মনির হোসেন মমি

পৃথিবী বিয়োগে আগ পর্যন্তও আমি বলব আমি কেবলি "মানুষ"
জীবন বাজি রেখে ভালবাসতে জানি "মা মাটি মানুষ'কে।

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১২ বছর ৯ মাস ২০ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৫১২টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৯১২৫টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৮৪৬১টি
প্রিয় পোস্টঃ ২৩টি
১৯০১ সাল থেকে শুরু হয়ে প্রতি বছর পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্টানকে যথাক্রমে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে অবদানের জন্য নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়ে থাকে। চিকিৎসা বিজ্ঞান,পদার্থবিজ্ঞান, ও রসায়নের গবেষণায় সাফল্যের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পুরষ্কার।এমন মর্যাদাকর পুরষ্কার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যাঁর সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ ও সম্পদে তিনি হচ্ছেন আলফ্রেড নোবেল। ১৮৯৫ [ বিস্তারিত ]
যখন থেকে জীবন শুরু তখন থেকেই এর ব্যাবহার শুরু বলা চলে মানব জীবনের সাথে প্রত্যাক্ষ ভাবে তা জড়িয়ে আছে।আমাদের দেশে একটা সময় ছিল যখন হুজুর কবিরাজের ঝাড় ফুকের বিশ্বাসের উপর অনেক রোগ নির্মুল হতো তা এখন ডিজিটাল যুগে অকেজু হয়ে এ্যালোপ্যাথি-হোমিওপ্যাথিতে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।এর পাশাপাশি আয়ুবের্দি ঔষধের গুরুত্ব বাড়তে থাকে যা আজও জনপ্রিয়। গণতণ্ত্রের মূল [ বিস্তারিত ]
চোখ ছল ছল চোখের জলে হৃদয় বলে না কথা স্তব্ধ  নীরবতা সখার কারনে সমাজে আজ ভরা নেতা। জন্মেছি কন্যা বলে জন্ম দাতার চক্ষু লাল সুন্দরী হয়েছি বলে পিছু নেয় যত শয়তান। শিশু কিশোর কালে ছিলেম ভালো অবাক বিষ্ময়ে, পাড়ায় পাড়ায় ঘুড়ে দেখিছি এ পৃথিবী প্রারম্ভিক যৌবনে চঞ্চলা হঠাৎ, যায় যে থেমে। যাসনে আর তুই ঐ [ বিস্তারিত ]

ভিন্ন জগৎ

মনির হোসেন মমি ২ অক্টোবর ২০১৬, রবিবার, ০৪:১৩:৫৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, গল্প, বিবিধ ২০ মন্তব্য
লাইইলাহা ইল্লাললাহু মুহাম্মাদুর (রাঃ)।দরূদ শরিফটি বেশ কয়েক জন সমচ্চোরে বলছেন আর লাশের খাট কাধে নিয়ে হাটছেন মুসলমানদের শেষ ঠিকানা কবর স্থানের দিকে।কবর স্থানে লাশটি নামিয়ে তার আরেক বার জানাযা পড়ালেন।আরেক বার তার বড় ভাই মৃত ব্যাক্তির পক্ষে সাফাই গেয়ে তাকে ঋণ মুক্ত করার ঘোষনা দিলেন।কবর স্থানটি মৃত ব্যাক্তির বাড়ীর অতি নিকটে তার পাশ দিয়ে প্রবাহিত [ বিস্তারিত ]

