টুকটাক টুকরো হাওয়ায় বিদায়ী মাঘী-রাত শুধায়, বসন্ত কি এসেছে বেলায়-অবেলায় ধার করা কবিতায়, কবিতার সাথে? হাহা অট্টহাসি ভাঙলো বিষম অট্টালিকায় কত-শত বাধার কাঁটা, হরেক পদের পেরেক-আঁটা তক্তার বক্তৃতায়!! মরীচিকার বালুমাঠে দেখেছি বসন্তের খাবি খাওয়া, সারা অঙ্গে ফুঁটেছিলো জখমি-শীতের বরফি-ধুলা ; এলেবেলে বিপুল শব্দে রকমারি ছবির তুমুল বহরে, বসন্ত কি লুটিয়ে গেলো নিকানো রসুন ক্ষেতে?! 😜😜 [বিস্তারিত গুল-গল্পের বসন্ত]
ফুল পবিত্র। ফুল সুন্দর, সব সময়েই সুন্দর। ফুল ভালোবাসে না এমন কেউ আছে! ফুল ছাড়া কোনো বাগান কি দেখতে সুন্দর হয়! ফুল ছাড়া মালা গাঁথায় সার্থকতা থাকে! যেকোনো শুভক্ষণে অথবা বিয়োগ-শোকের সমাধিতে ফুলেরই রাজত্ব দেখা যায় সবখানে। ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক, ফুল সুবাসের প্রতীক, ফুল ভালোবাসার প্রতীক। যে প্রেমে ফুল লেনদেন নেই, সেটা প্রেমই না। যেই [বিস্তারিত হ্যাপি রোজ ডে]
ফাগুন, ভালোবাসা নিও। কেন জানি আজ হঠাৎ করে তোমায় লিখতে ইচ্ছে করছে। চোখের সামনে বারবার ভেসে উঠছে তোমার সুন্দর হাসিমুখ। ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করছে ঐ ছড়িয়ে যাওয়া হাসিগুলো। আচ্ছা বলোতো, কতদিন আগে তোমায় দেখেছিলাম ? আমি মনে করতে পারছি না। কি করবো বলো? যেদিন প্রথম দেখা হলো, সেদিন থেকেই সময়টা যেন থমকে গিয়েছিলো। তারপর কেমন [বিস্তারিত চিঠি- ফাগুনের নামে]
– জান, এসো আজকে দই ফুচকা খাই 🙂 = এই মাত্র দুবার ডাব খেলে। সাথে ডাবের শাসটাও একাই খেলে, এখন আবার ফুচকা! – তো? ডাব খেলে ফুচকা খাওয়া যাবেনা এমন কথা কোথায় কোন জ্ঞানী ব্যক্তি লিখে রেখেছেন? = হুম, বুঝছি, না খেয়ে তুমি আমাকে নিস্তার দিবে না। ( মুখ গোমড়ার ইমো হবে এখানে) তমাল মুড [বিস্তারিত যুগল – একদিনের খাওয়াদাওয়া]
ইদানীং খুব অলস হয়ে গেছি। কিছুটা না, একটু বেশিই ফাঁকি দিচ্ছি ব্লগে। গত মাস থেকে এখন পর্যন্ত যত গুলো পোস্ট দিয়েছি তার অর্ধেক কমেন্ট বা রিপ্লাই দিতে পারিনি। সত্যিটা বললে হয়ত একটি অজুহাত তৈরী করা যায়। কিন্তু নিজের দৈন্দিন কাজের ফিরিস্তি আর যাইহোক অজুহাতে রাখা ঠিক না 🙂 সারাদিন কাজের পর শারীরিক এবং মানসিক শক্তি [বিস্তারিত ইদানিং যাদের দিকে তাকিয়ে থাকি মুগ্ধ নয়নে]
