কী করে কেমন করে চুল ওয়ালা চকচকে টাক আরও তৈলাক্ত হলো আজ সে গল্প অবান্তর! তাই বলে নেহাৎ ধরি মাছ না ছুঁই পানি এমন কিন্তু না, তবে মুসাফির হালতে ছ্যাঁত করে নামিয়ে ফেলব সে সক্ষমতা নেই ই। তাই বলে নিশপিশে হাত গুটিয়ে রাখব! কভি নেহি কভি নেহি, আসলে একজন কুবি আরও ধাড়ী হয়ে গেল তা [বিস্তারিত একজন কুবির জন্ম দিনে]
অদৃশ্যতার বেড়াজালে জড়াইনি ঘুমালাপের উষ্ণ আতিথ্যে নধরকান্তির দুষ্টতায়, সঙ্গতার নিঃসঙ্গতায় দিবাবসরের রোদছায়া মাখা ঔদাস্য আতিথ্যে হৃদয়ের পথরেখায় কম্পমান নিঃশ্বাস, নাগরিক নিসর্গে স্বপ্ন জেগে থাকে নির্ঘুম চোখে ধু-ধু নীরবতায় আজঁল ভরা পানীয়ের খোঁজে। নিঃসন্তান বিপত্নীক রাত্রি অনুতাপহীনতায় অপ্সরীভোরের স্বপ্ন আঁকে; সব কিছু সামলে-সুমলে নিষেধের বেড়াজালে জড়াই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের সুরে সুরে চলৎশক্তিহীন প্রজাপতি অন্তস্তলের অন্তঃপুরে রাশি রাশি স্বপ্নফুল [বিস্তারিত বেড়াজাল]
শব্দের রাজফড়িং ছুঁয়েছি বলেই এ বিহ্বলতা, শব্দশব এড়িয়েছি বলেই শব্দাহংকারের এ ই চঞ্চলতা, জড়িয়ে বিষাদকালো শব্দছায়া অপরাজিতার চেয়েও গাঢ় লাল শব্দ-ফুলের আজন্ম বিষণ্ণতা!! প্রজাপতির স্বপ্নসাঁতারের হৃদয়গাঙে উজানের বন্যতা; বাঁক-বদলেও হয়না থাকা দাগহীন নিরুত্তাপ, বিবাগী নিঃস্পৃহতায়ও নয়, শব্দলোলুপতা জেগে থেকে জাগিয়ে রাখে জীবনের স্বপ্ন-দ্বীপের অভিন্ন সত্তায়, ছেনে-ছুনে; প্রাণোচ্ছল স্বতঃস্ফূর্ততায়; উচ্ছ্বাসের ধুন ধরে, আঁতিপাঁতি করে খুঁজে পাওয়া [বিস্তারিত মধ্যাকাশে আধখোলা শব্দ-চোখ]
ভেতরে যাইনি দেয়ালে দোয়েলের ডাক শুনে, যাবও না, ঐ ডাক গুনে গুনে। স্তম্ভিত দেয়ালে দোয়েলের বিলাপে শেষ বিকেলের সোনালী কিরণ রেখা গেছে মুছে আঁধার এসেছে নেমে বিলাপ পাখার যাদুতে; আকীর্ণ অসোয়াস্তির অন্ধকারের দেয়ালের ওপাশে যাইনি, যাবও না,
তবুও শব্দেরা নেচে উঠবে বিনা হিসাবের রাত-বিরাতে আনন্দ ঝংকারের সুর তুলে, বিকেলের পিঠে সোনা রোদ ফেলে আবনান্ত বীথিপথের বাঁকে বাঁকে; বিমূঢ় সন্ধ্যার ডাক শুনে। অনলস অথচ নিষ্ফল শব্দেরা কাচের রহস্যময়তায় বকবক করে, কটূক্তি করে সবল জ্যেষ্ঠতায়, ভাবেনা শব্দবার্ধক্যের কথা!! শব্দে আঁকা কল্পনার শব্দছবি অবোধ্য আড়াল নীরবতার অনুচিত বিষণ্ণতায় টুঁ-শব্দটি না করে রয়ে যায় নিঃসাড় অনাবৃতে; [বিস্তারিত বিষণ্ণ শব্দেরা]
