ক্রীতদাস প্রথা এক নির্মম ইতিহাস পর্ব-৭.

ক্রীতদাস শাস্তিঃ বেঁধে চাবুক মারা ক্রীতদাস শাস্তি দেওয়ার সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি ছিল চাবুক দিয়ে মারা। ক্রীতদাস প্রভু তার বাড়ির আঙ্গিনায় একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতেন এতে ক্রীতদাসদের বেঁধে চাবুক মারা হতো। যাতে করে চাবুক মারা সময় নড়াচড়া করতে না পারে। ক্রীতদাস নারী কি পুরুষ উভয়ের বেলাতেই উলঙ্গ করে তাকে চাবুক মারা হতো। আর অন্য ক্রীতদাসদের সম্মুখেই [বিস্তারিত ক্রীতদাস প্রথা এক নির্মম ইতিহাস পর্ব-৭.]

রিতুও রিতুর দ্বৈতসত্ত্বার কথার কথা-২

চোরেরও জাতিভেদ আছে। কে কুলিন আর কে   হরিজন, তা নির্ভর করে চুরি করা দ্রব্যের উপর।যেমনঃ লুটি তো ভাণ্ডার যারা, তারা সম্ভ্রান্ত উঁচু শ্রেণীর আর যারা পেটের দায়ে সামান্য চুরি করে এবং যাদের পিছনে কোনো নেতা থাকে না তারা হয় ছিঁচকে চোর, এবং তারা এই তথাকথিত সভ্য সমাজের জন্য উপহাস ও নির্মমতার স্বীকার হয়। যেমন [বিস্তারিত রিতুও রিতুর দ্বৈতসত্ত্বার কথার কথা-২]

রিতুও রিতুর দ্বৈত সত্ত্বার যতো কথা।

গতকাল ছোট বাবার স্কুলে বসে থাকতে গিয়ে পুলিশ লাইনের সামনে এক মরা গাছ ও গাছের উপর এসে পড়া এক টুকরো মেঘ দেখে মনে এলো, কতো কতো এলোমেলো কথা। শুরু হলো আমার মনের দ্বৈত সত্ত্বার কথোপকথন। ‘প্রকৃতি এক ধরনের শৃঙ্খলা মানে, কিন্তু শৃঙ্খল মানে না। প্রকৃতির এই শৃঙ্খলাকে আমরা প্রকৃতির এক একটা ধাপ হিসেবেই দেখি, এই [বিস্তারিত রিতুও রিতুর দ্বৈত সত্ত্বার যতো কথা।]

গৃহিনীর সংসার

নারীর জন্ম জীবনটা একটা বৃত্তের মধ্যে থাকে। সে বৃত্তটা ধরলাম রাবারের। সে বৃত্তে থাকে বাবা-মা, ভাইবোন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সে বৃত্তটাও বাড়তে থাকে। আর তা বাড়তে বাড়তে একসময় ছিড়ে যায়। তারপর বৈবাহিক সূত্রে শুরু হয় আর এক বৃত্ত। এ বৃত্তটা অনেক বড়। স্বামী পুরুষটির ছেঁড়া এ বৃত্তটি গোছাতে গোছাতে, অর্থাৎ( দ্বায়িত্ব পালন, স্বামী পুরুষটির [বিস্তারিত গৃহিনীর সংসার]

কাৎস্য কন্ঠের বিষ

গ্রীষ্মের খরতাপের তপ্ত দুপুরেও কারো কাৎস্য কন্ঠের বিষ আমাকে আর স্পর্শ করে না। কারণ, আজ আমার ভিতরে বাস করে হাওয়ায় ভেসে আসা এক সমধুর সুরের ভান্ডার। তাই চেয়ে দেখ, নিরুদ্ধিগ্ন ও নির্বিকার এ মুখ আমার। ব্যাথায় কুঁকড়ে থাকা যে মুখটি দেখে তোমার পুরুষালী ইগো গর্বে ফুলে উঠতো, সে মুখেই আজ দ্বীপ্ত দেখ। তাই আজ বড় [বিস্তারিত কাৎস্য কন্ঠের বিষ]

