☻কবিঃ ভেতরে আসতে পারি?? ☺নন্দিনীঃ এসো এসো দুনু-মুনু দুরাত্মা, সমস্যা নেই। এত ভং ধরার কিছু নেই। কাছে এসে বসো, সাবধানে, মনে থাকে যেন। ☻কবিঃ তা ম্যাম আপনার লেখালেখি কেমন চলছে, কত দূর? ‘নুপেল’ কমিটির সাথে যোগাযোগ করে বলে দিয়েছি, ব্যাপার না কোন। ☺নন্দিনীঃ ও তাই!! তাহলে তো এবার নাকে তেল সিস্টেম চালু করাই যায়।(ভাব গতিক [বিস্তারিত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট]
একটি কুঁড়ি দুটি পাতা, কুড়ি একটি একটিই কিনা গুনে নেই না, যেমন গুনি না এখনো, পাতার সংখ্যা ও অবস্থান ভাবনা কুঁড়ির মতোই। দিনে দিনে বেড়েছে ভার, পাতা ,কাণ্ড, ফল ও ফুলের সমারোহে। বাতাস,আলো,নির্ঘুম রাত্রি , অজস্র ভোরের কোলাহলের কাছে বেড়েছে অশোধিত ঋণ। আশা যাওয়ার এ দিনে পথিক আসে যায়। যায় আসে। গাছের ছায়ায় উদাসী হাওয়ায় [বিস্তারিত লেখা, তোমাকেই বলছি………।]
পাহাড় ভাবে আর একটু হলেই আকাশ ছোঁবে, আকাশ ভাবে ঐ তো পাহাড়, দৃষ্টি সীমায়। সবুজ ভাবে বৃষ্টি এলো বলে, ঐ তো মেঘ; হাত বাড়ালেই আসবে নেমে অঝোর ধারায়। মেঘ আসে না পাহাড় হাসে না, নিশ্চল নিশ্চুপ পাহাড়ের আকাশ ছোঁয়া হয় না। সাগর ভাবে ঐ তো বালিয়াড়ি পা ছুঁয়ে দিলাম বলে, পা আসে না। পাহাড় কে [বিস্তারিত নীল পাহাড়ের মেঘ]
চাই শিল্পসম্মত নিরাপদ ভালোবাসা, ধমকা-ধ্মকি, রাম চিমট ও নখর বিহীন উষ্ণ ভালোবাসা। ছলার কলা বিহীন এক চিমটি সাদামাটা ভালোবাসা, অমৃতের অমরত্ব চাই না অসম্ভব সমুদ্র মন্থনে। রক্ত-কুয়াশার বোধ এড়িয়ে। তীর্থের কাক, চাতক অপেক্ষা হয়ে থাকুক নিপাতনে সন্ধি। সহস্রাব্দের কাল ঘেঁষে নির্বাসনে থাকি, বিশ্বাসের চোরাবালিতে ফেলে রেখে কোথায় হারালে, কোন সে দূরে? এঁকে দেয়া এয়োতির তিলক [বিস্তারিত ধ্রুপদী বাঁশিওয়ালা]
মাত্র খবর পেলাম কবিতার ব্যস্ততা বেড়েছে কবিতাদের নিয়ে। ইয়া মুশকো মোটাসোটা গাছ ধরেছে জড়িয়ে দু’হাতে শরীর জড়ো করে, মগডাল অব্দি দুরন্ত চলাফেরা চোখের পলকে সবুজ থেকে ছিন্ন পত্রে, পাহাড় চুড়া থেকে শীতল পর্বত গুহা পর্যন্ত সমুদ্র থেকে রৌদ্র স্নানে। শ্রান্তিহীন মত্ততায় চলছে বন্য পরকীয়া প্রেম রংধনুতেও নেই তির্যক অরুচি; তবুও জলজ সান্ত্বনা, এক চিমটির দু’ফোটায় [বিস্তারিত শ্রান্তিহীন ব্যস্ততা]
