কলিজাহীনা

আমি দেখিয়াছি সে নরক, আমি চাহিয়াছি তোর মুখ মুহূর্তমাঝে ধুইয়া সাফিয়া ধূলিসাৎ হয় সুখ যায়রে ফাটিয়া তব ধমনির শিরা তুই কলিজাহীনা রুদ্র ধরণীতলে বীণা বাজে গর্জিয়া ঝংকার মোর মাঝে বাজে কাঁকন সুরে ব্যাথা মম আত্মার   অগ্নিতপ্ত অনল অশনে পুড়িয়া যে অঙ্গার জীবন-মৃত্যু ,সুধা-গরলের ফারাক পড়ে না আর   বুঝবিরে তুই খুঁজবি রে তুই ঊর্ধ্ব [বিস্তারিত কলিজাহীনা]

আমি মানুষ

ছদ্দবেশেও মানুষ আমি স্ব-বেশেও মানুষ বাঘের মুখোশে ভয় দেখালেও আমি মানুষ কবি হয়ে কবিতা লিখলেও আমি মানুষ পথিক হয়ে পথ চলেও আমি মানুষ আনন্দের আতিশয্যেও আমি মানুষ কষ্টের বোঝা কাঁধে নিয়েও আমি মানুষ আমি মানুষ চিৎকার করে বললেও আমি মানুষ না বললেও আমি মানুষ সন্ধ্যে বেলায় ঘরে ফিরলেও আমি মানুষ রাত্রি দ্বি-প্রহরে পথে পথে ঘুরলেও [বিস্তারিত আমি মানুষ]

প্রদীপ

একটা বিকেল শুধু চেয়েছি তোমার কাছে, যে বিকেলের রোদে আমার ছায়া পরবে দীঘির জলে। একটা প্রদীপ শুধু চেয়েছি তোমার কাছে, আঁধারে খুজবো তোমায় সে প্রদীপ জ্বেলে।

স্বপ্ন বেহাগের স্বর লহরী

স্বপ্নগুলো মনের কোনে জায়গা হারায়, ইচ্ছেগুলো জীবন পথে স্বপ্ন খুঁজে বেরায়। ফেরারী স্বপ্নগুলো ধরা ছোঁয়ার বাইরে তাই হৃদয় তন্ত্রীতে বাজে স্বপ্ন বেহাগের স্বর লহরী।

প্রশ্নোত্তর পর্বঃ ১ ও ২

প্রশ্নোত্তর পর্বঃ ১ # ঘুম অথবা দিনের আলো কোনটা চাও তুমি? => আমি ঘুম চাই # রাত্রি অথবা ব্যস্ত সময় কোনটা চাও তুমি? => আমি রাত্রি চাই   প্রশ্নোত্তর পর্বঃ ২ # তুমি ঘুম চাও কেন? => নতুন করে স্বপ্ন দেখার জন্য # তুমি রাত্রি চাও কেন? => অনাগত সুর্যের প্রত্যাশায় নির্ঘুম প্রতীক্ষার জন্য

তোমাকে ধন্যবাদ

এতটা আঘাত করার প্রয়োজন ছিল না অনেক দুর্বল ছিল- ক্ষানিক বাদে এমনিতেই মরে যেত সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিল না হেটে যাওয়া তো অনেক পরের ব্যাপার যাই হোক- ওদের কথা বলে লাভ নেই ওরা দুর্বল ওরা নিপীড়িত বেঁচে থাকার অধিকার অতি নগণ্য তাই তো এতটা আঘাত করেছে মরে গেছে হয়তো বাঁচতো আরো কয়েকটা দিন কষ্টের বোঝা [বিস্তারিত তোমাকে ধন্যবাদ]

হাহাকার (এটা কোনো কবিতা নয়, জীবনের একাংশ)

প্রখর রৌদ্রের প্রতাতে তপ্ত রাজপথ হেটে হেটে ক্লান্ত থুতনী বেয়ে টপ টপ করে গড়িয়ে পরছে কপালের ঘাম সুর্য যেন উজার করে বিলিয়ে দিচ্ছে তার সকল উত্তাপ ঘামের ফোঁটায় ঝরে পরছে ক্লান্তির হাহাকার … …

আমার ক্ষুদ্র আকাশ

  আমার ক্ষুদ্র আকাশ, বিশাল আকশের মাঝ থেকে পৃথক হয়ে যাওয়া আমার ক্ষুদ্র আকাশ। চেয়ে দেখি জানালার ফাঁক দিয়ে জ্বলছে শুধু একটি তারা, যেন লক্ষ তারার ভীড়ে আলাদা করে রাখে আমার ক্ষুদ্র আকাশ। তার ক্ষুদ্র প্রয়াস শুধু – প্রতিটি সন্ধ্যায় প্রতিটি আঁধারে আমার ঘরে আলো দেওয়ার, তাকে আলাদা করে রাখে আমার ক্ষুদ্র আকাশ। নিঃশব্দ রাত্রির [বিস্তারিত আমার ক্ষুদ্র আকাশ]

মা আমায় ক্ষমা করো

এ যে আমার শত সহস্র বছরের ঋণ এ যে আমার জন্ম জন্মান্তরের ঋণ এ যে আমায় বাঁচিয়ে রাখার ঋণ এ যে দশ মাসের কষ্টের ঋণ এ যে মায়ের কাছে একটি সন্তানের ঋণ মাগো তুমি আমায় ক্ষমা করো কত কষ্ট দিয়েছি তোমায় তবু কখনো পর করনি শুধু বলেছ – এ আমার সন্তান আমার গর্ব, আমার অহংকার [বিস্তারিত মা আমায় ক্ষমা করো]

বাস্তব কল্পনা

আঁধার রাতের জোছনা আর তারার আলোয় পরিচিত ছায়া, থমকে দাঁড়াই সূর্যের ডাকে বাস্তবতা আকড়ে ধরে ভুলতে পারি না তোমার মায়া। বাস্তবতার শিকল পড়ে স্তব্ধ নয়ন ঝলসে ওঠে, রক্তের ডাকে ফিরে যাই কল্পনায়, অবাক পৃথিবীর নিষ্ঠুর বাঁধনে বন্দী তবুও- দুরন্ত মন খুজছে তোমায়।

প্রত্যাশা – ৩

নির্ঘুম রাত্রির গভীরতায় ডুবে থাকি- অনাগত সুর্যের প্রত্যাশায়, রাত জাগা পাখিরা আমায় গান শুনায় রাত্রির গান, রাত জাগা চাঁদ আমায় আলো দেয় জোছনার আলো, রাত জাগা তারা গুলো আমায় পথ দেখায় সুর্যের পথ, রাত্রির গান শুনে জোছনার আলোয় হেটে যাই অনাগত সুর্যের পথে।

প্রত্যাশা – ২

কিছু বিশ্বাস নিয়ে চলে যাওয়া যায় অনেক দূর, কিছু সত্য নিয়ে কাটিয়ে দেওয়া যায় অনেকটা প্রহর। চারিদিকে বাজে আজ মিথ্যা আর অবিশ্বাসের পদধ্বনি, প্রহর কেটে যায়, চেয়ে আছি ঐ দূরে- হয়তো কেউ আনবে আবার স্বপ্নীল সোনালী প্রভাতের গুঞ্জরনি। (১৫/০৬/২০১০ – সকাল ৭ টা)