প্রিয় নবীণা, চার দেয়ালের সীমানা পেরিয়ে যত বার ই আকাশ দেখতে চাই, তত বার ই বিরূপ প্রভাবে সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যায় আমার পৃথিবী । এতো নেতিবাচক তরঙে দোদুল্যমান আমার নিয়তি, তার হিসাব কষে শেষ করা যাবে না । তারপর ও আমি সম্ভাবনার আলো দেখি, প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখি, সম্মুখে ছুটে চলি, অবিরাম, ক্লান্তিহীন । [বিস্তারিত প্রিয় নবীণা]
ঝরা শিউলীর মতো পড়ে আছি হাজারো স্বপ্নের ভীড়ে পূঁজার অর্ঘে পাইনি ঠাঁই সন্ধ্যা আরতিতে নীড়ে । হাজার রাতের গল্প ফুরায় এক নিমিষের মানে নিঃসঙ্গতার চার দেয়াল মেতে উঠে বিরহী গানে । রাত জাগি তারা গুনে শিউলী কুড়াই কুয়াশা মাখি প্রতি দিনের কর্ম ব্যস্ততায় বুক ভরে স্মৃতি আঁকি । দিন ফুরায় রজনী পোহায় তবু যেন [বিস্তারিত এই তো, শেষ তো]
মেঘে ঢেকেছে আকাশ, বৃষ্টির ফোটায় ফোটায় উষ্ণতা নিঃসঙ্গতার বেলকনিতে চাই তোমার সরব উপস্থিতি এক কাপ চায়ে, ধোয়া উড়ানো ভালবাসার আদলে, পাশাপাশি মিষ্টি, নরম, উষ্ণতার ছোয়ায় এক প্রহরের গল্পে, বৃষ্টির রিমঝিমে আকাশের নীল রঙ হয়ে , মেঘের শাবকে ভেসে ভেসে দুজন হংস বলাকা হয়ে আমরা ডানা ঝাপটাবো দিগন্তের শেষে বজ্রের ধ্বনিতে নিবিড় হবো অন্ত [বিস্তারিত নিঃসঙ্গতার বেলকনি]
অভিমানের শহরে নেমে এলো বৃষ্টি তাই বলে তুমি জানালায় দিয়েছো খিল একাকীত্বের পথে নিয়েছি ঠাঁই, আকাশের অঝরে উষ্ণ ফোটায় দেহ ভিজলেও, মনে বাড়ে উত্তাপ আমি ক্লান্ত হই, আহত হই অবিরত তোমার নিঃসঙ্গতার শহরে আলপনা আঁকি, অলি গলি পথে নগ্ন পায়ের বিরহী ছাপে আকাশ দেখি, ভেসে যাওয়া মেঘ, তাও নিজেকে খুঁজি, ডানা ভাঙা পালকে । [বিস্তারিত অভিমানের শহরে]
আমার এক প্রিয়ভাজন বলেছেন ” যদি সুখি হতে চান, তাহলে প্রত্যাশা কমান ” । প্রকৃত পক্ষে জন্ম থেকে মৃত্যু অবদি আমাদের জীবনে প্রত্যাশায় ঠাঁসা । জীবনের স্তরে স্তরে প্রত্যাশা । এক প্রত্যাশা অর্জন হয় তো আরেক প্রত্যাশা ছুটে যায়, আবার নতুন প্রত্যাশার জন্ম হয় । কখনো কখনো জীবনের শেষ অবদি একই প্রত্যাশার কবলে ফুরিয়ে যায় [বিস্তারিত প্রত্যাশা]
হঠাৎ আমি পাগলা গারদ থেকে পালিয়ে এলাম জীবনের রঙ খুঁজতে, ঢঙ এর কবলে বন্দি ছিলাম প্রকৃতির নির্যাসে খুঁজে পেলাম আবার প্রাণ উদ্যাম বাতাসে মিশে দিলাম জীবনের ঐক্যতান । আয়না বিবির বায়না ঝুরিতে, পাগলা বাঁধা নাই আর মাথার উপরে উদার আকাশ, নীলে ভরা বুক তার । নিঃশ্বাস রাখি, স্বস্থির টানে মুক্ত বিহঙ্গের ডানা এই আছি, [বিস্তারিত পাগলা গারদ থেকে]
আবার যদি দেখা হয়, গলির মোড়ে, উসকো খুসকো চুল, সাদা পাকা অবয়বে মোটা কাঁচের চশমায়, দৃষ্টি রেখে জাগবে কি হৃদয়, ব্যথাতুর আবিরে ? আবার যদি কথা হয়, মুঠোফোনের বদৌলে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে, গাঢ় নিশ্বাসে নিরবতার ভাষায়, সময়ের গভীরে বুঝবে কি তুমি, আকুতি ঝরা মনের ? যদি মনে পড়ে, বৃষ্টির অঝরে বিষণ্ণ [বিস্তারিত আবার যদি]
