পাঠ পর্যালোচনা- কথা সাহিত্যিক সোনালী ইসলামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘অমৃত অর্জন’।

৭১ সিরিজের বেহুলা বাংলা প্রকাশনী হতে প্রকাশিত ‘অমৃত অর্জন’ উপন্যাসটি পড়তে বসে টের পেলাম মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে সাম্প্রদায়িক আক্রমণ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিলো, তারই করুন সুর বেজে উঠেছে উপন্যাসটিতে। বরাবরের মতো এখানেও ফুটে উঠেছে, সংখ্যালঘু মানেই নিরীহ গোছের। আর নিরীহ বলেই হয়তো তারা সাধাসিধা জীবনে অভ্যস্ত। আলোচ্য উপন্যাসটিতে দামু এক সহজ সরল গোবেচারা মানুষ। [বিস্তারিত পাঠ পর্যালোচনা- কথা সাহিত্যিক সোনালী ইসলামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘অমৃত অর্জন’।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২১) ” তিনি আমাকে পদের লোভও দেখালেন। আমি বললাম, আমার পদের দরকার নাই, তবে সবার সাথে আলোচনা করা দরকার। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান

কোনোমতে হাওড়া পৌঁছালাম, এখন উপায় কি? পরামর্শ করে ঠিক হল, মাখন টিকিট নিয়ে সকলের মালপত্র নিয়ে বের হয়ে যাবে। মালপত্র কোথাও রেখে তিনখানা প্লাটফর্ম টিকিট নিয়ে আবারও ঢুকবে। আমরা একসাথে বের হয়ে যাব। গাড়ি থামার সাথেসাথে মাখন নেমে গেল, আমরা দুইজন ময়লা জামাকাপড় পরে আছি। দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না যে আমরা দিল্লি থেকে আসতে [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২১) ” তিনি আমাকে পদের লোভও দেখালেন। আমি বললাম, আমার পদের দরকার নাই, তবে সবার সাথে আলোচনা করা দরকার। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২০) “তিনজনে পরামর্শ করে ঠিক করলাম, একখানা টিকিট করব এবং কোনো ‘সার্ভেন্ট’ ক্লাসে উঠে পড়ব। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান

শরীর আমার খারাপ হয়ে পড়ে। দিনেরবেলায় ভীষণ গরম, রাতে ঠাণ্ডা। সকালে আর বিছানা থেকে উঠতে পারি নাই। বুকে, পেটে আর সমস্ত শরীরে বেদনা। দুই তিন দিন পায়খানা হয় নাই। অসহ্য যন্ত্রণা আমার শরীরে। দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে শুয়েই রইলাম। মাখন আমার কাছেই বসে আছে। ডাক্তার ডাকতে হবে, কাউকেই চিনি জানি না। একজন সেচ্ছাসেবককে বলা হল, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-২০) “তিনজনে পরামর্শ করে ঠিক করলাম, একখানা টিকিট করব এবং কোনো ‘সার্ভেন্ট’ ক্লাসে উঠে পড়ব। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান]

শিক্ষকের মর্যাদা ও একজন শ্যামল কান্তি ভক্ত!!!

নারায়নগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কেন্দ্র করে কয়েকটা বিষয় লক্ষ্যনীয়: ১। ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে’ আঘাত দেওয়ার অভিযোগ! যা পরবর্তীতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ২। অভিযোগের জের ধরে পিটিয়ে জখম। এখন তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ৩। জন প্রতিনিধি কর্তৃক তাঁকে কান ধরে উঠবস করানো। এবং সুপরিকল্পিতভাবে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার। ৪। অবশেষে স্কুল [বিস্তারিত শিক্ষকের মর্যাদা ও একজন শ্যামল কান্তি ভক্ত!!!]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৯) ” হাশিম সাহেব বলতেন, মুসলিম লীগকে প্রতিক্রিয়াশীলদের হাত থেকে উদ্ধার করতে হবে। গ্রাম থেকে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। উপরের তলার প্রতিষ্ঠান করলে চলবে না। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান

এই সময় আবুল হাশিম সাহেব মুসলিম লীগ কর্মীদের মধ্যে একটা নতুন প্রেরণা সৃষ্টি করেন এবং নতুনভাবে যুক্তিতর্ক দিয়ে বোঝাতে চেষ্টা করতেন যে পাকিস্তান দাবি হিন্দুদের বিরুদ্ধে নয়, হিন্দু মুসলমানদের মিলানোর জন্য এবং দুই ভাই যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সুখে বাস করতে পারে তারই জন্য। তিনি আমাদের কিছু সংখ্যক কর্মীকে বেছে নিয়েছিলেন, তাদের নিয়ে রাতে আলোচনা সভা করতেন [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৯) ” হাশিম সাহেব বলতেন, মুসলিম লীগকে প্রতিক্রিয়াশীলদের হাত থেকে উদ্ধার করতে হবে। গ্রাম থেকে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। উপরের তলার প্রতিষ্ঠান করলে চলবে না। ” ——শেখ মুজিবুর রহমান]

