শেখ বোরহানউদ্দিন কোথা থেকে কিভাবে এই মধুমতীর তীরে এসে বসবাস করেছিলেন কেউই তা বলতে পারে না। আমাদের বাড়ির দালানগুলির বয়স দুইশত বৎসরেরও বেশি হবে। শেখ বোরহানউদ্দিনের পরে তিন চার পুরুষের কোন ইতিহাস পাওয়া যায় না।তবে শেখ বোরহানউদ্দিনের ছেলের ছেলে অথবা দু এক পুরুষ পরে দুই ভাইয়ের ইতিহাস পাওয়া যায়। এদের সম্বন্ধে অনেক গল্প আজও শুনা [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-০২) শেখ কুদরতউল্লাহ রাইনকে অপমান করার জন্য ’আধা পয়সা’ জরিমানা করল।]
“দেশটাকে আর ধ্বংস করবেন না। আসুন সংলাপ করে সমাধানের পথ বের করে আনি, নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনি। কারও প্রতি আমাদের রাগ-ক্ষোভ নেই। তবে যা করেছেন ভুল করেছেন, মনে মনে তা স্বীকার করুন। ভারতকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেব না, দেশের মাটি [বিস্তারিত শুভবুদ্ধির উদয় হোক!!!]
বন্ধুবান্ধবরা বলে, “তোমার জীবনী লেখ।” সহকর্মীরা বলে, “রাজনৈতিক জীবনের ঘটনাগুলি লিখে রাখ, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।” আমার সহধর্মিনী একদিন জেলগেটে বসে বলল, “বসেই তো আছ, লেখ তোমার জীবনের কাহিনী।” বললাম, “লিখতে যে পারি না; আর এমন কি করেছি যা লেখা যায়! আমার জীবনের ঘটনাগুলি জেনে জনসাধারনের কি কোন কাজে লাগবে? কিছুই তো করতে পারলাম না। শুধু [বিস্তারিত ”বন্ধুবান্ধবরা বলে, “তোমার জীবনী লেখ।” -শেখ মুজিবুর রহমান ( পর্ব-০১)]
‘আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল’ এর সাথে মূলতঃ সংশ্লিষ্ট এমন কিছু তরুন তরুনী ও তাদের সহযোগীরা গতবছর থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের আনন্দ দিতে অন্যান্য উন্নত দেশের শিশু ক্যান্সার রোগীদের জন্যে “Make a Wish” ধাঁচের “ইচ্ছাপূরন” নামের একটি প্লাটফর্ম গড়ে তুলেছে। ছোট্টছোট্ট বাচ্চা শিশুরা, যারা পৃথিবীটাকে ঠিকমতো দেখার আগেই মরনব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দুর্ভাগ্য কবলিত হয়ে পড়েছে! [বিস্তারিত ‘আহছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল’ ও “ইচ্ছাপূরন” নামের প্লাটফর্ম]
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন দলীয় ব্যক্তি নন, তিনি সার্বজনীন। বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি ছোট্টছোট্ট প্যারা আকারে ধারাবাহিকভাবে (আপাতত ধারাবাহিক দেয়ার কথাই চিন্তা করেছি) ব্লগে তুলে ধরার যে সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছি, আমি মনে করি অল্প করে প্যারা আকারে তুলে ধরলে অনেকেই তা পড়বে। বইটি পড়তে গিয়ে আমার উপলব্দি হয়েছে, এ বইটা যতো বেশি [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি সম্বন্ধে কিছু কথা।]
স্বাধীনতা লাভের ৪৪ বছর পরেও বাঙালী জাতির অস্তিত্ব নিয়ে, শহীদদের সংখ্যা নিয়ে আজ প্রশ্ন উঠে! কি বিচিত্র এই দেশ!! বিচিত্র এ দেশের মানুষ!!! আর এই প্রশ্ন উঠাচ্ছে এদেশে মুখোশ এঁটে লুকিয়ে থাকা কিছু খাস পাকিস্তানি মানসিকতা লালনকারী জনতা। উইপোকার মতো করে এরা মুখোশের আড়ালে থেকে বাংলাদেশে বাস করে বাংলাদেশ বিরোধী কাজ করে গেছে এতোদিন। বিভ্রান্তি [বিস্তারিত ‘Genocide Denial’ আইন চাই!]
”একজন মানুষ হিসাবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালী হিসাবে যা কিছু বাঙালীদের সাথে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা। যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে।” -শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী ★গত বইমেলা থেকে আমি বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি সংগ্রহ করি। বইটি যেদিন হাতে নেই, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’]
আহ! কি যে ভালো লাগছে!! বিজয় দিবস এগিয়ে আসছে আর সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ‘ফেসবুক’ এ সকলের প্রোফাইল পিকচার জাতীয় পতাকায় সাজছে। মনে হচ্ছে, এবারের বিজয় দিবস সকলের মাঝেই অন্যরকম এক আনন্দ নিয়ে আসছে। হ্যাঁ, তাইতো! এবারের বিজয় আনন্দ একটু অন্যরকমই তো। এ বছর দু-দুজন হাই গ্রেডের যুদ্ধাপরাধীকে আমরা একসাথে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছি। আবার এবারই স্বাধীনতার ৪৪ [বিস্তারিত আসুন বিজয় দিবসে ‘ফেসবুক’ এ জাতীয় পতাকায় নিজেকে সাজাই!]
