জোনাকজল

img074 [] (2)
এক বিহান রাতে রাত পোহায়;
স্বল্পজন্মা ঘুম এক আকাশচোখে দেখে,
হিমশিম শূন্যতায় এক স্বসর্গ হাতে মাথা রেখে
জোনাকির একাকিত্ব ভেসে যাচ্ছে——
নিভাঁজ নিশ্চুপে সে কি চলে গেলো? নাকি এলো?
তুমুল বর্ষায় চোখে জল হয়ে !!

 

বিঃদ্রঃ লেখার সাথে ছবির কোনই মিল নাই, ইহা একটি আউলাঝাউলা পোস্ট।

মোট পড়েছেনঃ ৯৬৫জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৯টি মন্তব্য

        1. কিছুদিন মন দিয়ে করে, এরপর আগ্রহ কমে যাবে। শখের আকাইম্মা জিনিস এগুলো মায়াপু। চেষ্টা করে দেখো খুব কঠিন নয়। তুমি যেমন লেখালেখি করছো নিষ্ঠার সাথে, এমন একাগ্রতা নেই আমার, তাই তোমাকে ঈর্ষা করি আমি। তুমি খুব মায়ার একটা মেয়ে। -{@

      1. কিচ্ছু বাকি নেই, আমি তা মনে করিনা আপু। ২০ বছর পর আবার একটু হাত দিলাম, হাতি ঘোড়া যাই-ই হোক, এতেই আনন্দ। তোমার মধ্যেও তা বেঁচে আছে। তুমি যদি শুধু লেখা নিয়েই আরো হাজার বছর কাঁটিয়ে দিতে পারো তবে তাই-ই সই। সবটুকু তোমার উপরে। যা করবে নিজের জন্যে করবে। তবেই সবাইকে দিতে পারবে।
        ভালো থেকো রাজকন্যা। -{@

  1. “এক বিহান রাতে রাত পোহায়;
    স্বল্পজন্মা ঘুম এক আকাশচোখে দেখে,
    হিমশিম শূন্যতায় এক স্বসর্গ হাতে মাথা রেখে
    জোনাকির একাকিত্ব ভেসে যাচ্ছে——
    নিভাঁজ নিশ্চুপে সে কি চলে গেলো? নাকি এলো?
    তুমুল বর্ষায় চোখে জল হয়ে !!”

    নতুন একটা প্যাটার্ণ দিতে ইচ্ছে করছেঃ

    সারা রাত পোহালো কুয়াশা, সকালে হিমহিমে শূন্যাকাশ হতে নেমে এলো ঠিক যেন বছরের প্রথম হিম, সোনালী আলো হারিয়ে যায় কুয়াশার নেমে আসায়, টিপটিপ করে ঝরে পড়ে অজান্তেই, চোখ খুলে দেখি সে নেই, অথচ আছে তলায়। :p

    বিঃদ্রঃ পোস্টের সাথে আমার মন্তব্যের কোন মিল নেই।

    1. হা হা, তোর এট্টু চোখ বোজা বুঝি পাঁচ ঘন্টার? পাক্কা পাঁচ ঘন্টা ছিলাম কাল। চোখ খুলে তো নীচেই পাবি 😀
      আহ্‌ তোর প্যাটার্ন এই গরমেও আমাকে হিম হিম করে ফেললো।
      তাইতো দেখছি, সবই আউলাঝাউলা। 😀 তোর জ্বালায় মুচকি হাসি দেয়া ভুলে গেছি আমি 🙁

      1. তুমি আওনের টাইমিং জানায়া দেও। নাইলে বুঝি না। একদিন দুপুরে দেখি, একদিন সকালে তো আরেকদিন গভীর রাতে। :@

        কিনু ভুলে গেচ! 🙁

        1. আমার আওনের টাইমিং আমি নিজেই যে জানিনা দাদাভাই, এইটা কিন্তু সত্যি। 🙁
          ভালো কিন্তু, তুই আইসা আইসা খুঁজবি 😀
          মেমোরি কিঞ্চিত ভালই, ভুলুম না। 🙂

