আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-মুক্তিযুদ্ধ ২য় খন্ড

বন্দর রেল লাইন অপারেসন: ডিসেম্ভর মাস বিজয় আসন্ন।মুক্তিযুদ্ধে বাংলার দামাল ছেলেদের সাথে পুরোপুরি যোগ দিলেন মিত্র বাহিনী ভারতের সেন বাহিনীরা।১৫ই ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় এম.পি সিং এর নেতৃত্বে ৪টি গ্রুপ করে চার দিকে রেকি করতে বের হয়।প্রথম গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন গিয়াস উদ্দিন বীর প্রতীকে,দ্বিতীয় গ্রুপে সাহাবুদ্দিন খান সবুজ ও এন.পি. সিংহের নেতৃত্বে, তৃতীয় গ্রুপে নেতৃত্বে ছিলেন- জি.কে [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-মুক্তিযুদ্ধ ২য় খন্ড]

আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-(মুক্তিযুদ্ধ) ১ম খন্ড

জন্ম ভুমি নিয়ে লিখছি বলে জন্মভুমির সৃষ্টির রহস্যটা লেখায় একটু না আনলে কি হয়।১৯৭১ সাল দীর্ঘ নয়টি মাসের সংগ্রামে রক্তে ভেজাঁ লাল সবুজের পতাকাটি বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায় যার নেতৃত্বে তিনি ছিলেন বঙ্গ বন্ধু শেখ মজিবর রহমান।ত্রিশ লক্ষ তাজাঁ প্রানের বিনিয়ে প্রায় দশ লক্ষাধিক মা বোনদের ইজ্জত বিলিয়ে আসে কাঙ্খিত বিজয়।খুব সম্ভবত বিশ্বে সম্ভ্রমহানীর এমন [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি “সিদ্ধিরগঞ্জ”০৫পর্ব-(মুক্তিযুদ্ধ) ১ম খন্ড]

“একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার আক্ষেপ এবং আমরা”

প্রায় ৪ বছর ১০ মাস আগে প্রিয় সোনেলায় যখন আমার হ-য-ব-র-ল লেখা লিখতে শুরু করি তখন এই সোনেলার ভুমিহীন জমিদার আইডির মানুষটি Sm Wali Ullahসহ বেশ কয়েকজন প্রিয় মুখ আমার লেখার ধরণ,বানান ইত্যাদি সঠিক ভাবে প্রয়োগে অনেক সহযোগিতা করেছেন সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ।সম্ভবত তার দু’এক বছর পর সোনেলার কোন এক আড্ডায় “ভুমিহীন জমিদার”আইডির এই সরল [বিস্তারিত “একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার আক্ষেপ এবং আমরা”]

লূকা মদ্রিচের অদম্য ইচ্ছে শক্তির জয় এবং ফুটবল বিশ্ব কাপ ফাইনাল-২০১৮

পৃথিবীর সব খেলাগুলোর মধ্যে এক মাত্র ফুটবল খেলাটিই সব চেয়ে জনপ্রিয়।বলে পায়ের রণকৌশল এবং দৌড় বিদ্যায় যিনি পারদর্শী তিনিই সেরা তিনিই জনপ্রিয়।দলের ক্ষেত্রে একক কোন পারফরমের কোন ভিত্তি নেই যদি না দলের সম্মেলিত শক্তির পরস্পরের সমযোতা বা দক্ষতা না থাকে।এ ক্ষেত্রে মেসিকে নিয়ে মারাদোনা বলেছিলেন,মেসি নিঃসন্দেহে একজন ভাল খেলোয়ার কিন্তু তার সাথে আর যারা আছেন [বিস্তারিত লূকা মদ্রিচের অদম্য ইচ্ছে শক্তির জয় এবং ফুটবল বিশ্ব কাপ ফাইনাল-২০১৮]

“বাংলাদেশী রূপালী পর্দার কমেডিয়ানরা”

পৃথিবীর সব চেয়ে কঠিন কাজ মানুষকে হাসানো।জীবন চলার পথে ঘাত প্রতিঘাতের আঘাতে ঝর্ঝরিত মানুষের সরল মন বেশীর ভাগ সময় থাকে কোন না কোন বিষয়ের সমাপ্তি বা শুরু নিয়ে চিন্তিত।কারো চিন্তা জটিল কারো বা হলুদ আবার কারো বা ঘোর অন্ধকার।এমন একটি মুহুর্তে মন বিষন্ন থাকাটা স্বাভাবিক।এই বিষন্ন মনকে কিছুটা ভাল রাখতে আমরা ঝুকি কোন না কোন [বিস্তারিত “বাংলাদেশী রূপালী পর্দার কমেডিয়ানরা”]

