টেপার মায়ের জ্ঞান (রম্য)

শুনছ তুমি টেপার মাতা লিখছে গুগল কি? চন্দ্রতে যে রাজরানী সে বিশ্বে এলে ঝি! কও কি ওগো টেপার বাবা সব পুড়ে হোক ছাই, চলো তবে আজ দু’জনে চাঁদের দেশেই যাই! টেপার বাবা বললো মোদের মিটবে কি সে আশ! সেথায় নাকি পুরুষ লোকের নেই কোন গেট পাস! আমি না হয় পরেই যাবো আসলে সুযোগ ফের, টেপার [বিস্তারিত টেপার মায়ের জ্ঞান (রম্য)]

সর্পের দর্প

কিনতে এসে ভবের হাটে স্বর্গ সুখের ধাপ, মনের ভুলে কিনছি শেষে মস্ত বড় সাপ। ভাবনু পুষে পায় যদি সুখ ভুলবে আপন রোষ, হোক বা কারণ অকারণে করবে না আর ফোঁস। বৃথাই আমার স্বপ্ন আশা স্বার্থে হয়ে বুঁদ, রোজ বসে সে আসল ফেলে কষতে হিসেব সুদ। চিনলো না শেষ সখ্য স্বজন আপনা কে বা পর, মত্ত [বিস্তারিত সর্পের দর্প]

রেখো মান

সব লোকই চায় সম্পদে তার যশ সুনামে গড়তে নিজের নাম, পদ চলনে কয় জনে দেয় একটু তাতে দীন দুখীদের দাম! আমরা তো ভাই সবাই মানুষ জন্মে পাওয়া জ্ঞান বিবেক আর মন, মাখলুকাতের জীব কি কোন আজ অবধি পাইছে এমন ধন! তবু মোদের মন গহীনে তুলছে যেন অন্ধ আঁধার ঘর, তাইতো সদাই ব্যস্ত জীবন স্বার্থ দিয়ে [বিস্তারিত রেখো মান]

উঠ খোকা!

উঠ খোকা উঠ দিচ্ছে আজান মসজিদে যাই চল! রোজ জামায়াতে পড়লে নামাজ বাড়বে মনের বল! শিখবি আদব ধৈর্যটা কি সখ্য কারে কয়! করবি মেনে খোদার হুকুম আত্মটাকে জয়! এই ধরা সব নয় রে খোকা থাকবি কয়েক দিন! যায় যদি তাই নিদ্রা হেলায় টানতে হবে ঋণ! ডাকবে যেদিন দূর দেশে ঐ থাকতে মালেক সাঁই! দেখবি সেদিন [বিস্তারিত উঠ খোকা!]

মুনতাহ মণি

মুনতাহ মোদের মণি, বাচ্ছা তো নয় দেখতে যেন আস্ত সোনার খনি! গর্বে কি নই ধনী! মুখ যদি হয় সদ্য গড়া ছোট্ট পুতুল ননী!! বাক চিতে সে বড্ড পটু বয়স যে তার তিন, গান গেয়ে সে নাচতে পারে ধিন তা না না ধিন। হাত দুলে তার নাগীন তালে বাজছে যেন বীন। বলতে পারে পদ্য ছড়া বেশ [বিস্তারিত মুনতাহ মণি]

কালের জালে

থাকবে কি কেউ অমর হয়ে জান্টু নদীর চরে? কাল যাবে কেউ একলা চলে কেউ বা কালের পরে। তবু যেন বিশ্বাসে মন পায় না খুঁজে বাসা, তাই খ্যালে রোজ নিত্য নতুন স্বপ্ন আশায় পাশা। আজ যদি যায় কালকে হেরে কাল ঠিকই যায় কালে, মন তবু ক্যান পরশু নিয়ে ব্যস্ত মায়ার জালে??

সত্তার মান

হোক না হেলায় জন্ম তোমার নয় তবু তা ভুল, পণ গড়ে নিজ মন গহীনে নড়লে না এক চুল। কাল যদি যায় পরের হিতে হোক তা গরম তীব্র শীতে দিন শেষে ঠিক দেখবে ভিতে চৌদিকে তার কূল। চাও যে দিকেই মিলবে তখন সদ্য সতেজ গুল। বাগ বলো আর পথের পাশে অল্প আয়ুর প্রাণ, রোজ ফুটে ফুল [বিস্তারিত সত্তার মান]

নবরূপে

উঠছে সনের নতুন রবি ঝরছে আশার আলো, এবার বুঝি কাড়বে ধেয়ে দৈন্য ভেদের কালো। গড়বে মানুষ স্বপ্ন আশা শুদ্ধ স্বাধীন বায়ে, খোশ খুশিতে ভরবে জীবন সাম্য সুখের ছায়ে। জব্দ হবে রোগ ব্যাধি সব দৃষ্টে সজীব ধারা, সখ্য প্রীতি ভাঙবে হেসে মন মানুষের কারা। ফুল ফসলে ভরবে জমি হাসবে শ্রমীর আঁখি, নাচবে তরু ঝির ঝিরে বায় [বিস্তারিত নবরূপে]