  2. লেখার সাথে ছবির যখন যোগাযোগ নেইই
    তখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ছবিটা কার?
    চিনতেই তো পারছি না এনাকে………

    তা আজকাল স্কেচ চর্চা ভালোই চলছে মনে হচ্ছে
    চিত্রকর বিশেষণ চাই বুঝি? 🙂

    1. ছবিটা কার তাতো আমিই জানিনা, আপনি কেমন করে চিনবেন?
      চিত্রকর বিষেষণ দিয়ে লাভ নাই, আপনি মডেল হিসাবে সুবিধাজনক না, আঁকবোনা আপনার ছবি।
      চর্চা চলছে, কয়দিন আগ্রহ থাকে বুঝতে পারছিনা। চেষ্টা করছি, দোয়া করবেন। 🙂

      1. দোয়া করছি অন্য সব ক্ষেত্রের মত স্কেচ আঁকিয়ে হিসেবেও আপনি যাতে সফল হতে পারেন
        কবি,ব্লগার,গল্পকার,রম্যকর,ফটোতোলক,চিত্রকর ডাঃ শুন্য শুন্যালয় ……… কত সুন্দর লাগছে, দেখুন এখন।

        1. কবি, ব্লগার, গল্পকার, রম্যকার?? ইইইইইইই। আপনি আমাকে এইভাবে পঁচাইবেন না প্লিজ লাগে। কবি কি জিনিস তাই-ই জানিনা, আর আমার গুরু বলে আমি আজো ব্লগার কি বুঝিনা। আর গল্প? সেইটা কিভাবে লেখে? রম্যকার!!তাজ আর সজু না দেখলেই বাঁচি।
          ফটোতোলক। ক্লিকাইতে সবাই পারে। চিত্রকর, দাগ কাটলেই চিত্রকর হয় বুঝি? আর ডাঃ, আমি এই পদবী ভুল যেতে বসেছি 🙁 দেখেন, আমি আদৌতে কোনকিছুর মধ্যেই পড়িনা।
          তবে দোয়া রাখবেন অবশ্যই, হয়েও যেতে পারি কিছু একটা। 🙂

    1. তুমুল বর্ষা নামালাম, বৃষ্টি দেখবেন, তা না করে চোখের জল দেখছেন। এতো নজর দেয়া ঠিক না।
      আউলাঝাউলা, কি লিখতে চাইছি, কি লিখছি আমি নিজেই বুঝতেছিনা। 🙁

  3. “হিমশিম শূন্যতায় এক স্বসর্গ হাতে মাথা রেখে
    জোনাকির একাকিত্ব ভেসে যাচ্ছে——”

    ঘোর লাগানো লেখা। ভালো লেগেছে শুন্য আপু। -{@

      1. আমি তো ছিলামই আপু। যাইনি কোথাও। কিন্তু পরিচিত পরিবেশে নিজেকেই অপরিচিত ঠেকছে।
        এ রোগের ঔষধ হলো আন্তরিকতা। পাই কোথায়?

      2. নীলাপু কখনো সেই আন্তরিকতার কম কিছু পেলে, আমাকে বলেই দিয়ো। তুমি অপরিচিত কেন হতে যাবে? নিজেকে আলাদা করে এভাবে ভেবে কষ্ট পেওনা। ভালো থেকো। -{@

  4. অবশ্যই ছবির সাথে লেখার ও লেখার সাথে ছবির কোনই মিল নেই।
    সবই ই জল জল জ্বল জ্বল টল টল টলমল।

    শব্দকথারা সমহিমায় ফিরতে পেরেছে (পুরোপুরি না) সামান্য দেরি হলেও(ব্যাপার না কোন) তা দেখে
    খুশি হচ্ছি,
    (অর্ধেক লিখলাম, শেখানো মত করে)

    1. জ্বলজ্বল নিয়ে তো একটু আগে একটা লেখা লিখলাম, আপনি কি করে জানলেন? 🙁
      শুধু কি এই-ই শেখালাম? আর শিক্ষকের উপরেই এপ্লাই করলেন? ঠিক না কিন্তু।
      আমার নিজের বলতে কোন মহিমাই নেই, সবই আপনাদের অবদান।
      বাঁকি অর্ধেকের জন্য কি অপেক্ষা করবো? বুঝতে পারছিনা।

