
সূর্য তার আলোর গোধূলির পর্দা নামাবে রক্তিম আভা নিয়ে
পাখিরা তাদের ডানাগুলো ভাজ করে বিশ্রামে যাবে
চাঁদ অলস সময় কাটাবে দিবে না জোছনা ঢেলে,
নিকষ কালো অন্ধকারে ভরে দেবে রজনি
জোনাকিরা জড় হয়ে তখন আলো জেলে দিবে
তন্দ্রা কোমল নয়নে চেয়ে রব পাখির নীড়ে।
কপোত কপোতী আলিঙ্গনাবদ্ধ বাহু,
পাখায় পাখায় জড়ানো ঠোঁটে ঠোঁটে মিলন দেখব বলে,
আর ঐ শান্ত শীতল নিরবতার মাঝখানে সাজাব আমার কল্পনা
সেখানে রাখব সব আমার সুকোমল বিনোদন
জোনাকির আলোয় রাতের মুগ্ধ বাতাসে গায়ে মাখব সু উষ্ম প্রেম।
অলস আবেশে ঝিমাব ঘাসের বুকে
হৃদয় মাঝে তখন আমার ফুলের গন্ধ ভরা,জোনাকির আলোর খেলা,
শান্ত গভীর অলস আবেশে ঘটাবে না কেউ ব্যাঘাত
ঠান্ডা এই ঘাসের মাদুর,ঠিক তোমার বুকের মতো।
অলস মেঘের হিংসা দেখ, হঠাৎ জড়ো হয়ে ভিজাতে চায় আমায়
কিন্তু জাগব না আমি, মেলব না এই দু নয়ন!
রাতের স্বপন আমার এখনও বাকি,
প্রেমের উষ্ণতা নিতে এখনও বাকি,
ভিড় করে আছে দু নয়নে রঙ্গিন দিনের স্বপন।
আমার খাঁটি ভালবাসা! এই উষ্ণ প্রেম, অনুভবে জীবিত করবে এই সময়,
ঘাসের শিশির বিন্দুর মত, আমার চোখের কোণায় জমে আছে দেখ, এক মুক্ত জলের বিন্দু
এ জলের বিন্দু তোমার লোমশ বুক ভিজাইনি কখনো।
তাই তুমি জানতেও চাওনি, তোমার জীবনের মেঘগুলো,
আমার জীবনের বসন্ত গুলি হঠাৎ মেঘে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে ফেলে।
আমি চিৎকার করলাম, সরে যাও
আমি সকল প্রতিদ্বন্দ্বীকে ব্যর্থ করে, তোমায় পরাব আমার প্রেমের মুকুট
না , না, না, আমি নই তো এই প্রেমের খেলার প্রতিদ্বন্দ্বী
আমি তো আমার প্রেমের রাজ্যের সম্রাজ্ঞি,
আমিই রানী।
** আমি নাকি প্রেমই বুঝি না।কি সব সারাদিন প্রেমহীন পোষ্ট আমার! তাই আজ বিকালে লিখে ফেললাম তোমার ভাবনায়।
কল্পনার কাউকে নিয়ে এত আবেগময় একটি লেখায় মুগ্ধ হলাম। সুন্দর কিছু উপমা দিয়ে মনের গহীনে থাকা কথা গুলো যেন প্রকাশ করলেন।
লেখক সত্ত্বা যেন থাকে রানী হয়ে।
আপনি কেমনে জানিলেন কাউকে কল্পনায় নিয়ে লিখেছি !
মইরা গেলাম।মুই না লিখুম কবিতা।সেদিন এক বড় ভাই বোলছে,প্রেমে পড়েছো নাকি ! এতো আবেগ কেমনে আসল?
খসড়া ভাইয়াআপু বাঁচাও। ;( ;(
আপনার অন্য লেখা থেকে এই লেখাটি আলাদা,
এমন উপমা দিয়ে কল্পনাতেই লেখা সম্ভব।
যে কোন সংকটে খসড়া ভাইয়া আপনাকে বাঁচাবে, নিশ্চিন্তে থাকুন 🙂
নাহ! যাহা লিখতে চাইলাম তাহা লিখিতে পারলাম না।
তাইতো মনেই রেখে দিলাম।
খসড়া ভাইয়া বাঁচাবেই তো ,হে ভালোপায় যে আমারে। 🙂
আহারে আহারে প্রেম সেতো কত বাহারে আহারে
আহারে !