অত্যাবর্শী মৃত্যু

মনির হোসেন মমি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ০৫:০৮:৪০অপরাহ্ন কবিতা, বিবিধ ৪ মন্তব্য
চার দিকে মৃত্যুর নিশানা জীবন যে একটাই যা ফিরে আর আসেনা তা কি কেহ ভাবে না। বজ্রপাতে মৃত্যু মৃত্যু বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে উন্নত রাষ্ট্রের সমরাস্ত্রের বানিজ্যে মৃত্যু দেশে দেশে। কেহ মরে প্রেমিকার তরে কেহ আবার অন্নাভাবে কেহ মারে সম্পত্তির লোভে কেহ মরে স্ব-ইচ্ছায় অকালে। চার দিকে মৃত্যুর নিশানা যুদ্ধ বিধ্বংস অভিবাসি ভাসছে সমুদ্রে মৃত্যুর দিকে ধাপিত মানব [ বিস্তারিত ]
সোনেলায় নেই কেহ আপণ পর ব্লগ বাড়ীর সবাই তার আপণ দুঃখে সুখে এক কাতারে যেন একটি পরিবার। আছেন কত গুণীজন আছেন নারী পুরুষ জন মমতায় বাধা যেন সময়ের সূরের তান। আছেন আরো ভাই বন্ধু আছেন প্রিয় জন অসুখে ফ্রি চিকিৎসায় আছেন , ডাক্তার শুণ্যের -কৃন্তনিকার পরোপকারী মন। বদ মেজাজী স্বামীর ঘরকে রাখতে ঠিক লীলাবতীই যথেষ্ট মারবে [ বিস্তারিত ]
একটি হিন্দু রীতিতে বিয়ের যত মশলা ছিলো সবই ঠিক ঠাক মতো করছেন সমরের অন্যান্য বন্ধু বান্ধবরা।তাছাড়া তাদের গ্রাম থেকেও এসেছেন বেশ কিছু মেহমান।যে যার কাজে ব্যাস্ত বিয়ে বলে কথা,আনন্দ উল্লাস আর হৈ চৈ এর মাঝে প্রস্তুতির অগ্রগতি। বাঙালি ব্রাহ্মণ সমাজে পাচটি শাখা রয়েছে তার মধ্যে -{@ রাঢ়ী, বারেন্দ্র,বৈদিক, সপ্ত শতী ও মধ্য শ্রেণী।বাঙালি কায়স্থ সমাজে [ বিস্তারিত ]
আমি ফুলী অবলা বলে বলতে পারি না মুখে স্বামীর নামটি, আপনি' ছাড়া যায় না বলা  প্রিয়কে তুমি" কুসংস্কারে ঢাকা আমার শহর কি গ্রাম্য ভুমি। ফুলের মতো দেখতে সুন্দর বলে হয়তো আমার নাম রেখেছিল কেউ ফুলী, বাস্তবতায় এ যেনো এক নির্যাতীত নারীর প্রতীক। ভাগ্যের কাছে পরাজিত আমি হতে পারিনি সংসারি, দিন মাস বছর পেড়িয়ে এখন আমি ত্রিশ পেড়িয়ে [ বিস্তারিত ]

“ঈদ শুভেচ্ছা

মনির হোসেন মমি ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬, শুক্রবার, ০৯:০৪:১৯অপরাহ্ন বিবিধ ১৫ মন্তব্য
ব্যাস্ত সবাই গরু নিয়ে কে আগে কে পরে কিনবে আগে কিনলে কি লাভ পরে কিনলে যত লাভ আবার হতেও পারে হিতে বিপরীত, নাই নাই হা হুতাসে, বেশ দাম দিতে হবে কোরানীর অনিশ্চয়তাতে, ছেলে মেয়ে বয় বৃদ্ধ ছুটছে সবাই গরুর হাটে, দেখতে গেলেও হয় না কেনা হাটের ডিষ্ট্রিক ঘুড়তে কেউ কম যায় না। ইচ্ছে আমার ইচ্ছে [ বিস্তারিত ]
ভাবিনি কভূ এভাবে আবারো হবে দেখা বলতে পারো কত দিন পর হলো দেখা!  -{@ তুমি জানতে, আমার মনের কোণে যখনিই ঘণ কালো মেঘের ঘণ ঘটা তখনি  -{@ তুমি বকুল ফুলের মালার নেশা গ্রস্থ মনে কামনার উন্মাদ ছড়ানোর ঘ্রাণে সব ঝড় ঝাপটার অবসান ঘটাও। মনে পড়ে কি আজো কি হিংস্রোতায় চেয়েছি শুধুই তোমাকে এ যুগে এটাকে, [ বিস্তারিত ]

