যাপিত জীবন।

জীবন পরিক্রমায় এখন বয়সের শেষ প্রান্তে চলে এসছি। একমগ কফি হাতে বসে ভাবছি অনেক স্মৃতি। আসলে ভাবছি না, স্মৃতিগুলো ভেসে ভেসে উঠছে। প্রতিটা মানুষেরই শৈশব খুব প্রিয় হয়। আমারও শৈশব খুব আনন্দময় ছিল। বাবার চাকরিসূত্রে গ্রামের বাড়ি থেকে অল্প দূরত্বে হসপিটালের কোয়ার্টারেই থাকা হতো। কিন্তু বেশিরভাগ সময় আমি নানবাড়িতেই থাকতাম। দাদার বাড়িতেও থাকতাম, কিন্তু তা [বিস্তারিত যাপিত জীবন।]

রাক্ষসের পৃথিবী

অন্ধকার নরকের দীর্ঘ শ্মশ্রু প্রেত দলের অধিষ্ঠাত্রী এক রহস্যময়ী রাক্ষসীর বিকট চিৎকারে, সৃষ্টির সেরা মানবকুলের দিক দিশাহীন ছুটে চলা, জ্যোৎস্নালোকিত অজানা প্রান্তরের দিকে। পথে অথৈই সাগর, কখনো বা রোমান যুগের দ্বি-ধার তলোয়ারের মতো এ্যালিফ্যান্ট ঘাসের বন। মানবতার অস্পষ্ট দৃষ্টি তাদের জন্য দিশার আলো জ্বালেনি। ছুটে চলা বৃদ্ধের চোখে দৃষ্টি নেই, তবু তার আছে এ পৃথিবীর [বিস্তারিত রাক্ষসের পৃথিবী]

ইতিহাসের টুকরো কথন( যুদ্ধ বা রাজ্য জয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)

‘ রাজা লক্ষণ সেন ও বখতিয়ার খলজী’ বাংলায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজবংশ শাষন করেছে। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ইবনে খালদুনের মতে, যে কোনো রাজবংশের শাষন সময় চার পুরুষের অধীক দেখা যায় নাই। তেমনি বাংলায় পালবংশের পর সেন বংশকে আমরা দেখতে পাই। ধারণা করা হয় পালবংশের অবক্ষয়ের যুগে সেনবংশের উত্থান হয়। সেনরাজারা বাংলার আদিবাসী ছালেন, নাকি বাইরে থেকে [বিস্তারিত ইতিহাসের টুকরো কথন( যুদ্ধ বা রাজ্য জয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]

রিতুর এলোমেলো ডায়রীর পাতা।

আষাঢ়ের দিন। ঝুম বৃষ্টিতেই দিনের শুরু ও শেষ হলো। কাঁচঘেরা লাইব্রেরী রুমের সাথে লাগানো বারান্দাটা আমার খুব প্রিয়। রাতের নির্জনতার সাথে একাকার হয়ে মিশে যায়। ফাঁকা অনেকখনি যায়গার উপর সদ্য বেড়ে ওঠা আকাশমনি গাছগুলো তিনতলার এই বারান্দা পার করে ফেলেছে প্রায়। বারান্দার এক কোনে ছোট ছেলের দুই জোড়া পাখি। চমৎকার করে পাশাপাশি শুয়ে একে অপরের [বিস্তারিত রিতুর এলোমেলো ডায়রীর পাতা।]

ইতিহাসের টুকরো কথন।( যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)

“চৈতক ও মহারানা” প্রতাপ সিং ছিলেন মেবারের মহারানা উদয় সিং এর পুত্র। মহারানা প্রতাপের কোনো রাজধানী ছিল না। তবু তিনি ছিলেন রাজপুতদের গর্ব ও অহঙ্কারের প্রতীক। ভারতে এখনো তিনি একজন কিংবদন্তীর একজন বীর। তিনি উদয় সিং এর পুত্র হলেও উদয় সিং তার অন্য পুত্র জয়মলকে তার উত্তরাধিকারী করে যান। কিন্তু রাজ্যের সভাসদরা তা মেনে নেননি। [বিস্তারিত ইতিহাসের টুকরো কথন।( যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)]

