আজ অক্ষরেরা যুক্ত হলো সবাক কবিতায় আজ রাত্রি আরও সুরভিত মন মহুয়ায়, বাঁধ ভাঙা ঐ চাঁদের হাসি ভেঙেছে সকল লাজ, সোনালী আলো ছড়াবে রবি,সাজবে রাঙা প্রভাত হিম-হিমালয়ের ঘুমোট পাঁজরেও আজ জল-জোছনার কারুকাজ! আজ ইচ্ছেরা সব মুক্ত হলো বদ্ধ দুয়ার খুলে আজ রঙ গুলো সব রঙ্গিন হলো ইচ্ছে আকাশ ছুঁয়ে, আজকের আকাশ জানে আজকের পৃথিবী জানে [বিস্তারিত শুভ জন্মদিন]
– হ্যালো, কে বলছেন? = আমি অনির্বাণ, কেমন আছিস বন্ধু? – ভালো, হঠাৎ কি মনে করে কল দিলি? = একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। ভাবলাম তোর সাথে আলাপ করি। – তাই নাকি! কোন ব্যাপারে? সিরিয়াস কিছু? = হ্যা রে সিরিয়াস ব্যাপার। ভাবছি বিয়ে করবো। – বেশতো কর, এটাতো ভালো খবর, সিরিয়াস হবার কি আছে! = রাগশ্রীকে [বিস্তারিত অনির্বাণ এর রাত্রিদিন]
হাত বদলের তাড়নায় গর্জে উঠে অন্ধ-আলোর নরপিশাচ, পিশাচ? পিশাচ, স্বেচ্ছাচারী ছদ্মবেশ দায়হীন মিথ্যাচার নীতিহীন রীতি পৈশাচিক আবরণের হাত বাড়ায় সুপ্ত নরক হতে। ওরা নিতে জানে, কিছু করুণা, কিছু দয়া চাইতে জানে নিপুণ কৌশলে; বাড়িয়ে রাখা হাতের দশ আঙ্গুলে লুকিয়ে থাকে বিষদন্ত.. ওদের চাওয়া ফুরোয়না, ওদের ক্ষত-বিক্ষত তালুতে বিষাক্ত হয় বিশুদ্ধ প্রতিদান। কতটা ঘৃণা জমে উঠলে [বিস্তারিত পিশাচ]
** এই লেখাটি মুলত মন্তব্য পোস্ট। এটি লেখার উৎসাহ জুগিয়েছেন সোনেলার জনপ্রিয় রম্য ব্লগার রোকসানা খন্দকার রুকু। তার জার্নি বাই কুড়িগ্রাম টু রংপুর পড়ে লিখতে ইচ্ছে হলো। লেখককে ধন্যবাদ এমন একটি পোস্ট দেয়ার জন্যে 🙂 *************** *************** *************** *************** ************ মেয়ে মানুষ হয়ে পাব্লিক বাসে উঠেছেন আর ঠ্যালা ধাক্কা মানবেন না! প্রাইভেটকারে চড়লেই পারেন। এসব [বিস্তারিত লোকাল বাসের অভিজ্ঞতা]
চাঁদের আকাশ নাকি আকাশের চাঁদ ঐ প্রশ্ন এখন অবান্তর, এখন শুধু আকাশ দেখি। মেঘের সাথে আড়ি করার পর দেখিনি ভুলে ক’ফোটা বৃষ্টি-জলে উর্বর হয় বদ্ধভূমি, নিঃশ্বাসে মেপে দেখিনা কতোটা নিবিষ্ট বিন্দু পাওয়া হলে আরক্ত জমিনে ভাসে স্নিগ্ধ মাটির সুবাস, ঠিক কতখানি বইবার পরে প্লাবিত হবে ঝড়-উল্লাস! জ্বলে-জ্বালায় অঙ্গারে সোনা হয় রুপোলী নদী; প্রশ্ন গুলো প্রশ্নের [বিস্তারিত সোনালী হেমন্ত]