এসো মৃত্যু, করি ব্যবচ্ছেদ তোমাকেই, দুঃখের ডানায় ভর করে সুখের পায়রা উড়িয়ে। থরে থরে সাজানো মৃত্যুদের আর্তচিৎকার, মৃতদের কেন আবার ছেঁড়াখোঁড়া! প্রস্তুত ধবধবে নিথর শবটেবিল। দেখ মৃত্যু, কোন একদিন বিপুল নিঃসত্ত্ব নিঃসঙ্গতায় নিশি পাবে তোমাকেও। নিঁদে বা জাগরণে, গ্রীষ্মের বর্ষায় বা প্রবল একরোখা শীতে। দাঁতে খিল ফেলে গোঁ গোঁ শব্দ করে মুখে ফেনা তুলে মেরুদণ্ডে [বিস্তারিত ইচ্ছে মৃত্যু]
ইদানীং, কবিতা কারণে অকারণেও ক্ষণে ক্ষণে নেচে ওঠে, গেয়েও। খোপায় ফুল মেখে। গাও গাও নাচো নাচো, ভালোতো! ভালোনা? কত্থক,ওড়িশি বাঁ মনিপুরী। গানের সুর-তাল লয়-ফয় জানি না বুঝিও না। তা সে গান-ফান নাচ-টাচ করলে কার কী? না কারও কিচ্ছুটি ক্ষতি-বৃদ্ধি না, তবে কথা হলো কুঞ্জ বনের ঘ্রাণ পাচ্ছি যেন!! রাঁধে……রাঁধে। ইদানীং, নীল অঞ্জনে কবিতা বেশ উচ্ছল [বিস্তারিত ইদানীং কবিতারা]
সলজ্জ ইচ্ছে হয়েছিল সাজব একদিন একাকী আন্মনে, প্লাবনপ্রেমে ক্ষণে ক্ষণে সারাক্ষণ জাগে সাধ এ হৃদয়ে, কালিঝুলি মেখে নয়, ম্যাক্সফ্যাক্টরের ঝাঁপি উল্টিয়ে। ভেবোনা সং সাজব রং মেখে কোন এক দুঁদে কিংবদন্তির কথা ভেবে; নিষ্পত্র বিশীর্ণ বিষণ্ণতায় শব বসনে ভাসব তীব্রতর স্রোত বিহীন বিভুঁয়ের সুন্দরতম জলনদে। অবাক বিস্ময়যন্ত্রণার নিখুঁত নিকুচি করে “ইচ্ছে” একদিন সাজতে চেয়েছিল। ♦দুঁদে………দুরন্ত
বিকেল হঠাৎ দাঁড়িয়ে গেল থমকে, ভুলেছে অস্ত রং অস্ত যাওয়ার পাট ভুলে। সময়ের দুঃসময়ে নাকি রীতি-নীতি না মেনে প্রচণ্ড পরিব্রাজকীয় অভিমানে? ক্রম থেমে যাওয়া পাখির কোলাহলে নাকি সংগোপনে কপট মায়াজাল শুশ্রূষায়? বলছি না কলঙ্ক হবে এখানে এখন এভাবে দাঁড়ানোয়, বলছি না হয়েছ দিগ্বিদিকের পথভ্রষ্ট। নাকি দাঁড়িয়েছ সাকাচৌ’র ‘ধন কেটে লাল’ করে দেয়া দেখতে! তা যত [বিস্তারিত অবিশ্বাস্য বিকেল]
অশ্বত্থের মতো প্রতীক্ষায় থাকি, অনড় বিশ্বাসে, বিপন্ন বিষণ্ণতার ভীষন পিছুডাক আমাকে ঘিরে ধরে ঘিরে রাখে। প্রমাথিনী, বিষাদী আকাশ, রোদের ভ্রুকুটি, কুচক্রী বাতাসের কোলে এ কোন সুখের অসুখ? বাসা বাঁধো উৎপাতহীন সবুজে, পিপীপিকা জীবনের ধিঙ্গীপনা ছেড়ে; গোঁয়ার্তুমির দিন শেষেও ‘না’ ‘না’ এর চাষ করে আর কত কাল? রাতবিরেতের নিশি ডাক শুনতে কি পাও? রাত্রি এসে কড়া [বিস্তারিত প্রমাথিনী মেঘ]
