিখতো, পত্রমিতালী করতো। মোনোরমা ১৯৮৯ সালে এসএসসি দেয়, রামপাল ফয়লা স্কুল থেকে। যথেষ্ট সুন্দরি যাকে বলে, সেরকম বলা যায়। তখন রেডিওতে অনুরোধের আসর শুনতো মনে হয়, অমৃত বাণী শুনছে। এই নিয়ে সে মায়ের হাতে বকুনি ও মারও খাইনি তা কিন্তু না। খেয়েছে বেশ। ফাতেমা ও মোনোরমা ছিলো [বিস্তারিত মোনোরমা]
ক্লাস টেন। মেট্রিক পরীক্ষার্থী। বয়সটা কেমন প্রশ্নবোধক। স্কুলে নতুন এক স্যার। সদ্য পাশ করা অতি সুদর্শন এক স্যার। ধর্ম মতে হিন্দু। অত্যন্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এক স্যার। কলেজের বড় আপুরা কোনো না কোনো বাহানায় স্কুলে আসতে লাগলো ঐ স্যারের জন্য। সাধ্য কার কথা বলবে স্যারের সাথে। যে কি মুড স্যারের! ক্লাসেই কোনো ছাত্রীর দিকে তাকায় না। নিজ [বিস্তারিত না বলা, চোখের প্রেম।]