আঁধার ঘরে সম অন্ধকারে,বিলাপ করে কিশোরীর স্বপ্ন এ পৃথিবীতে, তার মুখটি বরষায় ভেজা সবুজের বুকে ঐ গাঢ় বাদামী পুষ্প কলির মতো। দিবালোকে সেই স্বপ্ন তার বাতাস হতে বাতাসে বিলাপ করে সন্ধ্যায় ঐ যে পিশাচ বাদুর, গাঢ় বাদামি ঐ পুষ্প কলি কদমকে সবুজ থেকে ছিঁড়ে ফেলে দিল, আঁচড়ে পিঁচড়ে, এই ধূলোর বুকে। তাঁর আকুতি, তাঁর কন্ঠের [বিস্তারিত *কদম কিশোরী*]
জীবন একটা গতির নাম। গতির মৌলিক ধারা রয়েছে। জন্ম লাভের সাথে সাথে মানুষের জীবন শুরু হয়ে যায়। মানুষ আস্তে আস্তে বড় হয়। তারপর একসময় তাকে জীবনের দায়িত্ব গ্রহন করতে হয়। মানব জীবন সংক্ষিপ্ত হলেও গতির হিসেব মতে মানুষকে কয়েকটি পর্যায় অতিক্রম করতে হয়। মানুষের জীবন হল সজীব শক্তি, মূল্যবান এক অপার শক্তি। গতিময় জীবনে মানুষ শিশু [বিস্তারিত জীবন মানে গতিময়, স্থিতি নয়।]
আমাদের দেশে ছেলেমেয়েদের প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তাদের মনের চাহিদা। বাচ্চা সুলভ আচরণগুলোর পরিবর্তন হয়েছে খুবই দ্রুত। শিশু থেকে কিশোর, কিশোর থেকে যৌবন। কিন্তু শিশু থেকে সরাসরি যৌবনেই যেন চলে যেতে চায় আজকালকার ছেলেমেয়েরা। কিশোর বয়সটা যেন চোখের পলকেই সরে যায় তাদের জীবন থেকে। কিশোর বয়সের ছেলেমেয়েদের আমরা তাদের বয়স অনুযায়ীই আচরণ দেখতে ভালবাসি। [বিস্তারিত কাগজে মানি, আচরণে না।]
আমাদের জীবনের চারপাশে রয়েছে সুবিস্তৃত জগৎ। সে জগতে বিচিত্র শ্রেণীর সব মানুষের বাস। কথায় বড় বড় চমক সৃষ্টি করতে পারে, সেই কথায় বাস্তবতা না থেকে থাকে ন্যাকামো, হিংস্রতা। এই বড় বড় কথার অধিকারী মানুষ শেষাবধি ময়ূরপুচ্ছধারী কাকের মতো মানুষের বিরক্তি উৎপাদন করে। এরা বোকার খোলস পরে, তাদের বাক্য জৌলুসে বিভ্রান্ত করে অগনিত মানুষকে, ক্ষতি করে [বিস্তারিত স্মৃতিভ্রম ! বোকার ছদ্মবেশ।]
পথের পাশে ঘুমন্ত শিশু, শক্ত খোলসে ঝিনুকের বুকে, মুক্তার মতো। হিরা খণ্ডের মতো ঝিলিক না দিলেও উজ্জল চকচকে, এক মুক্তা মুখ। এ শিশুর জন্ম এক ভাগ্য বিতারিত নারীর শোকের বাসরে, জনন প্রক্রিয়ার এক অনিবার্য পরিনতিতে, জৈবিক তাড়নায় জন্ম হয়েছে এ শিশুর, জনকের পুত্রার্থে নয়। এ জন্মে হয়নি কোনো উৎসব, আনন্দ, উচ্ছাস, উল্লাস দীঘির পদ্মের মতো [বিস্তারিত ঝিনুক শিশু]
জলমগ্ন মাঠের এ প্রান্ত ছুঁয়ে, উঁচু এ হাঁটা পথ। গিরিপথের প্রান্ত সীমায় বসে থাকা রাখাল বালক। রাখলের চোখে স্বপ্ন, এ জলমগ্ন মাঠ ভরে উঠবে সবুজে সবুজে। এই শীতল বটবৃক্ষের ছায়াতলে হাতে তার বাঁশি। মেষ শাবকের পাল ছুটে চলেছে সেই সুরে। এ যেন এক স্বর্গীয় পরিবেশ। হঠাৎ এ জলমগ্ন সবুজ বুকে, মরুর যাদুকরের চিৎকারে, বাঁশির সুরের [বিস্তারিত এ জলাভুমির বালক।]
শব্দের মালা গাঁথব বলে চলে এলাম এই বৃক্ষের ছায়া হিমশীতলে, পাশে এই ছোট্ট দীঘি, বুকে তার শাপলা গন্ধ, আমার তাকানোতে হেসে বলছে,’তোমার কলমের কাগজবুকে বসে যাই একটুখানি।’ আমি বললাম ‘তোমার জন্য মেলে রাখা ঐ সবুজ পাতায় দেখ দু’টো প্রজাপতি, বোঝ তুমি ওদের কথা? একটু শোনাও তো আমায় দেখি’। শব্দের যাদু নেই আমার, নেই কোনো অন্তমিল, [বিস্তারিত উদাসীন শব্দ আমার]
যে জেলার তাঁর জীবন বাঁচিয়েছিলেন, সেই জেলারকে বঙ্গবন্ধু কখনো ভোলেননি। ১৯৭৪ সালের জুন মাসে ভূট্টো সাহেব যখন ঢাকায় আসেন, বঙ্গবন্ধু ঐ জেলারকে তাঁর ব্যক্তিগত অতিথি হিসেবে দাওয়াত করেছিলেন। দেশের জনগনকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও সেনা ছাউনির তলে বসে ক্ষমতা দখলের কুচিন্তায় বঙ্গবন্ধুর নামে তারা কুৎসা রটাতে শুরু করে এই বলে যে, বঙ্গবন্ধু দেশকে দেশকে ভারতের [বিস্তারিত নতুন প্রজন্মের চোখে “ভয়াবহ আগস্ট” পর্ব -৩]
