জনপ্রিয় নরেন্দ্রমোদী ও ভারতীয় লোকসভা নির্বাচন

২০১৯ সালে ১১ এপ্রিল হতে ১৯ মে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে হয়ে গেল সাধারন নির্বাচন যা ২৯টি প্রদেশে এবং সাতটি ছোট ইউনিয়ন এলাকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন। প্রায় আট হাজার প্রার্থীর মধ্যে থেকে  ফেডারেল সরকার পদ্ধতিতে পরিচালিত হয় যেখানে ফেডারেল, প্রদেশ এবং স্থানীয় পর্যায় থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রতিনিধিরা। লোকসভার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত [বিস্তারিত জনপ্রিয় নরেন্দ্রমোদী ও ভারতীয় লোকসভা নির্বাচন]

“একজন মফিজ এর সমসাময়িক সাক্ষাৎকার” পর্ব ৩য়

আবুল আর মফিজ দু’জনে রাস্তার পাশে টং দোকান হতে সিগারেট কিনে মনের সুখে টানছিলেন।আবুলের প্যান্টের পকেটে রাখা মোবাইলের রিং টোনটি বেজেই চলছিলো যেন তার খেয়ালই নেই।মফিজ মনে করিয়ে দিল। -কিরে! কি ভাবছিস? তোরতো রিং টোন বাজছে। আবুল পকেট হতে তড়িগড়ি করে মোবাইলটা বের করতে গিয়ে হাত হতে ফসকে পড়ে যেতে তা ধরতে গিয়ে আরো দূরে [বিস্তারিত “একজন মফিজ এর সমসাময়িক সাক্ষাৎকার” পর্ব ৩য়]

সময়ের সাথে বেঁধেছি ঘর

সময়ের সাথে বেধেঁছি ঘর সময়’ই বলে দেবে কে আপণ কে বা পর। এখন তোমার দারুণ সময় মনে বইছে তোমার অসংখ্য ভ্রমর, এক দিন আমিও ছিলাম ভাবিনিকো কখনো তোমায় পর। মনে মনে মিল না হলে হয়নাগো কখনো ভাব, তবুও আমি ভাসিয়া ছিলাম ভেলা নিঃস্ব হয়ে দিন শেষে বুঝলাম; সবিই তোমার ছলাকলা। তুমি ভেবে ছিলে তুমিই জিদবে [বিস্তারিত সময়ের সাথে বেঁধেছি ঘর]

বালিশ ও কৃষি কথন

কথা ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশ হবে সবার। সব দিক দিয়ে সবার থাকবে সমান অধিকার। কিন্তু হচ্ছেটা কি! কৃষক স্ব-ইচ্ছায় নিজ কলিজা কৃষি জমির পাকা ধানে দিচ্ছে আগুন। কিন্তু কেন? যেখানে সরকারের লক্ষ্য  খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন বাংলাদেশ গড়ার, সেখানে কৃষক ও কৃষি খাতকে অবমূল্যায়ন করে আদৌ তা কি সম্ভব?। জাপান সহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে কৃষি কাজকে, কৃষকের ফসলাদির [বিস্তারিত বালিশ ও কৃষি কথন]

“খোকার লাল পাঞ্জাবী” (ম্যাগাজিন)

এ পাড়ায় বিশাল বিশাল বিল্ডিং এর নীচ দিয়ে পাশে প্রবাহিত একটি খালের অপজিটে গড়ে উঠেছে কিছু ছিন্নমুল লোক বসতির একটি বস্তি। সেখানে বেড়ে উঠা কিছু টুকাই ছেলে মেয়েরা রোজই উদোম পিঠে পিছনে প্লাষ্টিকের ব্যাগ নিয়ে কেউ টুকায় কাগজ, কেউ ড্রিংস এর কৌটা, কেউ বা অন্যান্য বস্তুয়াদি। তাদের একজন নান্টু। বেশ পরিপাটি থাকে সব সময়। এ [বিস্তারিত “খোকার লাল পাঞ্জাবী” (ম্যাগাজিন)]

শান্তির সন্ধান (ম্যাগাজিন)

