ক্যাটাগরি বিবিধ

জোনাকজল

শুন্য শুন্যালয় ২৮ নভেম্বর ২০১৫, শনিবার, ০৩:০৫:৩৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৫৯ মন্তব্য
এক বিহান রাতে রাত পোহায়; স্বল্পজন্মা ঘুম এক আকাশচোখে দেখে, হিমশিম শূন্যতায় এক স্বসর্গ হাতে মাথা রেখে জোনাকির একাকিত্ব ভেসে যাচ্ছে------ নিভাঁজ নিশ্চুপে সে কি চলে গেলো? নাকি এলো? তুমুল বর্ষায় চোখে জল হয়ে !!   বিঃদ্রঃ লেখার সাথে ছবির কোনই মিল নাই, ইহা একটি আউলাঝাউলা পোস্ট।

ভালোবাসাবাসি

স্বপ্ন ২৬ নভেম্বর ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৪:৪১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, গল্প ৬২ মন্তব্য
ডাক্তার জামান এর চেম্বারে প্রবেশ করলো একজোড়া যুবক যুবতী। পুরাতন রোগী, এর পূর্বে আরো চারবার এসেছে ডাক্তার জামান এর কাছে। একে অন্যকে সাহায্য করছে হাটাঁর সময়। দুজনই বিধ্বস্ত রক্তাক্ত, যুবকটি পা টেনে হাঁটছে,কপাল বেয়ে রক্ত গালে। যুবতীর কপাল ফুলে আছে, জলপাই রঙের টি সার্টের একটি হাতা প্রায় ছিড়ে গেছে, ডান চোখের নীচে কালছে দাগ। সুখী [ বিস্তারিত ]

কিশোরী স্বপ্ন

ছাইরাছ হেলাল ২৬ নভেম্বর ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ০৮:১৩:০৮পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৫৮ মন্তব্য
তোলা পানির স্নানেও স্নান থাকে, সমুদ্রেও স্নান থাকে, সাতরে পার হওয়া না জানাদের ও স্নান থাকে, তোলা পানি ই একমাত্র ভরসা। রাহসিকতার হাস্যোচ্ছ্বল হাস্যোজ্জ্বল আনন্দধ্বনি সবার পাওয়া হয় না, জীবন বোধের প্রাসঙ্গিকতায় অপ্রাসঙ্গিকতার স্তরে স্তরে সবুজের শুশ্রূষা পাওয়া হয় না, হারিয়ে যাওয়ার এই যে ছড়িয়ে পড়া দীর্ঘতর যাত্রা পথে একমাত্র সঙ্গী সঙ্গীহীনতার যুগলবন্দী শূন্যতার সহবাসে। [ বিস্তারিত ]
রমনা পার্কের ভিতর এক লাল জামা পড়া মেয়ে সাথে একজন ছেলে, বসে আছে পার্কের বেঞ্চে, ঘনিষ্ঠভাবে। মেয়েটার মাথা ছেলেটার কাঁধে, দুজনে আকাশে তাকিয়ে বলছিল মনের কত কথা। “ এই শুনো, আমরা কিন্তু বিয়ের পরেও এভাবে বের হব। পার্কে পার্কে ঘুরবো। তুমি কিন্তু একদম না করতে পারবে না। ” - বলছে মেয়েটা। - আচ্ছা বাবা, যো [ বিস্তারিত ]

রূপকথা নয় চুপ কথা

দীপংকর চন্দ ২৫ নভেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৮:০৭:৪১অপরাহ্ন বিবিধ ২৪ মন্তব্য
  প্রজাপতি তার বহুবর্ণিল কাব্যময় পাখাদুটো তুলে দিল মেয়েটির হাতে... মেয়েটি জানতে চাইল, তোমার কী খুব কষ্ট হচ্ছে? প্রজাপতির নীল ঠোট, নড়লো সামান্য, বলল, এই দেখো আমি কেমন কথা বলছি... তোমার কী খুব ঘুম পাচ্ছে? আমার চোখের পাতা অবাধ্য ভীষণ... তুমি মরে যাচ্ছো না তো! আমি একলব্য! আমার বৃদ্ধাঙ্গুল অনাশ্রিত চিরকাল... কেবল রক্তক্ষরণ... আমার খুব [ বিস্তারিত ]

বই ধার এর মাশুল…..