আমার জন্মভুমি-” সিদ্ধিরগঞ্জ” পর্ব ৪র্থ

ও পাগলা তোর পাগলি কই’এ রকম  প্রবাদে সে সময় উত্তেজিত করা হত  আমাদের এলাকার বেশ কয়েকজন পাগলকে।এর মধ্যে জিঞ্জির পাগলা,আমিনুদ্দিন লুলা,হাইস্সা পাগলা ও মাইগ্গা পাগলা।জিঞ্জির পাগলার কথা আমার স্বরণ নেই তার একটি কবর ছিলো মন্তাজ মাদবরের বাড়ীর রোডের পাশে।আমার চোখে দেখা কবরটি ছিলো দীর্ঘকাল যা এখন নগরায়ণের চিহ্নহীন।হাইস্সা পাগলাকেও দেখিনি তবে শুনেছি সে অত্যান্ত নম্ভ্র [বিস্তারিত আমার জন্মভুমি-” সিদ্ধিরগঞ্জ” পর্ব ৪র্থ]

“অদ্ভুদ স্বামী”

মা..গো,তুমিতো মা মরতানা! মায়ের আধাপাকা চুখগুলোতে বিলি কাটতে কাটতে ছেলের এমন ভাষ্য।তার পর মা যা বললেন। -কি যে কছ ছেরা! -হ’মা আমিতো ঠিক কইতাছি…এই দেহনা আমার হগল চুল এহনিই পাইক্কা গেছেগা!তোমারতো হেই তুলনায় চুল কিছুই পাকে নাই..আমি মনে হয় তোমার আগেই মরমু। মা আশ্চর্য ছেলের প্রতি সহানুভুতি দেখাল। -তুই ছেরা কি যে কছ না মুহে [বিস্তারিত “অদ্ভুদ স্বামী”]

“প্রজন্মের ঋণশোধ” ৪১তম

“বাংলাদেশ” একটি নাম যার চার পাশেই তাজাঁ রক্তের বাউন্ডারী।পৃথিবীর ইতিহাসে এক মাত্র এ দেশেই হয়েছিল রক্তক্ষয়ী মাতৃ ভাষা আন্দোলন হয়েছে গণহত্যা আর ধর্ষণের সীমাহীন অত্যাচার।সেই অশুভ ছোবলের যুদ্ধ শিশু নন্দিনী একজন।জটিল অসুখটি ধীরে ধীরে শুভ লক্ষণের দিকে।সেই দিনের শাহবাগের সেই ধর্ষনের আন্দোলন চলছে তার সাথীরা সেখানে ছিলো।পাশা পাশি খুব শ্লোতে চলছিলো সরকারী চাকুরীর কোটা সংস্কার।হঠাৎ [বিস্তারিত “প্রজন্মের ঋণশোধ” ৪১তম]

আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল এবং ফুটবল বিশ্বকাপ-২০১৮

বাঙ্গালী রক্তের রন্দ্রে রন্দ্রে মিশে আছে খেলাধূলা।গ্রাম বাংলায় জাতীয় খেলা কাবিডি হতে শুরু করে ফুটবল,দাড়িয়া বান্ধা,গোল্লাছুট,ঢাং গুডি প্রভূতি খেলা হতো খুব জাকজমক ভাবে।ফুটবল খেলা ছিলো পাড়ায় মহল্লায়।দেশে ফুটবলের ইতি কথাগুলো একটু আলোচনা করলে বুঝা যাবে স্বাধীনের পর পরই মুলত ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের জোক বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর তত্ত্বাবধানে ১৯৭২ সালে ঢাকায় ফুটবল [বিস্তারিত আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল এবং ফুটবল বিশ্বকাপ-২০১৮]

“দুঃখ বললে কষ্ট কমে”

দু’ধারে বিশাল বিশাল বিল্ডিংয়ের মাঝ খানে সরু পথ দিয়ে হেটে যাওয়া এক ভদ্রলোকের কানে এলো মেয়েলি কণ্ঠে কে যেন ডাকছে তার নামটি ধরে….। -ঐ মইন্না চুরা! আশ্চর্য ভদ্রলোক,নামতো ঠিক আছে কিন্তু সাথে ঐ চোর সূরটাতো আর কারো নয়।একান্ত আপন জনের কিন্তু এখানে কেন?এখানেতো আমার আপন জন বলতে কেউ আছে বলে মনে হয় না।আবারো ঐ একই [বিস্তারিত “দুঃখ বললে কষ্ট কমে”]

“ভাবছি কি!হচ্ছে কি?”