আমার ঘাসবুক সমগ্র।

আমার ঘাসবুক। না, আজ আর কোনো অধিকারে মন কাঁদে না। এ এক একার অধিকার চাইতে চাইতে, আজ সে সত্যিই জড়ো। এ জড়ো তাই নড়ে না চড়ে না, কোনো অধিকারের অনুভূতি তাকে আর নাড়া দিয়ে ওঠে না। আজ এ অধিকার না চাওয়াতে, না দেওয়াতে ভেবো না অন্য কোথাও এ জড়ের প্রাণ সেজেছে। কতোটা আঘাতে একটা প্রাণ [বিস্তারিত আমার ঘাসবুক সমগ্র।]

বিষন্ন পথে

কি এক বিষন্ন ছায়া এসে ভর করায়, সাঁজের আলোয়, সোনালী এক দিপ্ত মাখব বলে, বেরিয়ে পড়লাম দিগন্ত ছুতে, মেঠোপথ চিরে রেল লাইনের ঐ পথ ধরে তপ্ত রোদের সে বিষন্ন ছায়া ছেড়ে। সাঁজের বেলা গেলো মোর, সন্ধ্যা এলো। জোনাকীর বেশে এলে আলোর মিছিল নিয়ে ঝিঁঝিঁপোকা ডেকে সাড়া দিল, পাহারায় আছি। মধুর সে সন্ধ্যাও এখন ফুরিয়ে এলো [বিস্তারিত বিষন্ন পথে]

আমি ভেতো বাঙ্গালি।(ম্যাগাজিন)

সংস্কৃতি বলতে সাধারণত বোঝানো হয় বিশেষ সমাজের সাহিত্য, সংগীত, ললিত কলা, ক্রীড়া, মানবিকতা, জ্ঞানের উৎকর্ষ ও আরো অনেক শান্তি ও সৌন্দর্যের সমাহার। এর পরও ব্যাপক দৃষ্টিতে দেখলে সংস্কৃতি হলো মানুষের জ্ঞান, আচার -আচরণ, বিশ্বাস, রীতিনীতি, নীতিবোধ, চিরাচরিত প্রথা, সমষ্টিগত মনোভাব, সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং অর্জিত কীর্তিসমূহ। বাঙ্গালি সংস্কৃতির ভিত্তি গড়ে উঠেছিল এই অঞ্চলের হাজার হাজার বছরের [বিস্তারিত আমি ভেতো বাঙ্গালি।(ম্যাগাজিন)]

তোমার সুরের তরে

  দিনমান আকাশের মন খারাপের পরে ঝলমলে বিকেল গড়িয়ে এক সন্ধ্যা নামল, গোধূলী আমায় অপেক্ষার দ্বীপালী জালাতে বলল, গোধূলীকে পলকে মিলাতে বললাম। তোমার গানের অপরূপ সুরের মূর্ছণায় সেজে উঠার আশায়, আজ এক ঝলমলে রাত্রির অপেক্ষায় আমি। রাত্রির সেই ঝলমলে ভ্রমণপথে, নিকোষ কালো এক দেয়াল তৈরি হলো, কোলাহলে সূরের সে মূর্ছণা আমার বাঁধা পেল। আমি তবু [বিস্তারিত তোমার সুরের তরে]

ক্রীতদাস প্রথা, নির্মম এক ইতিহাস পর্ব- ৬

ক্রীতদাস শাস্তিঃআমেরিকা ছাপ মারা বা ট্যাটুঃ চুরির অপরাধে ক্রীতদাসদের কপালে ইংরেজি শব্দ “Far” এঁকে দেওয়া হতো। সাধারণত লোহার তৈরি ছাঁচ গরম করে কপালে ছ্যাঁকা দেওয়া হতো আর এতে কপালে স্থায়ী ছাপ পড়ত। “Far” শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ “Fure” থেকে যার অর্থ চোর। ট্যাট্টু দাগি অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করার জন্যও ব্যবহৃত হতো। তাছাড়া, গ্লাডিয়েটর স্কুলে শিক্ষার্থীদেরকে ট্যাট্টু [বিস্তারিত ক্রীতদাস প্রথা, নির্মম এক ইতিহাস পর্ব- ৬]

