তোমার কথা পড়লে মনে, আকস্মিক স্নায়ুচাপ যায় বেড়ে। মস্তিষ্ক থেকে সৃষ্ট হয়ে দেহের- বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অত্যন্ত সুক্ষ্ম তারের মতো স্নায়ুজাল হয় ক্ষতিগ্রস্ত। তীব্র চাপের মুখে পড়ে স্নায়ুগুলো যায় কুঁকড়ে। দুমড়ে মুচড়ে সংকোচিত প্রসারিত হয়। ফলে- বিপর্যয় ঘটে স্মৃতির বিকলাঙ্গ হয় বুদ্ধির অকেজো হয় অঙ্গ-প্রতঙ্গ অকারণে হই ধৈর্যচ্যুত মূর্ছা যাই যখন তখন দীর্ঘদিন… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
#প্রাক্তন❤️ সম্পর্ক বিচ্ছেদের প্রায় সাড়ে চারবছর পরেও যেকোনো দুঃসময়ে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা যেকোন খারাপ পরিস্থিতিতে, অসুস্থতায় সবসময় সবার আগে আমার খোঁজ নেয় "প্রাক্তন" _যে কিনা একটানা ছয়বছর আমার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন শেষ একবছর অন্যের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং নানা টানাপোড়েনের মাধ্যমে আমাদের সম্পর্কের ইতি ঘটে । মনের কোনে প্রাক্তন প্রেমিকের প্রতি আমার এতটুকুও… [বিস্তারিত]
মার্চ মাসের ক্যালেন্ডারের পাতাটি এভাবেই আছে আজো। শেষ এসে বসেছিলাম আমার প্রিয় সবুজে ঘেরা, পাখির কলতানে মুখরিত দুই কক্ষের বাংলো বাড়ির এই অফিস কক্ষে নয় মার্চ। আট মার্চ ঢাকায় প্রিয় একজনের সাথে শেষ বিকেলে বিদায় জানিয়ে লঞ্চে উঠি সন্ধ্যায়। সারারাত লঞ্চে ভেসে ভেসে নয় মার্চ ভোরে বাসায়। বিকেলের দিকে এসেছিলাম এখানে। দীর্ঘ তিনমাস অতিক্রান্ত এর… [বিস্তারিত]
আমাদের দেশে যারা ফার্মেসিতে ড্রাগস বা মেডিসিন বিক্রি করেন তারাই ফার্মাসিস্ট। মেডিসিন বিক্রি করতে হলে এদেশে এখন বাধ্যতামূলক ফার্মাসিস্ট কোর্স করতে হয়। অথচ মফস্বল এলাকায় তিনিও ডাক্তার হিসেবে পরিচিত। ইউনিভার্সিটি থেকে ফার্মেসি বা ফার্মাকোলজি পাশ করা একজনকে যদি কেউ ফার্মেসির সেই ফার্মাসিস্ট বলে মনে করেন সেটি আসলে আমাদের অজ্ঞতা। শব্দগতদিক থেকে একই মনে হলেও গুনে… [বিস্তারিত]
ঝলক-বৃষ্টির ছোঁয়ায় প্রশান্তির-জলেরা গড়ায় আলপথের ভাঁজে ভাঁজে, গ্রীষ্মের দাবদাহ শেষে, ফোটা-ফোটা বৃষ্টিতে জল-ধোয়া পাতারা-ও হাসে সবুজ নিঃশ্বাসে; উষ্ণিত বাতাস দাঁতে দাঁত চাপে, অচিরেই আসবে ফিরে সে নীরব-নিবিড়ে দাহের হাসি ঝুলিয়ে, অনায়াসে ঢুকে যাবে বুকের গভীরে, চ্যাংদোলা করে ফেলে দেবে উত্তপ্ত গিরি খাদের উষ্ণ-প্লাবনে, অগ্নিগিরির জ্বালামুখে; অরণ্য-বৃষ্টি চকচকে খোলা চোখে হাসির ফুলঝুরি ছুটিয়ে গোল-চোখে বলে, ভাঁড়ারের… [বিস্তারিত]
