স্নিগ্ধ এ পথে।

17308748_1889379404653891_3993087165174555081_n
আকাশে দেখ মেঘের চিহ্নমাত্র নেই,
সারা আকাশ জুড়ে তারার মেলা।
রাতের নির্জনতা এ পৃথিবীকে আরো ঘুমন্ত করেছে।
চাঁদ দেখ তার স্নিগ্ধ আলো নিয়ে হেসে উঠেছে।
এ আলোয় কৃত্রিম এক পথ তৈরি হয়েছে
আমি বিমুগ্ধ নয়নে চেয়ে আছি সে পথ পানে।
শুকনো পাতার মরমর ভেঙে চলে আস এ দ্বারে
বুকের ভিতর কাপন তোলো।
কর্মহীন পরিশ্রান্ত এ আমি তোমার ঘাসবুকে এলিয়ে পড়া এক শিশিরবিন্দু।
তন্দ্রাজড়িত নয়নে সুখের এক নিঃশ্বাস ফেলি।
ক্ষণকালের জন্য স্থীর হয়ে যাক সবকিছু।
বহুকাল ধরে ডায়রির পাতায় থাকা বিস্মৃত কোনো শুকনো ফুলের কলি
হেসে উঠুক আবারো।
এককালে তাকে সজীব অবস্থায় যত্নে রেখেছিলাম।
আজ সে বর্ণ গন্ধহীন আবর্জনা মাত্র।
,,,,,,,,,,মৌনতা রিতু,,,,,,
১২/০৩/১৭.

মোট পড়েছেনঃ ৭০৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩১টি মন্তব্য

  1. ঘাসফুলের বুকটি কার কে জানে? তবে সজীব কিন্তু আমি না :p আপু সবাই কবি হয়ে যাচ্ছেন, আমিই কবিতার কিছুই বুঝি না 🙁 লেখা এবং ছবিটি খুবই সুন্দর।

    1. ঘাসফুল বুকটির অহংকার ভারি। বুক সে পাতে না। শিশিরও তাই পড়ে না।
      এটাকে কুবিতা বলে! ভাবু ভাইয়া, আপনি খুবই হাসাতে পারেন। ছেলেকে তো সেই থেকেই বলি,”খবরদার গার্লস্ স্কুলের সামনে দিয়ে আসবি না”। কে জানে কখন পেশার কুকারের সিটি বেজে ওঠে!

  2. শেষটানে সব রঙ একাকার হয়ে মিশে গেলো।
    সময় সবকিছু পারে। যা একসময় যত্ন পেয়েছিলো অনেক আদর জড়ানো ভালোবাসার ভেতর। সেসব কিছুই অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেলো। সময় কতো কি যে খেলা করে আমাদের এই মনকে নিয়ে।

    দারুণ লিখেছো শান্তসুন্দরী। মন ভরে গেলো। ভালো থেকো। -{@

    1. ঠিক ঠিক ঠিক ভারি অন্যায় ;( তবে এমন ননদিনী পেয়ে আমি খুবই গর্বিত।
      ওর এবং সোনেলার সবার ভালবাসায় সিক্ত আমি।
      ভাল থাকবেন।

  3. খুব সুন্দর, মায়াময় লেখা। দিনের সেরা পাঠের অন্যতম এই কবিতাটি। কাল সম্ভবত পূর্ণিমাতিথি ছিল। পড়তে পড়তে নিজেকে আবিষ্কার করেছিলাম পূর্ণিমাতে। খুব ভাল লেগেছে আমার কাছে।

    1. এক কালে তাকে সজীব অবস্হায় রেখেছিলাম
      এখন বর্ন গন্ধহীন আবর্জনা মাত্র ..
      সত্যি কি তাই?
      শান্ত স্নিগ্ধ মায়ায় ভরা লেখা।
      ভালো থাকিস ।

    2. অনেক ধন্যবাদ। চাঁদ হলো উদাসিন নারী তার একাকিত্বের খবর নাকি ঐ শুক্লপক্ষই ভাল জানে।
      ভাল থাকবেন ভাই। শুভেচ্ছা রাশি রাশি।

  4. এক কালে তাকে সজীব অবস্হায় রেখেছিলাম
    এঁখন বর্ন গন্ধহীন আবর্জনা মাত্র
    সত্যি কি তাই ?
    শান্ত স্নিগ্ধ মায়ায় ভরা লেখা।
    ভালো থাকিস।

  5. নামের মতোই স্নিগ্ধ একটি লেখা। ঘাসবুক তোমার বুঝি অনেক প্রিয়? আর অনেক আপন?
    বহুদিন পর একটা শার্টের পকেটে দাগ দেখে হাত দিতেই একটা শুকনো ফুল। ওটা আবর্জনার স্তুপেই গেছে।
    অনেক ভালো লিখেছ ভাবী, পথ টা যেন আমারই। (3

    1. ঘাসবুক আপন হয়েও নয় সে আপন
      তাই তো এতো শব্দের আসর।
      কিছু কিছু জিনিস আবর্জনার স্তুপে যাওয়াই ভাল।
      কিছু কিছু ড্রয়ার না খোলাই ভাল।
      থাক তা আজিবন বন্ধ।
      ভাল থেকো সব সময়। ভালবাসা নিও।

  6. প্রহেলিকা এত্ত সুন্দর করে বলে ফেলেছে যে, এরপর আর কী বলব ভেবে পাচ্ছি না,
    তবে এটি বলতে পারি, সময়স্রোত অনেক কিছুই কেড়ে নেয়,

  7. ছোট বেলায় দেখতাম মেয়েরা বইয়ের ভাঁজে, খাতায় ফুলের পাপড়ি রেখে দিত, আর রাখত ময়ূর পালক। তাহলে এগুলো এই প্রতিক্ষায় রাখত? আহা! হারানো সেই দিন।

    1. ছেলেরাও এই ব্যাপারে কম না। যখন তখন প্যান্টের পকেটে জামার বুক পকেটেও গোলাপ পাওয়া যায়। তাই তাদের কাছে তা মুল্যহীন। ডায়রির পাতায় যে গোলাপ তার মূল্য অনেক।
      ভাল থাকবেন ভাইটু। শুভেচ্ছা রইলো।

      1. আমার এই ধরনের কোন অভ্যাস ছিল না, তবে মজার অভ্যাস ছিল একটা, কাগজ রাখতাম পকেটে, সেটা হতো কোন বইয়ের বা পত্রিকার কাটিং।

মন্তব্য করুন