“মুজিব শব্দটি একটি যাদু” “মুজিব একটি আলৌকিক নাম” পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর দলের নেতা ও জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তার প্রদেশের বৃহত্তর স্বায়ত্বশাসনের যে ন্যায্য দাবী জানিয়েছিল তা ঐ পাকিস্তানি শাষক গোষ্ঠি না মেনে বঙ্গবন্ধুকে জেলে দেয়। তখনকার বঙ্গবন্ধুর সেই দাবিই বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বাস্তব রুপলাভ করে। কারামুক্তির পর বঙ্গবন্ধু [বিস্তারিত নতুন প্রজন্মের চোখে ভয়াবহ আগস্ট -২]
“দেশের জন্য আমি যা করছি, ও করতে চাচ্ছি, তা কেউ অনুধাবন করল না ” — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করার যে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল, সেই নরখাদক, কলঙ্কময় নামটি হচ্ছে, মেজর ফারুক। মেজর ফারুক তার এই নারকীয় চিন্তাটি প্রথমে তার বৌ এর বড় বোন জোবায়দার স্বামী মেজর খন্দকার আব্দুর রশিদকে জানিয়েছিল। ফারুকের বিবাহ [বিস্তারিত নতুন প্রজন্মের চোখে “ভয়াবহ আগস্ট” – পর্ব ১]
ধরনীর বুকে আজ ক্লান্তি , মাঠের বুকে, নির্জন কোলাহল মুক্ত সবুজ ঘাসে, এলোচুল এলিয়ে দিতে নিজে যেন মুক্ত বিহঙ্গ। দূর মাঠের ঐ প্রান্তে, হঠাৎ ফিসফিসানি, এক জোড়া ধূসর সারস ডানায় ডানায় যেন বিলাচ্ছে প্রেম । চেয়ে রইলাম আপলোক চেখে , সারসের জলকেলি দেখব, অথচ সারস, অল্প পানিতে জলকেলিতে তুষ্ট নয়। চলে গেল নিশ্চিন্ত মনে নদীর [বিস্তারিত অব্যক্ত]
আমার তরে যা ছিল, তা সবই ছিল কুয়াশায় ঢাকা। এক হাত দূরে স্পর্শের কাছে, অথচ তাকে দেখতে পারিনি স্পষ্ট। তাকে বলতে পারিনি, এত কাছে, এতো পূরনো তবু তুমি কুয়াশায় ঢাকা। কুয়াশা কেটে যে রোদ আসে, তার ঝাপটায় চোখে জল ওঠে। এ রোদ, রোদ চশমার আড়ালেও পানি ঝরায়। এ অদ্ভুত আমি, আমার আমিতেই কেঁপে উঠি। আয়নায় [বিস্তারিত না বলা যন্ত্রণায়]
।”এদিকে ধোনা মোনা মোম মধু ঘরেতে আনিল তামাম শহরে তার খবরও হইল।। কইল সকলকে ডাকিয়া, বাঘের পেটেতে দুখে গেছে গো হারিয়া।। এই কথা শুনে, দুখের মা বারে বারে মুর্ছা যায়। “এইরূপ কান্দে বুড়ি ফেরে বাড়ি বাড়ি। কানে কালা চক্ষু অন্ধ ক্ষীণ হইল নাড়ী।। মনে মনে বনবিবিকে ডাকতে লাগল দুখের মা। “অন্তর যামিনী মাতা জানিতে পারিল। [বিস্তারিত সুন্দরবনের লোকসংস্কৃতি ( পীর-দেব-দেবী)-৪]
বরিজহাটিতে ধোনাই মোনাই নামে দুই ভাই বাস করত। একদা ধোনাই বাদাবনে সাত-ডিঙ্গা নিয়ে মোম-মধু এনে ব্যবসা করার জন্য প্রস্তুত হয়। কিন্তু তার ডিঙ্গার জন্য একটি লোকের অভাব পড়ে। তখন সেই পুঁথিটিঃ “ধোনাই খুঁজিতে লোক, রওনা হইল।। সেই গ্রামে দুখে নামে এক গরিব ছিল। ধোনা মৌলে তাহার বাড়িও পৌছাল।। দুখে বলে ডাকে তারে দরজাতে খাড়া হইল”। [বিস্তারিত সুন্দরবনের লোকসংস্কৃতি (লৌকিক পীর ও দেব-দেবী)- ৩]
ভাঙড় শাহর কথা শুনে বনবিবি ভাটির দেশে আসিল। জঙ্গল কাঁপিয়া জঙ্গাল শাহ্ আজান দিল। আজান শুনিয়া দক্ষিণ রায় চঞ্চল হইয়া উঠিল। এবং সে বুঝতে পারল “আসিয়াছে দোছরা সে আর” তখন দক্ষিন রায় তার চেলাদের হুকুম দিল আক্রমণকারীদের হটিয়ে দিতে বলিলঃ ভাগাইয়া দেহ তাকে কোথা হতে এসে হাঁকে। নাহি কি জানে, সীমানা আমার”?। চেলাগন হুকুম তামিল [বিস্তারিত সুন্দরবনের লৌকিক পীর-দেবদেবি -২]