এই লেখাটী মন কেড়ে নিল। মনে করলাম শেয়ার করি। এই শেয়ার আমার ব্যাক্তি অনুভুতি। আমি মুক্তিযুদ্ধের কিছু পেলে পড়তে খুব মন টানে। পড়ি। মাঝে মাঝে যদিও মুক্তিজোদ্ধারদের উপর রাগ করি। খারাপ কথাও বলি কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দিয়েছে অনেক। যা ভাবা বা কল্পনার বাহিরে। কারো ভাল লাগাই আমার ভাল লাগা। সারা দেশে চলছে গণ হরতাল “স্বাধীন [বিস্তারিত তুমি শুধু ভাই নয়, তুমি আমার বাংলাদেশ– রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে]
আমরা মানুষ জাতি হিসেবেই সৃষ্টিকুলে পরিচিত। সারা বিশ্বে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সকল সৃষ্টির সেরা হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীর সকল ভাষা বুঝার ক্ষমতা বা অধিকার আশরাফুল মাক্লুকাতকে দিয়েছেন। তারপরও আমরা অবুঝ। সকল সৃষ্টির মাঝেই আছে অমিল দ্বন্দ ও ফ্যাসাদ মানুষ তা থেকেই আলাদা নই, মনুষ্য হয়েও। ইচ্ছা বা সাধ বা আকাংখ্যা মনে জাগ্রত হলেই কি সব [বিস্তারিত জীবন বোধ ( ইচ্ছা)]
জন্ম সৃষ্টি জীবন। চলার পথ হয়তো কখনই মসৃণ নয়। সেই মায়ের পেট থেকে বাহির তারপরই সচল বা অচল, সমতা বা বন্ধুর পথ। অভিজ্ঞ অনভিজ্ঞ ধরাধরি গমণ। চলতে হয় অনেক তিক্ত মিষ্ট পথ বেয়ে। আমরা মানুষ একে অপরকে কোন কর্ম বা গুন নিয়ে দোষারোপ হরহামেশায় করি। কিন্তু আমার মনে হয় সবই অতীব প্রয়োজন জায়গায় জায়গায় জিবনের [বিস্তারিত জীবনবোধ ( ব্যাবহার ও অধিকার)]
হেমন্ত আসে প্রকৃতির ও সময়ের আবহে, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে। যখন মানুষ ক্ষুধা পেটে আহার করার খাবার পায়। হেমন্ত আসে, কার্তিকের কষ্টের দিনযাপন পর। হেমন্ত আসে কার্তিকের খরা কেটে, কৃষকের হাসি ফুটিয়ে গোলায় ধান ভরিয়ে পেটে অন্ন আনন্দ ভরা মনে। হেমন্তে ফোটে ফুল, প্রকৃতি সাঁজে সবুজের অরণ্যে। গাছে থাকে সবুজের বাহারী পাতার দোলা। মাঠে ধানের [বিস্তারিত হেমন্ত বন্দনা- হেমন্তে আসে প্রকৃতির আবহে মানুষের হাসিতে।]
আমি একজন অতি নগন্য পাঠক। পাঠক হয়েই আছি। লেখা যতনা কঠিন তার চেয়েও কঠিন মনে হয় মন্তব্য দেওয়া। বা প্রতিউত্তর দেওয়া। সময় সময় পড়তে ভাল লাগলেও মন মত মন্তব্য ইচ্ছা থাকা সত্বেও প্রকাশ করা অতি কঠিন আমার নিকট। মন বা পরিস্থিতি সঠিক ভাব প্রকাশে অনীহা দেখায়। অনেক লেখা প্রচন্ড ভাল লাগে কিন্তু মন্তব্য লিখতে [বিস্তারিত মন্তব্য অসহায়ত্ব।]
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি শুধু সরকারপ্রধান হিসেবেই নয়, একজন মা হিসেবেও আবরার হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করব।’ মা তুমি দিয়েছ পরিচয় মাতৃত্বের, মাতৃত্বের পরিচয় রক্ষার দায়িত্ব নিশ্চিত তোমার। মা তুমি করেছ পিতৃ হত্যার বিচার, এবার করবে সন্তান হত্যার বিচার। দেখব জানব, বুঝব তোমারি [বিস্তারিত সরকারপ্রধান হিসেবেই নয়, একজন মা হিসেবেও আবরার হত্যার বিচার করব : প্রধানমন্ত্রী]
কবিতা বুঝে নিবে পাঠক তা মানি মনের আনন্দে বা মনের ব্যাথা বেদনা যখন পাঠকের তখন তো পাঠকই বুঝবে কবিতার ভাব , কবি নয়, তাই নই কি? আমরা যারা নগন্য ক্ষুদ্র পাঠক কবি তার রংতুলিতেই আকবে , তার মনের মাধুরিই ফুটিয়ে তুলবে তাতেও সন্দেহ নেই , নেই কুচ পরোয়া। চারা গাছে ফুল ফুটেছে ডাল ভেংগনা মালি [বিস্তারিত মন্তব্য।]
প্রিয় বন্ধুবর, সৃষ্টির রহস্যে ঘেরা মানুষ আরো রহস্যে নারী ও পুরুষের মন। বন্ধু তুমি কেমন আছ? আমি অধম ভালই আছি ফ্বল্টু মেরে। তুমি জানতে চেয়েছ তোমার পরান পাখি কেমন আছে? তোমার পরান পাখি দারুন উতফুল্লে রহিয়াছে অন্য ডালে আশ্রয় নিয়েছে। সে এখন অন্য কাধে মাথা হেলান দিয়া সুখ লইতাছে। সুখের মহানন্দে পার্ক ও রিক্সা ভ্রমন [বিস্তারিত বেড়ায় খেত খায়।]
রক্ত সম্পর্ক নয়ত সম্পর্ক, ক্ষনিকের মায়া, আবেগ ভালোলাগা, ভালোবাসা মিটায় প্রত্যাশা, কতদিন, কতক্ষন! এই ভালোবাসা জন্ম হইতে জন্মান্তর। কিন্তু আমরা কি কেউ কারো হইতে রাখি প্রত্যাশা! জন্ম-সৃষ্টির জন্মদাতা সব দিয়েও সব থেকে বঞ্চিত করেন! স্থায়িত্ব কতক্ষন! এই ধরার সকল বন্ধন ক্ষনস্থায়ী। সংগে কি আছে কিই বা যাবে জানি কি কেউ? সকল বিশ্বাস রাখি তার উপর। [বিস্তারিত বন্ধন!]