মিতা রহমান ২৫ নভেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৫:০১:৩২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৫ মন্তব্য
যারা পড়তে ভালবাসে তাদের সবার ই কম বেশি ধার করে বই পড়ার বা ধার দিয়ে বই ফেরত না পাবার অভিজ্ঞতা আছে.... আমার ও আছে..., আমরা আমাদের পছন্দের বই অনেক সময় পছন্দের পড়ুয়া কে যেচেই দিয়ে থাকি... এর মানে হচ্ছে, নিজের ভাল লাগা কে অন্যের মাঝে বপন করা.... যাই হোক... ৯৫ সালের কথা... তখন আমাদের প্রতিবেশী [ বিস্তারিত ]

চাঁদমামা

অরুণিমা মন্ডল দাস ২৪ নভেম্বর ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৮:৩৩:৪৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ১২ মন্তব্য
আলোর ঝর্ণায় ভরে দিলি মোলায়েম রঙের আবীর মাখিয়ে দিলি মনের পর্দা উঠিয়ে দিলি কিন্তু কাছে এসে গান শোনালি না? কোলেও ঘোরালি না কাছে বসে গল্পও শোনালি না? # চাঁদমামা ,চাঁদমামা তুই মামা ? তবে কেন খেলতে এলি না মাঠের ওপারে? বনপিশিমা মুঠোভরে খই গুড়মুড়ি দিচ্ছিল তুই কেন এলি না? বদ্দ্যি কাকিমা ধান ঝাড়াচ্ছিল না? পাপাই [ বিস্তারিত ]