  5. এক বিহান রাতে রাত পাহারায়
    ঘুমহীন ঘুম এক আকাশচোখে স্বপ্ন দেখে,
    হিমশিম শূন্যতার পূর্ণতায় এক সপ্তস্বর্গ হাতে মাথা রেখে
    জোনাকির জ্বল জ্বল একাকিত্ব ভেসে যাচ্ছে——
    নিভাঁজ নিশ্চুপে সে কি চলে গেলো? নাকি এলো?
    নাবলা বলা কথায় কথায়!!
    তুমুল বর্ষায় চোখজলের বাণ হয়ে !!

    বুমেরাং হলে বুঝি ভালো লাগে না!!
    লেখাগুলো দিয়ে দিন ভালোয় ভালোয়, অন্য কেউ লিখে ফেললে হাপিত্যেশ ই ভরসা!!

    1. এমন মন্তব্য লিখে আমাকে রাগিয়ে দেয়া ঠিক না। এমন কেনো আমি লিখলাম না 🙁
      সপ্তস্বর্গ হাত। কেমন হেভেন হেভেন ফিলিংস।
      লেখাগুলোর কথা জানিনা, তবে একটা লিখেছি আজ। দেব, কাল পরশু। আপনার মত ঘোর লাগা হবেনা তা মোটেই। আশাহত হয়ে দুয়ো দেবেন না যেন। আর আমার শব্দ আবার চুরি করেছেন তো রাজকন্যার কাছে নালিশ দেব।

  6. আমার এত সুন্দর প্রফাইল পিকচার কারো চোখে পড়ে না।একটা ভাবুক ফটো কোথা দিয়ে এনে দিয়ে দেয়া হয় স্কেচ করে।লেখায় আর ছবিতে যোগাযোগ নেই আবার? গালে হাত দিয়ে ভাবতে হবে এই লেখায় কত কিছু লুকিয়ে আছে 🙂 আমি ছবির মত গালে হাত দিয়ে ভাবতে বসলাম 🙂

    1. এই প্রোফাইল পিকচার দিয়া অলরেডি কত্তো জনের মাথা খারাপ করছো, এখন আবার স্কেচ করাবার শখ হইছে বুঝি? আমার হাতে এলে কি হবে তোমার ছবির একবার ভাবো সুন্দরী ভত্তাবউ।
      ভাবুক ছবিখানা আমি যে কই পাইলাম মনে করতে পারছিনা। লেখায় কিছু খুঁজে পেলে চুপি চুপি আমারে বইলো, খবর্দার ফাঁশ করে দিওনা যেন। একটা শব্দ পেলেই হবে 🙂

      1. ভাবিয়া পাইলাম যে লেখা একদম জলের মত স্বচ্ছ 🙂 সামান্য ঘোলা জলও নেই। জলের গান এত্ত সহজ? গুপনেই বলিলাম শুন্যাপু।আমাকেও আপনার শুন্যালয়ে নিতে হবে।নইলে আমি কাঁদবো 🙁

        1. এই তোমার গুপন বলা? জানোনা আশেপাশে কত্তো দেয়াল!!
          আমার শুন্যালয়ে সব শুন্য, কিচ্ছু নাই, দুইদিনেই পালাবা নাতো? কেঁদোনা। তোমার জন্মদিনে উইশ করা হয়নি লীলাবতী। যাও তোমাকে এই উপহার টাই দিলাম, আমার শুন্যালয়ে তোমাকে স্বাগতম। শুভ জন্মদিন ঢংগী। (3

  7. অল্প আয়োজনে গভীর অনুভূতির প্রকাশ!!

    ভালো লাগা অনেক।

    আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।

    সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক ভালো।

  8. ছবির সাথে লেখার আসলেই মিল পাচ্ছিনা। ছবির মানুষ কাঁদায় আপনাকে এমন কি? লেখা থেকে অনেকদিন দূরে। মাথায় কিচ্ছু ঢুকছেনা আসলে……… 🙁

মন্তব্য করুন