এই রাত কেটে গেলে কাল বেলা ভোর হলে আসবে নিয়ে নতুন প্রভাত নতুন দিবাকর। নতুন ভোরে নতুন আলোয় নতুন ফুলের সুরভি মেখে নতুন করে সাজবে আবার সাজবে এ বসুন্ধর। আঁধার পথের মাঝে বসে উল্টো দিকে হাত বাড়িয়ে আলোর খোঁজে ছুটছি মোরা ছুটছি এ জীবন ভর। কে দেবে এ পথের দিশা আলোর পথে কাটবে নিশা সম্মুখ [বিস্তারিত প্রত্যাশা – ১]
ট্যাগ মানিক পাগলার কবিতা
ভুলে যাওয়ার মত করেই মনে রাখি, হারিয়ে যাই তবু বারবার ফিরে আসি। আজন্ম কষ্টের সাধ নিয়েছে যে জীবন, তারে লয়ে বেঁধেছি ঘর দেখেছি স্বপন। এমন তো চাইনি আমি বিদ্রোহী সুখ, অবাধ্য হৃদয় বারে বারে খোজে সেই প্রিয় মুখ। (১৩/০৫/২০১৩ – রাত ২ টা ১১ মিনিট পায়রার খোঁপ, জিগাতলা, ঢাকা – ১২০৯)
প্রেমের সাগরে ডুব দিয়ে কবি করেছিল ভুল, প্রেমিকার জন্য ছিড়েছিল একটি তাজা ফুল। হৃদ স্পন্দনে জপেছিল প্রেমিকার নাম, মুর্খ প্রেমিকা বুঝেনি কখনো সত্য প্রেমের দাম।
নিশ্চুপ মন হাহাকার করে এদিক সেদিক চায়, সামনে বার্ধক্য পেছনে তারুন্য বর্তমান খুজে না পায়।
নিঝুম রাতের দিকে তাকিয়ে খুজেছি তোমায় কালো অন্ধকারের মাঝে, বিশাল বাংলার দিকে তাকিয়ে খুজেছি তোমায় পল্লীর ভাজে ভাজে। প্রিয়ার দিকে তাকিয়ে খুজেছি তোমায় তার মুখ ভরা লজ্জায়, মায়ের দিকে তাকিয়ে খুজেছি তোমায় তার কোমল শুভ্রতায়। আকাশ যেন নীল প্রান্তর জুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিল তোমার বারতা, আসবে তুমি চৈত্রের শেষে একটু মুচকি হেসে গোপনে বলেছিল আমায় রক্তিম [বিস্তারিত বৈশাখ]
কেমন আছে নচিকেতার “নীলাঞ্জনা” অঞ্জনের “বেলা বোস”, “মেরিয়েন” আর “রঞ্জনা” কেমন আছে পার্থর “সুস্মিতা” আর শাফিনের “হৃদয়হীনা” “নীলা” কোথায় চলে গেছে জেমসে সব “সুখের শারথী” সেই পথে নিভে গেছে “বিজলী”র বাতি হাসান কি এখনো ভালবাসে “চন্দ্রীমা”কেই “সুইটি” তো কেঁদে কেটে চলে গেছে অনেক আগেই মাকসুদ কি আজো জানতে পেরেছে কারে ভালবাসে তার “মৌসুমী” মিজানকে স্বপ্ন [বিস্তারিত বড় বড় শিল্পীদের বিখ্যাত গান নিয়ে মানিক পাগলার সামান্য আয়োজনঃ কে কোথায়, কেমন আছে???]
কে গো ঐ দক্ষিন দুয়ারে দক্ষিনা হাওয়ায় উড়ায়েছ শাড়ির আঁচল তবে কি তুমি দিয়েছ ভরে ভালোবেসে মোর হৃদয় অতল করেছ আলো মোর দুয়ারে কে তুমি, কোন রূপরানী ছড়ায়ে দিয়েছ স্বর্গ শোভা কে তুমি, কোন সুহাসিনী এসেছ অবেলা মোর দুয়ারে কে তুমি, সুমন্দ ভাষিনী আসিলে ছাড়িয়া নন্দন কানন কে তুমি, হে নন্দিনী ???
