হে মহান শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিকর্তা, আপনাকে বহুদিন-বহুভাবে খুঁজেছি/খুঁজি, যেমন খোঁজে আপনার আরও সৃষ্টির শ্রেষ্ঠরা, আপনি নিশ্চয়ই জানেন /নিশ্চিত জানেন, কে-কেন আপনাকে খুঁজে, পেতে চায় প্রাণের করে; হে সর্বশ্রোতা প্রভু, আপনাকেই ডাকি/ডেকে যাই সারাক্ষণের মনে মনে, চেতনায়-অবচেতনে, যেমনটি করে ডেকে যায় আরো-আরো সব্বাই, আপনি ই জানেন এ ডাক কিসের-কেন! হে নিরাকার লা-শরিক, আপনি কারোরই দৃষ্টিতে দৃশ্যমান [বিস্তারিত প্রার্থনায় বিধাতা]
বাবুল সাহেব এই এলাকায় এসেছেন প্রায় এক বছর হতে চলেছে। বেশ দাম দিয়ে মোটামুটি অভিজাত দেখতে একটা এপার্টমেন্টের দুটো ফ্লাট কিনে ফ্যামিলি সহ বসবাস করেন। পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি শিক্ষিত লোক, তার আচার-ব্যবহার ভালো। দেখতে ভালো, দামী কাপড়চোপড় পড়েন। সুন্দর করে কথা বলেন। তার এক্সট্রা গুণ হলো তিনি গরীব মানুষদের টাকা ধার দেন, এবং বেশিরভাগ সময়েই [বিস্তারিত ভয়]
ইদানীং অভিমান গুলো খুব জ্বালাতন করে, সময়-অসময়ের ধার-ধারেনা মানে না বেলা-অবেলার নিয়ম-নীতি, একগুঁয়ের মতো ল্যাপ্টে থাকে অষ্টপ্রহরের প্রহরীর মতন ; ছিটেফোঁটা অভিমান গুলো পিছু ছাড়ে না, কি এক অপার্থিব মোহে জড়িয়ে থাকে প্রবল আক্রোশে, ছড়িয়ে যায় স্নায়ু থেকে স্নায়ুতে রন্ধে-রন্ধে বইতে থাকে উষ্ণতম শিরায়, পিছু ছাড়ে না, নিবিড় আলিঙ্গনে ঝাপটে রাখে প্রিয়তমের মতন। পথভোলা অভিমানেরা [বিস্তারিত অনড় অভিমান]
** আপনি আপনার পোস্টে আসা কমেন্ট গুলোর জবাব দেন না কেন? এরপর থেকে পোস্টের জবাব দিতে ইচ্ছে না করলে লেখার শেষে লিখে রাখবেন মন্তব্য নিষেধ। তাহলে আর আমরা কমেন্ট দিবো না 😡😡** এরপর আমি শিউর ছিলাম রাশভারি এই ভদ্রলোক বুঝি আমার উপর ক্ষেপে যাবেন, শুধু তাই নয়, হয়তো তিনি ব্লগেই আর লিখবেন না। কিন্তু [বিস্তারিত শততম পোস্টের অভিনন্দন]
★ এক – চকলেট! এতগুলো!! = চোখ বন্ধ করো, – পায়েল! তাও একজোড়া!! = আহা..চোখ খুলো না.. – আম! তোমাদের গাছের? = হ্যা। আমাদের গাছের আম। পাকলে খুব মিষ্টি হয়। এই’ কটা দেখতে বেশি সুন্দর ছিলো। ঢাকায় আসার সময় চুপিচুপি স্কুলের ব্যাগে ভরে লুকিয়ে এনেছি। – যদি ধরা পড়তে? = তাহলে আবার গাছে চড়তাম। জান [বিস্তারিত ভালুকার বন্ধুরে]
