অনেকে ভাগ্যকে বিশ্বাস করেন অনেকে আবার ভাগ্যকে বিশ্বাস করেন না।অনেকে আবার ভাগ্যকে ফিফটি ফিফটি বিশ্বাস করেন।তবে জীবনে ভাগ্য সম্পর্কে অগ্রীম জানার কৌতুহলের বশীভুত হয়ে ভাগ্য রেখা গণণায় কম বেশ জ্যোতিষির কাছে যাননি এমন সংখ্যা কম।তবে এ কথা সত্য যে যিনিই ভাগ্যের ভাল মন্দ ভবিষৎ জানতে জ্যোতিষিদের নিকট গিয়েছেন তিনিই অবাক হয়েছেন জীবনের সাথে মিলে যাওয়া [বিস্তারিত “নাম’ই বলে দিবে আপনার চরিত্র”]
আমি যে কেমন মানুষ আমি নিজেই জানি না।জীবনের এ পড়ন্ত বেলায় বুঝি না কোন ভাল মন্দ,বুঝি না ছল-চাতুরীঁ,মনে নেই কোন ডর-ভয়,নেই কোন বিশ্বাসে আস্তা অবিশ্বাসে ঘৃণা;কেবলি মনে হয় এ জীবন কিছুই নয়রে পাগল হবে যখন সাঙ্গ রঙ্গ এ মেলা।এ একটা বয়সে মনে হয় সবারই এমন মনে হয়,সব কিছুইতে কেবলি অসার ভাবা হয়।তবে ছোট বেলা মানে [বিস্তারিত “ভুতের সাথে এক রাত্রী”]
বলতে পারেন পৃথিবীতে সব চেয়ে দামী কে?শুধুই পৃথিবীতে!এই জগৎ যিনি সৃষ্টি করেছেন তার কাছেও সবচেয়ে ব্যাক্তি তিনি হলেন মা।মা হচ্ছে পৃথিবীর সেই প্রানী যার সাথে অন্য কোন কিছুর তুলনা চলে না।এর ব্যাখ্যা আমার চেয়ে আপনার আরো বেশী জানা আছে।আর আছে উপরে সাত আসমান নীচে পায়ের তলায় মাটি ও মানুষ।যে কোন দেশের কথা বলতে পারি না [বিস্তারিত “না-পাকিদের পাঠ্য বই এবং মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১”]
ধরণীর বুকে নও একা তুমি দুইয়ে আল্লাহ-রাসুল(সঃ) মানব-মানবী হয়ে দুনিয়ায় এলাম। সৃষ্টি-ধ্বংসে দুইয়ের বসবাস বর-কনে মিলে হয় জগৎ- সংসার এখানেও দুইয়ের বস বাস বিয়ে-বিচ্ছেদে জীবনের হয় সর্বোনাস। মা হলে পিতা আসে দাদা-দাদী,নানা-নানী সবিতে জোড় সংখ্যা রয় শিক্ষক শিক্ষার্থী দুইয়েতে মানবের দ্বিতীয় জনম কয়। জন্ম-মৃত্যু জীবনের মাঝে বেহস্ত -জাহান্নাম দুইয়েতে জীবন চলে যায় ইহকাল-পরকাল দুইয়ের মাঝে [বিস্তারিত দুইয়ের দুনিয়া]
বিশ্বে দেশমার্তৃকার তরে যতগুলো যুদ্ধ হয়েছে সবগুলো যুদ্ধ বা সংগ্রামে ছিল দুটি পক্ষ।এক শাষক এবং শোষিত।আমাদের বেলায়ও তাই হয়েছিল নাপাকিস্থান ছিলো শাসক আর আমরা পূর্ব পাকিস্থান ছিলাম শোষিত জনতা।আপনি বা নতুন প্রজন্ম যারা জানেন না পূর্ব বাংলায় নাপাকিদের শোষনের মাত্রা কেমন ছিলো কেনই বা একটি ভূ-খন্ডের জনগণ জীবন মরন বাজী রেখে একটি স্বাধীন সার্বোভৌমত্ব রাষ্ট্রের [বিস্তারিত “পশ্চিম পাকিস্থানের পূর্ব বাংলায় যত অপকর্ম-যার ফসল স্বাধীনতা যুদ্ধ”]