১৪ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে অত্যন্ত শোকাবহ একটি দিন। দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। এই দিনটিতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী বাঙালি জাগরণের অগ্রদূত এদেশের সূর্য -সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিলো। আর এ কাজে তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিলো তাদের এদেশীয় [বিস্তারিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি রইলো অপরিসীম শ্রদ্ধা।]
বহু প্রতিক্ষার পর আগামীকাল স্বপ্নের ‘পদ্মাসেতু’র মূল সেতু নির্মাণকাজের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে….. আহ! আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ! যেখানে আমি নিজেই এর নির্মাতা। আমার নিজস্ব অর্থায়নেই আজ স্বপ্নের ‘পদ্মাসেতু’ নির্মিত হতে যাচ্ছে। পদ্মা সেতু এখন আর কেবল স্বপ্ন নয়। ইতিমধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রায় ২৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের কাজও চলছে পুরোদমে। আত্মমর্যাদাবোধ কি [বিস্তারিত স্বপ্নের ‘পদ্মাসেতু’ বাঙালীর দাসত্বমুক্তির এক অনন্য উদাহরণ!]
আমি যখন প্রথম কাজে যোগদান করি তখন বাংলাদেশ টেকনোলজিতে এতোটা অগ্রসরমান ছিলো না। এখন যেমন সবার ঘরেঘরে কম্পিউটার, হাতেহাতে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, তখন বরং কম্পিউটারটাই ছিলো এক রহস্যঘেরা জাদুর বাক্স! আমার কাজে যোগদানের মাত্র কিছুদিন আগে অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম স্যার এ প্রতিষ্ঠানে একটু সিনিয়র লেবেলে যোগদান করেছিলেন। আমার প্রথম কম্পিউটারে হাতেখড়ি মুলতঃ এই স্যারের [বিস্তারিত রহস্যঘেরা জাদুর বাক্স!]
বেশ কয়েকদিন পারমিতার দেখা নেই। একদিন তাঁর উপস্থিতি টের পেয়ে নক করে জানলাম সে অসুস্থ। দেশের বাইরে ট্রিটমেন্ট করতে গিয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে শুয়ে মরনব্যাধী ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে চলেছে। শুনে আমি তাঁকে সাত্বনা দেই, ”বলি ঘাবড়াবে না। প্রাণবন্ত থাকো। মনের শক্তির উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। মনের জোর আর ঈশ্বরের উপর ভরসা যে কি জিনিস [বিস্তারিত মরনব্যাধী ক্যান্সার ও পারমিতার বন্ধু!]
অবশেষে ‘অদম্য বাংলাদেশ’ এর চার সদস্যের মুক্তি মিললো! গত ১২ সেপ্টেম্বর বনশ্রীর ‘সি’ ব্লকের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে পাচারকারী সন্দেহে ১০ শিশুসহ আরিফুর, জাকিয়া, ফিরোজ ও হাসিবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর থেকেই সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে তাঁদের পক্ষে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। তাঁরা যে নির্দোষ সে ব্যাপারে আর কোনরকম সন্দেহ থাকে না। এমনকি [বিস্তারিত ‘অদম্য বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ ও কিছু কথা!]
এক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ছেলেটির নাম আহমেদ মোহাম্মদ। ১৪ বছর বয়সী ছেলেটি একটি ঘড়ি বানিয়েছে। তাই নিয়ে স্কুলে গেলে স্কুল অথোরিটি তার বানানো ঘড়িটিকে বোমা সন্দেহে পুলিশে দেয়। পুলিশ নিশ্চিত করে এটি বোমা নয়। এতে সবাই জেনে যায় আহমেদের ভাবনা খারাপ ছিলো না, সে তার উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে একটি ঘড়ি বানিয়েছিলো। আহমেদও বলে “উদ্ভাবন করতে [বিস্তারিত মজার স্কুল: শুভ উদ্যোগে চাই সহযোগিতা।]
একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না ‘নগর পুড়লে দেবালয় এড়ায় না।’ সমসাময়িক পরপর কয়েকটি বোধহীন অস্বাভাবিক ঘটনা- * শিশু ধর্ষণ (রাজধানীর ভাটারায় ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর বাসায় দিয়ে গেছে। গতকালের খবর । * ঢাকা মেডিকেলে স্যুটকেসে শিশুর লাশ। * দলবেঁধে গণধর্ষণ ( উত্তরায় এক সহকর্মীকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দলবেঁধে গণধর্ষণ, যা ১লা [বিস্তারিত অবক্ষয়!]