সাতসকালে যদি মহুয়ার ফুল ফুটে তবে আমি তোমায় নিয়ে যাব সুকৃতি গ্রামে। এখানকার মাটি লাল। নদী বহতা। আছে গোয়ালভরা গরু। আছে মাঠভরা শস্য। সে গ্রামের নরত্তোম ঘোষ ভরদুপুরে দইয়ের ভার কাঁধে নিয়ে এ পাড়া থেকে অন্য পাড়ায় ছুটে বেড়ায়! মনু মাঝি নদীর কলকল ধ্বনিতে ভাটিয়ালি গান ধরে। দূরের শালবন থেকে ভেসে আসে রাখালিয়া বাঁশির ভৈরবীরাগ।… [বিস্তারিত]

প্রদীপ চক্রবর্তী
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৭ বছর ৫ মাস ৮ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৬৭টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ২৮৬১টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫২৫টি
প্রিয় পোস্টঃ ১২টি
- দুর্গা পূজার মাহাত্ম্য (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)
- তাসনুভা আনান শিশির- বাংলাদেশের প্রথম ট্রান্সজেন্ডার সংবাদ পাঠিকা
- প্রণমি তোমায়
- শৈশবের স্মৃতি
- এ বিজয়
- দুর্গা শব্দের বিশ্লেষণ কী? এবং দেবীর গমনাগমন ও প্রণমী বন্দনায় আগমনী মা।
- ভালোবাসার অভিসার
- “পর্বতকন্যের ইতিকথা” উপন্যাসটি নিয়ে কিছু কথা-
- অমর একুশে বইমেলা ২০২০ উপলক্ষে সোনেলার ব্লগারদের প্রকাশিত বইসমূহ
- পর্বতকন্যের ইতিকথা
- পর্বতকন্যের ইতিকথা
- ভারত উপমহাদেশের মহিয়সী নারীরা
শরৎকাল মানেই শারদীয়া দুর্গাপূজা! তাই প্রকৃতি ধীরে ধীরে মেতে উঠেছে শরতের সাজে। আর এ শরতে বাঙালি সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় পূজা হচ্ছে দুর্গাপূজা। এ পূজাকে ঘিরে কত প্রস্তুতি, পরিকল্পনা আর আনন্দ ইতিমধ্যে সাড়া জাগিয়ে তুলেছে সবার মনে। চারদিক ফুলের ঘ্রাণে সুবাসিত। শরতের ছোঁয়ায় কাশগাছ ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। ইতিমধ্যে কুমোরটুলি কিংবা কুমোরপাড়ায় প্রতিমা তৈরির… [বিস্তারিত]
সুনীলদা'র মতো পাহাড় কিনতে পারি নি বলে আজও কেউ ভালোবাসেনি! কেউ কথা রাখেনি। এমনকি কেউ পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয় নি। আমারও তো পাহাড় কেনার সখ ছিলো। খুব করে ভালোবাসবার ইচ্ছে ছিলো। স্বপ্ন ছিলো সবুজ দূর্বাঘাসের উপর দাঁড়িয়ে রাতের জোছনা দেখবার। কথা ছিলো শীতার্ত ও সকরুণ সুরে ডাকা ডাহুকের আত্মকাহিনী নিয়ে লেখা! আর কি কথা ছিলো… [বিস্তারিত]
তুমি প্রেম ছুঁয়ে দেখো নি বলে আমি কি তোমায় ছুঁতে পারি না? দুচোখ ভরে দেখব বলে, তোমার দিকে নির্নিমেষে কি চেয়ে থাকতে পারি না? তোমার চুলে যখন রাঙামাটির ফুল গুঁজে থাকে তখন ভীষণ ঈর্ষা হয় তোমার প্রতি। নদী যখন তোমায় ডাকে আমি তখন তোমায় মধুমাধবী রাগে থামিয়ে রাখি! তা কি তুমি জানো? আজ বৈশাখের প্রথম… [বিস্তারিত]
