শীতের নদী

 

ভেবে রেখেছিলাম
সাঁতরে পেরুবো শীত-নদী, ডুব সাঁতারে,
বৃথা গেল সে-সব-ভাবনা, নিমিষে;

রাত-ভোরের শীত-নদী উপছে-পড়ে ডাকেনি;
এই দুপুরের মিষ্টি রোদে পিঠ এলিয়ে ভাবি,
ঠিক উৎরে যাব এবার, বিষণ্ণ-প্রাণের গহীন-নদী;

না-পূরনের এই জীবনে শীত –নদী
নদীতে-ই ভেসে-ভেসে গেল, অলংকারের স্ফটিক চোখে,
বেজোড় জীবনের তপ্ত রোদে গা মেলে
জোড়া-শালিক-শিসের উজ্জ্বল উষ্ণতার খুনসুটি
আর আসে না ভেসে এই শীত-শীত-ভোরে;

তাসকিন (ক্রিকেটার) বলে……
‘জীবনে আবেগের খাওয়া নেই’;
শীতে শীতে বেঁচে-বর্তে আছি, পর্বতবাসী হয়ে,
অচ্ছিন্ন নৈসর্গিকতায়, এইতো বেশ আছি, এইতো ঢের;
রূঢ় নীরব-নিঃশ্বাসে, কাচে আঁকা উষ্ণতার অপেক্ষা,
বিশ্বস্ত রক্ত-ধমনীর।

ছবি………অবশ্যই নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ১,২১৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৮টি মন্তব্য

    1. তাসকিনের কথার অর্থ (আমি ভাবি) ভালোবাসা বলে কিছু নেই,
      এ লেখায় ও তাই-ই আছে, তবে ভালবাসা নেই তাও বলা যাচ্ছে না!
      এখন আর একবার পড়ুন।
      শীত সখ্যতার কথা আছে, আবার রোদে পিঠ মেলে দেয়ার কথা ও আছে!
      আর একবার পড়ুন। ভালো লাগবে। বাজি রাখলাম।

      1. আর কী সারমর্ম থাকবে! সব ই তো লিখে দেয়া হয়েছে।
        ভালবাসা আছে, ভালবাসা নেই। এই ই বলতে চাওয়া।
        আপনার কী মনে হয় পড়ে পড়ে!

        বুঝছি! আপনার মন্তব্য নিয়েও একটি লেখা লিখতে হবে!

  1. আপনার কি মধ্য রাতে নিয়মিতই ঘুম ভেঙ্গে যায়? নাকি ঘুমানো শুরুই করেন মধ্য রাতের পরে? নাকি শীতের নদীতে ভেসে শীতকে উপভোগ করবেন বলে জেগে উঠেন?

    1. যাক মন্তব্য পেলাম অবশেষে! দু’বাক্যের। আগে দু শব্দের লিখতেন। ধন্যবাদ।
      আপনি ভাল লেখেন কিন্তু মন্তব্যে দারুণ কৃপণ!

      1. ভাইয়া আমি এমন কোনো লেখক হইনি অন্যের লেখার মন্তব্য করবো । যেটুকু বুঝি , মনে হয় তাই দিয়ে ধন্যবাদ জানাই । বেশী কিছু লেখার দুঃসাহস করিনা।

  2. লেখায় যে তাসকিন সাহেবকে নিয়ে এসেছেন সে যদি তা জানতো! একজন কবি তাকে কবিতায় নিয়ে এসেছে এটি সৌভাগ্যের বিষয় কিন্তু!

    আমাকে নিয়ে কেউ দু’লাইনই লিখলোনা কোনদিন। শীতের মিষ্টি রোদে বসে না হয় কবিতাখানি পড়তাম।

    1. আমার থেকে কোটি গুন বড় কবি/লেখকরা তার কথা বলে, তাই এটি কোন ব্যাপার না।
      আহা আহা! কথা দিচ্ছি না। মনে থাকবে। শীতের মিষ্টি রোদের কথা মনে থাকে!

    1. ধন্যবাদ,
      তবে লক্ষ্য করলাম আপনি এমন দু’শব্দে শব্দে মন্তব্য করেন। কিন্তু ব্লগে এটি কোন মন্তব্য না।
      আপনি কিছু লিখে সে যেটুকুই হোক মন্তব্য করবেন। আপনি কী চাইবেন আপনার লেখায় কেউ গিয়ে এমন দু’শব্দ মন্তব্য দিক।

  3. তাসকিন (ক্রিকেটার) বলে……
    ‘জীবনে আবেগের খাওয়া নেই’;
    শীতে শীতে বেঁচে-বর্তে আছি, পর্বতবাসী হয়ে,
    অচ্ছিন্ন নৈসর্গিকতায়, এইতো বেশ আছি, এইতো ঢের;
    রূঢ় নীরব-নিঃশ্বাসে, কাচে আঁকা উষ্ণতার অপেক্ষা,
    বিশ্বস্ত রক্ত-ধমনীর।

    এই তো বেশ আছি……… শেষ লাইন……
    বিশ্বস্ত রক্ত-ধমনীর……..
    উপলব্ধি করলাম, কিন্তু মন্তব্য গুছিয়ে দেবার মতো শব্দ খুঁজে পাচ্ছিনা।
    শীতভোরের রোদের পিঠে এলিয়ে দিয়ে নিজেকে কেটে যাক বেলা-অ-বেলার এই বেশ থাকা।

  4. মন্তব্য পড়লাম আবার কবিতা পড়লাম কিছুই বুঝলাম না মাথার উপড়ে দিয়া মনে হয় শীতের প্রকোপ যাচ্ছে সব বরফ হইয়া আছে আবার আজ একটুখানি সূর্যের উকিঁ পাইয়া রোদ মাখলাম ক্ষণিক শীত বিদায়ে। খুব ভাল লাগল।কবিতা পইড়া শীত গেছে চলিয়া।
    শুভ কামনা রইল ভাইজান তয় এই শীতে সাতার কাটতে পারেন নাই তাতে আমি মহাখুশি।জল যেই ঠান্ডাগো ভাইজান।

  5. ভেবে রেখেছিলাম
    সাঁতরে পেরুবো শীত-নদী, ডুব সাঁতারে,
    বৃথা গেল সে-সব-ভাবনা, নিমিষে;…..

    মনে মনে এতো কিছু ভেবেছেন! মনের নদী ডিঙিয়ে যেতে সাতার/ ডুব লাগে নাকি!! উড়েইতো যাওয়া যায়। কল্পনার ডানা আরেকটু মেলুন, উড়াল দেয়া বেসম্ভব না 😀😀

    1. ভাবনায় তো কোন খাটুনি নেই,
      তাই ভেবে যাই ক্রমাগত না-ভাবার ভাবনাগুলো।
      ডানায় সমস্যা আছে, উড়াউড়ি নিষেধ, দাক্তারের কইয়া দেছে!

মন্তব্য করুন