কি লিখবো? লিখতে গেলে কলম চলবে কি? অন্য কিছু লিখুনির মাঝে হঠাৎ থমকে দেবে মন এই থাম! এখন লিখ,রোহিঙ্গা ইস্যুতে ওদের ওপর মানবতার চরম অবমুল্যায়ণ লিখ,বিশ্ব মানবতায় যেন উপচে পড়ছে বাংলাদেশে! হ্যামিলিওয়নের বাশির সূরের মতন দল বেধে ছুটে এসো এ বঙ্গ দেশে; আফগানিস্থান কিংবা সিরিয়ার নির্যাতীত সকল জনগণ!! অভিনন্দন তোমাদের জামাই আদরে; ফের যাবে কি [বিস্তারিত “ভাবছি কি!হচ্ছে কি?”]

“কিছু ভাল মানুষ আছে বলে পৃথিবী এখনো টিকে আছে”

১৯৯০ সাল তখন সবে মাত্র এস এস সি পরীক্ষা দিয়েছি।হাতে অফুরন্ত অবসর সময়।এলাকায় যারা তাবলীগ করতেন তাদের অনেকেই আমাদের খুব কাছের লোক সমাজের মান্যগণ্য লোক ছিলেন তাদের আবদারে প্রথম তাবলীগে যাওয়ার মনঃস্থির করলাম।সেই হিসাবে কাওরান বাজার মসজিদ থেকে আমাদের কয়েক জনকে ভাগ করে দিলেন ঢাকার কোন এক মসজিদে নামটি মনে নেই তবে বানরের বাদরামীগুলো মনে [বিস্তারিত “কিছু ভাল মানুষ আছে বলে পৃথিবী এখনো টিকে আছে”]

ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না!

ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না জীবনটাকে আর সহ্য হয় না, আয়ু শেষের করি যে প্রার্থনা ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না। ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না রঙের মেলায় রং দেখি না না শুধু কালো রংয়ে আর পথ যে চিনি না, ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না। ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না নীতি কথায় আর চিরা ভাজেঁ না উল্টো পথে উল্টো নিয়মে,আছে যে [বিস্তারিত ধ্যাত্তরি না ভাল্লাগে না!]

“বাংলাদেশ টেলিভিশন ও কিছু কথা”

সেই বহু আগের কথা তবে আমার দৃষ্টিতে মনে হয় এইতো সে দিনের কথা।কি সবুজ শ্যামল পরিবেশটিই না ছিলো সে সময়ে।আমাদের এলাকাটি মানে সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার নারায়ণগঞ্জ এলাকাটি তখনো মফস্বল অঞ্চল অথচ অতি নিকটেই ছিলো ঢাকা শহর,ছিলো এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল,ছিলো দেশের অন্যতম বিদ্যুত কেন্দ্র তবুও ছিলো খাল পুকুরের ছড়ছড়ি,ছিলো ভরপুর গাছ গাছালি,তখনো শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা নদী [বিস্তারিত “বাংলাদেশ টেলিভিশন ও কিছু কথা”]

পৃথিবীর সর্ব সেরা একটি রাত “শবে বরাত”

সেই ১৯৮০ শতাব্দীর কথা বা তারও আগের কথা।তখন মোবাইল বা প্রযুক্তির আধুনিক ছোয়াঁ নাই বললেই চলে।তাই জানা হয়নি অনেক হাদিস বিরোধী কাজের অকর্মগুলো।যখনি মসজিদ ইমাম সাহেব ঘোষনা দিতেন কিংবা শাবান আরবী মাসের পনের তারিখ দিবাগত পবিত্র শবে বরাত রাত আসতো তার বেশ কয়েক দিন পূর্বে হতেই আমাদের আমলের মা চাচীরা প্রস্তুতি নিতেন পবিত্র এই দিন [বিস্তারিত পৃথিবীর সর্ব সেরা একটি রাত “শবে বরাত”]