জুলেখা। সুন্দরী, মর্ডান, স্মার্ট সব আধুনিক গুণে গুণান্বিত এই মেয়ে। তবে এই মেয়ের সবচেয়ে ভালো গুণ হলো নামাজ পড়েই হিন্দি সিরিয়াল দেখা :p আব্দুল গফুর সামাদ! লোকে গফরা কইয়া ডাকে। চেয়ারম্যানের ডান হাত। সিকদার মেয়া ১৫ বছর ধইরা এলাকার চেয়ারম্যান। সিকদারের বিপক্ষে কেউ ভোটে দাঁড়াইলে গফরা দুনিয়া থেইক্যা তাকে গুডবাই কইরা দেয়। :@ তখন ছিলো… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
লাগিবে না মোর ছটা রঞ্জিত বিলাসবহুল মহল, লাগিবে না সেবা শত দাসদাসী প্রহরীগণের টহল। লাগিবে না মোর পয়সা কড়ির যত দেন দরবার, লাগিবে না বাড়ি লাগিবে না গাড়ি বাণিজ্য কারবার। লাগিবে না মোর ঘোড় সওয়ারী অশ্বারোহীর রথ, লাগিবে না শত নাম যশ খ্যাতি গালিচা বিছানো পথ। লাগিবে না মোর সোনার মোহর হীরা জহরদ মণি, লাগিবে… [বিস্তারিত]
অশ্রুসিক্ত হৃদয় -শুভ মালাকার তখন আমি খুবই ছোট্ট, পুতুল নিয়ে বসি আঙ্গিনায়। ঠিক তখনি, ভাই-আমার মাকে বলে, আসি মা ডাকছে বন্ধু মোরে। মা বলে- কোথায়, কেন ডাকছে বাছা? ভাই বলে, আমারি অন্ন কাড়িছে অন্যে, সেই অন্ন আনিবে সে ছিনিয়ে। সেতো অন্ন নহে মা, সেযে আমার ভাষা, দোহাই মা তোমার যেতে হয়োনা বাঁধা। তবুও বাছা কোথাও… [বিস্তারিত]
*অবশেষে ঃ ভোর কি হলো? মানচিত্রের ইতিহাসে ভোর কি এলো? দুঃস্বপ্নেরা ক্ষিদেয় ছটফট করে নিরুদ্দেশ রাত্রির ঘরের শয্যায়। থাকুক ওখানেই পড়ে; আঘাতে জর্জরিত হলেও সমস্যা নেই। ওরা সেই রাজাকার, দেহের কোষে কোষে প্রলয় আসুক ভয়ঙ্কর মৃত্যুর নিস্তেজ শরীরের স্থান, এ মাটি তোদের জন্যে নয়। *সূচনা-লগ্ন ঃ মুক্তির ডাকে ছুটে যাবার তাড়ায় পেছনে রেখে যাওয়া চিরস্থায়ী… [বিস্তারিত]
ঝঁাকুনিতে উপছে পড়ল। উনুনের দুধ চরে পরিণত হল বঙ্গোপসাগরে। যাই বলতে নেই কেননা বারবার আসতেই হয় জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে। # পুড়তে ভালো লাগে যতক্ষণ না চোখ মুখ জ্বলে প্রেসার কুকারে সিদ্ধ ভাত হচ্ছে বারুদের অল্প দোলুনির ট্রেনে জার্নিটা টলিউডি ফিল্মের ধামাকাতে দঁাড়ায় । বলিউডি মশলার তড়কা হয় না সিটি বাজার আগেই নেতিয়ে পড়া দেশলাই হয়ে… [বিস্তারিত]
আজ বান ডেকেছে পুষ্প শত ছড়িয়ে থাকা শিমুল ডালে, সেজেছে সে দলে তাহার চোখ ধাঁধানো লোহিত লালে। জাগছে ঊষা ডাকছে কোকিল কণ্ঠতে গান পরবাসী, আজ দক্ষিণ হাওয়ায় মাতাল এ মন ঘরহারায়ে হয় উদাসী। শুভ্র কানন ভরছে ফুলে দলে তাদের রঙিন আভা, ফাগুন এলো আগুন নিয়ে ভরিয়ে তাহার পুষ্প সভা। কোথা হতে আনলো ফাগুন সঙ্গেতে তার… [বিস্তারিত]
নানা রকম হাসি বেচি পাইকারি ও খুচরা ইচ্ছে হলে কিনতে পার একক কিংবা দোসরা। খোকা খুকির হাসিতে রয় পবিত্র সেই সুখ, তাদের হাসি দেখলে সবার জুড়িয়ে যায় বুক। বক্র হাসি হাসেন যারা যায় না বোঝা মানে কোন হাসির কি অর্থ কেউ কি তাহা জানে? কেহ হাসে মুচকি হাসি শব্দ হয়না মোটে, অট্টহাসি শুনলে ভাবে বোমা… [বিস্তারিত]
