মা তুমি দিয়েছ পরিচয় মাতৃত্বের,
মাতৃত্বের পরিচয় রক্ষার দায়িত্ব নিশ্চিত তোমার।
মা তুমি করেছ পিতৃ হত্যার বিচার,
এবার করবে সন্তান হত্যার বিচার।
দেখব জানব, বুঝব তোমারি পণ, হযরত উমরের ন্যায় কঠিন মন্ত্র হোক তোমারি মন।
এই দেশ তোমার, এই দেশ সারা বাংগালীর।
খতম কর সকল মীরজাফর যারা আছে লুকিয়ে নিজ দলের অভ্যন্তরে। যেন না দেখি বিকাশ হত্যার ন্যায় বিচার না কাদে, যেন না দেখি সাগর রুনির ন্যায় বিচার বন্ধ হয়, যেন না দেখতে হই হাজার মায়ের কান্না।
মা তুমি হও কঠর থেকে কঠর দেশের তরে। তুমি রক্ষা করবে বাংগালিএর মান, এই বিশ্বাস থাকে যেন প্রাণে। এই অংগিকার থাকে যেন মান সকল আওয়ামীলীগ সমর্থকদের । মা রাখ মান সমর্থকদের, এই আর্জি আমার মত হাজার মানুষের। মাতৃমুক্তি পণ থাকে যেন তোমার।
দুখিত এই কারণে যে, আমি পোস্টি খসড়াই রেখেছিলাম কিন্তু ব্লগ সঞ্চালক দুইবার আবার পোস্ট করেছে। আমি না দেওয়ার কারন আমি মোবাইলে লিখতে অভ্যস্ত নই। অনেক বানান ভুল হচ্ছে তার জন্য পোস্ট দিয়ও খসড়াই রেখেছিলাম। অফিস ফাকে এই টুকু সময় চুরি করলাম।
একজন মমতাময়ী নেত্রীর মুখে এমন কথাই মানায়। এই হত্যার বিচার অবশ্যই হবে।
মমতাময়ী নেত্রীর মুখে এমন কথা মানায়।
এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার আমরা চাই।
মমতা ময়ী আর দেখতে চাই, খড়গ হাতে ফুত তাড়াতে দেখতে চাই।
সাব্বাস,,,বিচার হবেই তবে
জানিনা কি হবে সে আশায় বুক বেধে রই।
উনি শুধু নেত্রীই নন। একজন জননীও।
মা রুপে নই, খমতার ঝাফটি তুলে আঘাত চাই, অত্যাচারিদের উপর এই হোক পণ।
একজন রাষ্ট্র প্রধান হিসেবেই নন, একজন মা হিসেবে বিচার চাই এমন হত্যার।এ হত্যা যেন জাতির বিবেকের হত্যা। মেনে নেয়া যায়না এমন মর্মান্তিকতা।
আমিও চাই,
শ্রদ্ধা জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে।
শ্রদ্ধা করি করব কিন্তু বিচারের নামে প্রহসন হলে জনগন খুব কস্ট পাবে।
আমরা দেশের আমজনতা হিসাবে এটাইচাই।
হ্যা কথার বলখেলাপ যেন না হই। এই ইচ্ছা পোষন করি।
মমতাময়ী নেত্রীর মুখে এমন কথা মানায়।
শ্রদ্ধা রইলো মমতাময়ী নেত্রীর প্রতি।
এই হত্যার সুষ্ঠু বিচার আমরা চাই।
হ্যা বিচার চাই
পরিপূর্ণ আস্থা নিয়েই আমরা অপেক্ষা করব।
তাই ইক্সচ্ছা আল্লাহ যেন ইচ্ছা রাখার শক্তি নেত্রিকে দেন।
তাই যেন হয়ে।
বিচারের বানী যেন নিভৃতে না কাঁদে। এটাই কামনা!
সেটাই চাই।
কয়টা ঘটনা তিনি নিজ হাতে বিচার করবেন? আজ আরবার মারা গেছে বলে তার বিচার তিনি নিজে নিশ্চিৎ করবেন তাতেই কি সমস্যার সমাপ্তি ঘটবে? প্রতিনিয়ত যে বিশ্ব বিদ্যালয়গুলোতে সাধারন ছাত্রদের যারা রাজনিতী করেন তারা রাজনৈতিক নামধারী ছাত্রদের অত্যাচার নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন তার প্রতিকারে কি কোন স্থায়ী সমাধান তিনি নিবেন?
কিছুই হবে না
দিন শেষে দেখবো সবই ফানুস সবিই মন ভুলানো একটা ঘটনার আড়ালে আরেকটি ঘটনার উপস্থিতি।এক সময় ভুলে যাব যেমনটি এর পূর্বেও ঘটেছিল।
কোন বিচারই তাঁকে নিজ হাতে করতে হবেনা, শুধু দালাল থেকে সতর্ক থাকলেই হবে। মীরজাফর থেকে দূরে থাকতে হবেই। না হলে খন্দকার মোস্তাকের ন্যায় হাজার মোস্তাক আবিরভাব হবে, তখন কেই পাশে নাই নাই নাই।
তাই যেন হয়। এ দেশে একমাত্র ভরসা করার মত শুধু এই একজনই আছেন।
তার উপরেই ভরসা। মনির ভাই
সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ বিচার চাই
হ্যা তাই চাই।