হেমন্তের শেষে নবান্নের ঘ্রাণ হিম শীতল হিজলে প্রাণ শাখে সবুজ পাতা, কাননে কুঁড়ি আগমনী শীতের বারতা, কাতর বুড়ি সোনা ঝরা রোদে শিশির মাখা হেমন্তের বিকেলে আলপনা আঁকা প্রেয়সীর চুলে সুগন্ধি বেণী সর্ষে ফুলে প্রকৃতি যেন ঋনি হাস্নার সুবাসে, মাধুরী আসে নেমে কবি প্রেম, অনন্তকাল এখানে আছে থেমে বিরহ গাঁথা, কত কথা বুকে জমা হেমন্ত যায়, [বিস্তারিত হেমন্ত এলে]
হঠাৎ থেমে গেছে সময় পুরনো বেহালার সুরে অনিয়মের মাঝে, নিয়মিত নিয়ম করে চলা , যেন, চির চেনা পথ প্রাণে ঝাঝানো সুর বাতাসের ধুলি মাখা গন্ধ তপ্ত দুপুর, ফেরার নেই টান বুকে অজানা গন্তব্য অনিশ্চিত সম্ভাবনার প্রান্তরে । ধুসর আকাশে মেঘের পালক কাশবনে শরতের হাত ছানি পিছু ডাকেনা আর, প্রকৃতির রুপ গোধুলীর রঙ মাখা [বিস্তারিত প্রতিকুলতা]
এতো ব্যস্ততার মাঝে ও তোমাকে মনে রেখেছি . . . সময় অসময়ে নিয়েছি খবর . . . ক্লান্ত প্রশান্ত দেহে আনুভব করেছি . . . তোমার নিরব উপস্থিতি . . . বারান্দায়, চায়ের কাপে . . . শুনেছি তোমার কাকনের ঝংকার . . . বর্ষার বাদল ক্ষণে সুবাসিত হয়েছি . . তোমার ভেজা চুলের গন্ধে [বিস্তারিত শুধু তুমি জানলে না]
সময়ের হাত ধরে দেখতে দেখতেই সোনেলা ও সোনেলার বন্ধুদের সাথে কেটে গেলো একটি বছর । এক বছরেই সোনেলার সাথে বন্ধুত্ব হয়ে উঠেছে এক জনমের । কখন যে সোনেলার সাথে এতো নিবিড় ভাবে জড়িয়ে গেলাম, টের ই পাইনি । দীর্ঘ এক বছরে সোনেলার আঙিনায় ৯৯ টি পোস্ট প্রকাশ করেছি । হাজারের ও অধিক কমেন্ট পেয়েছি বন্ধুদের [বিস্তারিত সোনেলার সাথে এক বছর]
( সোনেলা ব্লগে এক বছর পূর্তি আমার, সকল বন্ধুদের অভিনন্দন ) কবিতার তুমিকে খোঁজতে গিয়ে আমি ঘুরে এলাম হিমালয়ের প্রান্তর তুমিতেই তুমি নেই, ধুসর মন্থর স্টোন ফরেস্টের চুঁড়ায় চোখ রাখি ধবল ঝাউ গাছের ন্যায় বর্নীল মনের গহীনে প্রকৃতি জাগে প্রাকৃতিক রীতি ধারায়, হিম আবরণে তুমি হীন গাঁথা গল্পে । দুর হতে ভেসে আসে ঢেউ [বিস্তারিত তুমিতেই তুমি নেই]
ঢেউয়ের স্তরে স্তরে সর্বনাশের বীজ দুর থেকে ভেসে এসে ভাংগে হাজার বুকের স্বপ্ন অন্ত পুরে হাহাকার নি:স্ব করিডোর বেলকনিতে শুকিয়ে থাকা বেলী ফুলের চারা । ঢেউ এর গর্জনের ন্যায় কেঁদে উঠে মন মনের সংগোপনে ভাংগনের অভিলাষে । আমি খুঁজে ফিরি আজও ঢেউয়ের অতলে হারিয়ে যাওয়া আমার স্বপ্ন কে ।
শোন নন্দনী কে তুমি রাখো খবর আমার উপর । কোন প্রাণের টানে ক্ষণে ক্ষণে সব কিছুতে বেঁধে দাও সময় এ কোন জনমের অনাদায়ী প্রণয় । একি শাষন, শোষন মনে হয় তারও আপন তোমায় কি নামে ডাকি কোথায় রাখি যতন করে প্রাণ ভরে অন্তরে মন্থরে ।। তোমার তরে আমার সমুদয় উজার [বিস্তারিত শুনো নন্দনী]