একদিন- অনন্ত নক্ষত্র আকাশ আর সূর্য সীমানা পেরিয়ে শৃংখলার শিকল ভেঙ্গে আরো কাছে এসেছিলাম। ভরা পূর্ণিমায়- আকাশ ভরা মিথ্যে আলোর রূপালী আভায় একটু সুসময় চেয়েছিলাম। আমার ভাল থাকার পুরোটা প্রহর জুড়ে একটু সুসময় চেয়েছিলাম তোমায় মিথ্যে বলে।
নগ্ন পৃথিবী, নগ্ন সমাজ নগ্ন এ জীবন ধারা, ভদ্রতার মুখোশে মোড়া। ভালবাসার আড়ালে থাকে স্বার্থের টানাটানি, ভালবাস কি না বাস স্বার্থটা আগে জানি। ভালবাসার মুখোশ পড়ে আবেগের অভিনয়, মুখোশের আড়ালে ভালবাসার নগ্নতা বিষাদময়।
আমি পৃথিবীর আদর্শে মানুষ হয়ে বাঁচবো না আর, ছোঁবো না পাহাড়-মরুভুমি আর সাগরের ঢেউ, চাঁদের আলোয় ফেলবো না আর দীর্ঘশ্বাস, তারার চাঁদর মুরি দিয়ে আর ঘুমাবো না খোলা আকাশের তলে, অমাবস্যার আঁধার ছুঁয়ে আর কখনো পথ খুঁজবো না, পৃথিবীর আদর্শ ধরে নিজেকে আর কখনো মানুষ বলব না। যে মানুষ বৃত্ত আঁকে পরধির ভেতরে বসে, আমি [বিস্তারিত অনঙ্গ মানুষ]
ছুঁয়ে থাকা সবুজে বন্ধুত্বের আহ্বান, বন্ধু ছাড়া মিছে আনন্দের অভিযান।
আমার ধমনী শিরায় বয়ে চলা অনুভুতি গুলোর আর্তনাদ শুনি রাত্রির নিরবতায় আঁধারের বুক চিরে ভেসে আসে পলাতক হৃদয়ের করুন আর্তনাদ সুখ নয় দুঃখ নয় কোনো তৃতীয় অনুভুতি এসে আঘাত করে মস্তিস্কে ধমনী শিরায় বয়ে চলে হৃদ স্পন্দনে কম্পিত হয় প্রতিটি নিউরনে অচেনা নাম না জানা অনুভুতি গুলোর করুন আর্তনাদ
বাংলায় লিখি বাংলায় পড়ি বাংলায় গান গাই, প্রানের আবেগে মনের কথা বাংলায় বলে যাই। মায়ের মুখেই শিখেছি প্রথম বাংলায় কথা বলা, সেদিন থেকেই আমার শুরু বাংলায় পথ চলা। বাংলাতে মোর তৃষ্ণা মেটাই মেটাই যত ক্লান্তি, বাংলা ছাড়া অন্য কোথাও নেই যে এত শান্তি। বাংলার তরে দিতে হয়েছিল অনেক ভাইয়ের প্রান, তাদের জন্য লিখে যাই আজ [বিস্তারিত বাংলার গান]
অর্থহীন এলোমেলো কিছু শব্দের ভাল লাগা হারায় হৃদয়ের গহীন অরণ্যে হৃদয় পথে খুজি শব্দের পদচারনা অলিন্দ নিলয়ে ধমনী শিরায় বয়ে চলা লোহিত তরলে
আজ তোদের কথা অনেক বেশিই মনে পড়ে, ভেসে গেছে সকল আবেগ বাস্তবতার নীরব ঝড়ে। ক্যাম্পাস মুখরিত ছিল আমাদের কোলাহলে, নির্বাক ছবি সজল নয়নে স্মৃতির কথা বলে। ব্যস্ততায় ছিলি তোরা অবসরেও সঙ্গী, তোদের ছেড়ে এখন আমি বাস্তবতার জালে বন্দী। ভাল থাকিস তোরা সবাই দুঃখ থেকে দূরে, শত ব্যস্ততার কোলাহলেও যেন সুখের বৃষ্টি ঝরে।