স্রষ্টার কাছে জীবনের রঙ্গ রসের জন্য কিছুই চাইনি চেয়েছি ধরণীতে সাদামাটা নির্ভেজাল একটি সূখী জীবন।ঘটা করে পাতা ঘর সংসারের দীর্ঘ প্রায় বারটি বছর পর প্রথম বাবা ডাক শুনে নিজেকে আটখুড়া অপয়ার সমাজের কুসংস্কার বদনাম হতে বাচলাম।চলছিল জীবন জীবনের নিয়মে বাধাহীন সুখ আর সুখ কখনো ভাবিনি দুঃখ বলে কিছু একটা আছে। সংসারে একটি সন্তান মানে না [বিস্তারিত চরম মুহুর্ত৴৴৴০২]
নিয়তিকে কেউ এরিয়ে যেতে পারেননি আমিও তাই প্রচন্ড জড়ো হাওয়ার মাঝে ছাতা হাতে নারায়ণগঞ্জ মহা সড়কে মেঘকে লাগব করার ব্যার্থ চেষ্টায়৹৹৹৹৹৹ উকি দেয় অফিসের মাক্রোটি হঠাৎ ছাতা হাতটি কখন যে ছেড়ে গেলো টের পাইনি সম্মুচ্চোরে চিৎকার দিয়ে ডাক দিলাম ড্রাইভারকে বাবু৹৹৹৹৹৹৹৹৹৹ ব্রেকটা কষেই ধরছিল সে গাড়িটি স্থির দাড়িয়ে গেল। হিতহিত জ্ঞান নিয়ে নব জাত শশুটিকে [বিস্তারিত চরম মূহুর্ত৴৴৴]
প্রতি বছরের ন্যায় আবারও আসছে মুসলমানদের সব চেয়ে বড় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর।দীর্ঘ একটি মাস আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সংযম সাধনের পর আসে ঈদ উৎসব।এই ঈদ উৎসবে যোগ দিতে নাড়ীর টানে বাড়ী ফিরেন শহর নগরে কর্মরত দূর দূরান্তের অধিবাসীরা।ঈদের ছুটিতে বাড়ী ফিরতে হবে মা বাবা ভাই বোন পরিবার পরিজনের সাথে আনন্দ ভাগ বাটোয়ারা করতে,অনেকে জীবনের ঝুকি নিয়ে [বিস্তারিত আনন্দ যেন না হয় বেদনার চাকায় পিষ্ট!!!]
বন্ধু তুই কেমন আছিস পরপারে, আমায় তুই দেখা দিস সেখানে হাসবো খেলবো দুজনে বন্ধুত্তের হাত বাড়াবো খোলা মনে, বন্ধু তুই কেমন পরপারে, আমায় তুই দেখা দিস পরপারে। বন্ধু তুই কেমন আছিস পরপারে, ছোট বেলার কত সৃতি মনে পড়ে এমনি ঝড়ো বর্ষার দিনে, তোর কি মনে পড়ে! সেই আম তলায় ঝড়ে লুটোপুটি খাওয়া এক নজর প্রিয়া [বিস্তারিত বন্ধু,তুই কেমন আছিস!]
রাজাকার আল বদর রশিদ মোল্লার ভয়ে তটস্থ গ্রামবাসী”খবরের কাগজে নিউজটি পড়ছিলেন সাহসী সাংবাবাদিক রায়হান আহম্মেদ।কনকনে শীতে গ্রাম্য চায়ের দোকানে পত্রিকা পড়া উৎসুক বৃদ্ধের অনুরোধে সাংবাদিক রায়হান এতক্ষন রাজাকার রশিদ মোল্লার কুকৃর্তির ইতিহাস পড়ে জানালেন তা ছিল রায়হান সাহেবের রিপোর্ট।ঘটনার শেষ মুহুর্তে থেমে যাওয়ায় উৎসুক বৃদ্ধ অবাক হলেন। -কি হলো সংবাদিক সাব থামলেন কেনো শেষ করুন।ফুলীর [বিস্তারিত যৌতুকের বলি ১২তম]
সময়ের স্রোতে ছুটে চলা তরী যুদ্ধের নিশাণা লাগিয়ে গায় ভয় কি বন্ধু মরন যদি হয় স্বদেশকে ভালবেশে। সমরের পাশে এখন সবাই আছে।যাকে কখনো ভাবেননি আসবেন সেই স্বর্নার রাগভারী পিতা সেও হাসপাতালে তার পাশে শিয়রে সিটে বসা।চোখ মেলে সমর অবাক হন,তার সন্মানার্থে শুয়া থেকে কিছুটা উঠবার চেষ্টায় তাতে স্বর্নার পিতা স্নেভাজন সূরে তাকে বিশ্রাম নিতে বলেন। [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ২৫তম]
যখন ছিল তখন ছিলাম না যখন ছিল না তখন ছিলাম। যখন চেয়েছি তখন পাইনি যখন পেয়েছি তখন চাইনি। যখন ভূল করেছি তখন বুঝিনি যখন বুঝেছি তখন ভূল আর করিনি। যখন প্রয়োজন ছিল তখন আসেনি যখন অপ্রয়োজন তখন তাড়াতে পারিনি। যখন আমি নিশ্চুপ তখন চারদিকে সরগোল উঠে যখন আমি বজ্র কণ্ঠি তখন সব নিশ্চুপ দেখি। যখন [বিস্তারিত যখন এবং তখন]
মানব পাচারে চার দেশের সিন্ডিকেট জড়িত বাংলাদেশ থাইলেন্ড,মালেশিয়া এবং বার্মা বা মায়ানমার।এ সব চক্র শতাদিক দালালের কাছ হতে মানব সংগ্রহ করে তারা বছরে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকার ব্যাবসা করেন।ছোট্র একটি ট্রলারের মতো জাহাজকে ঘাটে বেধে রেখে তাদের সবাইকে অন্য আরেক জনের কাছে বেচে দিলেন তাতে ফুলীও বাদ পড়েলেন না।সেই সুবাদে সে তার গ্রামটা দেখার সুযোগ পেলেন [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীরা ১৬তম]
