একসাথে আছি অনন্তের বহুকাল, নির্লিপ্ত উচ্ছ্বাসে, অসীম ধৈর্য-অধৈর্যের টানাপোড়নে, রাহুগ্রস্থ বিহ্বল নিঃস্পৃহতা নিয়ে,
প্রাণের স্পন্দনে নৈরাশ্যের সূর্যাস্ত নেই, অসহ্য বিচ্ছেদের অবিচ্ছেদ উজিয়ে জড়িয়ে থাকে সারাক্ষণের মায়াবী কবিতা কোন এক সোনালী উদ্যানে, ক্ষয়হীন মেদ-মজ্জায় অনূঢ়ার হি হি কেঁপে ওঠা দেখি, স্পর্শের বিদ্যুচ্চমকে উল্টে-পাল্টে সোনার কাঠি রুপোর কাঠি,
দেখি সাজহীন অপরূপ সাজে কবিতা ছবি আঁকে স্বপ্নিল সন্ধ্যার আঁচল জুড়ে,
অনির্বাণ যূপকাষ্ঠে নির্বোধের নির্বিষ দুঃসাহসিকতায় বাঁক নেই, বাঁকে দাঁড়াই, প্রবোধ দেই নিজেকে,
অজানা ভাষায় লেখা প্যালেট বিহীন রং-তুলির এই ঝর্ণাধারা! শাক-শুঁটকি নয়, খুঁজে ফিরি শাকান্নের কবিতাকে;
মোট পড়েছেনঃ ৬০০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
কবে যে জ্ঞানী হবো। আর তখন আমার নিজের জ্ঞানের একটা ভান্ডারও থাকবে।
তখন যা লেখাই দেবেন তখন এসেই ফটাফট লেখার সারাংশ তুলে ধরবো।
ও কুবিরাজ ভাই এ কি কবিতা দিলেন গো! ওহ এটা তো কবিতা না, একান্ত অনুভূতি। আপনার অনুভূতি এতো কঠিন কেনু? ^:^
ধুত্তোর মন্তব্যই করমু না। :@
গভীরের জ্ঞান নিয়ে কোথায় গব্যগৃতাহুতি দেবেন তা না করে পানিহুতি বাদ দিয়ে
বরফাহুতি দিয়ে সক্কাল বেলা কাজ খানা ঠিক করলেন ভাইসাব।
ভুং ভাং লিখি! নিরামিষ(শাকান্ন) কবিতা খোঁজার ছল করি!
আমি কোনো টাইপ আহুতি দিতেই জানিনা।
কি করমু কন এই দেশে প্রায় ছয়মাস বরফ থাকে।
আপনি যদি ভুংভাং লেখেন, তাহলে তো আমি হাওয়া হাওয়া লিখি। 😀
ও আচ্ছা, আপনি কবি, বুঝতে পেরেছি।
কোন অলুক্ষনে যে এই সাত সকালে এখানে এলাম! মাথায় বাকি কিছু থাকলে না হয় তা টানতাম। হে আল্লাহ মাবুদ, দিনটা যেন ভালো ভাবে যায়। আমীন।
ভুল-ভাল সময়ে ভুল জায়গায় এসে পড়েছেন, কুবি সাব,
কী আর করা, দেয়ালে মাথাটি ঠুকে ফেলুন,
আখেরে পূন্য নিশ্চিত!
আমীন,
কবিতার সেলফে হাত দিয়েছিলেন মনে হয়। খুঁজে খুঁজে হয়রান হয়েছেন কোনটা দেই, কোনটা দেই। এরপর ডাহা ডাহা বিরানী পোলাউ বাদ দিয়ে, নিরামিষ কবিতার জন্য একখান কবিতাই লিখে ফেললেন।
আছেন কবিতা নিয়ে অনেককাল থেকেই। কবিতা আর আপনি, শেষ অব্দি যে থেকে যায় সাথে।
মাথা কী আমিও ঠুকবো জিরাফ ভাউ? পুন্যের নিশ্চয়তার সার্টিফিকেট যদি একটু সই সমেত দিতেন, তাইলে আমিও ট্রাই নিতাম।
একান্ত অনুভূতি বিভাগ উঠাইয়া দেয়ার প্রস্তাব দিমু ভাবতেছি। এরপর কোন বিভাগে দেবেন এই লেখা মনু?