আমি আজও সেই আমি কেবলি শান্তি খুজেঁ ফিরি, কখনো এখানে কখনো সেখানে পাই না শান্তি খোজেঁ কোন খানে। আমি আজও সেই আমি কেবলি শান্তি খুজেঁ ফিরি, শুনেছি, শান্তির মা নাকি ছিল ঐ পাড়াতে, ঐ পাড় বলে শান্তিতো এ পাড়াতেই অবশেষে, খুজেঁ পেলাম শান্তির মা বাবা সেতো কবে’ই গেছে মারা। দার-পতিতে নেই শান্তি শাদী-বিচ্ছেদ হরমশা”ই, পতি-ভার্ষায় [বিস্তারিত শান্তির সন্ধান (ম্যাগাজিন)]

মা এবং ঈদ

মসজিদে ফজরের আজানের ধ্বনি।মন্দিরে ঢোলের শব্দ। গির্জায় প্রার্থনার আওয়াজ। সে সময় সব এক সাথেই হত। সব উৎসবে এক সাথেই থাকতাম। কল্পনাতেও ভাবিনি কে হিন্দু কে মুসলমান। সেই সময়কার কথা বলছি, ঈদ এলেই সকল ধর্ম বর্ণের বন্ধুরা বাড়ীতে আসত মায়ের রান্না করা সেমাই খেতে, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। ঘুমন্ত অবস্থায় বিশেষ বটি দিয়ে বাবার নারিকেল কুরানির [বিস্তারিত মা এবং ঈদ]

“একজন মফিজ এর সমসাময়িক সাক্ষাৎকার” পর্ব ২য়

সন্মানীত দর্শক,বিরতীর পর আবারো ফিরে এলাম আপনাদের প্রিয় অনুষ্ঠান “একজন মফিজ এর সমসায়িক সাক্ষাৎকার” এ। আমরা কথা বলছিলাম সন্মানীত অতিথি মফিজ সাহেবের সাথে। -আপনার বয়স কত? -আরে ছাগলে কয় কি! তোর বয়স আর আমার বয়সতো প্রায় সমান। -এইই কাট কাট….!!! কি হলো এটা? ক্যামেরা লাইট সব কিছু অন আর তুই কি না,,,কেমন সব জগণ্য ভাষায় [বিস্তারিত “একজন মফিজ এর সমসাময়িক সাক্ষাৎকার” পর্ব ২য়]

“একজন মফিজ এর সমসাময়িক সাক্ষাৎকার”-০১পার্ট

হায় মফিজ,কেমন আচিস?কি লিখছিস?গল্প না কবিতা? -নারে দোস্ত!গল্পেরাতো সেই কবেই মিশে গেছে সাম্যহীনতার যাতার তলে আর কবিতা সেতো আকাশচারী কেবলি নীঁলাকাশে বাহারী রং খুজেঁ বেড়ায়। -কিছু একটাতো এখন করিস,তাই না! -হ’তুলিটা হাতে নিয়ে ব্লাক জমিনে ব্লাক রঙে কেবলি আকঁছি!বার বার আচঁরগুলো বড় অচেনা মনে হয়। -তোর সব কথায় খালি হতাশা!এতো হতাশায় থাকিস কেন তুই? -কি [বিস্তারিত “একজন মফিজ এর সমসাময়িক সাক্ষাৎকার”-০১পার্ট]

জীবনের বাস্তবতা

ইস্সেরে…মশাটা কেমনে রক্ত খাইছে দেহদি! ময়নার গোলাপী গালটা টকটকে লাল হয়ে গেল।থাপ্পরটি দিয়ে মফিজ যেন একটু ভুলই করে ফেলেছেন।ময়না সেই যে থাপ্পর খেয়ে দুহাতে  গাল চোখ চেপে ধরে একদম চুপ হয়ে গেলেন তার যেন আর হুস আসছে না।বেচারা মফিজ ময়নার চেহারার একবার এ দিক আরেক বার ঐ দিক অস্তিরতায় বার বার তাকাচ্ছেন।অবশেষে মফিজ গাল চেপে [বিস্তারিত জীবনের বাস্তবতা]