তুমি হাসলেই, হেঁসে উঠে আমার চার দেয়াল তোমার উপস্থিতিই ভাঙে আমার নিঃসঙ্গতার খেয়াল চলনে বলনে সম্পূর্ন্ন আচ্ছন্ন তোমার দৃষ্টিতে কবিতার উপমায় স্থায়ী বসতি, আমার সৃষ্টিতে তুমি এলেই, গাই, লিখি, চঞ্চল থাকে মন উষ্ণতায় ভাসি, স্বপ্ন রাঁধি, সুখের মহা আয়োজন তোমাতে তুমি, নাই আর এই ভুবনে তোমার জন্ম, শুধু আমি ভালবাসার জন্যে। রচনা কাল [বিস্তারিত ভালবাসার জন্যে]
হাতেও মারবো না ভাতে ও না উপায় একখান আছে এক ছোবলেই ছবি হবি কাল নাগিনীর বিষে । ঘরের কর্তী মায়ের আদলে কাল নাগিনীর বাস বধু সেজে সেই ঘরেতে কেন তুই যাস । মায়ের আদরে, বাবার স্নেহে তুলসী পাতার সোহাগী বরের ঘরে খুন্তী পোড়া অত্যাচারে অলক্ষী অপয়া অভাগী । ডাইনি মায়ের বায়না [বিস্তারিত বাঙালীয়ানা]
প্রিয় নবীণা মহামারীর আজাহারীতে যত না ক্লান্ত, তার চেয়েও অধিক বিধস্ত তোমার নেতিবাচক মনোভাবে । কাছে থাকা, বা পাশে থাকাই ভালবাসায় প্রকাশ পায় না , যদি মনের দুরত্ব থাকে । আমার কাছে ভালবাসা ই হলো, ভাল কিংবা মন্দে প্রিয় জনের সুকামনা করা ইতিবাচক মনোভাব । পেয়ে খুশির চেয়ে না পেয়ে খুশি থাকাই ভালবাসার উত্তম নিদর্শণ [বিস্তারিত চিঠি]
বোট ক্লাবে জোট বেঁধেছে নস্ট ছেলের দল কস্ট লাগে ভ্রষ্ট আদলে অভিনয় টাই ছল । হরেক বাতির ঝিলিক মারা নেশার পেয়ালায় মুখ রুপের হাটে লুটেপুটে কারা খোঁজে সুখ ? চরিত্রতে টান পোড়নের জোয়ার এলো বুঝি সাহেব পাড়ায় নিশি কুটুমের খবর আসে রোজই । ভোগ বিলাসে মত্ত যারা বিশ্ব করে জয় প্রজন্মের [বিস্তারিত অবক্ষয়]
ছুটে চলি যদি সময় হয় অথৈ নদি তবুও ছুটে চলি বেশ হয় না দিগন্তের শেষ আশায় থাকি, বাসায় ভাসি এক বুকে কত কান্না হাসি পুষে রাখি রোজ কেউ রাখে না তার খোঁজ তবু ছুটে চলি আযাচিত পদাবলি ক্লান্তি হীন নিরলস জীবনের উৎকর্ষ ।। রচনা কাল ঃ ০৪/০৬/২০২১ ঢাকা
আবার ঘুরে এলো ঝর্ণা মুনিয়ার পর্ব শেষ এভাবেই ঘুরে দাড়ায় বার বার সোনার বাংলা দেশ । বাহিরে লক ডাউন, কর্মহীন স্বামী ফুল বানুর উনুনে নাই আগুন শিশু সন্তানের ক্ষুধা মিটাতে বুকে আর্ত্নাদের ফাগুন । থেমে নেই তবুও বাংলা দেশ সামাজিকে অসামাজিক খবর করোনার করুন দাবানল শুধু দুস্থদের জীবন্ত কবর । সোনার বাংলা আছে কি [বিস্তারিত সমসাময়িকী]
চৈত্রের শেষ বিকেলে ও আমি তোমার অপেক্ষায় ছিলাম এভাবেই কেটে গেছে দুই যুগ তবুও অপেক্ষা কাটেনি এই আমার হাজার বিকেলের স্মৃতিতে হয়েছি সমৃদ্ধ সুর্যাস্তের মতো ডুবেছে অজস্র স্বপ্ন তবুও থামেনি বুকের গহীনে স্বপ্নের চাষ আমি ক্লান্ত হই, আবার নির্যাস রাখি নতুনের প্রত্যাশায় ছুটে চলি সম্ভাবনার উন্মাদনায় বার বার আবৃত হই মরিচিকার মায়া জালে [বিস্তারিত অপেক্ষা]
ফিরে এলো আবার বসন্ত প্রথম দেখা বাসন্তি রাঙা মুখ প্রথম ছোঁয়া, ভালবাসার উষ্ণ বুক । চিরতারণ্যের স্বপ্নময় শাখে পলাশ, শিমুল আর প্রকৃতি হাসে মনের অগোচরে শিষ দিয়ে যায় দোয়েল অম্ল মুকুলে নিবিড় ঘ্রাণ সর্ষে ফুলে মৌ পোকার গুঞ্জন দামাল হাওয়ায় হারিয়ে যায় চির চিনা একটি মন । ইচ্ছে গুলো ডালা মেলে আবারো মুখ [বিস্তারিত বসন্তের অভিলাষে]