জলের নীচে আকাশ।

পাতার ফাঁক গলে যে চূর্ণ রোদ খেলে মাটির বুকে তার উপর আমি স্বপ্ন আঁকি। নদীর কিনারের সাথে নদীর জলের সঙ্গমে একটু না হয় প্রেমই শিখি! বৃক্ষের খোড়লে যত্নে রাখি উদাসিন শব্দ কিছু। নিজস্বতা আমার যা কিছু, তা সে ভুল বা সঠিক বুকের পাঁজরে আটকে থাকুক। আকাশের ঐ মেঘ যতো গভীর কালো হয় তার বর্ষণও কি [বিস্তারিত জলের নীচে আকাশ।]

প্রিয় মনিকে চিঠি (প্রতিযোগীতা)

প্রিয় মনি, তোর নামটার সাথে জড়িয়ে আছে আমার শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি। সেই প্রথম যখন আমরা খুলনা বসুপাড়া দাদাদের (আব্বার মামা) বাসায় উঠলাম, তার ঠিক দুই বাড়ি পরেই তোদের বাড়ি। তোর সেই ফ্রকটার রং এখনো আমার মনে আছে। সামনে তুই প্রথম এসে হেসে দিলি। তুই আমি সারাদিন খেলতাম। দিনমান ছুটোছুটি চলতো আমাদের। সুপারি বাগানের ডাগর [বিস্তারিত প্রিয় মনিকে চিঠি (প্রতিযোগীতা)]

স্নিগ্ধ এ পথে।

আকাশে দেখ মেঘের চিহ্নমাত্র নেই, সারা আকাশ জুড়ে তারার মেলা। রাতের নির্জনতা এ পৃথিবীকে আরো ঘুমন্ত করেছে। চাঁদ দেখ তার স্নিগ্ধ আলো নিয়ে হেসে উঠেছে। এ আলোয় কৃত্রিম এক পথ তৈরি হয়েছে আমি বিমুগ্ধ নয়নে চেয়ে আছি সে পথ পানে। শুকনো পাতার মরমর ভেঙে চলে আস এ দ্বারে বুকের ভিতর কাপন তোলো। কর্মহীন পরিশ্রান্ত এ [বিস্তারিত স্নিগ্ধ এ পথে।]

ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস পর্ব -৫

‘ক্রীতদাসের শাস্তি’ প্রাচীন রোমান সম্রাজ্যঃ প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্য সম্পদশালী হওয়ার পেছনে ক্রীতদাসদের অবদান অপরিসীম। ক্রীতদাসরা রোমান সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশও বটে। কিন্তু এই ক্রীতদাসদের জীবনে  “অধিকার” বলে কোনো শব্দ ছিল না। রোমান আইনে ক্রীতদাস ছিল সাধারণ পণ্যের মতো বিক্রয় এ সহজেই স্থানান্তরযোগ্য একটি পণ্য। তারা ছিল চ্যাটেল(Chattels)। যখন কোনো পণ্য বা মালামাল বিক্রয় করা হয় তখন [বিস্তারিত ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস পর্ব -৫]

ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস পর্ব-৪

মঙ্গোলিয়ান পরাশক্তির বিস্তৃতি ও ক্রীতদাস প্রথা। ১৩ শতকের দিকে বিভিন্ন রাষ্টে মঙ্গোলিয়ানদের অনুপ্রবেশ ও রাজ্য বিস্তৃতি ক্রীতদাস প্রথাকে আরো জটিল করে তোলে এবং ক্রীতদাস ব্যবসায় নতুন শক্তির উদ্ভব হয়। মঙ্গোলরা প্রশিক্ষিত ও সাধারণ নারী, পুরুষ এবং শিশুদেরকে জোরপূর্বক বন্দি করে মঙ্গলদের রাজধানী কারাকোরাম এর সারাই শহরে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে তাদেরকে ইউরেশিয়াতে বিক্রয় করা হতো। [বিস্তারিত ক্রীতদাস নির্মম এক ইতিহাস পর্ব-৪]