মাতৃঋণ কোনভাবেই শোধযোগ্য নয়; তবুও চেষ্টা…

কবে থেকে মা’কে আঁকড়ে পথ চলা শুরু হয়েছে ঠিক খেয়াল নেই। মা’কে কেন্দ্র করেই সকল দুর্বলতা ঘিরে ধরেছিলো আমায়। একটা সময় উপলব্ধি করতে শুরু করলাম, মা-বাবারা সন্তান লালনপালনে কতো কষ্ট করেন অথচ আমরা কি সেরকম তাঁদের প্রতিদান দিতে পারি? মনের এই টানাপোড়ন থেকে কখন যেনো মায়ের ব্যাপারে স্পর্শকাতর হয়ে উঠি। সময়ের পথ বেয়ে একসময় মায়ের [বিস্তারিত মাতৃঋণ কোনভাবেই শোধযোগ্য নয়; তবুও চেষ্টা…]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৮) ” তাহলে তিক্ততা এত বাড়ত না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান

ওহাবি আন্দোলন কি করে শুরু করেছিল হাজার হাজার বাঙালি মুজাহিদররা? বাংলাদেশ থেকে সমস্ত ভারতবর্ষ পায়ে হেঁটে সীমান্ত প্রদেশে যেয়ে জেহাদে শরিক হয়েছিল। তিতুমীরের জেহাদ, হাজী শরীয়তুল্লাহর ফারায়জি আন্দোলন সম্বন্ধে আলোচনা করেই আমি পাকিস্তান আন্দোলনের ইতিহাস বলতাম। ভীষণভাবে হিন্দু বেনিয়া ও জমিদারদের আক্রমণ করতাম। এর কারণও যথেষ্ট ছিল। একসাথে পড়ালেখা করতাম, একসাথে বল খেলতাম, একসাথে বেড়াতাম, [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৮) ” তাহলে তিক্ততা এত বাড়ত না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৭) ” একদিন আমার মা’ও আমাকে বলছিলেন, “বাবা যাহাই কর, হক সাহেবের বিরুদ্ধে বলিও না।” শেরে বাংলা মিছামিছিই ’শেরে বাংলা’ হন নাই। ——শেখ মুজিবুর রহমান।

একদিনের কথা মনে আছে, আব্বা ও আমি রাত দুইটা পর্যন্ত রাজনীতির আলোচনা করি। আব্বা আমার আলোচনা শুনে খুশি হলেন। শুধু বললেন, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক সাহেবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ না করতে। একদিন আমার মা’ও আমাকে বলছিলেন, “বাবা যাহাই কর, হক সাহেবের বিরুদ্ধে বলিও না।” শেরে বাংলা মিছামিছিই ’শেরে বাংলা’ হন নাই। বাংলার [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৭) ” একদিন আমার মা’ও আমাকে বলছিলেন, “বাবা যাহাই কর, হক সাহেবের বিরুদ্ধে বলিও না।” শেরে বাংলা মিছামিছিই ’শেরে বাংলা’ হন নাই। ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৬) “আর একটা কথা মনে রেখ, ‘sincerity of purpose and honesty of purpose’ থাকলে জীবনে পরাজিত হবা না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।

‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ ধ্বনিতে গোপালগঞ্জ শহর মুখরিত হয়ে উঠল। নেতারা জনসমাগম দেখে খুবই আনন্দিত হলেন। সভা হবে, কিন্তু প্যান্ডেল গত রাতে ঝড়ে ভেঙে গিয়েছে। নৌকার বাদামগুলি ছিঁড়ে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে। সেই ভাঙা প্যান্ডেলে সভা হল। রাতেই সকলে বিদায় নিলেন। আমার অবস্থা খুবই শোচনীয় হয়ে গেল। এত টাকা আমি কোথায় পাব? বাদামগুলি ছিঁড়ে গেছে, এখন তো [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পর্ব-১৬) “আর একটা কথা মনে রেখ, ‘sincerity of purpose and honesty of purpose’ থাকলে জীবনে পরাজিত হবা না।” ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো…..

একটা চক্র প্রচারণা চালায় বর্ষবরণ হিন্দু সংস্কৃতি! আমার হাজার বছরের লালিত বাঙালী সংস্কৃতিকে কালিমালিপ্ত করার জন্যই তাদের এই প্রচারণা। যদি হিন্দু সংস্কৃতিই হতো, তাহলে হিন্দুপ্রধান (হিন্দু রাষ্ট্র নয়) ইন্ডিয়ার সকল প্রদেশেই তা চালু থাকতো। আমার তো জানা নেই এমনটা চালু আছে। বাঙালী অধ্যুষিত একমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই তা পালিত হয়। কারন পশ্চিমবঙ্গ আর তৎকালীন পূর্ববঙ্গ (বর্তমান বাংলাদেশ) [বিস্তারিত এসো হে বৈশাখ, এসো এসো…..]