– কি নাম তোর? = নুরনাহার বেগম – এ্যাহ! এত্ত বড়ো নাম! এই নাম ধরে যতক্ষণ ধরে ডাকবো, ততোক্ষণে আমার কাজ আমিই করে ফেলবো। শোন, আজ থেকে তোর নাম নুড়ি। মনে থাকবে? প্রায় এক সপ্তাহ হলো এই নতুন বাসায় কাজ নিয়েছে নুড়ি। প্রথম যেদিন কাজ করতে এসেছিলো সেদিনই তার বাপ-মায়ের দেয়া নাম বদলে ফেলা হলো। [বিস্তারিত উদাসী দুপুর]
আজ এসেছো, এতদিনের আড়ালে ঢাকা মুখটি উজ্জীবিত হয়েছে শীতের কুয়াশা ভেদ করে, হাজার-এক রাত্রির অপেক্ষা-অবসানে.. আজ এসেছো, এই শীতে, এখানে শীত আসে শীত-উৎসব হয়ে এখানে শীতের ভোর হয় মুক্তোঝরানো শিশিরে এখানে শীত আরও শীতার্ত হয় অনন্ত বিস্ময়ে, আজই এলে তুমি, এখানে জলজ মন মেঘ হয়ে উড়ে যায় উষ্ণ প্রেমের বিশুদ্ধতায়, এখানে ভালোবাসা হয় ভালোবাসায় ; [বিস্তারিত শীত-সখা]
তার স্বভাব ভ্রমণ করা, তার শখ ভ্রমণের ছবি সংরক্ষণ রাখা, তার পছন্দের কাজ হলো প্রতিটি ভ্রমণের স্মৃতি গুলো সবার সাথে শেয়ার করা। তিনি হলেন আমাদের ব্লগের সবার অতি প্রিয় কামাল উদ্দিন ভাই। আসুন, আগে তার ব্লগ-বাড়িতে একটু ঘুরে আসি। ★★ কামাল উদ্দিন ★★ মায়ের খাতায় লিখে রাখা হিসেব বলে আমার জন্ম ১৯৭১ সালের ১লা জানুয়ারী। [বিস্তারিত পঞ্চাশ-এ কামাল ভাই]
পুরুষ-১ দুপুর বেলা। ছোট একটি মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এলো। মেয়েটির বয়স ৬/৭ বছর। সে অনবরত কেঁদেই চলেছে। অনেকক্ষণ বাদে কান্না থামলে তাকে সবাই জিজ্ঞেস করলো কান্নার কারণ। তার মুখে জানা গেলো, সে বাড়ির সদর দরজার সামনে খেলছিলো। এমন সময়ে তার পরিচিত এবং একই বাসায় ভাড়া থাকা এক আংকেল তার সামনে এসে তাকে বাড়ির পিছনে [বিস্তারিত দুই পুরুষ]
আমাদের পরিবার যৌথ এবং খুব বড় ছিলো। আমাদের বড় পরিবারটা দিনের বেলায় আরও বড় হয়ে যেত। আত্মীয়-স্বজন, গ্রাম-গঞ্জের মেহমান আর প্রতিবেশীদের আনাগোনায় বাসায় হৈচৈ, থৈথৈ পরিবেশ থাকতো। এর মধ্যে নিয়মিত পড়াশোনার ব্যাঘাত ঘটতো না তেমন। তবে পরীক্ষার সময় এগিয়ে এলে আমি ব্যস্ত হতাম সব বাদ দিয়ে পড়াশোনা নিয়ে। নিজে নিজে নোট বানাতাম, সিলেবাস দেখে আসন্নবর্তী [বিস্তারিত প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় গাইডবুকের ভূমিকা কি]
