এক বোতল ইঁদুরের বিষ কেনার টাকা হাতে পেতেই মজিদ সাহেব দম নিলেন। হ্যা, এবার শুধু দোকানে গিয়ে কিনে নিলেই হবে। এই জীবন আর ভালো লাগছে না তার। অভাব-অনটনকে নিত্য সাথি করে কোনরকম চলে যাচ্ছিলো তার দিনগুলো। কিন্তু এখন আর সে অবস্থায়ও নেই। করোনা আসার পরে স্কুলের চাকরিটা গেছে। অনলাইনে পড়িয়ে দু’পয়সা রোজগারের আশাও নেই। নেট [বিস্তারিত সিদ্ধান্ত]
– আজকে আমি অনেক খুশি। মনে হইতাসে বেহেশতে আছি। আমি মরার পরে বেহেশতে তুমারেই আমার বউ করতে চাই। তুমিও বেহেশতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিও। নিয়মমাফিক চেষ্টা না করলে কিন্তু আমার বউ হইতে পারবানা। = দুনিয়ার থেকেও বেশি সুখ-শান্তি ছাড়া বেহেশতে আর কি আছে? – বেহেশতে কি নাই তাই জিগাও। যা চাইবা, যা কোনোদিন কল্পনায় আনতে পারো [বিস্তারিত প্রশ্ন যদি এমন হয়!]
সোনেলার উন্মুক্ত উঠোনে প্রতিনিয়ত আগমন ঘটে নিত্ত-নূতন মুখের। সোনেলা অঙ্গন কাউকে স্বাগত জানাতে কার্পণ্য করে না। সোনেলা বিশ্বাস করে সবার মাঝেই প্রতিভা আছে। উপযুক্ত প্লাটফর্ম এবং সহযোগিতা পেলে কেউ কেউ ঠিকই পৌঁছে যাবে তাদের আকাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর সোনেলা ব্লগ নয় বছরে পদার্পন করেছে। নয় বছর খুব বেশি সময় নয়, আবার কমও নয়। এই [বিস্তারিত শুভেচ্ছা সোনেলা নীড়ে]
যারা প্রত্যেক কথায় কসম কাটে, তারা নিঃসন্দেহে প্রতারক। যদি এমন করে থাকি, তাহলে আমি আমার মায়ের সাথে জেনা করি। যদি এটা সত্যি হয় তবে আমি আমার সন্তানদের মরা মুখ দেখবো… এই সমস্ত কথা বলা ব্যাক্তিদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ এরা সব পারে। ক্ষেত্রবিশেষে অতি রাগে মানুষের মুখ থেকে সত্য আসে, তেমনি অতিরিক্ত ভয়ে [বিস্তারিত সারমেয় সমাজ বনাম মানুষের মনুষ্যত্ব]
দুপুর বেলায় চুপচাপ শুয়ে উদাস নয়নে ঘরের সিলিংফ্যানের দিকে তাকিয়ে আছি। মেয়ের বাবা ঘরে ফিরেছেন অনেকক্ষণ, খেয়েদেয়ে আবার বাইরে যাবেন। কিন্তু আমি বাতাস খেয়েই যাচ্ছিলাম। সে আমার পাশে এসে হাতে একটা বই দিলো, পড়ো। তাকিয়ে দেখি শার্লক হোমস সমগ্র! হাত নেড়ে নিষেধ করে দিলাম। এরপর হাতে দিলো ফোন! ফেসবুক চালাও, ভালো লাগবে। – ওটার স্ক্রিন [বিস্তারিত মনের টুকিটাকি]
লিখতে পারছিনা আজকাল, লেখা হয় না, তা নয়! এলোমেলো অগোছালো ভাবনারা খেলা করে যায় মনের দুর্গম পথে। মন! মনেরও কি অসুখ হয়? ডুবে যায় ভ্রান্তির অথৈ সমুদ্রে? নাকি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে ভাসা খড়কুটো হয়ে? একটা একটা করে দিন চলে যায় আগামীদিনের অপেক্ষায়। কিসের অপেক্ষা? কেন অপেক্ষা করি আমরা? কতটা ভালোবেসেছি তোমায় জানতে চাও? যখন আমি নিজের [বিস্তারিত শিরোনামহীন-১]
সোনেলা! নামটির প্রেমে পড়ি প্রথমদিনেই। এতো সুন্দর একটা নাম, যার অর্থ খুঁজে নিতে হয় অনুভব দিয়ে। শৌখিন সুন্দর এই জগতের সন্ধান পাওয়ার পর সোনেলা অঙ্গনে নীড় বাধতে দেরি করিনি। একটুকরো জমিতে পরম মায়ায় গড়ে তুলেছি নিজের একখানা ঘর। আমার একান্ত নিজের ছায়া সুনিবিড়, শান্তির ঘর। এই আঙ্গিনায় পেয়েছি শত শত বাড়ি। একেকটা বাড়িতে বসত করেন [বিস্তারিত নিশীথে সোনেলা]
চিরচেনা পথের প্রান্ত ছুঁয়ে দিলেই মনে পড়ে যায় তোর কথা, দৃষ্টির বিভ্রমে ডুবেছি যতবার, তুই তারও বেশিবার জাপটে ধরেছিস আমায়। কী ছিলো ঐ জবরদস্তি আলিঙ্গনে! তোর লোমশ বুকের স্পর্শটা আজ বড্ডো অচেনা লাগে যেনো মরিচিকার অলস বাধ, যে দিগন্তের গোধুলিতে হারিয়েছি নিযুত-কোটি লগ্ন আজ তাকে লাগছে চোখের ঘোলা মণিতে স্বপ্ন পাতা ফাঁদ, তুই শেখালি ছলনা [বিস্তারিত রাগ শ্রী]