আমি তো বুঝি না ঠিক
কবে বরষা কবে বসন্ত দিন।
ঐ চোখে চোখ রেখে আমি দৃষ্টি বিহিন।
তাই তো সেদিন নয়নে নয়ন রাখিনি।
শিরোনামটাই চমৎকার, ঘাসের মতো বুক। 🙂
এই কবিতা পড়ে কার সাধ্য আছে বলার, আপনি প্রেমই বোঝেন না?
প্রকৃতির মতো শত্রু আছে নাকি আর? সব্বাইকে হারিয়ে দেবে প্রেমের রানী 🙂 আদুরে আদুরে কবিতা, বেশ লাগলো।
হা হা হা।মুই ভুত,মোর মুখে রাম নাম।
কোন সে অকাল কুষ্মান্ড যে বলে আপনি প্রেম বোঝেন না!!
রানীর প্রেম বলে কথা!!
দুর্বার গতিতে প্রেম চলিপে।
কোন গতিতে চলিবে ?
ইন্টার সিটি না মাল গাড়ির মতো?
ইঞ্জিনের অবস্থা বুঝে চলিবে,
তবে ইন্টারসিটি হলেই ভাল হয়!
ইন্টারসিটির মতো চলেই না ।
কখনও মালগাড়ি কখনও ঠ্যালাগাড়ি।গালফুলালেই সমস্যা।
দারুন আপু।
হৃদয় নিংড়ানো মনের বাসনা কাগুজে কলমে তুলে
সকলের মাঝে দিলেন বিলিয়ে।
কল্পনা বিলাসি।
স্বপ্ন কল্পনা বাসনা ইচ্ছা জাগ্রত থাকবেই।
এতেই হবে মনের ইচ্ছে।
আপু আপনার এই কবিতা খুবই ভালো হয়েছে। ” আমার খাঁটি ভালবাসা! এই উষ্ণ প্রেম, অনুভবে জীবিত করবে এই সময়,
ঘাসের শিশির বিন্দুর মত, আমার চোখের কোণায় জমে আছে দেখ, এক মুক্ত জলের বিন্দু
এ জলের বিন্দু তোমার লোমশ বুক ভিজাইনি কখনো। ” — অসাধারন (y)
শুধুই আবেগ ছড়ানো।তাই হয়ত সুন্দর।
কে বলেছে আপনি প্রেম বোঝেননা। প্রেমের রাজ্য গড়েছেন,রাজার বুক ছুঁয়েছেন,সেই রাজ্যের রানী হয়েছেন। আর কি চাই। এইতো প্রেম 🙂
হুমম।ধন্যবাদ।
লিখেছেন কবিতা, বিভাগ একান্ত অনুভুতি। অবশ্য কবিতাও একান্ত অনুভূতি। যাইহোক আপু রুমান্টিকতা কিছু ধার দেওয়া যাবে? অন্য কিছু নয় একটা গল্প লিখব?
তাই না ! এটা তো ধার দেওয়া যায় না।ধার দিতে গেলে কি হবে তা তো জানেন।
কবিতাই সব থেকে বড় একান্ত অনুভূতি।এর কথা,শব্দ ছোট কিন্তু এর অর্থ ,আবেগ অনেক।
ধন্যবাদ।
কবিতা পড়ি, ভালো লাগে, মনের মাঝে স্বপ্ন উকিঁ দেয় কবিতার মত করে। এই ত অনেক পাওয়া।
একদম সত্যি।কবিতায় স্বপ্ন চরণ।এ এক আলাদা অনুভূতি।
(y)
কে বলে আপনি
ধুর মন্তব্য লেখার আগেই কেমনে কে মন্তব্য টা চলে এলো! ;?
যাক যা বলছিলাম! কে বলেছে আপনি প্রেমের লেখা পারেন না! এতো পুরাই ১৮+ পোষ্ট! লেখার শিরনাম টাই তো অন্যরকম প্রেমময়! 🙂
তাইলে একটা প্রেমের স্কুল খুলেই ফেলি। :D)সাথে গাট্টিবোস্তাও বাইন্দা রেডি থাকি।
আহ প্রেম! 🙂
দারুন প্রেম !
হা হা হা।বুড়াতি প্রেম আমার !
ভাসাইয়া নিল উজানে।