” মা-বাবারা আমাদের একটু সাহায্য করেন। সারারাত কিছু খাইনি, আপনাদের বাসি খাবার গুলো দিয়ে আমাদের একটু সাহায্য করুন ” এভাবে ডেকে এলাকার অলি-গলির দ্বারে দ্বারে ঘুরছে ক্ষুধার্ত মানুষেরা। প্রায় সপ্তাহ খানেক ধরে, প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা, কখনো কখনো রাতের প্রথম অংশ- অব্দি চারদিক থেকে ভেসে আসে ক্ষুধার্ত মানুষের আর্তনাদ। সকালের দিকে যারা আসে তারা [বিস্তারিত বাতাসে মৃত্যু-গন্ধ]
আমি আজ আর কোথাও যাব-না এই নীলাকাশ ছেড়ে…. কোথাও নাহ, আর-না, দুই ভ্রূর মাঝে আর এক চোখ দিয়ে শুধুই দেখে যাব সীমাহীন নীলাকাশ……। জড়োসড়োর বেদনাদায়ক ঝুঁকি, অন্ধকারের ব্যাখ্যাকার, নিজেকে লুকিয়ে রাখার উন্মুখ উন্মুক্ত-গোপন অভিসার, জ্বলন্ত হতাশার শিকার, কান্না চেপে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে নিঃশব্দে হেঁটে আসা, ফেলে আসা দীর্ঘ-পথ! সে যাই হোক-না কেন হৃদয়ের গোপন [বিস্তারিত সীমাহীন নীলাকাশ]
সশব্দের ঝংকারে অপুষ্ট ভাবনার অনুতাপে নির্বাসিত কবিতা হারিয়ে গেছে যোজন-যোজন দুরত্বে, দুরত্ব মেনে নিয়ে, কথোপকথনের ধারাপাতে বর্ণহীন-ছন্দহীন নিরবতা সাথী হয়েছে তার, কবিতা! সেতো দেয়না ধরা এক চিলতে সমুদ্র বালুকাবেলায় অত্যুজ্জ্বল চোখ ধাধানো আলোয়, কবিতার পদচিহ্ন আঁকা আছে সময়ের ভাঁজে-ভাঁজে ধুলিমাখা শিথিল আল্পনায়, পাঠকের বেশে নয়, কবিতা খুঁজে নাও পথিকের অক্লান্ত অম্বেষণে, প্রভাবিত প্রখর অনলে যেথায় [বিস্তারিত উন্মোচিত অপেক্ষা]
বলেছিলো ভুল বানানে শুদ্ধ-অশুদ্ধ অক্ষরে তিনশো তেত্রিশ দিনে লিখবে চিঠি গুনে-গুনে নয়শো একাশি বার; ভর দুপুরে উদোম গায়ে, গামছা খানি জড়িয়ে কোমরে একুশ পদ্মের মালা গেঁথে ভাসাবে পদ্মায় এই নদীর নামে, কথা ছিলো, ডুবু-ডুবু সন্ধ্যায় হাতে নিয়ে ছিপখানি বসবে সেথায় যেথায় বেধেছে বাসা জোনাকের অম্লান দ্বীপ, চুনো পুঁটির হুড়োহুড়ি, ঘাঁগু বোয়ালের হাতছানি ভুলে ধরে আনবে [বিস্তারিত কথা রাখেনি সাবুচাঁদ]
রাগ? ঝেড়ে দিতে হয়, শান্তির বিকল্প শান্তিতেই মিলে। সন্দেহ? প্রকাশ করা উত্তম, দ্রুত সমাধান আসে তাতে। অভিযোগ? জানিয়ে দাও দৃঢ়তার সাথে, একদিন ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে। কাউকে মিস করা হচ্ছে? উহু, ভুলেও উচ্চারণে এনো না, অবহেলায় ক্ষয়ে যাবে আরও। যে হারিয়ে যেতে চায় যে অন্তরালে পৌঁছাতে চায় বাঁচতে চায় নির্ভরশীল-নিরবতায় যে স্বীকৃতি দেয় উপেক্ষার, [বিস্তারিত ভাবনার নদী]
