গল্পের চতুর্থ পর্ব এখানে➘ লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-৪ গল্পের চতুর্থ পর্বের শেষাংশ➷ মুহূর্তেই কোঁয়া কোঁয়া এক সাপের রূপধারণ করে ফেললো। জাহাজের নিচতলা থেকে লোকমান হেকিম দেখছে, জাহাজের জানালা বেয়ে এক বিশাল সাপ কুলসুম দরিয়ায় নামছে। কোঁয়া কোঁয়া সাপের রূপধারণ করে কুলসুম দরিয়ায় যখন নামছে, তখনই লোকমান হেকিম তাঁর সাথে নেওয়া ঔষধের শিশিগুলো রেডি করে ফেললো। [বিস্তারিত লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-৫ শেষ পর্ব]
গল্পের তৃতীয় পর্ব এখানে ➘ লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-৩ গল্পের তৃতীয় পর্বের শেষাংশ:➷ কুলসুম দরিয়ার মাঝে পৌঁছতে আর অল্প ক’দিনের পথ বাকি। এরপরই শুরু হবে কোঁয়া কোঁয়া আর লোকমান হেকিমের কেরামতি। কোঁয়া কোঁয়ার সাথে সেদিন লোকমান হেকিমের কথা-বার্তা এ-ই পর্যন্তই শেষ। মানে পাকাপাকি কথা। কোঁয়া কোঁয়া আর লোকমান হেকিমের কথা-বার্তার সময় বাদশা যে জ্ঞানহারা হয়ে [বিস্তারিত লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-৪]
গল্পের দ্বিতীয় পর্ব এখানে➘ লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-২ দ্বিতীয় পর্বের শেষাংশ➷ নিরুপায় বাদশা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে থাকা খাটের এক কোণে বসে বসে ভাবতে লাগলেন, আজ হয়তো আমার নির্ঘাত মৃত্যু-ই হবে। বাদশা এমন দুশ্চিন্তা নিয়ে একসময় ঘুমিয়ে পড়লেও, সেই রাতে বাদশার তেমন ঘুম হয়নি! মৃত্যুও হয়নি। ভোর হতে-না-হতেই বাদশা আবার ছুটে গেলেন বন্ধু লোকমান হেকিমের [বিস্তারিত লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-৩]
গল্পের প্রথম পর্ব এখানে➘ লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-১ গল্পের প্রথম পর্বের শেষাংশ➷ বাদশা সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে বললো, এসব আমি বিশ্বাস করি না। আমাকে এর প্রমাণ দেখাতে হবে।’লোকমান হেকিম বললো, ‘অবশ্যই প্রমাণ দেখবে বন্ধু’। বাদশা বললেন, ‘আর হ্যাঁ, প্রমাণ দেখতে হলে তোমার কিছু কাজ করতে হবে। তা কি তুমি পারবে?’ বাদশা বললেন, ‘অবশ্যই পারবো। বলো আমাকে [বিস্তারিত লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-২]
প্রতিবারের মতো এবারও সারাদেশে পালিত হচ্ছে আমাদের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সোনেলা পরিবার-সহ দেশের সকল ধর্মাবলম্বীদের আমার পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি, দেবী দূর্গার আবির্ভাব ও বিজয়া দশমী নিয়ে সংক্ষিপ্ত কিছু আলোচনা। আশা করি সবাই সাথে থাকবেন। আমাদের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এই ধর্মীয় উৎসবটি প্রতিবছর মহালয়ার পার্বণ শ্রাদ্ধের মধ্যে দিয়ে শুরু [বিস্তারিত দেবী দুর্গার আবির্ভাব ও বিজয়া দশমী নিয়ে কিছু কথা]
আগে হাট বাজারে গেলে ক্যাম্বাচারদের দেখা যেতো। শুধু হাট বাজারে-ই-বা কেন, শহরের আনাচে-কানাচেও ক্যাম্বাচারদের দেখা যেত। ওঁরা যাঁরা বনাজি ঔষধ বিক্রি করতো, ওঁদের সামনে থাকতো সাজানো দেশীয় গাছগাছালি। কোন গাছের কোন গুণ, তা সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতো। অনেক ক্যাম্বাচারদের সাথে হারমনিয়াম তবলা থাকতো। গান বাজনার ফাঁকে ফাঁকে ঔষধের গুণাবলি তুলে ধরতো। ক্যাম্বাচারদের চারদিকে মানুষ গোল [বিস্তারিত লোকমান হেকিমের কেরামতির গল্প-১]
প্রতি বছরই মহালয়ার পার্বণ শ্রাদ্ধের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। এ-বছর ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শনিবার মহালয়ার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছিল শ্রীশ্রী দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। মহালয়া হয়ে থাকে অমাবস্যা তিথিতে। তখন থাকে ঘোর অন্ধকার। মহাতেজের আলোয় সেই অমাবস্যা দূর হয়ে প্রতিষ্ঠা পায় শুভশক্তি। সেই থেকেই শুরু হয় দেবীপক্ষের সূচনা এবং দুর্গাপূজার দিন গণনা। এ মহালয়া [বিস্তারিত শুরু হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব]