মৌন শব্দ

জীবন চলার পথে ধ্বংসলীলার মতো যে সময়গুলো পাশ কাটিয়ে যায়, ছুঁয়ে যায় ভেঙে দিয়ে যায় সবকিছু। আমার চোখের অতলস্পর্শ গভীরতায় সে সব দৃশ্যপট ভাষাহীন বাণীর মতো স্তব্ধ হয়ে থাকে, যেন এক নিথর সায়র। আমি যেন শ্মশানের বুকে জ্বলে থাকা কম্পিত ঐ মৃৎ প্রদীপের মতো। হঠাৎ ঝড়ের মাতামাতিতেও নিভু নিভু করেও জ্বলতে থাকি। ,,,,,,,,মৌনতা,,,,,,,, ১২/৬/১৭.

ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-৩

নৃতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্তিক প্রমাণের সাহায্যে সিন্ধু সভ্যতার স্রষ্টাদের সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করা হয়েছে। তাত্ত্বিকেরা চারটি মানব গোষ্ঠীর পরিচয় পেয়েছে মহেন্জোদারো ও হরপ্পার নরকঙ্কাল থেকে। যেমনঃ প্রোটো, অষ্ট্রালয়েড, ভূমধ্যসাগরীয়, আলপাইন ও মঙ্গোলীয়। তবে কোন গোষ্ঠী এই সভ্যতা সৃষ্টি করেছিল বলা মুশকিল। প্রত্নতাত্তিক প্রমাণ অর্থাৎ মনুষ্যাকৃতির পুতুলগুলোর গঠন পরীক্ষা করে মনে করা হয় এখানে অনেক জাতিই বাস [বিস্তারিত ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-৩]

মৌনতা

মৌনতা। আজ কোথাও বসন্ত সেজেছে, পূর্ণ উদ্যোমে জ্যোৎস্না প্লাবিত নীলমণি লতায় ছেয়ে যাওয়া ঐ হ্যালারবাস অরণ্যের মতো ফুরিয়েছে এ বেলার সব রুক্ষতা। শিশিরে ভিজে সজীবতায় ফিরেছে নতুন নতুন সব স্বপ্ন। গানের সব সুরও আজ সোজা পথে আমার এক চিলতে আকাশ, দিনক্ষণ না মিলিয়ে কেঁদে ওঠে মেঘের পরশে। অনন্তকাল ধরে গোপনে যে আবেগ ছিল শিকল পরানো, [বিস্তারিত মৌনতা]

ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-২

ভারতবর্ষের সব থেকে প্রাচীনতম সাহিত্য হলো ‘বেদ’। এর মধ্যে ঋকবেদ হল সর্বাপেক্ষা প্রাচীন।ঋকবেদ থেকে জানা যায় আর্য জাতীর ভারতে আসার আগমন সম্পর্কে। তাদের জীবন যাত্রা সম্পর্কেও বেদ থেকে জানা যায়। আমরা ইতিহাসে দেখেছি যে, প্রত্নতত্ববিদরা বিভিন্ন সময়ে মাটির নীচে অনেক নগর আবিষ্কার করেছেন। ভারতবর্ষেও প্রাচীন সৌধ, স্মৃতি ও নগরের ধ্বংসাবশেষ থেকে বিভিন্ন যুগের সভ্যতা ও [বিস্তারিত ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-২]

ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-১

ইতিহাসের বিষয়বস্তু হলো মানুষ, তার সমাজ, সভ্যতা ও জীবনধারা। ইতিহাস কেবলমাত্র কিছু ঘটনার সমষ্টি নয়।ঘটনার অন্তরালে যে তথ্য আছে তাকে উদ্ঘাটন করা হলো ইতিহাস রচয়িতার দায়িত্ব। যুগ – যুগান্তর থেকে মানুষ তার পরিবেশের সঙ্গে সংগ্রাম করে এগিয়ে চলেছে। একসময় মানুষ ছিল গুহাবাসী। সভ্যতার সর্বনিন্ম স্তরে ছিল তার অধিষ্ঠান। সেই মানুষ তার বুদ্ধি দিয়ে প্রকৃতি এ [বিস্তারিত ভারতবর্ষ ইতিহাসের টুকরো কথনঃ আর্যজাতি পর্ব-১]