তোমার প্রশস্ত উঠোন দেখলেই গড়াগড়ি খেতে ইচ্ছে করে। পাশাপাশি থাকা কোমল মাটির স্তুপে, দাঁতের সীল বসিয়ে দেওয়ার একরোখা ঈস্পা। তার মাঝে বয়ে যাওয়া স্তব্ধ নদী, পাল তুলে ভেসে যাই ফুলেল কূপে। চুমুর উত্তাল জোয়ারে কেঁপে উঠুক নদীর এপার-ওপার। ডুবে যাক চেতনা; কি শুদ্ধ, কি ভুল! অনুভূতির ঢেউ যায় কি থামানো? নদীর জল চায় সমুদ্রের ঘ্রাণ।… [বিস্তারিত]
প্রকাশিত হয়েছে প্রীণন ফারুকের প্রথম উপন্যাস ‘গোধূলির আকাশ জুড়ে রক্তিম অরুণ’ উপন্যাসটির নামকরণ নিয়েই প্রথমে একটা ধাক্কা খেলাম! গোধূলির আকাশ জুড়ে রক্তিম অরুণ কীভাবে থাকে! গোধূলি তো সূর্য অস্ত যাওয়া কালীন সময়কে বোঝায় আর অরুণ বলতে নতুন সূর্য, সকালের সূর্য অর্থেই বেশি ব্যবহৃত হয়। তাহলে কী সূর্য অস্ত যেতে ভুলে গিয়ে আবার উদয় হয়ে যাচ্ছে!… [বিস্তারিত]
ঘরটার দরজায় পা দেওয়ার সেকেন্ডের মধ্যেই আমি বুঝতে পারলাম, এখানে আসার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল! অবশ্য ইচ্ছে করলেই আবার বের হয়ে যেতে পারি; নাসের আর উপেন নিশ্চয়ই এখনো ব্রিজের উপর বসে আছে। কিন্তু ব্যাপারটা আমার জন্যে বিরাট লজ্জাজনক হবে। উভয়সঙ্কটে পড়ে গেছি! কী করা উচিৎ বুঝতে পারছি না। দরজার চৌকাঠের উপর দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করে ঘরের… [বিস্তারিত]
বুক রিভিউঃ দিকশূন্যপুর লেখকঃ মাহবুব ময়ূখ রিশাদ প্রচ্ছদঃ কারুতিতাস প্রকাশনীঃ অনিন্দ্য প্রকাশ নামকরণঃ শুরু করি নামকরণ নিয়ে- “দিকশূন্যপুর” একটি গল্প সংকলন গ্রন্থের নাম। ‘দিকশূন্যপুর নাম দেখেই যদি মনে হয় চেনা ধাঁচের গল্প তবে ভুল, তরুণ লেখক মাহবুব ময়ূখ রিশাদ এই শিরোনাম দিয়েও প্রথম গল্প রেখেছেন কিন্তু; তিনি যে দিকশূন্য করার জন্যই এমন নাম দিয়েছেন তা… [বিস্তারিত]
ঋণী -শুভ মালাকার এনেছি কত কি যে, দিলাম না কিছুই। যখনি যাই সম্মুখে, শুধু আনিতেই যে চাই। দিব দিব করি; দিতে নাহি পারি। চাই কিছু দিতে, তাদের ঋণ শোধিতে। স্রষ্টার চেয়ে বেশি ঋণী; সেই পিতা-মাতার কাছে। করে নেয় চোখের মনি, তাদের ছাড়া জগতে কেই বা আছে। ঋণ শোধিতে পারিবনা; চাই শুধু ফুটাতে মুখের হাসি। দুঃখ… [বিস্তারিত]
সকালেই বুকের গলিজুড়ে গোধূলি আলো। একটা কৃষ্ণচুড়ার গোড়ায় রক্তলাল ঢেউ। জীবন্মৃত কবির মগজে শুন্যতার ঘুনপোকা, কুরে কুরে স্মৃতি খাওয়ার উৎসবে মাতে খুব! পাদটীকাঃ উঁকি দিয়ে জানান দিয়ে গেলাম- বেঁচে আছি! [বিস্তারিত]
তখনো ফাল্গুন আসে নি। প্রকৃতি ফাল্গুনের আগমনের অপেক্ষা করছিলো। নিজেদের সাজাচ্ছিলো। স্নিগ্ধ হাওয়া চারপাশে ছুটাছুটি করছিলো। নিজেদের মনের খুশি ভাবটা প্রকাশ করছিলো। সে হাওয়ায় তোমার চুল আমার প্রথম নজরে আসে। খোলা চুলের দোলায় আমার মনে যেন ঝড় বয়ে গিয়েছিল! আমার প্রথম ভালোলাগা। ধীরে ধীরে তোমার পাশে গেলাম। আমার চোখ যেন গভীর রহস্য অনুসন্ধান করার কাজে… [বিস্তারিত]
কেমন আছ জানতে চাই যে তুমি মোটেও বলনা, আমি যতই সিরিয়াস হই তুমি কর ছলনা। কাছে যখন ছিলে তুমি মুখে ছিল হাসি, দেখা হলেই বলতে আমার তোমায় ভালোবাসি। অনেক দিন হয় তোমার মুখে দেখিনা সেই হাসি, বলনা সেই আগের মত তোমায় ভালোবাসি। আজ কিছুদিন হল আমার মনে পড়ে শুধু, তোমার বিনে আমার জীবন শুধুই মরু… [বিস্তারিত]