নিঃশব্দ, নিঃসঙ্গ স্মৃতি ধরে আজ বহুমুখী স্বপ্ন ক্ষুধিত দৃষ্টি, ছায়াপথ লুকোয়, প্রেম না-কি বন্দী ঘরে নিঃশব্দে কাঁদছে নিঃসঙ্গ! প্রেম এক নিরেট স্হাপত্য, সৃষ্টিতে অমৃত, তবু যেন নিঃশব্দ প্রার্থনায় অবহেলা নিঃসঙ্গ ক্ষতবিক্ষত? প্রেম স্মৃতির কিনারায় বহুমুখী স্বপ্ন! প্রেম দেখি পজাপতির রঙ ডানায় দেখেছি অশ্রু সিক্ত নয়নে, কখনো নিঃশব্দ, নিঃসঙ্গ, খাঁচায় বন্দী সাদা কাগজে সহস্র অনুভূতি, কবিতার… [বিস্তারিত]
ম্রিয়মান রাত শেষে; আবার আসবে শিশির সিক্ত ভোর। নাঙা পায়ে স্বচ্ছ শিশির যুক্ত দুর্বাঘাস মাড়িয়ে, হেঁটে যাবো দূর বহুদূর... মন ভেজাবো নীলাকাশের নীলে, শরীর ভেজাবো সমুদ্রের সফেন জলে। হাওয়ায় উড়বো, হাওয়ায় ভাসবো জলীয়বাষ্প হয়ে পৌঁছে যাবো অসীমে। মুক্ত হবো, মুক্তি পাবো নিঃশর্তে। এমন মাহেন্দ্রক্ষণের- অপেক্ষায় কাটবে বলো আর কতোকাল? আর কতোকাল থাকবো বসে- ধূসর দিগন্তের… [বিস্তারিত]
বর্ষার ঘনঘন বৃষ্টিভেজা গা নিয়ে ছুটে যেতাম প্রবীণ রেললাইনে। কখনো শিমুল,পলাশের বাগানে। কখনো বা ছুটে যেতাম বায়স্কোপ দেখবো বলে। অপেক্ষায় বসে থাকতাম এ বাড়ি ও বাড়ি হতে কুড়িয়ে পাওয়া দু-একটা টিনের টুকরো দিয়ে হাওয়ার মিঠাই খাওয়ার আশায়। এক ফালি রৌদ্রের আমেজ পেলে ছুটে যেতাম মাঠে সাতরঙা ঘুড়ি উড়াবো বলে। রোজ স্থলপদ্মের গন্ধ গায়ে মাখব বলে… [বিস্তারিত]
বেশ কিছুদিন অনুপস্থিতির পর আবার ফিরে এলাম আপনাদের মাঝে। বাবার অসুস্থতার কারণে এই করোনাক্রান্ত দিনেও সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরের বাড়িতে যেতে হয়েছিল। বাবার শরীরের অবস্থা ভাল নয়, তাই মনটাও ভাল না থাকাটাই স্বাভাবিক। তবুও মধ্যবিত্ত বাধ্যতার কারণে কর্মস্থলে ফিরতে হল অন্যদের মতোই। সাহিত্য- সংস্কৃতির মানুষ হিসাবে প্রকৃতির প্রতি দুর্বলতা আমার সেই ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু আজ… [বিস্তারিত]
বৃষ্টি-ভ্রমণ চালু রেখে ভাবি আর কতটা ভিজলে কাক-ভেজা হতে পারি! মৃত্যুপুরীর পাশ-ঘেঁসে ঢালু পথ বেয়ে করোনা নিকটবর্তী হয়েও দিব্যি বুকে ফুঁ-দিয়ে ইজেলে রঙের পর রঙ চড়াতে পারি! আপনা-আপনি ধীরে-ধীরে গড়ে ওঠা দীর্ঘতর ছায়া-প্রান্তরের মানুষগুলোকে ক্রমান্বয়ে হারিয়ে-যাওয়া দেখতে থাকি! অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মতো; স্পর্শ-অরণ্যে মিশে যাওয়ার আগে গোধূলির শেষ আবির মেখে সচিত্র হৃদয়ের ছাপ আঁকা চিত্রটি কী সোনেলা… [বিস্তারিত]