ছেলে বেলার দূরন্তপণা

মনির হোসেন মমি ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬, সোমবার, ০৯:১৩:৪৮অপরাহ্ন গল্প ১৯ মন্তব্য
শহুরে দালান কোটার এক পাশে নিন্মাঞ্চলে বাশের চটি আর খেজুর গাছের পাতায় মুড়ানো বাবুই পাখিদের মতো তৈরী করা এক একটি ঘর তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দূূষিত জলের খাল।দূর থেকে বুঝা যায় ঘর গুলো যেন ছোট ছোট ছাউনি নাওঁ।অভিজাত ঢাকা শহরে একটি নামকরা বস্তি।এই বস্তিতে বাস করতেন সহায় সম্ভল কর্মহীন গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলো।তাদের অনের [ বিস্তারিত ]
টেপ রেকর্ডারে প্র্রেমিক কবি  কাজী নজরুল ইসলামের কবিতাটি বেজে উঠতেই পিছু ফিরে তাকায় নন্দিনী।সূর্য্যকে দেখে নিজেকে বুঝতে না দেয়ার সূত্রে প্রস্তুত করে নিলেন।সূর্য্যও যেন ভেবে পাচ্ছেন না এই একটি মুহুর্তে কি বলবেন!তবুওতো বলতে হবে। -কি অবস্থা,এতো নীরব কেনো? -কৈ...এইতো,বাহির থেকে এসেছি শরিরটা টায়ার্ড লাগছিল।বসো...। -না ঐদিকে সমর বসে আছে....ভাবলাম তুমি হঠাৎ এ ভাবে চলে আসলে [ বিস্তারিত ]
রাজাকার জাতীয় পার্টির নেত সাখওয়াতকে মৃত্যুদন্ড সহ  সাত জনকে আমৃত্যু কারাদন্ড দিলো যুদ্ধাপরাধ ট্রাবুনাল।পত্রিকায় পুরনো খবর পড়লেন সমর। -বেশ এ ভাবে হয়তো আমরা আমাদের কলংকের  কালিমার দাগ কিছুটা হলেও লাগব হবে। সমরের এমন বক্তব্যের জের ধরেন অভি। -তাতো ঠিক আছে কিন্তু.....। -থাক ওসব কথা। -থাকবে কেনো? -এক জায়গায় যাচ্ছি...সেখানে গিয়ে ভাল করে বক্তিতা দিস,....তুইতো আবার ষ্টেজে উঠার [ বিস্তারিত ]
শায়লা অসুস্থ রোগীর মতো শ্যাত শ্যাতে বন্দীশলার ফ্লোরে শুয়ে তিন হাটু এক করে ঘুমাবার বৃথা চেষ্টায় যেন এই বুঝি তার প্রানটা যায় যায়।বন্দীশলার এক কর্মচারী শায়লাকে কাধে করে পাকিদের স্থান হতে তুলে এনে বন্দীশলায় রেখে চলে যায়।বন্দীশলায় আরো যারা তার পূর্বেই অত্যাচারিত হয়ে বন্দী হয়েছিলেন তারা অবাক দৃষ্টিতে শায়লাকে দেখছেন …একি এতো অল্প বয়সের মেয়েটিকেও [ বিস্তারিত ]
দূরন্ত:রিক্সার চাকার টায়ার সাথে একটি গাছের শুকনো ঢাল দিয়ে ছোট বেলায় মানে আজ থেকে প্রায় ত্রিশ পয়ত্রিশ বছর পূর্বে দিন রাত মত্ত ছিলাম এমন একটি খেলা নিয়ে।দল বেধে গ্রামের সরু মেঠো পথ দিয়ে দূর দূরান্তে ছুটে যেতাম।এর প্রচল আজো কিছুটা দেখা যায়,গ্রামাঞ্চলে কিংবা শহরে নিন্মবৃত্ত এবং বস্তির কিশোরদের মাঝে।   লাটিম খেলা।বাংলার এমন কোন দামাল ছেলে নেই [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য