দিয়েছ খুলে দ্বার জন্মদিনে তোমার। মন খুলে তোমারি আকাশে বিচরন করেছে জনে জনে। সৃষ্টি কর্তার অসীম দয়ায় শব্দ বুননে বরণীয় স্মরনীয়। সোনেলায় ওড়ে মনের পাংখা খুলে ভাব,রস, দেহতত্ত্বে , সৃষ্টি সুখানন্দে। সোনেলা আলো জ্বলুক দিগ্বিদিক সোনেলায় গা ভাসিয়ে চলুক দিগ্বিদিক সোনেলা হোক সব লেখকের মিলনের দিক। মোবাইলে আমি লিখতে পারিনা। খুব খুব কস্টে লিখেছি। [বিস্তারিত সোনেলার সোনালী জন্মদিন।]
জীবন গাড়ি চলমান ঐ যে মেঘের চলন্ত পথ কি বন্ধ হয়ে যায় ধরায় দায়িত্ব নিয়ে চলতে, দায়শোধ করতে, পারা যায়কি বিরক্ত বা দেনাপাওনাতে। মানুষ হয়ে ঐ চলে যাওয়া মানুষের জন্যে। মানুষের প্রতি মনুষ্য থাকে মানুষের সত্য। জেগে উঠুক মানবতা মানুষের অন্তরে হোক সকলের শুভ কামনা।
আমি এক অধম আমি এক নাদান। অফিসে কাজের মাঝে পত্রিকা পড়তাম এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াতাম নেট জগতে। কিন্তু জানার ভান্ডার ছিলো জিরো আর শূন্য। এর মধ্যে বিডিনিউজ২৪. কমে পড়ি। পড়তে পড়তে এই ব্লগে অপশন আসে, রেজিস্টার। তাও করি। তা আনুমানিক ২০১১ সালের কথন। এর মাঝে পড়তে পড়তে বেশ কয়েকজনের সাধে পরিচয় ঘটে। এই ব্লগের জন্মমাসে [বিস্তারিত সোনেলায় আমার পদার্পন]
এক সময় পরিবারের , সমাজের ও দেশের গর্ব ছিল নীতি, আদর্শ, সৎচরিত্র সাহসী ব্যাক্ত্বিত্ববান হওয়ার দৌড়ে এগোনো। বিভিন্ন উপন্যাস, গল্প বই ছিল তাঁর লেখার সংগ্রামী কলমের ধারক। আজ সেই ধাচের , সেই আদর্শিক সমাজ ও লেখক কোনটাই নাই। এই বিজ্ঞাপনের ডায়ালগে মন ভরে, হৃদয় আন্দোলিত হয় কিন্তু ভাল লাগে না! কেন? তার কারণ এখানে বাস্তবতার [বিস্তারিত অপরাধ যেথায় ঘৃনায় পরিনত না হয়ে গর্বের হয়, সেথায় মুক্তি বহুদূর]
আজিও বকুল তলে মনে হই দাঁড়িয়ে আনমনা মনটা কি যেন খোজে উজ্জ্বল তারার নয়নে মনটা লাজ হারা অতীত ক্ষণটা।। আসে যদি ফিরে অতীত দিনটা মন কাাঁদে খোজে স্মৃতির আকাশটা। ভুলে গেলেই পিছনটা না ভোলে জেগে থাকে জ্বলন্ত অন্তরে দালান বা হোকনা কুড়েঘরে বাসটা হৃদয় খুড়ে ফুলে উঠে স্মমৃতিময় কলিকালটা।।
তুই তোর রুপের ঝল্কানিতে মন কাড়িলি তুই যদি আমারি হইতি প্রানখানি দিতাম তোরে আমি সাইধি। প্রান বসন্তে আইসা তুই আমারে মারিরি দোস যা দিতিস নিতাম দুহাতভরে আমি অন্তরখানি তবুও দিতাম তোরে উজাড়ি। তুই যদি হইতি সংগি যাইতাম ঐ অচিনপুরে মনের মনে করতাম বাস দুইজনের জড়াজড়িতে। তোর রুপের ঝলকে ঐ জ্যোৎস্না যায় উড়ে তোর হাসির ঝিলিকে [বিস্তারিত তোমার মুখ পানে চেয়ে]