– তুমি শাড়ি পরো? – তুমি দাড়ি রাখো? “শাড়িতে নারী হলে দাড়িতে কেন পুরুষ নয়!” ভালোবাসা মানে পাশাপাশি তুমি আমি, আর ঠান্ডায় বিরক্ত এক কাপ চা 🙂 ভালোবাসা মানে তুমুল ঝগড়ার পর জানতে চাওয়া “ বাবু খাইছো? ” 🙂 ভালোবাসা মানে, “তুমি একটা ফালতু, তুমি একটা জঘন্যতম বাজে লোক..” বলাবলির পর “আই লাভ ইউ জান/সোনা” [বিস্তারিত পুরুষ দিবস]
আমরা আমাদেরই ছিলাম কোন এক রাত জাগা রাত্রিতে, শত জনমের স্বপ্নেরা ঘিরে ছিলো বিহ্বলিত উন্মাদনার সাক্ষী হয়ে অতঃপর আমরা আমাদের হলাম; ভাঁজখোলা রাতের প্রতিফোঁড়ের উষ্ণতায় জমেছিলো মহাকালের নির্যাস, জন্ম-জন্মান্তরের নির্যাস পানে আমরা অমরত্ব পেলাম। প্রতিদিন হতে এক-একটা আস্ত দিন ফুরিয়ে এলে আমরা অপেক্ষা করি আমাদের, দিন পেরোনো প্রতিদিন শেষে প্রতিরাত্রিতে বেঁচে উঠি নবজাতকের মতো, [বিস্তারিত হেমন্তের চাষাবাদ]
সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত্রি যখন ছুঁইছুঁই, তখনই নতুন আত্মীয়রা কাজলকে এই ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলো। এতোদিনে নিজের একটা ঘর হওয়াতে তার বেশ ভালোই লাগছে। নিজের ঘর! নিজের মতো সাজিয়ে-গুজিয়ে রাখা, নিজের মতো করে থাকা! কার না ভালো লাগবে! ওর ইচ্ছে করে এখনই ঘরটা সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে। খাটের রেলিংয়ে ঝুলে থাকা নানারঙের প্লাস্টিকের ফুল আর ঝুল, ঘরভর্তি [বিস্তারিত আপনালয়]
বিচার বসেছিলো সেই সকালে। এখন দুপুর। কিছুক্ষণ আগে উত্তম-মধ্যম দেয়ার পর মাথার চুল গুলো কেটে তাকে ন্যাড়া করে দিয়ে গেছে পাড়ার ছেলেগুলো। এদের অনেকেরই আতুড় ঘরে সে উপস্থিত থেকেছে। প্রসব বেদনায় যখন ওদের মায়েরা ছটফট করেছিলো, তখন ধৈর্যের চরম সীমায় থেকে পরম মমতায় সেই তাদেরকে পৃথিবীর আলো দেখতে সাহায্য করেছিলো। ছেলেপেলেদের উপর কেন জানি কোনো [বিস্তারিত চোর]
– এই খানে একটু থামি? কেন! এতো সিগারেট কিভাবে খাও? – এককাপ চা.. আচ্ছা। – নদী, ফুসকা খাবে? খেতে পারি, তবে এগুলো না, ওইইইই গুলা। – এহ, বিদঘুটে! হোক, ওটাই খাবো। – হু বুঝি তো! তুমি কিন্তু ছ’টা খেয়ে ফেলেছো, একটু আগে বললে বিদঘুটে! – তুমিই তো আমার মুখে ঢুকিয়ে দিচ্ছো! ফাগুন, এসো পিঠা [বিস্তারিত বৃষ্টি নামে ভালোবাসায়]
