সকাল-সূর্য লুকিয়েছে মেঘের আড়ালে, অনেকক্ষণ,
দূর গ্রহের মত, অনুপস্থিত আলোজ্বলা-ক্রিস্টাল-দৃষ্টি,
ফেলে রেখেছে ফেরারি বাতাস;
চাঁদ-জ্যোৎস্না নিখুঁত ভাবে জ্বেলে দিয়েছে
সবটুকু আলো, লজ্জা লুকিয়ে,
উপচে পড়া উন্মুক্ত পূর্ণ পান-পাত্র দিয়েছে ঠেলে সম্মুখে,
গড়িয়ে যাচ্ছে ফোটায় ফোটায় জালায়তনে।
শরীরী রেখায় স্পষ্ট নয় বিন্দু মাত্র, নয় কণ্ঠের সজ্জা-রেখায়,
দূরত্বের বনানী বিস্ময় ঘোরে স্তব্ধতার মানচিত্র আঁকে।
নির্ঘুম স্বপ্ন-রাত দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়
ক্ষয়হীন তুচ্ছ গৌণতার তোড়জোড় সুদূরে মিলায়।
ফু দিতে থাকা বাতাসে, প্রজাপতি ডানার রঙ-চমকে,
সকাল-সূর্য উঠবেই।
জীবাশ্ম থেকেই মায়ার জীবন, জীবনের মায়া, ছুটে ছুটে আসে,
নুড়ি থেকে পাথর, পাথর থেকে পর্বত, ধীর স্থির দাঁড়িয়ে থাকে,
নীলাকাশের দিকে অধীরার অপলক চোখে;
নিকুচি করা স্খলিত বিষের দাহ দ্রবীভূত হয়ে ডুবে থাকে।
২৯টি মন্তব্য
রিতু জাহান
প্রথম।
হাজিরা দিয়ে গেলাম।
ছাইরাছ হেলাল
অভিনন্দন, আপনাকে।
পাচ্ছি না, এখানে মনের মত করে।
রিতু জাহান
খুব বেশি চেষ্টা করি। একলা সব দিক সামলে চলি।
টিচার, ডাক্তার সংসারের পিছনে এক পা চলে।
একান্ত যেটুকু সময় তাতে ক্লান্তির ছাপ বড়।
শব্দরাও দ্রুত দৌড়ায়।
তাতের পিছনে দৌড়ানোর শক্তি কমে গেছে মনে হচ্ছে।
মন তবু পড়ে থাকে এমন সব শব্দের মায়ায়।
ছাইরাছ হেলাল
দূর্গা হয়ে সামলাবেন সব কিচ্ছু, আমাদের-ও।
আল্লাহ আপনার সহায় হবেন।
রিতু জাহান
প্রজাতির ডানায় রঙ মেখে সূর্য উঠে। ঠান্ডা চাঁদ গুটিয়ে যায়।
সন্ধ্যায় প্রসারিত হয় স্নিগ্ধ আলো
ছায়াতরু দাঁড়িয়ে রয় ঠান্ডা চাঁদের অপেক্ষায়।
নির্ঘুম রাতের পরিমাপ জানে রাত জাগা পাখি।
অথবা এ চোখ।
গুল্ম লতার বিছানা পেতে বসে থাকে ঝিঁঝিপোকা।
এ গান সে গান সকল গানের আসর জমে তারার আলোয়।
,,,,,
ছাইরাছ হেলাল
আমার লেখার জায়গা কৈ!!
সময় চাই।
রিতু জাহান
সময় কেনো একটু থমকে থাকে না। যেখানে আমি শুধু চলতাম,,
অপেক্ষা,,,,
ছাইরাছ হেলাল
আবার ও থমকে যাবে সময়,
আমরা আবার আমরা হবো।
নীরা সাদীয়া
প্রকৃতির বর্ননার ভেতর লুকিয়ে রয়েছে নিগূড় রহস্য।
ছাইরাছ হেলাল
আপনি ঠিক বলেছেন, প্রকৃতি-ই অপরূপ রহস্যের আধার।
ধন্যবাদ।
মাহমুদ আল মেহেদী
প্রকৃতির ভেতরের জীবন কি যে সুন্দর করে ফুঁটিয়ে তুলেন। আবাক হয়ে যাই মুগ্ধতায়।
ছাইরাছ হেলাল
প্রকৃতি আমার লেখার ও ছবি তোলার অনেকটি জায়গা জুড়ে জেঁকে বসে আছে।
মোঃ মজিবর রহমান
এতো এতো লেখেন ক্যামনে ভাইজান।
জীবন রহস্য ভেদিয়া, জিবাশ্বা ভাবনা।
অধীর আরো অধীর ধীর পদে ভেদিয়া
ছায়া তরু বৃক্ষ লতা জীবনবোধ কি না করুণ চাহিয়া।
আমি রহিলাম পিছনে পরিয়া।
ছাইরাছ হেলাল
নাহ্ আপনি পিছনে পড়ে নেই, আমাদের সাথেই আছেন,
আর সাথে আছেন/থাকেন বলেই মনের ভাব প্রকাশ করতে পারছি।
কৃতিত্ব আপনাদের সবার।
মোঃ মজিবর রহমান
আপনাদের মাঝে থেকে আনন্দ অনুভব করি ভাল থাকার চেস্টা করি বস। এটাই বড় ত্রিপ্তি।
ছাইরাছ হেলাল
এখানে তো আমরা আমরাই।
শুন্য শুন্যালয়
কএকবার পড়েছি, তবুও যেন কঠিন কঠিন লাগছে।
কবি কি কোন দূরত্বের প্রেমে পড়েছেন? একেবারে বিষ-দাহ মানে যন্ত্রণায় জ্বলেপুড়ে মরা।
এক আধদিন মুখ লুকালেই এমন আশাহত হওয়া যাবেনাতো। সূর্য-সকাল অলিখিত কবিরই থাকে।
সৌন্দর্য্যের মাত্রাটা কিন্তু স্তব্ধ করার মতই ছিল, কবির লেখায়।
ছাইরাছ হেলাল
ইট্টু মাথার উপ্রে দিয়া নিছি, ইচ্ছে করেই।
তবে কঠিন কিচ্ছু না, ধরিয়ে দিলে মন্দ লাগবে না।
প্রেম তো থাকেই, সেটি কিনা এখনই বলছি না, বলবো অবশ্যই। আপনাকে না বললে হবে!!