তুমি অভিমান ভেঙে ফিরে এসো। আমি এক বিকেলের পাহাড়ি মেলা থেকে রঙিন ঘুড়ি কিনে দেবো। চুলের খোঁপায় গুঁজে দেবো সাতসকালের রজনীগন্ধা! ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমুর দিব্যি দেবো। তোমার বুকের ভেতর এঁকে দেবো সপ্ত এক প্রতিমা! অজস্র কোলাহলের মাঝে তোমাকে আগলে রাখবো। কপালে পরিয়ে দেবো ছোট্ট একটা টিপ। কবিতায়, গল্পে, উপন্যাসে লিখে দেবো তোমার নাম। কেবল… [বিস্তারিত]
এবার শেষবারের মতো তোমার শহর ছেড়ে চলে যাচ্ছি। অনেক দূর। যাচ্ছি কোন এক মৌন পাহাড়ের দেশে। যেখানে নিজের মতো করে নিজেকে তৈরি করতে পারা যায়। কাউকে পেয়ে নয়। বরং তোমার ভীষণ অবহেলা আর অভিজাততন্ত্রের অহংকারে, চলে যাচ্ছি বহুদূর। জানি, এ নিয়ে তোমার কোন মাথাব্যথা নেই। নেই কোন হারাবার ভয়। আমি নামক মানুষটা ছাড়া তুমি কখনো… [বিস্তারিত]
একটুকরো বিকেল। রোদের আলোয় হাসিছে কচি কচি ধানের গুচ্ছ। তারি উপর দিয়ে উড়ে বেড়ায় একঝাঁক বক। তাদের ডানায় ভর করে সূর্য দিগন্ত ছোঁয়। অশ্বত্থ, হিজল সেসবের ডাল জুড়ে পাখিদের আবাসন। মেঘমুক্ত আকাশ। রাস্তার মোড়ে মোড়ে গ্রামীণ হাট। মহিষের কাঁধ চড়ে রাখাল বালকের ঘরে ফেরা! সূর্য যত পশ্চিমে এলিয়ে আসে নদী তখন ক্লান্তির অবসান কাটে। সারাদিন… [বিস্তারিত]
চারদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ শিহরন। শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রাণের উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। আজ রবিবার মহাপঞ্চমী। কাল মহাষষ্ঠী। আর এ মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন। এ বোধন মানে জাগরণ বা শিহরণ। ইতিমধ্যে খড়-কঞ্চি-মাটি-রঙ কর্মযজ্ঞে দেবী দুর্গার রূপদান সমাপ্ত হয়েছে। শাস্ত্র মেনে ত্রিনয়নী দেবীর চক্ষুদান হবে আগামীকাল। শরৎ মানে কাশফুলের গন্ধে আগমনী বার্তা।রামচন্দ্রের অকাল বোধনে দেবী দুর্গার… [বিস্তারিত]
এ শরৎ চৈত্রদগ্ধের মতো! এখানের শান্ত নদী মৃদুভাবে ঢেউ খেলে। দূর হতে আসে অহমীয়া লোকগীতির সুর। কি সুন্দর তার ছন্দ! মন ভুলানো বাঁশির রাগ। যে বাঁশির রাগে কিশোরী ঘর ছেড়েছে। আজও খুঁজে ফিরে তন্নতন্ন করে সে বাঁশিওয়ালাকে। মাঠভর্তি ইরিধান, নদীর তীরে কাশফুল আর ধানক্ষেতের আলপথ জুড়ে দূর্বাদল। সেসব কিছু দক্ষিণা হাওয়ায় এক্কাদোক্কা খেলে মিতালী মুখর… [বিস্তারিত]