প্রতীক্ষায় সেদিনের, যেদিন রবে না আগুন লাগা দুপুরের আলস্য অথবা, ভাতঘুমে বেলা ফুরোবার পালা আসবে না আর থিকথিকে হাটু কাঁদার ভয়ে প্রকৃতি উপেক্ষা করার দিন, বৃষ্টির জলে ভেসে/ সাঁতরে পাড় হতে হবে না চৌরাস্তার মোড়! রোদ-বৃষ্টির যৌথ আয়োজনে নির্বিঘ্নে সমাপ্ত হবে ব্যাঙ/ শেয়ালের বিয়ের আসর। শারদীয় উৎসব শেষ হবে, এবারকার সব-বারের মতন, বিদায়ী কাশফুল [বিস্তারিত প্রতীক্ষা-দিনে]
আমি আর আকাশ দেখি না, মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থেকে বুদ হয়ে রই না নীল-সাদা খেয়ায়, ঝিরিঝিরি কাশফুল হলদেটে হয়ে গেছে গেলো দিনেই, রিমঝিম বৃষ্টি-বিন্দু আগ্রহ হারিয়েছে সেই শুভ্রতা ফিরিয়ে আনতে। এখন আর শুনি না কোন গান, শঠতার সুরে গাওয়া, নিরত্তাপ স্বরের বাক্যবাণে জর্জরিত হয়েছে আমার কর্ণকুহর! কোন গান-ই এখন আমার নয়, আমার জন্য নয়-ই। একই [বিস্তারিত নদী]
হেমন্তকে শুনতে পাচ্ছি ! দেখছি ঐ নীলাভ সাদা মেঘের মাঝে! ঐ উঁচুতে থাকা মেঘেদের দল থেকে নেমে আসছে বৃষ্টি, শীতের শীতল পাখার আবেশে,প্রতি বছরের মত। অপেক্ষায় ছিলাম ভিজবো বলে, হেমন্তের নিঃশ্বাসে মুখ ডুবিয়ে, ঝর্ণা জলের মুগ্ধ সুবাস পানে হেমন্তকে গিলে খাচ্ছি, ডুবে ডুবে ডুব-জলে; ঝরে পড়া স্মৃতির হাওয়ায় উড়িয়েছি আগলে রাখা সুখ-স্বপ্নের মতো রহস্যময় [বিস্তারিত সুখ-স্বপ্নের হেমন্ত]
এই পোষ্টের বীজ বপন করেছেন ব্লগার সুরাইয়া পারভীন। তিনি সোনেলার জনপ্রিয় সম্মিলিত গল্প ‘স্বপ্ন’ লিখে ফেলেছেন, কবে তা প্রকাশ করবেন জানতে চেয়েছেন সোনেলার ফেসবুক গ্রুপে পোষ্ট দিয়ে। জিসান শা ইকরাম, বন্যা লিপি, সুরাইয়া পারভীন, শামীম চৌধুরী, মাহবুব আলম, রোকসানা খন্দকার রুপু এবং আমি, তুমুল আড্ডাবাজীতে মেতেছিলাম এই বৃস্টির দিনে। এরই এক পর্যায়ে জিসান শা ইকরাম [বিস্তারিত আমাদের স্বপ্ন-লেবু]
যদিও কথার পরেও কথা থাকে, আশ্বিনের অলস দুপুরে ভাতঘুমের অবসরেও সুইয়ের ফোঁড়ে বারংবার সেলাই করা যায় গায়ের শীতল কাঁথাটি-ও। কার-ই-বা-কি আসে-যায় ; নিশুতি রাতের নিকুচি করে রাতের রাত্রিতেই লিখে ফেলা যায় ভান-ভাবনার কথ্য-তথ্য। কবি “সে” হবেন-ই! একান্ত অনুভূতির নাম ভাঙিয়ে, ত্যানা পেঁচিয়ে প্যাচানো/ পচাঁনো শব্দ বুলেট গুলো ছুড়ে দিবেন পাঠকের চোখে-দাঁতে-মস্তিস্কে, নেঁকি কান্নার স্বরে, ছিঁচকাঁদুনে [বিস্তারিত সে এখন কবি]