আমাকে অনেক সময় অনেক লোকে বলে, ‘বাবু মুসলমান হয়ে যান’। আপনাদের এটা একটা ধর্ম হলো? কী যে করেন আপনারা? বুঝি না! এসব কথা শুনে আমি মনে মনে বলি, ‘আমিও তো দাদা কিছুই বুঝি না। না বোঝার কারণেই শুধু ভাবি। ভাবতেই থাকি। আসলে কি আমি হিন্দু? নাকি মুসলমান? না-কি ইহুদি খ্রিস্টান? কিন্তু বাবা এবং মাকে দেখেছি [বিস্তারিত আমার পরিচয় আমি একজন মানুষ]
ওঁ শ্রীগুরু সহায়: পরম পূজনীয় মা, পত্রের প্রথমে আপনি আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম গ্রহণ করবেন। বাবাকে আমার প্রণাম জানাবেন। বড় দাদাকেও আমার প্রণাম জানাবেন। সাথে জানাবেন বাসার সকলকে শ্রেণিবিশেষ আমার প্রণাম ও স্নেহাশিস। আশা করি দয়াময়ের অশেষ কৃপায় বাসার সকলকে নিয়ে একপ্রকার ভালো আছেন। ভালো থাকার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে সবসময় প্রার্থনা করি। আপনাদের সকলের আশীর্বাদে [বিস্তারিত মায়ের কাছে ছেলের চিঠি]
আপনারা কে কী ভাবছেন জানি না। তবে আমি আমার মৃত্যু নিয়েই বেশি ভাবি। কারণ, কথায় আছে, ‘জন্মিলে মরিতে হয়’। আমারও একদিন মরতে হবে। আমার বর্তমান বয়স ৬০-এ ছুঁই ছুঁই করছে। যেখানে বর্তমান যুগে মানুষের গড় আয়ু ৪০বছর, সেখানে আমার বয়স ৫৬বছর চলছে। আর কোনরকমভাবে তিন বছর বেঁচে থাকতে পারলেই, আমি ষাটের দুয়ারে। তাহলে আর বাঁচবো [বিস্তারিত একদিন ফেসবুক গোরস্থানে হবে আমার সমাধি]
একসময় ছেঁড়া খাতা আর ভাঙা কলম দিয়ে পরীক্ষা দিয়ে টেনেটুনে পাস করে ফেললাম। অষ্টম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হলাম। রোল নং আগে যেখানে ছিল ৮, সেখানে হয়েছে ১০। রোল নম্বর দেখেই মনটা খারাপ হয়ে গেল। বাংলা, অঙ্ক, সমাজ বিজ্ঞানে যা-ই ছিলাম, ইংরেজিতে ছিলাম কাঁচা। ইংরেজিতে আর পাকতে পারিনি সংসারের অভাবের কারণে। এর ফলস্বরূপ রোল নম্বর ১০ হয়ে [বিস্তারিত বই কেনার টাকা দিয়ে সিনেমা দেখে শাস্তি ভোগ অতঃপর শিক্ষা নেওয়া]
সত্য আমার সৃষ্টিকর্তা সত্য তাঁর সৃষ্টি, সত্য আকাশ বাতাস সত্য বজ্রপাত বৃষ্টি। সত্য চন্দ্র সূর্য সত্য গ্রহ নক্ষত্র, সত্য নদী সাগর সত্য স্রষ্টা সর্বত্র। সত্য আমার মাতা-পিতা সত্য আমার জন্ম, সত্য আমার ধর্মগ্রন্থ সত্য আমার ধর্ম। সত্য গীতা রামায়ণ সত্য বাইবেল কুরআন, সত্য ত্রিপিটক বদ্ধুবচন সত্য গোরস্থান শ্মশান। সত্য উপসনা এবাদত সত্য ঈদ রোজা, সত্য [বিস্তারিত স্রষ্টা সত্য তাঁর সৃষ্টি সত্য]
সোনেলা ব্লগের জন্ম মাসে সকল সম্মানিত ব্লগার/লেখকবৃন্দকে জানাই শুভেচছা অভিনন্দন। সাথে ভক্তিপূর্ণ নমস্কার/আদাব। আশা করি এই স্বনামধন্য সোনেলা ব্লগের সকল সম্মানিত ব্লগার/লেখকবৃন্দ আমার ভক্তিপূর্ণ নমস্কার ও আদাব স্বাচ্ছন্দ্যে গ্রহণ করেছেন। সম্মানিত সোনেলার ব্লগার ও লেখকবৃন্দ, সোনেলা ব্লগের জন্ম মাস উপলক্ষে ইদানীং ব্লগ মডারেটর-সহ ব্লগের সবাই সোনেলায় সোনালি বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছে। পোস্ট দিচ্ছে। সোনেলায় পথচলা [বিস্তারিত সোনেলার বুকে আমি একজন অচেনা অতিথি]
আমরা অসহায় দরিদ্র আমরা থাকি সদা ক্ষুধার্ত, ক্ষুধার জ্বালায় ছটফটে মরি জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। খাবার নেই কোথাও নেই, খুঁজি জনে খুঁজি বনে, ওঁরা আমাদের দেয় না, খাবার ফেলে দেয় ডাস্টবিনে। ঘুরি ধারে ধারে আর পথে পথে, খাবার খুঁজে পাইনা, যাই ডাস্টবিনের ধারে, খাবার দেখে মন মানেনা। খোলা ডাস্টবিনের ময়লার গন্ধে বিড়াল কাঁদে, নিশ্বাস হয় বন্ধ, [বিস্তারিত গরিবের ডাস্টবিন]
গয়াতে কী কাশিতে কী মন্দিরে কী তীর্থে কী? আপন ঘরে দেবতা বসা একবার খুঁজে দেখছি কি? পুরি মথুরা আর বৃন্দাবনে যাবি মন তুই যতক্ষণে, এর চাইতেও কম সময়ে পূণ্য হবে তোর সাধনে। আপন পিতা আর গর্ভধারিণী তাঁদের কাছে চির ঋণী! স্বর্গের খোঁজে মিছে ঘুরি তাঁদের চরণতলে স্বর্গ জানি। ছবি ইন্টারনেট থেকে।