অন্তরে পুঞ্জিভুত বিষ মুখে বললে ভালবাসি ভালবাসার পবিত্রতাকে করলে,অহংকারে কেটে কুচি কুচি” জীবনের ধাপ চারটি প্রথমতঃ শিশু,কিশোর এবং যৌবন আর কারো কাছে বিরক্তি কেউ বা অনেক কষ্টে জীবন কাটান সেই বৃদ্ধ কালটা নাই বা বললাম।শিশুকালটি কারো স্মৃতিতে জেগে থাকে কারো বা মুছে যায় আর কিশোরের উদ্দীপনা সবারই মনে থাকার কথা যদি স্মৃতি শক্তি দুর্বল না [বিস্তারিত চিঠি…”মমি”]
কর্মে আড্ডায় অভিজাত এলাকা গুলসান ছিলো রমরমা যেন কোন এক উন্নত রাষ্ট্রের জাকজমক এলাকা,তা এই মুহুর্তে এক ভূতুরে পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।চার দিক এক কেবল উদ্যেগ আর উৎকন্টায় মানুষের ফিস ফিস শব্দ,কি হচ্ছে কি ঘটতে যাচ্ছে জঙ্গিদের দ্বারা জিম্ভি জনতা বেকারি অর্টিজন হোটেলটিতে। সমরের সমস্থ শরির ঘামে ভিজে একাকার সে বার বার মোবাইলের বাটন টিপে [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ পর্ব ৩১তম]
জীবনকে জীবনের মতো বাধাহীন দ্বিধাহীন অনবরত দিয়েছি ছেড়ে ভাগ্যের দুয়ারে যে ভাবে চলছে চলুক, চলুক না এইতো আমি,আছি বেশ। জীবনের ভোরে দেখেছি স্বপ্ন হাত পেতে চেয়ে নিয়েছি অল্প অল্প জীবনের মর্ধ্যাহ্নে অভাবি তৃঞ্চায় ভূভুক্ষ আমি,কর্মহীন জীবনে চাইতে পরিনি সামান্য জল। জীবনের… এই পরন্ত বেলায় চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই যে আর আছে কিছু নিয়ম শুধুই দেবার [বিস্তারিত “অখন্ডিত নিয়তি”]
স্বাভাবিক কারনে নন্দিনীর প্রতি সূর্য্যের একটু দরদ ক্রমশতঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে।যদিও প্রথম দিকে নন্দিনী তার কাছে তেমন কোন পাত্তা পেতনা ডাক্তারদের কাছ থেকে অপ্রিয় শব্দটি শুনার পর তার মনে পরিবর্তন আসে।অতীতকে মনে গেথে রেখে কি লাভ এ শুধু ভবিষৎকে পিছনে টানবে।জীবনতো একটাই,এই এক জীবনে রং রস করার সময়ই বা কই।জীবনের অর্ধেক সময়তো চলে যায় ঘুমের ঘরে [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণশোধ ৩০তম পর্ব]
আজ ১৯শে জুন বাবা দিবস।যাদের বাবা বেচে আছেন তাদের স্বর্গ যেন তাদের ঘরেই বিদ্যমান।প্রত্যাক সন্তানকে মনে রাখতে হবে পিতা তার জন্ম দাতা।পিতার দয়ায় সে পৃথিবীতে আসতে পেরেছেন।সুতরাং পুত্রের যতই ধন সম্পদ আর জৌলুস থাকুক না কেনো পিতাকে নিজের স্বর্গীয় সম্পদ মনে করার কাছে তা যত সামান্যই বটে। দাত থাকতে যেমন দাতের মর্যাদা বুঝা বুদ্ধি মানের [বিস্তারিত চিঠি…বাবার চোখে জল]
নীল খামে এসেছে চিঠি মন বিষ্মিত!এ আমার খুবই চেনা, তবে, এত কাল কোথায় ছিলে তুমি? আর,এলেই যখন নীল খামে কেনো?। চিঠিটির ভাজ খোলতেই মনে পড়ে সে দিনের কথা সে দিন অজ্ঞ আমি, এই ভাজ খোলতে দেরী হওয়াতে ধরা পড়ে কায়া কর্তার শাসনে। নীল খামের সেই ভাজ দক্ষ কারিগরের গোলাকার হাতে লেখা এক একটি অক্ষর, ভাজ [বিস্তারিত চিঠি…নীল খাম]
সোনা মণির স্কুল ছুটি হবে তাই অফিস থেকে তাড়া হুড়া করে বের হলেন পলাশ সাহেব।একটি রিক্সা করে চলছেন স্কুলটির দিকে,কিছু দূর যাওয়ার পর জ্যামে পড়ল রিক্সাটি।চিন্তিত পলাশ সাহেব সেখানেই রিক্সা ছেড়ে দিয়ে পায়ে হেটে চললেন,দীর্ঘ পথের জ্যাম পেরিয়ে আবারো আরেক রিক্সায় উঠলেন।কিছু দূর যাবার পর এই রিক্সাটির চাকা পান্চার হলো।বেচারা পলাশ সাহেব নিজের ভাগ্যকে দোষলেন [বিস্তারিত বুদ্ধিমতি মা মণি]
খুব ছোট বেলায় যখন আমি তেমন কিছুই বুঝতাম না পেয়ার বা মহব্বত কি,ঠিক তখন এক রাতে আমার সারা শরীরের পশমে পরশ বুলিয়ে যায় তার উষ্মতর স্পর্শ যা এক অজানা ভাল লাগার অনুভূতি ছড়ান আমার দেহ মনে।তখন মনে হতো জগৎতের সকল সূখ মনে হয় তাহার স্পর্শের মাঝে আবদ্ধ।যখনি লাঞ্চ কিংবা রাতের খাবারের জন্য টেবিলে বসতাম তখনি [বিস্তারিত প্রেম বহুবার এসেছিল নীরবে….]