বালু চরে বইছে শরতের আকাশ মৃদু হাওয়ায় দুলছে কাঁশ ফুলের বুক ডানা ঝাপটিয়ে উড়ে বেড়ায় গাং চিলের দল মাঝির কণ্ঠে ভাটিয়ালী সুর সারি সারি পাল তোলা তরী ভেসে যায় দুর অভিসারে মেঘের ভেলায় ঢেকে যায় রবির মুখ শুভ্রতা ছড়ায় কাঁশ ফুলের পাপড়ী জেগে উঠে প্রকৃতি, কোমল ছোয়ায় এক বিকেলে তুমি এসো মেঘ বালিকা [বিস্তারিত এক বিকালে তুমি এসো]
পাশের বাড়ীর ঐ মেয়েটি নূপুর পড়ে হাটে তাতের বোনা শাড়ি পড়ে যায় নদীর ঘাটে । মাথার দু পাশে বেণী করা দীঘল কালো চুল লাল ফিতেতে বাঁধা তার কানে সোনার দুল । ডাগর চোখে কাজল মাখে দৃষ্টি বড়ই মায়া শান্ত নিবিড় চলন বলন যেন বটের ছায়া । মিষ্টি হাঁসে ঠোটের কোণে দৃষ্টি কাড়ে আমার যতই [বিস্তারিত ঐ মেয়েটি]
শহর জুড়ে বৃষ্টি এলো উষ্ণতার প্রহরে এক পশলা মন ভিজালাম নবীণার হাত ধরে । নাকের ডগায় বৃষ্টির জল বাড়িয়ে দেয় শিহরণ ভেজা চুলের গন্ধ মাখি অনন্ত নিঃশ্বাসে জাগে মন । মেঘ গুড় গুড়, মেঘ গুড় গুড় বৃষ্টি নামে জোরে জড়িয়ে ধরি নবীণার চিবুক শক্ত করে বাহু ডোরে । দেহ ভেজালাম, মন ভেজালাম বৃষ্টি গেলো [বিস্তারিত বৃষ্টি ও নবীণা]
নবীণা কখনো কি নিজেকে খুঁজেছো সদ্য ফোটা গোলাপে অগনিত মৌপোকার গুঞ্জণে সুবাসিত সংলাপে । নবীণা কখনো কি দেখেছো ভেবে দুর থেকে ভেসে আসা ঢেউ, সাগর তীরে বারে বারে দিয়ে যায় চুমি হারায় অতল গভীরে । নবীণা কখনো কি শিউলী কুড়িয়েছো দেখেছো কি তার বুকের ক্ষত ভোর হতে না হতেই তার স্বপ্নরা ঝরে [বিস্তারিত নবীণাকে বলছি]
শশী হীন ঘোর রজনীতে,পূর্ন অবকাশে… মৃদু মন্দ ভাবনার বাতাসে… অলস কর্ণে যদি ধ্বনিত হয় যত চেনা কন্ঠ ধ্বনি… শাঁখে না ফুটুক ফুল,বৃক্ষে পাতা… সবুজ মাঠ বর্নহীন,স্মরীয় এমনি…! সব গান সব প্রাণ তব দ্বারে… মিশে যায় যাক… তব রচিত গান প্রাণ স্বপ্নের দানে… চির সজীব থাক…! পথ ভুলে না হয় শুনেছো… পথিকের কন্ঠ ধ্বনি … [বিস্তারিত আমি তাই]
বরাবরই যাচ্ছে বেড়ে প্রতিদিনের নির্ভরতা ~ রোজ নামচায় নিচ্ছে কেড়ে সময়ের বারতা ~ আকাশ কেমন, মেঘ গুলো কি মেলছে তার ডানা ~ শরতের গোধুলী, কেমন সাঝে, তা ও হয় জানা ~ রান্না ঘরে চুড়ির আওয়াজ, টিপ কলে পড়া জল ~ সুর হয়ে বাজে প্রাণে, মুঠো ফোনের আদল ~ মেঘলা আকাশ, বিষণ্ণতায় ভার, একলা প্রহর [বিস্তারিত তোমার জন্য রোজ]
আজ কাল খুব বিষন্ন থাকি তোমাকে ভেবে ভেবে নিরবিচ্ছিন্ন ব্যস্ততায় ক্লান্তির অবকাশে প্রশান্তির নির্যাস পাই, প্রতিনিয়ত কল্পনায় তোমার উপস্থিতে । তুমিও খানিকটা বেপরোয়া হয়েছ বেশ যখন তখন হানা দাও, চিন্তায় চেতনায় সম্পূর্ণ আচ্ছন্ন করে রাখো তোমার মায়ার আঁচলে, ভালবাসার বৃত্তে ।
অনেক দিন হাঁসি না, প্রাণ খোলে ঠিক মনে নেই আজ, কতো দিন কতো মাস, কতো বছর, কত যুগ পেরিয়ে এভাবেই ভেসে আছি, হাঁসি হীন জীবনে, । কেউ আমায় নিয়ে যাবে, কাঁশ বনে শরতের হাঁসি মাখা প্রকৃতির কাছে তোমার হাত ধরে, কাঁশ ফুলের শুভ্রতায় মৃদু বাতাসে মন মাতাবো, কোমলতায় নির্মল হাঁসিতে ছুঁয়ে যাবো, কাঁশ ফুলের [বিস্তারিত কেউ আমায় নিয়ে যাবে ???]