অপরাধ যেথায় ঘৃনায় পরিনত না হয়ে গর্বের হয়, সেথায় মুক্তি বহুদূর

  1. এক সময় পরিবারের , সমাজের ও দেশের গর্ব ছিল নীতি, আদর্শ, সৎচরিত্র সাহসী ব্যাক্ত্বিত্ববান হওয়ার দৌড়ে এগোনো। বিভিন্ন উপন্যাস, গল্প বই ছিল তাঁর লেখার সংগ্রামী কলমের ধারক। আজ সেই ধাচের , সেই আদর্শিক সমাজ ও লেখক কোনটাই নাই।

এই বিজ্ঞাপনের ডায়ালগে মন ভরে, হৃদয় আন্দোলিত হয় কিন্তু ভাল লাগে না! কেন? তার কারণ এখানে বাস্তবতার সাথে মিল নাই।

যে বিজ্ঞাপন তৈরী করেছে এবং যে কর্মকর্তারা সরকারি কোষাগার থেকে টাকা লুট করেছে কেউ সততা দেখায় নি।

এরা দশ টাকার বিল একশত টাকা করে দেশ, জাতি ও দশের অপুরণীয় ক্ষতি করেছে। আর এর বিনিময়ে সাধারণ মানুষ বিজ্ঞাপনসহ এই কাজের প্রতি হৃদয় নিংড়ানো ঘৃনা,  অবজ্ঞা, গালিগালাজ, ঘুষ খোর,  দুর্নীতিবাজ যত খারাপ ভাষায় গালি দেওয়া যায় দেয়। আমিতো বন্ধ করে দিই বিটিভি।

আমরা এখন খারাপ কে ঘৃনা করতেও পারিনা। কারণ আমাদের ৯৯.৯৯ ভাগ পরিবার সদস্যই দুর্নীতিগ্রস্ত।
হয় বাবা খারাপ, না হলে ছেলে খারাপ। এই ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক।

এইখান থেকে আমাদের মুক্তির পথ খুবই দুরূহ।

মোট পড়েছেনঃ ১,৬০৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৯টি মন্তব্য

  1. অনুধাবন বেশ পরিস্কার এখানে ভাই।সমাজে একটা কাজ ঠিকঠাক মতো তুলতে গেলে সর্বনিম্ন থেকে ওপর লেভেল পর্যন্ত চলে দুর্নিতী। যাবেন / যাবো কোথায়? সমাজসংস্কার বা দুর্নিতী মুক্ত সমাজ আমরা আদৌ কি কখনো চোখে দেখে যেতে পারবো? তবু আমাদের কাজ করে যেতেই হবে।শুভ কামনা।

  2. মুক্তির পথ বহুদূর!
    তবে মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা বেড়ে চলছে দিনদিন।
    .
    দাদা..দয়াকরে বানানগুলো ঠিক করে নিবেন।

    শুভকামনা অহর্নিশি…

    1. দাদা গ্রিনা বাড়বেই।
      আর বানানের ব্যাপারে অপারগ কারন আমি বরতমানে মোবাইল ব্লগিং করি তাই। ক্ষমা প্রারথনীয়।

  3. দুর্নীতি আর আর্দশ এখন একটা দেশের দুইটা কিডনির মতো ।পরিত্রাণ পাওয়া খুব কঠিন সুযোগে সবাই সুযোগ সন্ধানী।একটাই কামনা করি যার যার জায়গায় যেন লোভের বীজ নষ্ট হয়ে যাক।

  4. দুর্নীতির শুরুটা হয় পরিবার থেকে। বেশিরভাগ পরিবারই ছোটখাটো দুর্নীতিগুলোকে হিসেবে ধরে না। ছেলেমেয়েকে পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ম্যানেজ করে দেয়। বাচ্চাকে স্কুল থেকে নিতে গিয়ে রাস্তার উপর গাড়ি রাখে অথবা ব্যস্ততার অজুহাতে উল্টোপথে গাড়ি হাঁকিয়ে বাড়ি ফেরে। এমন শিক্ষা পেয়ে বড় হওয়া একটা বাচ্চার কাছে স্বভাবতই অন্য দুর্নীতিগুলো ক্রমশ স্বাভাবিক মনে হতে থাকে।
    এই প্রজন্ম এরপর তাদের ছেলেমেয়েরকেও একই শিক্ষা দেয়।

    এনিওয়ে, বিজ্ঞাপনটা হয়তো আপনার প্রসঙ্গের সাথে প্রাসঙ্গিক, কিন্তু এই লাইনটার ব্যাখ্যা কী?