দেখুন আপনার জিসান ভাউ মুখ লুকালে হাউকাউ তো করতেই হয়।
শেষটুকু আর একবার বেশি লিখে দিলে পারতেন।
নিশ্চিত আমি বলে দিলে, আর একবার আপনি ভাল বলতে বাধ্য!!
ছাইরাছ হেলাল
প্রথমে আছে আলোর প্রত্যাশা সূর্যের কাছে, যা আমরা সবাই চাই, এবং তা না পেয়ে বিষাদ।
দ্বিতীয়, এখানে চাঁদ সবটুকু জ্যোৎস্না মেলে বসে আছে অপেক্ষায়, কাউকে পাচ্ছেনা, বিষাদ।
তৃতীয়, বন বা প্রকৃতি, দূরে বসে দুপক্ষের অপেক্ষা লক্ষ্য করছে,
চতুর্থ, নির্ঘুম থেকে আশাবাদী হয়, অপেক্ষা, বিষাদ,
পঞ্চম, জীবন তিল তিল করে গড়ে ওঠে, প্রত্যাশার হাত বাড়িয়ে আকাশ ছুঁতে চায়, পায় না, বিষাদ।
এখানে প্রকৃতি নারীর রূপে, ‘অধীরা’ শব্দ ব্যাবহার করে তা বোঝানোর চেষ্টা হয়েছে।
জীবন প্যারা ময়!!
আর যা আছে তা থাক। এবার আর এক বার পড়ুন।
এখানে প্রশ্ন হতে পারে এত্ত সব মাথায় রেখে লেখক লেখে? জি ভাইয়া, ল্যাহে।
সাবিনা ইয়াসমিন
দূর–সীমান্তের নীলিমায়
পুঞ্জিভূত মেঘের স্তব্ধতায়
বিন্দু–বিন্দু জল–কণায়
নীল–কালো আর কালো–সাদায়,
বিষাদের মূর্ছনায় নীলকন্ঠের অমৃত পানে
ধুয়ে যায় নীলাকাশ, বারি ঝরা আল্পনায়..
ছাইরাছ হেলাল
কী বিপদ!!
এত্ত ভাল লেখা ঠিক না,
মূল লেখাকে ছাড়িয়ে গেছে বলছি না, তবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
এর কী উত্তর হয় জানি না।
সাবিনা ইয়াসমিন
মানে কি ? এটাকি মঙ্গোলিয়ান ভাষায় লিখেছি !!
ছাইরাছ হেলাল
মঙ্গোলিয়ান হলে বুঝতাম, নিশ্চিত এটি হিব্রু ভাষায় লেখা,
যা আমার মাথার উপ্রে দিয়ে গেছে!!
জিসান শা ইকরাম
কিছুটা কি বিষাদ!
অথবা ক্লান্ত!
না কি আমার বুঝতে না পারা?
ছাইরাছ হেলাল
আসলে উপরের মন্তব্য পড়লে বুঝতে সাহায্য হতে পারে।
তৌহিদ
একটুনা ভালোই মাথার উপ্রে দিয়ে গেলো। আমি এখন আর কবিতার জবাব কবিতায় দেইনা, পারিইনা আর দিব কি? একজনকে দিয়েছিলাম, দিসে ঠাস করে বসাইয়া। সেই থেকে আমি নীরব।
আমরা অনেক কিছুই চাই, তবে না পাওয়ার বিষাদ ব্যাখ্যা উপরে আপনার মন্তব্যে পেয়েছি।
এমন কঠিন কবিতা লিখলে খানিক ভেঙে অর্থ করে দিলে আমার মত অ কবিদের বুঝতে সুবিধা হয় ভাইজান।
ছাইরাছ হেলাল
এতো পাঠকের ব্যাখা,
লেখক্কে চুলোয় রাখছি, সে মনে আরও কিছু কইছে, গোপনে।
অবশ্যই পাঠকের আলোচনা জারি থাকবে।
ব্লগার সজীব
লেখায় এত বিষাদ কেন ভাইয়া? বিষাদ ও অনেক সময় সুন্দর হয়।
ছাইরাছ হেলাল
জীবন এক মুঠো বিষাদের স্তুতি।
তা উঠে আসে লেখায়।