শরতের আকাশে যখন রোদ ভরা গল্প নামে আমি তখন চলে যাই ময়ূরাক্ষীর তীরে। এখানে আছে কেবল শান্ত বাতাস, লাল মাটির গন্ধ আর মাঝির কণ্ঠে ভাটিয়ালি গান। বিকেল হলে শহরের রোদ যখন হাওরের বুকে এসে পড়ে তখন মনে হয় কেউ একজন তার মনের মাধুরী দিয়ে সাজিয়ে রেখেছে। কি অপার প্রকৃতির মুগ্ধতা। যেখানে জড়িয়ে আছে বনলতার শিল্পশালা।… [বিস্তারিত]
তোমাকে চাইতে গিয়ে ক্ষয় হয়ে যাওয়া আয়ু পুনরায় দীর্ঘজীবী হয়ে উঠেছে। যেখানে ঈশ্বরের পরিপূর্ণ আশীর্বাদ ছিলো। প্রতি বসন্তে যখন নিয়ম করে অসুখ আসে, তখন পৃথিবী আমায় মৃত মানুষের কাছে নিয়ে যায়! অথচ এখনো সে বসন্ত আসেনি। এবার এসেছে অন্যরকম এক বসন্ত! যে বসন্ত জুড়ে কেবল মানুষের মৃত্যুভয় আর বেঁচে থাকার আকুতি। এসবে আমায় পাঠিয়ে দিলেন,… [বিস্তারিত]
কে তুমি? চাইছো কি, এ পথ প্রান্তরের গভীর শালবনে। কি চাইছো তুমি, নাকি শরতের শিউলি ঝরা সকাল? জানো না তুমি, শরৎ আসতে যে এখনো ঢের দেরি। বড্ড অভিমান করে আছো, তাই না বুঝি ? সকাল থেকে অঝোর ধারায় ঝরছে শ্রাবণের বৃষ্টি। নিমের কচি পাতা মাথা নুয়ে আছে। উঠোনের ভেজা মাটিতে আছে পড়ে মাধবীলতা। ঐ দূর… [বিস্তারিত]
একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখো। সবে পূর্ণিমারচাঁদ। সে এক চাঁদ নয়, দেখতে অবিকল তোমার মতো এক ষোড়শী কিশোরী। খোঁপায় ঝিনুকের মালা। কর্ণে গ্রথিত মহুয়াফুল। চোরাবালির মতো চিকচিক করছে নাকের নোলক। একবার আকাশের দিকে তাকাও, দেখতে পাবে সে চাঁদ অবিকল তোমার মতো। রূপোলী জ্যোৎস্নায় মাঠভরা ইরিধান। গাভীর পদচিহ্নে জমে থাকা বৃষ্টির জল। নববধূর কণ্ঠে ব্রজবুলি। চারদিক… [বিস্তারিত]
পূবের হাওয়া এখনো নামেনি পৃথিবীর বুকে। সবুজ মাঠের উপর এক পরিচ্ছন্ন রঙিন বিকেল। এ বিকেলে, ধানের ডগায় ঘাসফড়িঙ আর প্রজাপতি এসে দোল খায়। একে একে সন্ধ্যা নামে। আকাশের বুকে ধবল গাভীর মতো মেঘেরা চরে বেড়ায়। থেমে যায় দূর হতে আসা রাখালিয়া বাঁশির ধ্বনি। ভাটিয়ালি গানে নদীর তীরে এসে তরী ঠেকে। চারদিক জুড়ে মধুমালতি আর কামিনী… [বিস্তারিত]
আমার জন্ম হয়নি কবিতা লেখার জন্য। অথচ আমি কবিতা লিখছি। যাঁর ঔরসে আমার জন্ম সেও কবিতা লেখেনি! লেখেননি আমার পূর্বপুরুষগণ। তাহলে আমি কেন কবিতা লিখছি? আমি তো ঈশ্বরের বরপুত্র নয়। নয় আমি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের বংশধর। এমনকি কেউ পাঠায়নি ব্যাকরণের নিয়ম ভেঙে কিছু শব্দ ক্ষতবিক্ষত করে কবিতা লিখতে। অথচ প্রতিনিয়ত শব্দ এসে জমা হয় আমার কাছে।… [বিস্তারিত]