মহান স্রষ্টা তুমি সর্বশ্রেষ্ঠ তোমার সৃষ্টি সৌরজগতের সব গ্রহ-নক্ষত্র, তুমি আকাশ-পাতাল তুমি সমুদ্রপৃষ্ঠ তুমি জলে, ফলে, জীবে বিরাজমান সর্বত্র। তুমি করুণাময় অসহায়ের সহায়ক তোমার কৃপায় গ্রহ-নক্ষত্র ঘুর্নায়মান, তুমি জীবের জীবন রোগের বাহক তুমি দয়াময়, তুমি ধনী গরিবে সমানসমান। তুমি দয়া করো করুণাময় তোমার কৃপায় ধ্বংস হোক "করোনা", পৃথিবীতে যা হয়, তোমার ইচ্ছাতেই হয় তুমি মুক্ত… [বিস্তারিত]
রুক্ষতাকে বশ করে নেমেছে অঝোর ধারা সকাল-সন্ধ্যা ক্লান্তিহীন, জলতরঙ্গ ছন্দে আনন্দে রন্ধ্রে রন্ধ্রে পুলকিত আবেশে; প্রাণের স্পন্দনে- আগুর বর্ষা এসেছে যেন রাগে অনুরাগে। মিলনের আবডালে, মৌন সম্মতিতে তুমি-আমি আর কবিতা, বেনীআসহকলা'র প্রজ্জ্বলিত সাজে অসীম বৈচিত্রকান্তের লীলায়; এপারে ওপারে- খুনসুটিতে মত্ত মুখোমুখি প্রেম প্রণয়ে। [বিস্তারিত]
করোনায় মানব জীবনের কঠিন এই ক্ষণে কিছু মানুষ জীবনকে আরো কঠিন করার দৃঢ় প্রত্যয়ে জান বাজি রেখে চাপিয়ে দিচ্ছে সব অন্যের উপর। তারপর সেই অন্যজন জীবনের ঝুকি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ছুটছে নিরন্তর মুক্ত হতে হবে ওদের বন্ধন থেকে যেকোন উপায়ে কারণ, বেঁচে থাকার শেষ উপায় যে এটিই তার কাছে। বাড়ির শহরে করোনার রেড সিগন্যাল জ্বলে… [বিস্তারিত]
ক্রমাগত পান-করা-অন্ধকার আর-ও দৃশ্যমান হলে হঠাৎ রৌদ্রকরোজ্জেলতার দূরাভাস ভেসে ওঠে; অভিজ্ঞতার মরিচা-মরিচিকা ঝেড়ে ফেলে অনেক কিছু জানান দিয়ে; হতে পারে হঠাৎ কোন স্ফুলিঙ্গ অভিজ্ঞতার নূতন সোপানে। সামুরাই দেহে ড্রাগন শিরোস্ত্রাণ! এমন ছায়া দেখে হৃদকম্প জাগে, ধুমকেতুর অগ্নিপুচ্ছ দেখে ছিন্ন-প্রাণ কাঁপে, এই ছায়া-ঝড় নিঃস্বতার ভ্রুকুটি; রাত পোহালেই পদ্মপাতার পুকুর-জলে নিজের ছায়া দেখি, ঘনীভূত মেঘ-ছায়া-বৃষ্টির আড়ালে। ছবি… [বিস্তারিত]
যারা আমায় কাঁদিয়েছিল, তারা সবাই কেঁদেছিল একদিন। যারা আমায় ছেড়ে গিয়েছিল, তারা সবাই ফিরে এসেছিল- ফিরি পেতে চেয়েছিল আমায়! কিন্তু আমি সমরেশ মজুমদারের- সেই বয়ে আসা নদী, ছেড়ে যাওয়া ঘাটে যাকে আর- কেউ কখনো ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি। তবে তুমি! তোমার বেলায় এর ব্যতিক্রম কেন? কেন শত সহস্র উপেক্ষার পরেও- বার বার তোমাতেই ফিরে আসি?… [বিস্তারিত]
