ভোকাস বার্তা

ছাইরাছ হেলাল ২৩ নভেম্বর ২০১৫, সোমবার, ০৮:৪১:৫৩অপরাহ্ন ভ্রমণ ৪৩ মন্তব্য
স্বল্পকালীন আবাস হিসাবে যে হোটেলটিতে ছিলাম সেটি বিশ তলা, সম্ভবত চার বা পাঁচতলা মাটির নীচে, আধুনিক সব ব্যবস্থাই বিদ্যমান,মেইন ডেস্কে শুধু অত্যন্ত স্মার্ট এক যুবক এক যুবতী, জলজ্যান্ত মডেল। চোখ আঁটকে যাবার মত, একটু পাশে আর একটি ডেস্কে সিকিউরিটির এক কর্তা। কারো কিন্তু বসার চেয়ার নেই। সিফট চেঞ্জে আবার অন্য কেউ আসে, দাঁড়িয়েই কাজ করতে [ বিস্তারিত ]
কলেজ থেকে বাসায় ফিরছে সাদিয়া। হটাতই পাশ থেকে কে যেন বলে উঠলো, “ সাদিয়া চা খায় বিস্কুট দিয়া ! :p ” সাথে সাথে একদল ছেলের হাসি শুনতে পেলো সে। তাকিয়ে দেখে তাদের বাড়িওয়ালার ছেলেটা টং- এর দোকানের সামনে ফ্রেন্ডদের সাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার নামের সাথে মিলিয়ে এই ছড়া বানাচ্ছে। ছেলেটার নাম আবির। সাদিয়াদের সাথেই পড়ে। [ বিস্তারিত ]
“আমি যাত্রা দেখতে যাব”। ব্যাস, দিলাম থামিয়ে সবার রাতের খাবার যা আমি আগেই অনুমান করেছিলাম। আমারতো অনেক বুদ্ধি ছিল ছোটবেলা, তাই খাবারের প্রায় শেষের দিকেই তুললাম কথাটা। বাবা মুচকি হাসি রেখে উঠে গেলেন। মা তাকিয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। ভাই বোনদের মাঝে নিজেকে জোকারের মতো মনে হোলেও আমি অনড় আমার চাহিদা নিয়ে। আর এটাতো আমাদের মহল্লার মানুষেরা [ বিস্তারিত ]
"বালিকা তুমি যদি আমাকে ভালো না বাসো তাহলে আমি আজ এই রেললাইনে আমার জীবন দিয়ে দিবো! আর আমার এই মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে তুমি! :'( " বালকের এমন ভয়াবহ হৃদয় বিদারক কথা শুনিয়া বালিকা থোড়াও কেয়ার করিলো না! উপর্যুপরি বলিতে লাগিলো " এসব বলা সহজ কিন্তু করা কঠিন " বালক আবার তার ঐতিহাসিক বানী ছাড়িলো [ বিস্তারিত ]
কৃষ্ণ তুমি কবে বুঝবে রাধার জ্বলন্ত পোড়া ঘায়ের যন্ত্রণা! প্রেমের পাগল বাঁশিতে বারবার ডেকে, সামান্য মিলনের নেশার মোহ দিয়ে, মাতাল করে হারিয়ে যাও!? বিরহের আগুনে পুড়তে পুড়তে গলা, বুক, ঠোঁট শুকিয়ে গেলে/ মধুর হাসি আর স্বর্গীয় অমৃত জল নিয়ে সামনে দাঁড়াও!? # ছেড়েই যদি যাবে তবে কেন এসেছিলে মন চাইতে! কলঙ্কই যদি মাথার মুকুট বানালে [ বিস্তারিত ]
খুব বেশি দূরে আর কই? ঘর থেকে পা বাড়ালেই মিরপুর দশ নম্বর গোলচত্বর। সেখান থেকে রিকশা নিলাম আমরা। অগ্নি নির্বাপণ সংস্থার কার্যালয় পেছনে ফেলে কিছুদূর এগোলেই মিরপুর বেনারসি পল্লীর ১নং গেট। সেই গেট অতিক্রম করে পৌঁছলাম পিচঢালা পথের শেষমাথায়। সেখানে অবস্থিত পুরোনো পাওয়ার হাউজ। পুরোনো সেই পাওয়ার হাউজের পাশেই বাঙালির বেদনাভারাক্রান্ত অসংখ্য স্মৃতিপীঠের একটি- ‘জল্লাদখানা [ বিস্তারিত ]

সাপ্তাহিকী

জিসান শা ইকরাম ২১ নভেম্বর ২০১৫, শনিবার, ১১:৫১:৩৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৯ মন্তব্য
৭৫ সালের পরে ভাবা যায়নি এদেরকে বিচারের আওতায় আনা যাবে। একজনের তো ঔদ্ধত্য তো সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এমন একটি ধারনা হয়েছিল যে এদের বিচার তো দূরের কথা গ্রেফতার করলেই সরকার পতন হয়ে যাবে।মধ্য প্রাচ্যের মুসলিম দেশ সমূহের সমর্থন হারাবে বাংলাদেশ। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী,আলী আহসান মুজাহিদ, বাঙ্গালীর হৃদয়ে গ্রথিত দুই ঘৃণিত নাম। ১৯৭১ এ এই দুই [ বিস্তারিত ]
ঢাকা কলেজ ... নামটা শুনলেই অনেকের আত্মা কেঁপে উঠে। অনেকেই মনে মনে ভাবেন যে ঢাকা কলেজ বুঝি কোন কলেজ না, একটা সন্ত্রাসীদের আতুঁড়ঘর। তাদের ভাব দেখলে মনে হয় এখানে যারা পড়ালেখা করে তারা ছাত্র না, সাক্ষাৎ কোন যম! ঢাকা কলেজের ভর্তি হওয়ার আগে সবসময় শুনে এসেছি, ওইখানে পড়ালেখা হয় না, পরীক্ষা হয় না। সব গুণ্ডা-মাস্তান [ বিস্তারিত ]

আর্কাইভ