কলিং বেলের মিহি সুরেলা শব্দে বিদ্যা দেবীর সাথে রফা করার চেষ্টা বিফল রেখে ঝটতি চাবি নিয়ে গেটের কাছে পৌঁছলাম। চমকে গিয়ে থমকালাম, প্রায় ছ’ফুটি এক ভাকুর্তার (ভয়ের প্রতীক) মুখোমুখি নিজেকে আবিষ্কার করলাম তব্ধা খেয়ে। ফুল প্রুফ হেজাবি। শুধু চোখ দেখা যাচ্ছে। ‘কী হলো তালা খুলছো না কেন ?’ কথা নেই বার্তা নেই তালা! খুলতে বলে! [বিস্তারিত প্রেমের বন্ধুত্ব, বন্ধুত্বের প্রেম–(১)]
নীরবে নিভাঁজ নিঃসঙ্গতা ভেসে বেড়ায় দিনের রাতে,রাতের দিনে।অজস্র অগণন শেষহীন সময়ের ভিড়ে। নয় কোন পাহাড় কিংবা সুনসান পর্বত শৃঙ্গে,এই ভিড়ভাড়ের জনারণ্যে। আমিও ভাসি,আমাকেও ভাসায় দিনান্তে,না ছুঁইয়ে ই। সেবারে কথা বলেছিলাম,কথা হয়েছিল নিবিড়ে,অনেক অনেক। নিস্পন্দ নিঃসীম নিঃসঙ্গতার সাথে।বসেছিল একাকী বনবাগানে,সেজেগুজে। সাথী হতে বলেছিল সে,রাজী হইনি। একদিন টং দোকানে ইয়ার-বন্ধুদের সাথে হুল্লোড়ের গুলতানি ছেড়ে তেড়ে-ফুড়ে সামনে এসে [বিস্তারিত একাকীত্বের নিঃসঙ্গতা]
হা হতোস্মি,উদ্ভ্রান্ততার গ্যাঁড়াকল।ফোন,শহুরে নিকট সুহৃদকে।দেরি না করে চলে আসতে বলল উত্তরে বিস্ময় তুলে। ঘরপোশাকে ভর দুপুরে বেড়িয়ে পড়া।আনমনে নিশ্চুপ ইতিউতি খুঁজে ফিরি অচেনায়।এতই বিখ্যাত যে খুঁজছি তা কাউকে বলতেও পারছি না।কখনও আসিনি তাই চিনিও না।আবার ফোন,বুঝতে পেরেছে চিনতে পারছি না।আমাকে পিছিয়ে আসতে বলল,বলল রাস্তায় দাঁড়াচ্ছে আমার অপেক্ষায়।বিশাল নির্মাণযজ্ঞ চলছে তাদের।বাণিজ্যের ব্যাপ্তিতে। এই সামান্য পথটুকু আসতে [বিস্তারিত স্মৃতির গাছেরা]
তরিকানুযায়ী ব্যাটে-বলে হচ্ছিল না বলে এ দেরি,শেষ পর্যন্ত সেই মিস্ত্রিটি এলো,আমিও গেলাম। কালো টেকো বেটে শুকনো,দেখতে ও ভালো না,ঋজু ঋদ্ধ ঋদ্ধি। সামান্য কাঠমিস্ত্রি সেভেন/এইট ফেল,চল্লিশোর্ধ্ব। দৈনিক মজুরীতে অন্যের দোকানে কাজ করতেন,এখন নিজের একটি ছোট্ট দোকান দিয়ে উদয়াস্ত কাজ করেন। ভাড়ার বাসায় থাকেন স্ত্রী ও দু’টি সন্তান নিয়ে।ছেলেটি স্কুলে,মেয়েটি সম্মান পড়ছে। শিবের গীত গাইছি না। স্বশিক্ষিত [বিস্তারিত পড়ুয়া]
হে গ্রন্থিক, গ্রন্থ খোল, পথচিত্রটি দেখাও, হাতের রেখায় ভাগ্য গণনার ছাপচিত্রে, দেখাও কতটা পথ এলাম আর যেতেই বা হবে কতটা পথ, কোত্থেকে এলাম এ যাত্রা যাচ্ছিনে সে প্রশ্নে। দুঃখে দুঃখে, সুখে সুখে, সুখের দুঃখে,দুঃখের সুখে পা টিপে টিপে লাফিয়ে লাফিয়ে এসে হাঁপ উঠে গেছে,দীর্ঘশ্বাসে ভারী এ বুক। পাচ্ছি না দেখতে ঝাপসা দৃষ্টিতে শেষের ঠিকানা বা [বিস্তারিত শেষের ছাপচিত্র]
