স্রষ্টা সত্য তাঁর সৃষ্টি সত্য

সত্য আমার সৃষ্টিকর্তা
সত্য তাঁর সৃষ্টি,
সত্য আকাশ বাতাস
সত্য বজ্রপাত বৃষ্টি।

সত্য চন্দ্র সূর্য
সত্য গ্রহ নক্ষত্র,
সত্য নদী সাগর
সত্য স্রষ্টা সর্বত্র।

সত্য আমার মাতা-পিতা
সত্য আমার জন্ম,
সত্য আমার ধর্মগ্রন্থ
সত্য আমার ধর্ম।

সত্য গীতা রামায়ণ
সত্য বাইবেল কুরআন,
সত্য ত্রিপিটক বদ্ধুবচন
সত্য গোরস্থান শ্মশান।

সত্য উপসনা এবাদত
সত্য ঈদ রোজা,
সত্য কুরআনের আয়াত
সত্য দেব-দেবীর পূজা।

সত্য স্রষ্টার গাছ-গাছালি
সত্য বন জঙ্গল,
সত্য আলো আঁধার
সৎপথেই হয় মঙ্গল।

ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা।

মোট পড়েছেনঃ ৯৫৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৫টি মন্তব্য

  1. সব সত্যকে উন্মোচিত করলেন লেখার শব্দের খেলায়। দারুণ অনুভূত হচ্ছে নিজের কাছে। আমরা মানুষ সৃষ্টির সেরা শুধু এই সত্যকেই ভুলে যাই বারবার।

    শুভকামনা জানবেন দাদাভাই।

  2. সত্য সবই, তবুও মানুষ নিজের স্বার্থে
    সত্যকে ব্যাবচ্ছেদ করে।
    মানবতার কর্তব্য ভুলে তৈরি করে নেয় নিজ নিজ ধর্ম। সত্যের অপ্রচার করে, মিথ্যার জয়ধ্বনি করতে থাকে প্রতিনিয়ত।

    অসাধারন লিখেছেন দাদা 🌹🌹

  3. সুন্দর ছড়া লিখেছেন, দাদা। আপনার উদ্দেশ্যও মহৎ। কথা “সত্য”। আপনার মূল বক্তব্যের সাথে আমি একমত।

    কিন্তু একেবারে নিজের কিছু (কিঞ্চিৎ অপ্রাসঙ্গিক) বক্তব্য না বলে পারছি না।

    আপনি খুব সম্ভবত “ব্যালান্স” করার জন্যে গীতা, রামায়ণ, বাইবেল, কুরআন কিংবা ঈদ-রোজা, দেব-দেবীর পূজা – সবগুলোকে একসাথে লিখেছেন। প্রচলিত ধর্মগুলোর (ধর্মগ্রন্থগুলোর) মূল বক্তব্য কাছাকাছি হলেও, প্রত্যেকে পরস্পরবিরোধী। বিশেষ করে প্রার্থনার ব্যাপারে।

    গীতা, বাইবেলে যেমন নামাজের কথা বলা হয়নি, তেমনি কুরআনেও দেব-দেবীর পূজার ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে। সুতরাং, আপনি বাইবেলকে সত্যি বললে, নামাজকে সত্যি বলতে পারেন না। আবার কুরআনকে সত্যি বললে, পূজাকে সত্যি বলাটা অযৌক্তিক।

    বুঝতে পারছি, কথাগুলো আপনি “বলার জন্যেই” বলেছেন, কিন্তু তারপরও পরস্পরবিরোধী দুটি জিনিস কখনো সত্যি হতে পারে না।

    পুনশ্চঃ সোনেলাতে লেখার সমালোচনা করার চর্চা নেই বললেই চলে। এখানে যেকোনো লেখাতে সহমত জ্ঞাপন করার চল বেশি। এমন অবস্থায় আমার মন্তব্য হয়তো বেয়াদবির পর্যায়ে পড়ে যাবে। আপনার ক্ষমাসুলভ দৃষ্টি কামনা করছি।

    1. মহান স্রষ্টা এক। ধর্ম অনেক। বর্ণ অনেক। জাতি অনেক। কিন্তু আমরা সবার তাঁরই সৃষ্টি। তাই দাদা আমি আমার লেখায় কোনও ধর্মকে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাইনি। মহান স্রষ্টাকে যে যেভাবেই ডাকুক, তিনি সেভাবেই সারা দিয়ে থাকেন। বাইবেল পড়েও হয়তো স্রষ্টাকে লাভ করেছেন। গীতা রামায়ণ পড়েও হয়তো কেউ-না-কেউ মহান স্রষ্টার করুণা পেয়েছে। পবিত্র আল-কুরআন পড়েও মহাপুরুষ হয়েছেন। এখন আমি অধম কাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারি? আমি কি বলতে পারি এটা এই ধর্ম সত্য না, এই ধর্ম সত্য? যার যার ধর্ম, তাঁর তাঁর কাছেই বড় এবং সত্য দাদা। সূর্যের দিকে তাকিয়ে দেখুন দাদা, সূর্যদেব তাঁর আলো থেকে কাউকে বঞ্চিত করছে না। চাঁদের দিকেও তাকিয়ে দেখুন! চাঁদের কিরণ থেকেও পাপী আর নেকী কেউ বঞ্চিত নয়। শুধু আমার আপনার মধ্যেই যতসব তারণা।
      পরিশেষে আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অজস্র ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    1. আমার নগন্য লেখা আপনার কাছে ভালো লেগেছে শুনে ধন্য হলাম শ্রদ্ধেয় দাদা। কিন্তু অনেকের কাছে এই লেখা গ্রহণযোগ্য হয় না। তবুও দুঃখ নেই। শুভকামনা আপনার জন্য।

    1. সবার কাছে যে সবকিছু সুন্দর আর মনেরমত হবে, এমন তো কোনও কথা নয়! সবার কাছে সব জিনিস প্রিয় হতে পারে না, এটাই বাস্তব। আপনার জন্য শুভকামনা সবসময়।

  4. যদি নিজেকে শুধু মানুষ ভাবি তবেই সব সত্য
    নতুবা এ সব কেবলি লোক দেখানোর নাট্যমঞ্চ
    তবে স্রষ্টা একজন মানুষ যখন যে নামেই ডাকুক।

    চমৎকার সত্য বচন।

মন্তব্য করুন