শেষ মুহুর্তের ভাবনা

যে চোখে স্বপ্ন নেই সে চোখের কোন মূল্য নেই’, আমি তেমনি একজন বহু কাল হল কোন স্বপ্ন দেখি না, না ঘুমের ঘোরে, না অন্তরে মায়ার সংসারের। আগে কত স্বপ্ন দেখতাম, একদিন আমি অনেক বড় হব! স্বপ্নগুলো রঙীন চাঁদরে সাজাঁবো, বড় আমি ঠিকই হয়েছি তবে পাচ ফিট আট ইঞ্চি! আর স্বপ্নগুলো! স্বপ্নগুলো ঝরে পড়ে মনের ভিতরেই [বিস্তারিত শেষ মুহুর্তের ভাবনা]

মমি’র অনুগল্প-পর্ব ০১

€ এক ছেলে এক মেয়ের কথপোকথন: লোক ভর্তি হল রুম।সম্ভবত তারা কোন এক অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথী।মেয়েটি ছিল খুব পাজি হ্যান্ডসাম ছেলে দেখলেই হল ছেলেটিকে নাকানি চুবানি খাইয়েই ছাড়বেন।এটা তার বলা যায় এক প্রকার হবি।মেয়েটি এবং হ্যান্ডসাম বয় ছেলেটি পাশা পাশি দাড়িয়ে যে যার বন্ধু বা সমবয়সী লোকদের সাথে কথা বলছিলেন।হঠাৎ মেয়েটি অনেকটা দ্রুতার সহিত পা [বিস্তারিত মমি’র অনুগল্প-পর্ব ০১]

ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীর সন্তানেরা-৭ম পর্ব

বহু বছর হয়ে গেল কলেজে নির্বাচন হচ্ছে না।একদলীয় ব্যাবস্থায় চলছে কলেজ সংসদ।কলেজটির স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্র জয়।বরাবর তার মেধা ব্যাবহার কথা বার্তায় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট ক্রমশতঃ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।বাদ পড়েনি বর্তমান ক্ষমতাসীন সংসদের ভিপি ও অন্যান্যদের চোঁখও। জয়ের একটি গ্রুপ কলেজের প্রিন্সিপলের সাথে দেখা করে কলেজের সংসদ নির্বাচনের দাবী করে আসলেন।খবরটি ভাইরাল হয়ে কানে যায় [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীর সন্তানেরা-৭ম পর্ব]

ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীর সন্তানেরা-৬ষ্ঠ পর্ব

জয় তার এলাকার কলেজ বন্ধুদের সাথে করে চোখের সামনে অত্যাচারিত মহিলাটির পাশে গিয়ে দাড়ালেন।একেতো শীতকালের মৃদু ঠান্ডা বাতাস  তার উপর বৃদ্ধার বয়স অনুমানিক পঞ্চাশ পঞ্চান্ন হবে তাই তার হাত পা থর থর করে কাপছিঁল-যেন অভাবের ভারে বয়স দৌড়ে পালায়। বৃদ্ধাকে একটি গাছে পিছনে হাতমুরি দিয়ে বেধেঁ রেখে মাতাব্বর করম উদ্দিন শাসাচ্ছেন। -এই বুড়ি তোরে না [বিস্তারিত ঘূণে ধরা সমাজের ফুলীর সন্তানেরা-৬ষ্ঠ পর্ব]

ধর্মান্ধ ও শান্তির ধর্ম ইসলাম-শেষ পর্ব

গত পর্বে শেষ করেছিলাম-অন্যান্য ধর্মের লোকে কেন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন।তার একটাই উত্তর আর তা হল পবিত্র কোরান শরীফ এর যাদু।চিকিৎসা শাস্ত্রের বিখ্যাত বই লেখক স্যার ডেভিডসন তার বইতে তিনি নিজেই লিখেছেন একটা বই নিজে লিখে তা না দেখে তিনি নিজেই হুবহ পড়তে পারেন না,অথচ পবিত্র কোরআনের মত জটিল একটা বই অহরহ ৭ বছরের বাচ্চার [বিস্তারিত ধর্মান্ধ ও শান্তির ধর্ম ইসলাম-শেষ পর্ব]