মদনোৎসবের মদমত্ততায় মনশ্চক্ষু মগডালে মতিভ্রষ্ট, মহত্ত্বের মহত্ত্ববোধের মঞ্জুল মঞ্জুরী মজ্জমান মজ্জাদোষে, মউজ মচ্ছবে মওয়া মক্ষী। মশান মঠে মটরূ,মকরধ্বজে মটকা মারা, মণিনীপ মণিহারা। মদান্ধ মদন,মদনগঞ্জনায়, মসৃন মনকলায়,মনকাড়া মধুমল্লিকার মধুগন্ধে মধ্যাহ্নস্বপ্নের মনক্কায় মধুরেণসমাপয়েৎ। ================================= মুমূর্ষু মানসিকতায় মেতেছে মানুষের মন মধ্যাহ্নিকের মধ্যাহ্নস্বপ্নের মোহে, মস্তিস্কে মৃত মনুষ্যত্ব মন্ত্র মনকাড়া মনতুষি মনতুষ্টিতে। মনুষ্য মনীসত্ত মন্দাক্রান্ততায় মুহ্যমান, মন্বন্তরে মন্দিরগেহ মন্দিরা। মরণ-বঁধু [বিস্তারিত নকলোৎসব]
বেশ অনেক চড়াই-উতরাইয়ের পর এই প্রথমবার সোনেলা তার ই-বুক প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এটি একটি খুবই সাধারণ ঘটনা ব্লগ জগতে।চোখ-কান খোলা রাখলে আমরা এর থেকে অনেক সুন্দর পরিমার্জিত ই-বুকের ছড়াছড়ি দেখতে পাই।আমাদের প্রথম প্রয়াস হিসাবে আমদের কাছে এটি ভালবাসার পদ্মলোচনের মতই,কানা হলেও।বিশেষ কোন লেখার কথা উল্লেখ না করেই বলছি,আমরা সুযোগ পেয়েছি অনেকগুলো সুন্দর লেখার সন্নিবেশ ঘটাতে এখানে [বিস্তারিত ই-বুকে বিজয় মাসের সোনেলা]
ছবি হাসে,ছবিরা হাসে,বৈদেশির বেশে হাসাহাসি করে। ঘটনা হইল—— এত্ত এত্ত হাসির কী আছে?জানিতো,এমন বেশুমার হাসিতে খরচাপাতি লাগে না, তাই বলে বেহিসেবি হাসি? এইডা কোন কথা হইল? অসহ্য ছেলের পাগল পাগল কথা‘তুই এতো সুন্দর কেন?একটু কম সুন্দর হলে তেমন কোন বিশেষ ক্ষতি হতো না।ঐ শোন,তোকে আমার ভালো লেগেছে,ভালো থাকিস’। সেই স্বর্গময় রোমান্টিক মুভমেন্ট মনে পড়ে গেল [বিস্তারিত স্বপ্ন শুভেচ্ছা]
হে ইশ্বর, তুমি ইশ্বর হলে কেন! হলেই যদি,কোকিল চোখা জ্যোৎস্না হলে না কেন! বুনো লতা পাতায় ঘেরা বন জ্যোৎস্না, শুকনো নদী,পাথুরে পথ বা সুউচ্চ হিম শ্রেণি। নিয়তির গুণটানা নৌকা মাতাল মৃন্ময় নিঃস্পৃহতা যন্ত্রণার ঝিনুক মুক্তো নবান্নের শিশু,বন্ধ্যা নারী শিশুর স্বর্গ-খিলান! দেখ, আমিও একদিন ইশ্বর হব লাঠি চকলেটে মুখ লালের সুখ নিয়ে ধীরে হেঁটে যাব ধীর [বিস্তারিত জল সমুদ্রে]
কত-শত দিন পেড়ুল,পাশাপাশি কাছাকাছি থেকেও দেয়ালের গা ছুঁয়ে দেখিনি। ভাল বা মন্দ থাকার কথা জিজ্ঞেস করে শোনা হয়নি,জানতে চাইনি চটে যাওয়া রংয়ের পলেস্তারায় নূতন করে রং দেয়ার কথা। ভাবিই নি। রেঁধে খাওয়া সময়ের হৃৎপিণ্ড……………… অন্তহীন ঝামেলা পেড়িয়ে,স্থপতি,প্রকৌশলী বড়,ছোট,বড় মিস্ত্রি-ছোট মিস্ত্রি আরও কত কত অনেক কিছু।মাপ-ঝোপ,হাজারো হিসেব নিকেশ করে দিন-রাত দাড়িয়ে থেকে এই দেয়াল তৈরী হয়েছে।শেষে [বিস্তারিত দেয়ালের অন্দরমহল]