বিশ্বের বহু দেশের মতন আমাদের বাংলাদেশটিকেও যুদ্ধ করেই স্বাধীন করতে হয়েছিলো তবে স্বাধীন করার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন।স্বাধীন হওয়া বিশ্বের অন্য যে কোন দেশের চেয়ে ভয়ংকর,মর্মস্পর্শী ও বেদনাদায়।মাত্র নয় মাসেই ত্রিশ লক্ষ জনতাকে হত্যা,লক্ষ লক্ষ মায়ের সম্ভ্রম কেরে নেয়া,অসংখ্য ঘর বাড়ী জ্বালাও পোড়াও বিশ্ব অবাক হয়ে গিয়েছিল।যার কারনে সে সময় বহু ভিন দেশী জনদরদী মানবতা মানুষগুলো [বিস্তারিত “বীরপ্রতীক তারামন বিবি ও আমাদের দেশপ্রেম”]
রাজনীতি তুই কেমন আছিস! ভাল মন্দে ভাল থাকিস, আমি অধম সাধ্য কি আছে! হই তোর শুভাছিস। রাজনীতি তুই কেমন আছিস আনন্দে তুই আজ নাচছিস, অসংখ্য পরপোকারী বয়ানে মন জ্বালাও তুলছিস, সোনার হরিন পেয়ে গেলে তুই কি আমায় মনে রাখছিস! রাজনীতি তুই কেমন আছিস যে দেশেতে এতো নেতা! সে দেশতো ভাল থাকার কথা, আবার; বেশী কাজের [বিস্তারিত “রাজনীতি তুই কেমন আছিস”]
উন্নয়ণের জোয়ারে দেশ ভাসছে তবুও শুষ্ক রাস্তায় ড্রেনেজ এর অব্যাবস্থাপনায় জলে ভাসে নৌকা।সরকারী বেসরকারী (গার্মেন্টস) বেতন ভাতার দফায় দফায় বৃদ্ধিতে অন্য সব নিন্ম,নিন্ম মধ্যবিত্তদের মাথায় বাজঁ।গৃহ কর্তার সংসার সচল রাখতে হিমসিম খেতে হয় প্রতিনিয়ত।বাজার দরে ছিলো না কোন সরকারী মনিটরিনং বা কন্ট্রোলিং ক্ষমতা।যে দেশের রাজনিতীবদদের মাঝে নব্বই ভাগ ব্যাবসায়ী তাদের দ্বারা বাজার দর কন্ট্রোল আশা [বিস্তারিত উন্নয়ণ আর সু-শাসনের ভোট যুদ্ধ-একাদশ জাতীয় নির্বাচন- ২য় পর্ব]
রাজনীতি নিয়ে ভাবনা এ দেশে কার না আছে।এ দেশের অধিকাংশ মানুষ রাজনীতির ভাল মন্দ নিয়ে ভাবেন কাজ করেন।আমিও এর ব্যাতিক্রম নই।যদিও জ্ঞানের পরিধি সীমিত তবুও বয়সের ভারে বাস্তব অভিজ্ঞতাও কম নয় সেই আলোকে দেশীয় রাজনীতির কিছু বয়ানে সাহস নিলাম।কারো পক্ষে নয় কিংবা কারো বিপক্ষেও নয় দেশের স্বার্থে দেশের পক্ষ হয়ে কথা বলা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক [বিস্তারিত উন্নয়ণ আর সু-শাসনের ভোট যুদ্ধ-একাদশ জাতীয় নির্বাচন-১ম পর্ব]
হ্যালো! হ্যালো!! হ্যালো!!! রিক্সাওয়ালাকে নিজের দিকে তাকাতে বাধ্য করতে কয়েক বার হ্যালো হ্যালো বলার পরও তিনি শুনছেন না।রিক্সাওয়ালা সোজা রিক্সা থামালেন এক অফিসের দরজায়।রিক্সায় আরোহী ভদ্রলোক অবাক!তার গন্তব্যের বিপরীতে চলে আসায় অনেকটা রাগ হয়েই বললেন। -আরে বেটা তোরে একটা চড় দিতে মন চায় বুঝলি,তুই যাবি আমার অফিসে আর তুই এলি এদিকে। -স্যার,রাগ কইরেন না…সময় শেষ [বিস্তারিত “যেমন কর্ম তেমন ফল-নেতা নির্বাচনে থাকুন সচেতন”]