ছোট বেলায় অনেক অনেক খেলাধুলার মাঝে আমার সবচেয়ে প্রিয় খেলা ছিলো গাছে চড়া। তখন বড় মাঠ বা গাছ খুঁজতে দূর-দূরান্তে যেতে হতো না। আমাদের এলাকাটাই ছিলো গাছে-মাঠে পরিপূর্ণ। পরীক্ষার সময়টা ছাড়া তখনকার মা-বাবারাও পড়া নিয়ে স্টিমরোলার চালাতো না। সন্তানের মেধার উপর তাদের বিশ্বাস-ভরসা শতভাগই ছিলো, আর ছিল নিকটতম প্রতিবেশীদের প্রতি আস্থা। তখন ছোট ছেলেমেয়েদের কেউ [বিস্তারিত তালগাছ – অপূর্ণ শখ]
★ তুমি- ভাবনায় অপলক তাকিয়ে রই তোমার শান্ত স্নিগ্ধ অবয়বের দিকে, ভালোবাসা মেঘের মত ভেসে বেড়ায় আমার চারিদিক.. ভালবাসার বৃস্টি হয়ে ঝরি, টুপটাপ টুপটাপ সবুজ গাছের পাতায়.. গাছের পাতাগুলো তুমি হয়ে যাও তখন; ★ তুমি- বিশ্বাসে তোমার দু’হাতে দেখেছি বিশ্বস্ততা, একহাতে আস্থার পৃথিবী আর অন্যটায় অটুট বন্ধন। ★ তুমি- ভালোবাসায় ভালোবাসার বিশ্বে তুমি [বিস্তারিত তুমি সমগ্র]
ঈশ্বর আরাধনার দিনগুলোতে আমি বন্দনা করেছি তোমারই, আদিম-আদরের মূর্ছনায় বিনিয়োগ করেছি উর্বর কামনা- অগ্নি, ঈশ্বরের ঈপ্সিত দিনেও আমি তোমাকেই ছুঁয়েছি, অথচ আমার কাঙ্ক্ষিত কামনায় ছিলো কেবলই ঈশ্বর / একদিন আমি তোমার হবো একদিন তুমি আমার ঈশ্বর হবে, সেদিন তোমার শিরায় শিরায় গেঁথে দিবো প্রেম-ঈপ্সা; চুম্বনে রাখবো নিষেধাজ্ঞা, কিন্তু তুমি চাইবে চুম্বনের প্রতিদানে আবেগ! একদিন সময় [বিস্তারিত ঈপ্সা]
ধারা- তুমি একমাসে কতটা রোগা হয়েছো দেখেছ? শ্রাবন – কই রোগা হয়েছি? কিছুটা শ্লিম হয়েছি। ধারা- দেখো, খাবার নিয়ে এমন করলে আমি তোমার সাথে আর প্রেমই করব না৷ শ্রাবন- এইত আর কিছুক্ষন পরেই খাবো৷ ধারা- রাত ৯:৩০ এখন, কখন খাবে? দুপুরেও কিছু খাওনি৷ শ্রাবন- কেন, দুপুরে একসাথে খিচুড়ি খেলাম, ভুলে গেলে? ধারা- না ভুলিনি। ঐটুকু [বিস্তারিত মিষ্টি প্রেমের গল্প-২]
একদিন শব্দেরা আড়াল হবে নির্বাসিত নৈশব্দেরা দখল নিবে খোলা জানালার, হীম বাতায়নে অবহেলিত সময় আরও নিস্তেজ হয়ে বিদায়ের ক্ষণ গুনবে, বিমর্ষ চিত্ত কেঁপে উঠবে অজানা শংকায় ক্ষীণ হতে হতে বিলিন হবে নকশিকাঁথার ফোঁড়, আকুল মনের ব্যাকুল মোনাজাতে আজ ঈশ্বর-উপস্থিতির খুব প্রয়োজন , আড়াল-ঈশ্বর এর অট্টহাসিতে নির্মমতার উচ্ছ্বাস; তবুও হৃদয় মেনে নিতে চায়, একদিন সব ঠিক [বিস্তারিত ইচ্চে-ফানুস]