পোড়ামুখী-মুখপুড়ি রাত পালিয়েছে আবার। জানি না কোথায় কোন্ চুলোয় বসে কালি-ঝুলি মেখে সং সাজছে মনে সুখে। একবার এক জ্যোৎস্নায় পালিয়ে গিয়ে গাছের মগডালে উঠে বসে ছিল। হয়রান হয়ে খুঁজে পেয়ে পড়িমরি করে দৌড়ে গিয়ে কত করে বোঝালাম নীচে নেমে আসার জন্য। না না, সেই গভীর রাতের ভর জ্যোৎস্নায় গাছের ডালে তিড়িং-বিড়িং নাচানাচি এ ডাল থেকে [বিস্তারিত পোড়ামুখী]
পরীক্ষা আমাকে পরীক্ষা করে অনবরত।বাঁকা চোখে,চোখ রাঙ্গিয়ে,বকাঝকা করে,ল্যাং মেরে ঠ্যাং ধরে টান দিয়ে;কুহক সেজে যখন তখন,দিনে ও রাতে,দিন-দুপুরে,হরিলুটের বাতাসা বানিয়ে। চিক্কুর দিয়ে চিতপটাং হয়ে কাঁদি,হাত পা ছুড়ে,দেয়ালে মাথা ঠুকে,কেঁদে বুক ভাসাই সরবে নিরবে,গোধূলি আর সুবেহ সাদেকে,হাঁসফাঁস মধ্য দুপুরেও। এবারে করেছি পণ,দেহ-প্রাণ-মনে,এই শেষ,এবার পরীক্ষার মাথায় বাঁশ ফাটিয়ে করব বিশ্বজয়,হব দেশান্তরী। অবশেষে ধরা দিলো সে ‘পাইছি উহারে [বিস্তারিত ‘পাইছি উহারে পাইছি’]
উদাসী সন্ধ্যা নামছে গড়াইয়ের বুকে কুয়াশার ডানায় ভর করে ধীরে ধীরে। দাড়িয়ে আছি মাকে নিয়ে,এই সন্ধ্যায়,মাকে নৌকায় চড়াব বলে। মাঝি, ও…… ও…… ও…… ও মাঝি ভাই,নৌকা ভেরাও, আমি একাত্ম,ডাকছি তোমাকে। জলদি এসো,মাকে নিয়ে অপেক্ষা করছি যে; আমার মা নৌকার গলুইয়ে বসবে নদীজলে পা ভিজিয়ে,কোমল জলের ঘ্রাণ নিয়ে হাত দিয়ে খেলবে কাটাকুটি খেলা এই ঘোলা জলে,আমিও [বিস্তারিত মা কে]
এখানকার প্রধান ভীড় বহুল রেস্তোরাঁ রেলগেটের জাহাঙ্গীর রেস্টুরেন্ট (নাম-ধামে ভুল হতেই পারে) সহ আরও সাকুল্যে গোটা তিনেক প্রায় জ্যাঠা রেস্তোরাঁয় ঢু মেরে ফলাফলে আরও বেশি পেট চোঁ চোঁ নিয়ে ফ্যা ফ্যা ঘুরে বেড়াচ্ছি। সকালিক নাস্তা জুটবে কিন্তু চা হবে না। হায় এই মিহি ভোরে কিনা চা বিহীন ফাটা কপাল নিয়ে যাত্রাশুরু। একজন রেস্তোরাঁ মালিককে সবিনয়ে [বিস্তারিত চা…য়ে চা…য়ে]
এসো তবে মঙ্গলে যাই/লাল সূর্যের আকাশবাড়ী/নিঃশ্বাসহীন বুকে ভেসে বেড়াই/ গরিমা ভাল নয় রাত/সন্ধাকৈবর্ত সেজেছি যখন/এক রহস্যময় জানা-অজানা প্রান্তরে/ উঁকি দিয়ে নীল আকাশ খুঁজি/নীল পদ্মের দেশে/ আহা! কর কী? অত কিনারায় যেও না/ পড়ে গিয়ে ভেসে রবে অজানার দেশে/ নীরক্ত বুকে তাজা রক্তের আস্ফালন/ বোঝে না সে বোঝেনা কিছুতেই সে/ স্বপ্নের ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে জেগে থাকা [বিস্তারিত গ্রহান্তরে যাই]