অচিন গাছ।

ইতিহাস ও প্রাচীন সব জিনিস আমার খুবই প্রিয়। এক কথায় এসব প্রাচীন সব কিছুতেই আমার দুর্বলতা । আর তার সাথে যদি জড়িয়ে থাকে অলৌকিক কিছু তবে তা খুবই ভাল লাগে। বর্তমানে বরের পোষ্টিং সূত্রে কুড়িগ্রামে আছি। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থানার টগরাইহাঁট জয়দেব হায়াৎ নামক স্থানে এই গাছটি আছে। এই গাছটি কবে থেকে এখানে আছে তা [বিস্তারিত অচিন গাছ।]

মৌনের ঘাসবুক সমগ্র।

‘নিজেকে করি কখনো আমি সর্ব আবেগ-মুক্ত, কখনো বা জীবনকে ডুবাই পূর্ণ আবেগে ব্যাকুল চিত্তে, জীবনের বিচিত্ররূপে ভেবেই পাই না, কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক। সে সব পূর্ণ আবেগে, তোমাকে সাজাই, তোমাকে গড়ি তোমার ঝড়ো শব্দেই তোমাকে ভাঙ্গি, সরল বাঁকা উভয় পথে হাঁটি। এক আজল জলের আবেগ তোমার বিন্দু বিন্দু খসে পড়ে, তোমার সরল পথে ধোয়াসা সে [বিস্তারিত মৌনের ঘাসবুক সমগ্র।]

ক্রীতদাস প্রথা নির্মম এক ইতিহাস পর্ব-৯

আমি আগেই বলেছি নারী ক্রীতদাসদের যৌন দাসী হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। এখানে মালিকরা তার নারী ক্রীতদাসদের সাথে তাদের ইচ্ছেমতো যৌন সম্পর্ক তৈরি করতো। সাদা চামড়ার পিতা ও কালো চামড়ার ক্রীতদাস মায়ের সন্তানরাই মিশ্র জাতির সন্তান। এরা মুলাট্টু নামে পরিচিত। ১৮৫০ সালের আদমশুমারীর তথ্যমতে আমেরিকাতে ২৪৫০০০ জন মালট্টু ছিলেন, যা ১৮৬০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪১১,০০০ জনে [বিস্তারিত ক্রীতদাস প্রথা নির্মম এক ইতিহাস পর্ব-৯]

আধখানি চাঁদের বনে।

আজ এ পথে পিছনের যতোশতো নিঃসঙ্গ মুহুর্তের বিচিত্র ছবিগুলো ভেসে উঠছে তন্ময় হয়ে বসে ভাবছি, সেই সব অনাবিষ্কৃত গভীরতায় আমি তখন ঢুকে দেখিনি, আজ এক্ষণে, দেখছি তাকে, শিখছি তাকে। অধরা সে সময়গুলো আমার, যা মুহূর্তের মধ্যে পালিয় গেছে তা সে আমার চোখের কোনে উজ্জল মুক্তো। সেই অনাবিল দৃষ্টিটুকু খুঁজি এখন। আজ রাতের এ বাঁকা আধখানি [বিস্তারিত আধখানি চাঁদের বনে।]

ক্রীতদাস প্রথা নির্মম এক ইতিহাস পর্ব-৮

ক্রীতদাস প্রথা একসময় ধীরে ধীরে লোপ পেতে থাকে। অর্থাৎ আইন করে বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশ আসে। ক্রীতদাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর বৃটেন ও আমেরিকা অন্তমহাদেশীয় ক্রীতদাস পরিবহন বন্ধে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। তাদের চাপেই ১৮২২ সালে ওমানি আরবরা মর্সবি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যেখানে কোনো খ্রিস্টান শক্তির নিকট ক্রীতদাস বিক্রয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এই চুক্তি [বিস্তারিত ক্রীতদাস প্রথা নির্মম এক ইতিহাস পর্ব-৮]