কন্যারা, দ্বার রুদ্ধ করে বসে থাকা নয়, এবার প্রস্তুত হয়েই পথে নামো……

কন্যারা, দ্বার রুদ্ধ করে বসে থাকা নয়, এবার প্রস্তুত হয়েই পথে নামো…… নিজেকে লুকিয়ে রেখে কখনো হায়েনার হাত থেকে বাঁচা যায় না। বাঁচতে গেলে যথাসময়ে ছোবল দিতে হবে। পৃথিবীটা মানুষের জন্য। আর নারী-পুরুষ সমন্বয়েই সুন্দর পৃথিবী। মাত্র গুটিকয়েক পুরুষ নারীকে হেনস্থা করতে পথে নামে। তারা চায় নারীকে গৃহবন্দী করে সবকিছু নিজেদের কব্জায় রেখে নিজেদের পশুত্বকে [বিস্তারিত কন্যারা, দ্বার রুদ্ধ করে বসে থাকা নয়, এবার প্রস্তুত হয়েই পথে নামো……]

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১৫) আমি কোন কাজেই ’না’ বলতাম না। ——শেখ মুজিবুর রহমান।

আমি কলকাতায় রওয়ানা হয়ে গেলাম, নেতৃবৃন্দকে নিমন্ত্রণ করার জন্য। যখন সোহরাওয়ার্দী সাহেবকে দাওয়াত করতে গেলাম, দেখি খাজা শাহাবুদ্দিন সেখানে উপস্থিত আছেন। শহীদ সাহেব বললেন, “আমি খুবই ব্যস্ত, তুমি বুঝতেই পারো, নিশ্চয়ই চেষ্টা করব যেতে। শাহাবুদ্দিন সাহেবকে নিমন্ত্রণ কর উনিও যাবেন।” অনিচ্ছা সত্ত্বেও শাহাবুদ্দিন সাহেবকে বলতে হল, তিনিও রাজি হলেন। মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ এবং হবীবুল্লাহ [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১৫) আমি কোন কাজেই ’না’ বলতাম না। ——শেখ মুজিবুর রহমান।]

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১৪) তখন বাংলার এত সম্পদ ছিল যে, একজন মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী গোটা বিলাত শহর কিনতে পারত। ——শেখ মুজিবুর রহমান

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন বাংলাদেশ দখল করে মীর জাফরের বিশ্বাস ঘাতকতায়, তখন বাংলার এত সম্পদ ছিল যে, একজন মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী গোটা বিলাত শহর কিনতে পারত। সেই বাংলাদেশের এই দুরাবস্থা চোখে দেখেছি যে, মা মরে পড়ে আছে, ছোট বাচ্চা সেই মরা মার দুধ চাটছে। কুকুর ও মানুষ একসাথে ডাস্টবিন থেকে কিছু খাবার কাড়াকাড়ি করছে। ছেলেমেয়েদের রাস্তায় [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১৪) তখন বাংলার এত সম্পদ ছিল যে, একজন মুর্শিদাবাদের ব্যবসায়ী গোটা বিলাত শহর কিনতে পারত। ——শেখ মুজিবুর রহমান]

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১৩) যুদ্ধ করে ইংরেজ, আর না খেয়ে মরে বাঙালি; যে বাঙালির কোন কিছুরই অভাব ছিল না। ——শেখ মুজিবুর রহমান

১৯৪৩ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ আরম্ভ হয়েছে। লক্ষ লক্ষ লোক মারা যাচ্ছে। এই সময় আমি প্রাদেশিক মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সদস্য হই। জনাব আবুল হাশিম সাহেব মুসলিম লীগের সম্পাদক হন। তিনি সোহরাওয়ার্দী সাহেবের মনোনীত ছিলেন। আর খাজা নাজিমুদ্দীন সাহেবের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন খুলনার আবুল কাশেম সাহেব। হাশিম সাহেব তাঁকে পরাজিত করে সাধারণ সম্পাদক হন। এর পূর্বে সোহরাওয়ার্দী [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১৩) যুদ্ধ করে ইংরেজ, আর না খেয়ে মরে বাঙালি; যে বাঙালির কোন কিছুরই অভাব ছিল না। ——শেখ মুজিবুর রহমান]

বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১২) আমি ছাত্রনেতাদের নিয়ে আলোচনা করে যাদের ঠিক করে দিতাম তারাই নমিনেশন দাখিল করত, আর কেউ করত না। ————শেখ মুজিবুর রহমান।

একটা ঘটনার দিন-তারিখ আমার মনে নাই, ১৯৪১ সালের মধ্যেই হবে, ফরিদপুর ছাত্রলীগের জেলা কনফারেন্স, শিক্ষাবিদদের আমন্ত্রণ জানান হয়েছে। তাঁরা হলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, ইব্রাহীম খাঁ সাহেব। সে সভা আমাদের করতে দিল না, ১৪৪ ধারা জারি করল। কনফারেন্স করলাম হুমায়ুন কবির সাহেবের বাড়িতে। কাজী নজরুল সাহেব গান শুনালেন। আমরা বললাম, এই কনফারেন্সে রাজনীতি [বিস্তারিত বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (পর্ব-১২) আমি ছাত্রনেতাদের নিয়ে আলোচনা করে যাদের ঠিক করে দিতাম তারাই নমিনেশন দাখিল করত, আর কেউ করত না। ————শেখ মুজিবুর রহমান।]