দেশের সরকারী বেসরকারী হাসপাতালগুলোতে গেলে বুঝা যায় রোগীরা এক শ্রেণী অসাধু নামদারী ডাক্তার আর দালালদের নিকট জিম্মি।অসহায় রোগীর স্বজনরা অসহায়ের মতন চাতক পাখির মতন চেয়ে থাকেন কখন নির্দেশ আসে এ টেষ্ট করো ঐ টেষ্ট করো এখানে করো ঐখানে করো যেন এক প্রকার বাধ্য হয়েই ডাক্তাদের পরামর্শ মত রোগীর সকল টেষ্ট পরীক্ষাগুলো করাতে হয়।আর এর জন্য [বিস্তারিত প্রজন্মের ঋণশোধ-৪২ পর্ব]
এ শহর আমার নয় যে শহর থাকে অরক্ষিত অনিরাপদে, দিনে রাতে মানুষের রক্ত নিয়ে খেলে হলি শকুঁনেরা ঘুরে বেড়ায় দুর্ধান্ত দাপটে। এ শহর আমার নয় যে শহরে মেধাবীরা বেকার ঘুরে বেড়ায়, অল্প বিদ্যায় অর্থ ক্ষমতার দাপটে সহজেই তারা অর্থ-বিত্তে গরীবি হটায়। এ শহর আমার নয় যে শহরে ইটের দেয়ালে আটকা পরে, নির্যাতীত শিশুর আর্তনাদ! পাষন্ড [বিস্তারিত এ শহর এ দেশ আমার নয়]
এক সময় প্রচুর গান শুনতাম।তখন ডিজিঁটাল যুগটা আমাদের এ দেশে চালু হয়নি।এনালগের জীবনে মানুষের জীবীকার সন্ধানে ছুটে চলা দেশের এ প্রান্ত হতে ঐ প্রান্তরে।তেমনি এক জাতি গোষ্টি ক্যানভেসার বা যারা পথে ঘাটে হাট বাজারে বিভিন্ন কৌশলে খেলা দেখিয়ে গান শুনিয়ে দু’পয়সা রোজগার করেন।নাচ আমার ময়না তুই পয়সা পাবিরে…যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম বকসি বাজার পানের [বিস্তারিত “কাজ না হলে পয়সা ফেরত”]
-হেলো গরু পাইছো? -আরে না! -কি কও সেই কখন না গেলা,এখনো কিনা হয়নি! -আছোতো এসি রুমে বইসা তাল পাও না।বাইরে কি যে গরম। -তোমার গাড়ীর এসি কি নষ্ট -না বেডারাতো আমারে গরু এসি গাড়ীর ভিতরে আইন্না দিয়া যাইবো।যতসব!রাখোত ফোন। বলেই মফিজ সাহেব ফোনটা নিজেই কেটে দিলেন।সারাটা দিন রৌদ্রে ঘুরে ঘুরে এ হাটে কখনো ঐ হাটে [বিস্তারিত কোরবানী কথন]
যুদ্ধের ভয়াবহতা সর্বোত্র শুরু হয়ে গেল।যুদ্ধে গেরিলা বাহিনী নাপাকিদের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন স্থাপনায় অতর্কিত আক্রমন করে নাপাকি সামরিক জান্তাকে ব্যাতি ব্যাস্ত করে তুলেন।বিদ্যুত কেন্দ্র,রেডিও টেলিভিশন অফিস,বড় বড় হোটেল,রেল ষ্ট্যাসন,বিপণী কেন্দ্র ইত্যাদি স্থাপনাতে গেরিলারা একের পর এক হামলা করতে থাকে তারই ধারাবাহিকতায় সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্রেও গেরিলা হামলার প্লান করেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধারা। নিউজ নারায়ণগঞ্জ বরাতে [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”৫ম পর্ব-“মুক্তিযুদ্ধ”৩য় খন্ড]