ভালোবাসার অঙ্গীকারে অঙ্গার হয়েছি আমি, তবুও অঙ্গ জ্বলে উঠে নিরুৎতাপ দহনে.. হায় প্রিয়তম, এমনই প্রেম দিলে, সব পেয়েও নিঃস্ব হলাম তোমায় ভালোবাসি বলে.. কোথায় তুমি, আমি কোথায়! অদম্য আকাঙ্ক্ষায় নদী-কূল ভেসে যায়, পথিকের গন্তব্য এখনো বহুদূর ; ভুলে যাই কতো স্মৃতি স্বরণীয় স্বরণ, কারণ-অকারণে, তবুও কেন ভালোবাসতে ভুলি না! কেন বারবারে কন্ঠ শুকিয়ে আসে অনিবার্য [বিস্তারিত আকাশে দিনের জোছনা]
ঈদের দিন থেকে তরুর মন ভার হয়ে আছে। তমালের সাথে পারতো পক্ষে সে কোনো কথাই বলছে না। তমাল নিজেও খুব একটা কথা বলেছে তাও নয়। যাও-বা কিছু কথা হয়েছে সেগুলো সব মেহমানদের সামনে,তাদেরকে নিয়েই। ঈদের দিন থেকে এই দুইদিন ঝাঁকে-ঝাঁকে মেহমান সামাল দিতে হয়েছে দুজনকেই। রোজার ঈদে লোকজন শুধু ফোনেই ঈদের শুভেচ্ছা দিয়েছে, কিন্তু এবার [বিস্তারিত যুগল – ৫]
আমাদের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্যে বছরে দুই ঈদকে উৎসবের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে একটা ঈদুল ফিতর, অন্যটি ঈদুল আযহা। আরবী ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমজান মাসের একমাস সিয়াম সাধনার পর শাওয়াল মাসের এক তারিখে ঈদুল ফিতর পালন করি। জ্বিলহজ্জ্ব মাসের দশ তারিখে পালিত হয় ঈদুল আযহা। এই ঈদকে আমরা কুরবানীর ঈদ বলি। কুরবানীর ঈদ কেন পালিত হয় [বিস্তারিত মধ্যবিত্তের ঈদুল আযহা]
ফাগুন, জাদু আমার, কেমন আছো তুমি?ছটফট করা মন বলছে তুমি আমায় ডাকছো!নদী নদী নদী নদী… যেদিন তোমার মুখ থেকে প্রথম শুনলামতুমি আমার অপেক্ষায় থাকো সারাটি ক্ষণ,সেদিন খুব একচোট হেসেছিলাম। এমন কী কখনো হয়! হতে পারে?কখনো চোখের সামনে এলে না,কোনদিন শুনতে পাইনি তোমার কন্ঠ,ছুঁয়ে দেখা হয়নি তোমার ওষ্ঠে ল্যাপ্টে থাকা হাসির বিন্দু গুলো! অথচ কতো দৃঢ়তা [বিস্তারিত প্রাপক-জাদুজান]
বহু যুগ আগে জন্মদিনের সারাদিন পেরিয়ে রাত্রি বারোটার পরেই শুরু হয়েছিলো আমার জন্মরাত। সেদিন কি করছিলাম, কি ভাবছিলাম আজ তার কিছুই স্মরণে নেই। মানুষের স্মরণশক্তি কতো অদ্ভুত! বড়ো-বড়ো ঘটনা থেকে শুরু করে তুচ্ছতম সব স্মৃতি, ভালো লাগা, মন্দ লাগা,, কতোকিছু তারা মনে রাখতে পারে, স্মরণে রাখে। অথচ পৃথিবীতে আসার মূহুর্তে কি অনুভব/উপলব্ধি করেছিলো সেটাই মনে [বিস্তারিত জন্ম-রাতের অনুভূতি-]
যখন আমি একটু বড়ো হলাম, আমাকে কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে সরিয়ে ভর্তি করানো হলো গার্লস স্কুলের চতুর্থ শেনীতে। সকাল সাতটায় ক্লাস, পনেরো মিনিট আগে পিটি করতে হতো। তাই স্কুলে রওনা দিতে হতো সকাল সাড়ে ছ’টায়। স্কুল একটু দূরেই ছিলো, বেশির ভাগ সময় আব্বার হাত ধরে যেতাম। কিন্তু বড়োস্কুলে ভর্তি হবার পর বান্ধবীদের সাথে যেতে বেশি ভালো [বিস্তারিত স্বার্থপর আত্মহনন]
ঘুম, ঘুমাতে পছন্দ করে না এমন মানুষ বিরল। জগতের সকল প্রাণীই ঘুমায়। শুয়ে-শুয়েই ঘুমাতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে যার সুবিধামতো পজিশনে। পাখিরা ঘুমায় গাছের ডালে বসে/দাঁড়িয়ে। বাঁদুড়/ চামচিকা ঘুমায় গাছের ডালে উল্টো ঝুলে। ঘোড়া দাঁড়িয়ে ঘুমায়। পানিতে মাছেরাও ঘুমায়, ভেসে-ভাসমান অবস্থায়। মানে ঘুমটাই আসল, পজিশন জরুরী নয়। প্রায় প্রত্যেক মানুষেরই দিন শেষে টার্গেট [বিস্তারিত আমার ঘুম-আমার কথকতা]