দুঃখ পাব না

মহাজ্ঞানী নই তবুও সদাই হামবড়া ভাবে থাকি, রূপকার নই তাতে কি হয়েছে হৃদয়ে তো ছবি আঁকি! গান শুনে যদি তৃপ্তিতে কেউ কৌতুক ভেবে বসে, কি বা দোষ তাতে খুঁজলে আসন পেতে শ্রেষ্ঠর দশে! তানপুরা ভেবে নাই বা বললে মিঠা সুস্বাদু বেল, দুঃখ পাব না যদি দেখি নেই তোমার দু’হাতে তেল। তানপুরা > শোভাবর্ধণকারী দেখতে এক [বিস্তারিত দুঃখ পাব না]

ঠাঁই

তুলছে কতো অট্টালিকা করতে পূরণ স্বপ্ন মনের আশ, কেউ খেয়ে রোজ মণ্ডা মিঠাই ঘোর নিদেও ফেলছে সুখের শ্বাস। তাই বলে কি গরীব দুখী কষ্টে শুধু চলছে টেনে দুখ? জীর্ণ ঘরেই মিলছে ওদের তুষ্টিতে বেশ আত্ম জয়ের সুখ। সবাই যখন সুখ সু’আশে হোক না কাজে জপছে আলেক সাঁই, নিভৃতে কেউ খুঁজছে তখন কর্মতে তার মন মানুষের [বিস্তারিত ঠাঁই]

শীতের রস (রম্য)

টস টসে ভরপুর দেখলেই জাগে সুর খেজুরের রসে ডোবা আহা কি যে মিঠা! হিম হিম পিঠা।   দাদু খায় দাদী চায় নাতি মুখ চটকায় আরো দাও বলে যদি দেয় খুক কাশি, কেউ ঢাকে হাসি।   কুহেলীর আড়ে বসে সকলেই মিলে মিশে কি যে মজা কাঁচা রস ভাগে খেতে মেপে, ঠক ঠক কেঁপে।   শীতের এ [বিস্তারিত শীতের রস (রম্য)]

আবেগের ফল

শৈশব কালে পাখির পালক রেখে বইয়ের ভাঁজে, বিশ্বাসী মনে বুক বাঁধিতাম আশা নিয়ে ভোর সাঁঝে। দাদু বলিতেন বারে বারে দিয়ে ফোকলা দাঁতের হাসি, ভাবিস নে ভাই ঠিক একদিন বেড়ে হবে রাশি রাশি। কৈশোর গেলো যৌবন গেলো রাখিনি তো কভু খোঁজ, এরই মাঝে কতো বিশ্বাস গেলো করে অকাতরে ভোজ। আজ বসে দেখি জীবনের শেষে খুলে বইয়ের [বিস্তারিত আবেগের ফল]

কাব্য জয়ের রণ

মনটা আমার ছোট্ট পাখি দিন রজনী মেলে আঁখি বুনতে সদাই আশ, কল্প লোকের শুভ্র দেশে রোজ গিয়ে সুর ছন্দ বেশে স্বপ্ন করে চাষ। লিখবে বলে মনের ভাষা বুক ভরা বেশ স্বপ্ন খাসা নেই যেন তার শেষ, দেয় না বলে শব্দ ধরা ভাবনাটা হয় উদাস খরা বাও লিলুয়ার দেশ। যায় তবু কি স্বপ্ন ভুলে! উদ্যমে নেয় [বিস্তারিত কাব্য জয়ের রণ]

বাংলার রূপে

জন্ম আমার তোর কোলে মাগো প্রকৃতির রূপে সদা চঞ্চলা প্রাণ, আবেশিত সুখ আকাশে বাতাসে গলে মুখে তাই জীবনের জয়গান। মন ছুটে যায় সবুজের ক্ষেতে কাস্তে কোদালে সেজে গরবের চাষী, রাখালী বেনুর ডাকাতিয়া সুরে বৃক্ষ শাখায় কখনো হয়ে উদাসী। বিচিত্র রূপে জাগে শিহরণ উছল হাসিতে ডেকে মমতার বান। ঘন বরিষণে নামে যদি ঢল স্বপ্ন বেড়ায় নৌকা [বিস্তারিত বাংলার রূপে]

খুকির ঘুম

কোথা গেলি সোনা খুকি কেমনে রইলি লুকি সারাদিন বসে থাকি উঠোন বাতায়, তোর কি হয়েছে রাগ নয় অভিমান কখন আসবি ফিরে আঁচলের ছায়? খেলার সাথীরা এসে কেঁদে কেঁদে রোজ, আকুল ব্যাকুলে তোর সদা করে খোঁজ। বানিয়ে বালির ঘর করে ওরা ধড়ফড় কখন ফিরবি বাড়ি এই আশা নিয়ে। তুই না ফিরলে বাড়ি মহা ধুম ধামে কেমনে [বিস্তারিত খুকির ঘুম]