ভিক্ষুক!

বিত্তহীনতার দুর্বলতা
করেনি তাকে নিঃস্ব,
মনের বিশালতা দেখে
অবাক তাকিয়ে রয় বিশ্ব।

শেরপুরের নাজিমুদ্দিন;
ভিক্ষা করে সারাদিন,
এক কড়ি এক আনা
জমে জমে বারো আনা।
মাসের পর মাস শেষে
শুনতে পায় সে করোনা এসেছে দেশে।

করোনা থেকে বাঁচতে
ছোঁয়াছুঁয়ি রুখতে,
সবাই গিয়েছে লকডাউনে
বেরুতে পারছে না কেউ
খাদ্যের প্রয়োজনে।
দিন আনি দিন খাই
দিনমজুর মানুষের,
ঘরে ঘরে বেকার
বাড়ছে হাহাকার।

এসব দেখে দেখে
নাজিমুদ্দিন নাড়া খায়।
ফিরে সে ঘরে যায়।
হাতের পরে তুলে লয়
গড়ে তোলা সঞ্চয়,
দান করে মুঠোভরে
ত্রানের ভাণ্ডারে।

নাজিমুদ্দিন, কে ভিক্ষুক?
আপনি না ওরা?

বসেবসে ভাবছি,
শুরুতে যে দেখেছি।
করোনার আগমনকালে
লকডাউনের শুরুতে
দাঁড়িয়েছে দলেবলে
লাইন দিয়ে রাজদরবারে।
প্রণোদনার হাহাকারে
মাতম উঠেছিল
বাঁচারে বাঁচারে!

#রুবা
২৩/০৪/২০২০

মোট পড়েছেনঃ ৯০৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. করোনা থেকে বাঁচতে
    ছোঁয়াছুঁয়ি রুখতে,
    সবাই গিয়েছে লকডাউনে
    বেরুতে পারছে না কেউ
    খাদ্যের প্রয়োজনে।
    দিন আনি দিন খাই
    দিনমজুর মানুষের,
    ঘরে ঘরে বেকার
    বাড়ছে হাহাকার।

    অসাধারণ লিখলেন আপু, বেশ লিখেছেন।

    আপু করোনা সম্পর্কিত একটা পোস্ট দেননা, খুব ভালো হবে।

  2. দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের খুব বিপদ। ওদের অসহায়ত্ব আর বুঝি শেষ হবার নয়। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি সমসাময়িক বিষয় এর কবিতা উপহার দেবার জন্য। ভালো থাকবেন সবসময় শুভ কামনা রইলো

  3. সত্যিই বিস্ময়কর ঘটনা বটে।
    নত মস্তকে শ্রদ্ধা মিশ্রিত ভালোবাসা রইলো
    চমৎকার একটি কবিতার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে

মন্তব্য করুন