    যে বিজ্ঞাপন তৈরী করেছে এবং যে কর্মকর্তারা টাকা সরকারি কোষাগার থেকে লুট করেছে কেউ সততা দেখায় নি।

    বিজ্ঞাপন নির্মাতার সততার প্রশ্ন এল কেন? এমনি ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে জানতে চাচ্ছি।

    1. আমি আমার লেখার এই জায়গায় এই বুঝাতে চেয়েছি যে, বিজ্ঞাপন তৌরী হয় শুধুই সাধারন মানুস্কে ধোকা দেওয়ার জন্য।
      দ্বিয়িত বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য জনগনকে জানানো এবং উদব্রুত্ত করা। আর এই খাতে ধরেন বিল হবে ১০ টাকা বিল বানাল ৩০ টাকা এইখান থেক্ব সাধারন জনগন সরকারি করমকরতা বিশ্বাস করাতে পারেনা। যা এই বিজ্ঞাপন্টাকেই মুল্যহীন হয়ে যাচ্ছে।
      আর বানানের ব্যাপারে অপারগ কারন আমি বরতমানে মোবাইল ব্লগিং করি তাই। ক্ষমা প্রারথনীয়।

  5. এটা ঠিক দুর্নীতিরর বীজ বপন ছোটবেলা থেকেই হিয়। তবে এর মাঝেও অনেকেই ভালো থাকেন। আমাদের শিক্ষা, পরিবেশ, সংস্কৃতি, সমাজ এসবের প্রভাবও আছে। তবে বিজ্ঞাপন নির্মাতাদের উদ্দেশ্য কিন্তু ভালো আমার মনে হয়। যদি ত্রুটি থেকে থাকে তা সেই পন্য কোম্পানির।

    এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত।

    1. প্রিয় তৌহিদ এখানে পন্য নই বিটিভিতে সরকারি খরচে কিছু আদরশ মুলক ঈ জনসচেতনামুলক বিজ্ঞাপন আছে সেগুলির দিকে আলোচনা য় মাত্র।

  6. সঠিক ভাই। আমাদেরও দোষ আছে। আমরা বিউটি সোপ এর এ্যাড দেখলে সেটা কেনার জন্য ব্যাস্ত হয়ে পড়ি কিন্তু আদর্শের কিছু দেখলে সেটা আমলে নিতে পারি না।

    1. সত্য আপু। আর আদরশ নিতে না পারার কারন আছে। সেটা হল বড় যদি ছোটদের স্নেহ না কিরে তবে ছোট বড়দের সন্মান করবে কোন যুক্তিতে। তেমনি যারা আদরশ বিজ্ঞাপন তৌরি করে তারা যদি আদরশ পায়ে মুড়িয়ে নস্ট করে সেখানে আদরশ নিরজাতিত হয়।

  7. বাবা চাকরি করেন। ঘুষ খান বা গ্রহণ করেন। সেই টাকা দিয়ে সংসার চালান। ছেলে মেয়ে ঘুষের টাকা দিয়ে লেখাপড়া করছে। আনন্দ ফুর্তি করছে। ওঁরা বড় হয়েও বাবার মতনই হচ্ছে। তা থেকে নতুন প্রজন্ম বাদ যাবে কেন?

  8. শুধু বিটিভি নয় সব চ্যানেল আর মিডিয়াতেই সততা, ন্যায়-নীতি নাটক বিজ্ঞাপন তৈরি করে। এটা আসলে প্রচার করতে হয় বলেই করে। বইয়ে যেমন লেখা থাকে সদা সত্য বলতে হয়, মিথ্যা বলা পাপ। কিন্ত পরক্ষণেই শিক্ষার্থী ভুলে যায় কেন পড়েছিলো। কারন এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিক্ষার পাশের জন্যে মুখস্ত করে রাখা হয়। বাস্তব জীবনে এর প্রতিফলন কজন রাখে?

    শেকড় মজবুত না হলে গাছ আগাছায় রুপ নেয়। তেমনি ঘর থেকে যদি অবিদ্যা ধরিয়ে দেয়া হয় সেটার প্রভাব সমাজ-সংসারে পরবেই।

    অনেকদিন পর লিখলেন। এভাবেই লেখা-লেখিটা চালু করে দিন প্লিজ। আপনারও ভালো লাগবে। শুভ কামনা 🌹🌹

    1. নাট্যিকার নাটক করে ব্যাবসার স্বারথে।

      সরকার করে মানুসের মগজ ধোলায় করার জন্য। কিন্তু সাধারন জনগন সরকারের ধোকাবাজিতে ভোলেনা তা বোঝা উচিত।
      হ্যা পরিবারে সততা না থাকলে সেটা দেশের উপর প্রভাব ফেলে এটাও তাই আপু।
      ভাল থাকুন। শুভকামনা রইল।

  9. বিজ্ঞাপন গুলো সাধারণ মানুষকে ধোকা দেয়ার জন্য তৈরি।
    এখন এই পরিস্থিতিতে, নিজের অবস্থান কে কতো ভালো করবে, তার প্রতিযোগিতা চলছে।
    ভালো লিখেছেন।
    শুভকামনা!

  10. তবুও মুক্তির আশা করতেই হবে। আমাদেরকে যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলের পরিচয় দিতে হবে।
    ভাল লিখেছেন।

মন্তব্য করুন