ধরা পড়ে গেলাম!!
কোনটা দেই কোনটা দেই সেটা সব সময়ই থাকে, এখনও আছে, কী রেখে কী বলে ফেলি আগাম তাও থাকে,,
একান্ত অনুভুতি বিভাগ উঠিয়ে দিয়ে ঠাইট মাইরালাইতেচাইতাছেন!! হাসাহাসির কণ্ঠ রোধের চেষ্টাটিও করবেন!!
তাতে কিন্তু অন্যদেরও অসুবিধা অইতারে, তাছাড়া আপনার জন্য তোপ তৈরি আছে, দেগে দিলে ট্যাঁফোঁ করার টাইম
পাবেন্না ভাইয়া,
কাঠালের আমসত্ত্বের মত কবিতা ইট্টু লাগেই, কবিদের নিয়ে হাসাহাসিও!!
আরে না না, মহামূল্যবান মাথা অক্ষুন্ন থাকবে তা নিশ্চিত, তাই বলে দেয়াল ভাঙ্গা ঠিক হবে না,
বিরিয়ানী আর কৈ পাই কে বা দেয়!! ন্যুব্জতায় নিরামিষই সই!!
কবিতা তো জরীর সাজে ভালোই সেজেছে। প্রানের স্পন্দনে সূর্যাস্তে কোনো প্রান কি থাকে না ?
এই কবি কেন এতো কঠিন কবিতা লিখে মোর এই নড়বড়ে দাঁত ভাঙে ^:^
দেখুন ইহা কোন কবিতা নয়, তাই নিয়ম করে দাঁতের যত্ন নেবেন।
প্রাণের স্পন্দন অটুট থাকে সব সময়, এটা বলতে চেয়েছি।
পরে আসছি -{@
আচ্ছা, আসুন।
একসাথে আছি অনন্তের বহুকাল, নির্লিপ্ত উচ্ছ্বাসে, অসীম ধৈর্য-অধৈর্যের টানাপোড়নে, রাহুগ্রস্থ বিহ্বল নিঃস্পৃহতা নিয়ে,,,,
আপনার একান্ত অনুভূতির কি কঠিন ভাষা। সোনেলার একটা গুণ আছে এখানে সবাই ভিন্ন রকমের লেখালেখে। :c
যার মন যেদিকে যখন যায় সে সেভাবেই বলে।
আমি একটু এলোমেলো ভাবেই বলি কিন্তু।
এত সোজা কবিতা… খুব বুঝতে পেরেছি ^:^
বুঝি আর না বুঝি , পড়তে কিন্তু বেশ লেগেছে।
এইডা কোন কবিতাই না,
সেই জন্য পড়তে বেশ লাগতেই পারে, এবং পড়তেও হবে,
অবশ্য মন্তব্য সহ পড়তে হবে,
এক কাল সমান কত বছর ধরবো আমরা? কবিতা বুঝি আজকাল ছবি আঁকে? খুঁজুন খুঁজুন তবে আমি জানি সোনালী উদ্যানেই আছে আপনার কবিতা 🙂
এক কাল সমান অনন্তকাল হলেও হতে পারে,
কবিতা শুধু ছবিই না, অনেক কিছুই করে,
আপনি তো দেখছি ঠায়-ঠিকানাও জেনে গেছেন, আত্মীয় লাগে কিনা কে জানে!!
আত্মীয় তো লাগেই সে 🙂 কিছুই রবে না গোপন 😀
আগে বলবেন না!!
তা হলে তো আর এত ঝামেলায় যেতে হয় না।
একান্ত অনুভূতি যদি এমন হয় তবে তাই ভালো। (y)
তবে তাই হোক, অনুভুতি বলে কথা!
আমি কিছু বুঝি নাই।
কেমন আছেন আপনি সেটা বলেন।
আমিও অনেক কিছুই বুঝিনা, ব্যাপার না।
আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছি,
ঈদের শুভেচ্ছা আপনাকে,