শুনতে পাই কিছু অক্ষরের নীরব-নিঃশব্দ আত্মহত্যার শব্দগুঞ্জন, নিশুতির প্রকাণ্ড বনে; বিবাগী কম্পনে কাঁদে বেদনার স্তব্ধতা বন্ধ হয় অদৃশ্যতায় চোখের পাতা, না থামা গুঞ্জনস্রোত বয়ে যায় শিরদাঁড়া ছুঁয়ে। পুষে রাখা শব্দাহংকার পথ হারায় উদাসীন দৃষ্টিতে, সকাল জেগে ওঠে চা চামচের ঘূর্নীতে। দুপুরের অগাধ রোদ্দুরের সূর্যটা ছুটে আসে হাঁ করে, ক্লান্তির বিষণ্ণতা সাড়া শরীর জুড়ে; রাতজাগা পাখিটি [বিস্তারিত অক্ষরের শব্দ নীরবতা]
অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, এই তো সেদিনের সোনেলা! কালে কালে অনেক পথ পেরিয়ে ভিড়েছে পঞ্চম কালের বন্দরে, অনাবিল আনন্দে ভেসে ভেসে। প্রাপ্তি অনেক, ঘুঘু ডাকা বিষণ্ণতা এড়িয়ে, অকুণ্ঠিত স্বীকারোক্তি সময়ের পথরেখায়, ক্ষনিকের জন্যও পাশে ছিলেন যারা; একটি প্রাপ্তি জ্বলজ্বল করছে(ভাগ্যিস জ্বলে ওঠেনি)! আমাদের বটবৃক্ষ কুবি, যার কুবি প্রতিভায় আমরা ব্যতিব্যস্ত! চলনে কুবি বলনে কুবি, মন্তব্যের বলিহারিতেও [বিস্তারিত বটবৃক্ষ কুবি]
কথার নূপুর চেনা পাখির ঠোঁটে স্বপ্ন-ঘুমে স্বপ্ন অটুট; ডানা-মেলা ঐ দিগন্তের নীলাচল স্বপ্ন ব্যঞ্জনের মৃত্যুহীন দোলাচল, আকাশী রঙের ধেনু ছুঁয়েছে শেষের সীমানা; চৌকাঠ না পেরোনো হৃদয়ের ডানায় নূতন পালক, শিরশিরে হাওয়ায় সলাজ সাধ, ডানা মেলার, ধ্রুপদী অস্পষ্টতায়; দারুণ ঔদাস্যে চোখ পাতে খটখটে কাক-ভেজা দুপুর, মেঘেদের ভাঁজে ভাঁজে নীলাকাশ, সেখানেও রেশমি ফাঁস! তবুও জেগে থাকে সাধ, [বিস্তারিত প্রত্ন নদীর খোঁজে]
চেনা পাখির ঠোঁটে কথার নূপুর, সীমাহীন মধু-গুঞ্জনের শৌখিন স্বস্তিতে; কে তুমি রাত্রিবিলাসিনী হিজাবের অন্তরালে! জেগে ওঠে রাত্রি কড়া নাড়া শব্দে, ঘুম-চোখে, জ্যান্ত মানুষের কঙ্কাল হাতে, কে তুমি? কোথা যাও? এখানেই বা এলে কী করে? কী!! নীলকান্ত মেঘের খোঁজে? এই রাতের ঝুম অন্ধকারে? আকাশী জাহাজের তুমুল দাপটে দীর্ণ হয়েছে সে, সেই কবে! অন্ধকারে কল্পনার নীলাকাশ!! নীল [বিস্তারিত দারুণ দাক্ষিণ্য]
ঝাঁকের কৈ ঝাঁকেই যাব মিশে ঝাঁক কই? কৈ বা কই? খুঁজছি দিবার শেষে, খোঁচাদাড়ি সযত্ন ট্রিমে মিশে যাব ঝানু রোমিওদের ভিড়ে কোথায় সেই রূপালী শহর ধানসিঁড়িটির তীরে? আকাশের ঐ চূড়োয় নিখাদ বর্তমান উঁকিঝুঁকি দেয়, ডাকে সারাক্ষণের দিনমান; ভাবছি ঠিক কী হবে? মিস করা এই ক্ষণ উদ্ভাসন! কল্পনার জল্পনা থাকে, থাকে জল্পনার কল্পন, পদ্মেভাসা টইটম্বুর জলপুকুর [বিস্তারিত পদ্মেভাসা জলপুকুর]
