যুগল – একদিনের খাওয়াদাওয়া

– জান, এসো আজকে দই ফুচকা খাই 🙂

= এই মাত্র দুবার ডাব খেলে। সাথে ডাবের শাসটাও একাই খেলে, এখন আবার ফুচকা!

– তো? ডাব খেলে ফুচকা খাওয়া যাবেনা এমন কথা কোথায় কোন জ্ঞানী ব্যক্তি লিখে রেখেছেন?

= হুম, বুঝছি, না খেয়ে তুমি আমাকে নিস্তার দিবে না। ( মুখ গোমড়ার ইমো হবে এখানে)

তমাল মুড অফ করেই নিয়ে এলো এক প্লেট তরতাজা দই-ফুচকা! 😍😍

তরু মজার জিনিস চোখ বন্ধ করে খায়। তাই চোখ খুলে দেখলোই না। তমাল একটা একটা করে ফুচকা তরুর মুখে পুরে দিচ্ছে আর তরু গপাগপ খেয়ে যাচ্ছে। 🙂

খেতে খেতে তরু বুঝতে পারলো কিছু একটা গন্ডগোল আছে ফুচকায়! প্রতিবারই একটু বড় করে হা করতে হচ্ছে, কিন্তু ফুচকা মুখে যাওয়ার পর সাইজ আবার ঠিকঠাক! ব্যপারটি কি হতে পারে?

বন্ধ চোখ মেলে সরাসরি ফুচকার প্লেটের দিকে নজর দিলো। ওওহো, তাহলে এই ব্যাপার !

সব ফুচকা থাকে গোলগাল, আর তমালের আনা ফুচকার সবকটা কিছুটা লম্বাটে! আবার কিনা প্রত্যেকটা ফুচকার এককোন বাঁকা!!

– তমাল, তুমি আমাকে বাঁকা ফুচকা খাওয়ালে! এমন আজব জিনিস কই পেয়েছো? 😡😡

= কি করবো জানুসোনা? তুমি আমার এন্টিক প্রেমিকা, তাইতো তোমার জন্যে আজব জিনিস যোগাড় করে আনি। 🙂

– ধ্যাত! এতো প্রেম ভাল্লাগে না। তুমি আর তোমার ফুচকা এক একটা আজব ভাস্কর্য। আর খাবোই না..

হু আর খাবোই না.., 🙂 🙂

★ যুগল-৪

মোট পড়েছেনঃ ১,৭৭৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

  1. তরু মনে হয় পেটুক প্রেমিকা,
    দুইটা ডাবের শাশ সহ খেয়েছে, এরপর আবার দই ফুচকা!
    এ কেমন ফুচকা? এমন বাঁকা ফুচকা কি স্বপ্নে পাওয়া যায়?
    এন্টিক জিনিস যাদুঘরে রাখাই ভালো, টিকিট কেটে দেখা লাগে দুর্মুল্য জিনিস।
    কি যে লিখলেন গল্পে, আর কি যে বুঝলাম তা নিজেও বুঝলাম না।
    এন্টিক মস্তিস্ক লাগব এই পোস্ট বুঝতে।

    1. এমন ফুচকাও আছে। তমাল তরুর জন্যে কত কিছুযে যোগাড় করে আনে, তার হিসেব নেই 🙂

      যাদুঘরে এন্টিক সব রাখা গেলেও প্রেমিকা রাখা যাবে না মনে হয়। তমাল তার জানুসোনাকে দেখতে কি যাদুঘরে যাবে? এটা কি প্রেমিক-বিশ্ব মেনে নিবে!!

      আমি কিন্তু আপনার কমেন্ট বুঝিনি, ভালো করে লিখুনতো আসলে কি বলতে চেয়েছেন..

  2. তো? ডাব খেলে ফুচকা খাওয়া যাবেনা এমন কথা কোথায় কোন জ্ঞানী ব্যক্তি লিখে রেখেছেন?
    ধ্যাত! এতো প্রেম ভাল্লাগে না। তুমি আর তোমার ফুচকা এক একটা আজব ভাস্কর্য।

    এন্টিক প্রে মি কা…

    হাহাহা।

  3. দিদি, ইদানীং দই ফুচকার নাম শুনেছি! কিন্তু এই দই ফুচকা কেমন এবং কীভাবে খায় বা কী দিয়ে তৈরি হয় ইত্যাদি বিষয়ে আজও রয়ে গেছি অজানা! তো এই দই ফুচকা আমাদের নারায়ণগঞ্জ শহরে চাষাঢ়ায় পাওয়া যায়। একদিন সময় করে এটার স্বাদ আমাকে গ্রহণ করতে হবে। তারজন্য অবশ্যই আপনার আশীর্বাদ দরকার বলে মনে করি। ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় কবি দিদি।

  4. আপু আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। যেভাবে দই ফুচকার বর্ণনা দিলেন সত্যি ভালো লেগেছে। চমৎকার। এমন প্রেমিক সবাই চায়। আপনি পেয়েও বলছেন, ‘ধ্যাত! এতো প্রেম ভাল্লাগে না। তুমি আর তোমার ফুচকা এক একটা আজব ভাস্কর্য। আর খাবোই না..

    হু আর খাবোই না.., 🙂 🙂। মান অভিমান ভালোই হলো। শুভ কামনা আপনার জন্য

  5. দিদি আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। যেভাবে দই ফুচকার বর্ণনা দিলেন সত্যি ভালো লেগেছে। চমৎকার।
    ধ্যাত! এতো প্রেম ভাল্লাগে না। তুমি আর তোমার ফুচকা এক একটা আজব ভাস্কর্য। আর খাবোই না..

  6. মেসের চুলায় তমাল মনে হয় ফুচকা বানানোর টেরাই করছিলো। এমন এন্টিক সাইজ আজকাল শুধুমাত্র নতুন বৌএর আটা রুটিতে মিলে।
    কিছু বিশেষ গুণ আর কিছু অতিবিশেষ অ-গুণের সমন্বয়ে এন্টিক জুটি হওয়ার পথে চলুক খাওয়া দাওয়া-

  7. লেখা পড়ে, পরে বোঝার চেষ্টা করলাম! আসলে দই-ফুসকা জিনিসটা কী!
    এটা কী জবর-যন্ত্রণার ফুস্কুরি টাইপ কিছু একটা! যা শুধুই গিলে খায়, গিলিয়ে দেয়!
    তবে হিংসুটে গানখানা বেশ মানিয়েছে, চির হিংসামির সাথে!

  8. জানুসোনা, জান এসব শুনলে ফুচকাও বাঁকা হতে বাধ্য। এন্টিক প্রেমিকার জন্য কবে না আবার তমাল লোহা চিবিয়ে খেতে বলে!!

    প্রেমিকরা কিপ্টুসই ভালো কিন্তু। খুনসুটি না হলে জমে না কি বলেন?

    পড়ে মজা পেলাম আপু।

মন্তব্য করুন