বিয়ের মাস ছয়েক পর থেকেই পাল্টে যেতে লাগলো অঞ্জন। সে গতরাতেও ঘুমায়নি। অনলাইনে সারারাত জেগে কার সাথে যেন কথা বলেছে। সকালে জিজ্ঞেস করতেই উল্টো রাগ হলো। –বললো সন্দেহ করা কমাও জান। বিশ্বাস করতে শেখো। এমন করলে সংসার বেশিদিন টিকে না সোনা। তারপর থেকে প্রশ্ন করা কমিয়ে দিয়েছে। প্রেম তারপর বিয়ে। সংসার না করার প্রশ্নই আসে [বিস্তারিত সন্দেহের অবশিষ্টাংশ]
রমজান মাস মানে সংযমের মাস। দীর্ঘ ত্রিশদিন পানাহার এবং যাবতীয় অপবিত্রতা-মিথ্যাচার-অনৈতিকতা থেকে নিজেকে বিরত রাখার মাস। এর সাথে যুক্ত হয় শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা, যা বরকতময় হিসেবে পরিজ্ঞাত। এখন এগুলোর মানে মোটামুটি জানলে/বুঝলেও খুব ছোটো বেলায় এসবের মানে তেমন একটা বুঝতাম না। তখন রোজার মানে যেটা বুঝতাম তা হলো ফজর আজানের আগে সেহেরি খেয়ে রোজার [বিস্তারিত রোজা- স্মৃতিতে বর্তমানে]
পার্থিব পৃথিবীতে পা রাখার আগেই চুক্তি হয়ে যায় গর্ভধারিণীর সাথে, চোখ মেলার পর প্রথম কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে দেখে নিই জন্মদাতার মুখ, তারপর থেকে শুরু হয় চুক্তিবদ্ধ জীবন। এক-এক করে যুক্ত হতে থাকি নিত্ত-নতুন চুক্তিতে। সম্পর্কের অধিকারে এড়িয়ে যাওয়ার অজুহাতে কখনো দ্বায় নিয়ে যুক্তির সাথে- বিনা যুক্তিতে মেনে নিয়েছি চুক্তিবদ্ধ জীবন। আসলেই কি মেনে নিই? মেনে নেয়ার [বিস্তারিত আবদ্ধ ভাবনা]
ফাগুন! শুভ সকাল জাদু। কেমন আছো তুমি? ভালো আছো? রাতে তোমার পাঠানো চিঠি পেয়েছি। তারপর সারারাত্রি কেটে গেলো তোমার চিঠি পড়ে। কত কিছু লিখেছো তুমি! শত জনমের সহস্র স্মৃতি নিয়ে লেখা চিঠি খানা আমায় যেন নতুন করে আরেকটা জনম উপহার দিলো! কেমন করে বুঝেছিলে আমি কষ্ট পাচ্ছি? তোমার অপেক্ষায় আছি? অপেক্ষায় থাকি? আমি কেমন আছি [বিস্তারিত শুভ সকাল – প্রাপক ফাগুন]
ভাবনার এক সবুজ আকাশ সবটা জুড়েই তুমি, সেই আকাশের এক প্রান্ত থেকে শেষ প্রান্তে মেঘের প্রাচীর ভেসে থাকে, আবরণ ছেড়ে সীমানা টপকে জড়িয়ে যায় এক মেঘ হতে অন্য মেঘে.. তোমার বুকের মাঝে মেঘের ভেলা সাদা মেঘ-কালো মেঘ-হলদে মেঘ! নানা রঙের বর্ষা নামে চির সবুজ বুকে, স্বপ্নেরা পাখা মেলে হাওয়ার গল্পে, নিষেধ ভুলে গেয়ে উঠে [বিস্তারিত তুমি-আমি]