অস্বস্তি বোধ করায় পাশে আড় চোখে তাকিয়ে দেখি বিশাল এক জাম্বু, দৈত্যাকৃতির মুখ ঢাকা ভুত আমার গা ঘেঁসে দাড়িয়ে, সে ও রং পেন্সিল হাতড়াচ্ছে। আমি একটু সরে দাঁড়িয়ে রং সাধনায় মন দিলাম। হঠাৎ পাঁজরে রামচিমটির যন্ত্রণায় ক্যাঁক করে শব্দ করে পাশ ফিরে দাঁড়ালাম। চোখ কপালে উঠে তৃতীয় নয়নের জায়গা দখল করে স্থির হয়ে আছে, অপলক!! [বিস্তারিত প্রেমের বন্ধুত্ব, বন্ধুত্বের প্রেম–(৩)]
ভর দুপুরে চিপায় বসে হরিহর ভাব নিয়ে গুজুর-ফুসুর করছি মেহজাবিনের সাথে। প্রায়ই যেমন করি এ জায়গাটিতে। *ওই, আম চুরি করবি? #হু, কোথায়, কার গাছের? *ঐ যে খাইশটা বাড়িওয়ালার, কাঁচা-মিঠা আম। #তা মন্দ বলিসনি, কিন্তু কথা হলো তুই তো বলদা!, গাছে-ফাছে ওঠার হিম্মত তোর কোনদিন ছিল না, হবে বলেও মনে হয় না। বলেছো যখন, ‘সোনা আমার’ [বিস্তারিত প্রেমের বন্ধুত্ব, বন্ধুত্বের প্রেম–(২)]
প্লাবনমেঘ, এত এত কান্না না কাঁদলেও পারতে লুকানো কান্না লুকিয়ে রেখেই না হয় কাঁদতে। মনঃকানে শুনতে পাই নিরাভরণ নিরালম্ব এ কান্না, কেন কাঁদ? ক্লান্তির স্বপ্নডানা গুটাও এবার, কান্নার বাসা ভেঙ্গে তাকাও ঘুমহীন ভেজা চোখ খুলে তাকাও। এ পদ্ম সরোবরের সবুজ সমারোহে বউ কথা কও পাখী ডাকে, বাঁধাছাঁদায় গোছগাছ করে এসো পরাবো রংধনুর জোড়া মালা, রানীর [বিস্তারিত নিরাভরণ মেঘ]
ঝিরিঝিরি বৃষ্টির উড়নি ফেলে এই মেঘবর্ষার জ্যোৎস্না চোখে ঘোর অমাবস্যা। জ্যোৎস্নার জোনাকি নিস্তব্ধতায় মিটি মিটি চোখে কী যে দেখ! মেঘেদের উপত্যকার গিরি পথে রোঁদেদের উঁকিঝুঁকি, মায়া কুহেলিকায় মায়া ঘোরে মায়াঞ্জনে চোখ ফেলে কী যে কর!!! সায়ন্তন সাচিঁ মেঘ, সুরাইয়া তুমি, ঝিরিঝিরি বৃষ্টিবেশে নেমে এসো এই ধানসিঁড়ির তপ্ত বুকে, বা শিলা বুকে পিষ্ট কর এ অধর [বিস্তারিত মেঘবর্ষা]
মেঘেদের দীঘল চোখে জ্যোৎস্নার হাতছানি, হোক না তা ক্ষণিকের ঝিকিমিকি। উঁচু পাহাড়ি কোল ঘেসে বাতাসি হাওয়ায় ভেসে অনুষ্টুপ ছন্দে, দিনমান ঘুরে ফিরে কী দেখ? কী ই বা কর ! পেঁজা তুলোর বেশে বা গোমরা মুখে কলসি কলসি পানি বয়ে, কোথা ফেল? কোন উর্বরতায় বাঁশি বাজাও? মেঘ, তুমি কী ‘মেহ্জাবীন’?