ঘুমন্ত বাংলাদেশ,সময়ের চক্রাকারে ঘুমন্ত পৃথিবীর জীব জন্তু।গত হয়ে যাওয়া অন্যান্য রাতের ন্যায় আজ জোৎস্না ভরা চন্দ্রের আলো নেই,ঝিঝি পোকারাও লোকায়িত কোন নিরাপদ স্থানে,নেই শহরের আনাচে কানাচে লোকারন্যের কোলাহলের শব্দ দূষন,রাজ পথগুলোতে কেবল সুডিয়াম লাইটগুলো জনহীন ঠায় দাড়িয়ে।যদিও মাঝে মাঝে কিছু রিক্সাচালককে দেখা যাচ্ছে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যের দিকে এগুচ্ছে। তেমনি এক ভয়ার্ত পরিবেশে মা তার [বিস্তারিত “জয় বাংলা”]
যুদ্ধ শিশু অনাথ মেয়েটিকে যখন ভিনদেশী ধনাঢ্য ঘরে লালিত পালিত হচ্ছিল খুব যত্নসহ তখন গর্ভধারিনী তার মা আমাদের সমাজ,অবহেলিত এক সামাজিক ব্যধিতে রূপান্তরিত করছেন স্বদেশীয় কিছু অতি মুক্তি যোদ্ধা ভদ্রবেশী রাজাকারা।ওর মায়ের গল্প এখানেই এ সাধের স্বদেশেই লাঞ্ছিত করে সমাজ।- একদিন ….এক দিন স্ব-দেশ প্রেমকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জিন্দা লাশ হল গুম। ৴নন্দীনিকে আমি না…..ওর স্ব-দেশ [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণশোধ ২৯পর্ব]
ইস্ কি যে তোমার ভুলো মন অফিস নিয়েই থাকো সারাক্ষন নেই অবসর বেড়াতে যাবার বিয়ে বার্ষিকীর হলো যে মরন। বললেই যখন এখন কেনো তখন কেনো বললে না, ভুলো মনের বিয়ে বার্ষিকী পালন আর বুঝি হলো না। না বলেই গত রাতে ভাঙ্গলে খাট বললে পড়ত হয়তো আমার মাথায় হাত, দিন যদি যায় যাক না চলে ভালবাসা [বিস্তারিত ইস্]
সময় কারো জন্য থেমে থাকে না।আজ পর্যন্ত কোন মানুষ মৃত্যুর সময়ের রেখা অতিক্রম করতে পারেনি।সময় আসলে মরতে হবে সবাই জানেন,কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষ সময় এলে যখন কার্য সম্পন্ন হয় তখন বুদ্ধিমান লোক ব্যতীত অন্যরা হৈ চৈ শুরু করে দেয়।আগুনে হাত রাখলে হাত যেমন পুড়ে যায় তেমনি পানিতে হাত রাখলে হাত ভিজবে।অর্থাৎ কার্য সম্পন্ন হলে তার ফল [বিস্তারিত “খুন করেও জান্নাতী”]
‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ “আইল নতুন বছর লইয়া নব সাজ, কুঞ্জে ডাকে কোকিল-কেকা বনে গন্ধরাজ” সবাইকে নব বর্ষের শুভেচ্ছা সহ ভাল থাকার কামনা। বলা চলে বাংলা ভাষা ভাষীদের প্রানের উৎসব পহেলা বৈশাখ।যেখানে মিশে আছে বাঙ্গালীদের ঐতিহ্য আচার-ব্যাবহার হাসি কান্না সুখ দুঃখ।একটা সময় এই উৎসবটাই ছিল বাঙ্গালী জাতির জন্য মুল উৎসব এই উৎসবকে ঘিড়ে সারা বছরের কর্ম প্লানের [বিস্তারিত শুভ বাংলা নব বর্ষ ১৪২৩]
বাড়ীর পাশের একটি চা স্টলে চা পান করে রাত জাগা চোখের রোগ সারিয়ে নিলেন সূর্য্য তারপর হাটতে লাগলেন সোজা সমরদের বাসার দিকে।সমরদের বাসাটা তার বাসা হতে দশ পনের মিনিট পথের হাটার দূরত্ব।হাটছেন আনমনে নিজেকে পৃথিবীর সেরা সুখী মানুষ ভেবে।গত রাতে তার মা তাকে সংসারি হতে ওয়াদা করিয়েছেন যদিও তার মত ছিল না তবুও মায়ের কথা [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ২৮তম পর্ব]
এখন তা কল্পনাতীত…অথচ এক দিন এই চিঠি লেখাই ছিল অনেকের কাছে দৈনিক রুটিন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর হতেই মুলত স্বাধীনতা যুদ্ধের ঢামাঢোল বাজতে থাকে,সময়ের অতিক্রমে তার রূপ ভয়ংকর হতে থাকে…চার দিকে কেবল ফিসফাস পাকিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতে ঢাকা শহরে বসবাসরত একটি পরিবারের এক মাত্র কন্যা নাজমার অপেক্ষা তার সহপাঠি [বিস্তারিত চিঠি…”কালো রাত্রী”]