একসাথে আছি অনন্তের বহুকাল, নির্লিপ্ত উচ্ছ্বাসে, অসীম ধৈর্য-অধৈর্যের টানাপোড়নে, রাহুগ্রস্থ বিহ্বল নিঃস্পৃহতা নিয়ে, প্রাণের স্পন্দনে নৈরাশ্যের সূর্যাস্ত নেই, অসহ্য বিচ্ছেদের অবিচ্ছেদ উজিয়ে জড়িয়ে থাকে সারাক্ষণের মায়াবী কবিতা কোন এক সোনালী উদ্যানে, ক্ষয়হীন মেদ-মজ্জায় অনূঢ়ার হি হি কেঁপে ওঠা দেখি, স্পর্শের বিদ্যুচ্চমকে উল্টে-পাল্টে সোনার কাঠি রুপোর কাঠি, দেখি সাজহীন অপরূপ সাজে কবিতা ছবি আঁকে স্বপ্নিল সন্ধ্যার [বিস্তারিত প্রবোধের আঁচলে]
সখা, সখি ও শাস্ত্রী সমভিব্যাহারে রাজন মৃগয়ায় বেড়িয়েছেন সোনাবিকেলে, উহ্, নাহ, এটি কোন দূষ্মন্ত-শকুন্তলা কাহিনী নয়, বনপ্রান্তের ক্রন্দন ধ্বনিতে থমকে গেল রথ, আলুথালু বেশে গাছ জড়িয়ে প্রবল কান্নাকাটি করছে বিমর্ষ একটি লোক, ‘এ জেপন আর রাকপ না, আম্রে আমি আজ মাইরালামু’ শাস্ত্রীর বন চটকানোতে কান্না বন্ধ, চ্যাংদোলা করে নিয়ে এসে পেশ করা হলো রাজন সম্মুখে। [বিস্তারিত সহি ডাক্তারনামা]
কোন এক গভীর সকালে চিনচিনে ব্যথার অনুভবে আবিষ্কৃত হলো বুকের মাঝে ছোট্ট একটি বিষের ফোঁড়া, ও কিছু না, হটেনটট ভাবনায় কিছুই পাত্তা দেয়া হলো না। দিন যায় দিনের মত, রাত রাতের মত, দিন রাতের মত, রাত দিনের মত হয়ে যায়, নিয়ম বেনিয়মের তোয়াক্কা না করে টনটনে ব্যাথায়। অগত্যা ডাক্তারের শরণাপন্ন, সুগভীর মনযোগে প্রায় ধ্যানস্থ হয়ে [বিস্তারিত ফোঁড়ার আদ্যপান্ত]
অপারেশনের তারিখ দিয়েছেন ডাক্তার আজ, অনেক ঘুরিয়েছেন আজ কাল পরশু তরশু বলে, বলতে পারিনি কিছুই, আকারে ইঙ্গিতে গুষ্টি উদ্ধার করলেও এই মহা ধড়িবাজ হাসাহাসি ডাক্তার নট নড়ন চরণ নট কিচ্ছু, এত কিছুর পরেও কেন এই ডাক্তার! সে গল্পটি নিবেদনে পরে আসছি। বিষফোঁড়া না বিষের ফোঁড়া বা শুধুই ফোঁড়া এ নিয়ে আকছার জ্ঞানী জ্ঞানী তর্ক-বিতর্ক ইতোমধ্যেই [বিস্তারিত আকালের বিষের ফোঁড়া]
দ্যুলোক না পাতাল তল! ফুড়ে এলি বুঝি? এই, হাসিখুশি খুকি, ফুলপরী, দুঃসাহসী শিশু; ছিলি কোথায়? কোন দুষ্টু ছুৎমার্গে, এত্ত কাল? এভাবে হাছুমিছু মিড়মিড়িয়ে তাকিয়ে থেকে হবে না কোন লাভ, এ বেলায়; ওবেলায় আসিস বুড়ো হাবড়ার কাঁধে চড়ে গা-গতরে হিসু ফেলে, চশমা ছিনিয়ে। অনর্গল আলসে নয়না হোস না, চঞ্চল নিক্বণ তুলে বলনা কী বলতে চাস, তুই [বিস্তারিত স্বপ্নিল আহ্লাদী]