আকাশে প্রচুর মেঘ উটকো বাতাসে মেঘেরা কখনো ডানে কখনো বা বায়ে প্রবাহিত হচ্ছে, সুযোগ পেলেই হঠাৎ মেঘেরা বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে কর্ম চঞ্চল মানুষগুলোকে এলো মেলো দিয়ে আবারও মেঘেরা খেলা করে এলো মেলো ভাবে খোলা বাতাসে।মেঘদের মতো সূর্য্যদের মনেও বাসা বাধে এক অজানা আতংক।চৌয়াল্লিশটি বছরের মনে লালিত কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণে হতাশা।মা জাহানারা ইমাম যা শুরু [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণ শোধ ২৪তম পর্ব]
পশুপাখি যেমন করে আত্তাকে পর করে তেমনি , বয়সিদ্ধ হলেই মা সন্তানকে দূর দূর করে আগত নতুন অতিথীর আগমনে মায়ের আদর কমে তবুও সম্পর্কের টান ছিন্ন না করে। শিশুকালে তোমার লাল গোলাপী গালে হাজারো চুমো পড়ত মুখের উপর পয়জন ফেললেও কেহ, রাগ নাহি হতো, একটু যখন বাড়ল বয়স আদর অনেক কমলো একটু ভূলেই ধমক শুনতে [বিস্তারিত সম্পর্কের ইতি কথন]
ঘটনাগুলো যদিও বাস্তব তবুও বলতে হচ্ছে কাল্পনিক কেননা স্বাধীনতাত্তোর এই বর্তমান বাংলাদেশের রাজনিতীবিদদের নীতিহীনের কালো থাবা অক্টোপাশের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে। প্রচীন প্রবাদ বাক্য ” দেয়ালেরও কান আছে” তা এখন বাস্তব।কে কোথায় কার কখন কল্লা ফেলে দিবে বোধ করি স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও আগ বাগ জানতে পারছি না কেননা শত্রুর বীজের জাল [বিস্তারিত নেতিবাচক কল্প গল্পের বাকী ইতিহাস (১ম পর্ব)]
নতুন অতিথি আসবে মাতৃত্তের স্বাদ নিতে উদগ্রীব এক নারী যৌতুকের অত্যাচারে অতিষ্ট, ঘূণে ধরা সমাজের নিয়ম নিতীর বলি। ফুলী কবিতার বই পড়ছেন নীরব শব্দে মনের কোণে আশা জাগাচ্ছেন একটু একটু করে আগত সন্তান যেন ধরণীতে প্রবেশ করাতে পারেন সহি সালামতে।লোকে বলে এ সময় গর্ভিত মহিলারা যত ভাল কাজ আর ভাল কিছু দেখবেন,পড়বেন ততই আগত সন্তানের [বিস্তারিত যৌতুকের বলি ১১তম]
ঝগড়া সৃষ্টিতে ওস্তাদ সবাই থামাতে পারেন না কেহ, যিনি পারেন তিনিই মানুষ আর সব যেন রঙ্গীন ফানুস। অতি সহজে যে কেউ যাকে তাকে মৃত্যুপুরিতে ফেলতে পারেন কেউ কাউকে ফের জীবিত করতে পারেন না, তাই প্রতি দমে দমে জপো স্রষ্টাকে। মুসলিম হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান সকলের শরিরের রক্তের রং লাল পৃথিবীতে যত বেশী সংঘর্ষ ঘটে তা ধর্মের [বিস্তারিত শিরোনামহীন পদ্য]
জীবনে এমন কিছু সময়ের আগমন ঘটে যখন অনেক সত্য প্রকাশে অপরাগতার ভাব জাগে মনে তখন একান্ত বাধ্য হয়েই সত্যকে আড়াল করে মিথ্যের জয় গান গাইতে হয়। যখনি ভাগ্যাকাশেঁ, সু-প্রসন্নতার সুযোগ আসে তখন সব দিক দিয়েই আসে, কোনটা রেখে কোনটা গ্রহন করি এমন সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার মাঝে অনেক সু-স্বপ্নরা, ঝড়ে যায়। ছেলে বেলার লেখার পড়ার হাতে [বিস্তারিত নিয়তি]
খালাকে বিশাল শপিং প্লাজার লিফটের পাশে একটি ফাষ্টফুড দোকানে নাস্তার অর্ডার দিয়ে ভাই তার গাড়ী চড়ে চলে গেলেন।যাবার সময় বলে গিয়েছিলেন ফুলী কিছু ক্ষণ সময়ের মধ্যেই ঐ লিফটে নেমে আসবেন,ততক্ষণে সে আরেকটি কাজ শেষ করে এখানে আবার আসবেন। সেই সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে এলো কৈ ফুলীরতো আসার কোন লক্ষণই দেখছেন না খালা।খুবই চিন্তায় পড়ে গেলেন [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীরা ১৫তম]